শামীম আহমেদ, বরিশাল ব্যুরো . জেলার উজিরপুর উপজেলার সাংবাদিক শাকিল মাহমুদ বাচ্চকে কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই উজিরপুর থানা পুলিশ ও দুদক রবিবার দুপুরে শিকারপুর বন্দরে প্রশান্ত শীলের সেলুন থেকে গ্রেফতার করে প্রকাশ্যে হাতকড়া লাগিয়ে এএসআই জাহাঙ্গীর হোসেন ও আল আমিন শিকারপুর বাজার ঘুরিয়ে শিকারপুর পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে রাখে। পরে ব্যবসায়ী সহ শতশত মানুষ তার আটকের কারন জানতে চাওয়ায় তড়িঘরি করে উজিরপুর থানায় নিয়ে ওসি শিশির কুমার পাল শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে আদালতে সোপর্দ করে। পরে বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ বা ওয়ারেন্ট না থাকায় তাকে মুক্তি দানের আদেশ দেন। তাকে গ্রেফতার করা দুদকের কর্মকর্তাদের আদালতে তলব করে ব্যাখ্যা চান। এদিকে সাংবাদিক শাকিল মাহমুদ বাচ্চু কে পুলিশ ও দুদক গ্রেফতার করায় বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। জানাগেছে, শিকারপুর রূপালী ব্যাংকে একটি একাউন্টের পরিচিতি হিসাবে শাকিল মাহমুদ বাচ্চু স্বাক্ষর করলে ওই একাউন্টধারী ব্যাংকের টাকা জালিয়াতি করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় শাকিল মাহমুদ বাচ্চুকে আসামী না করা হলেও পুলিশ চার্জশীটে তাকে আসামী করে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলা নং- জিআর ৭৫/০৪। সেই থেকে শাকিল মাহমুদ বাচ্চু ওই মামলায় জামিন নিয়ে নি¤œ আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছেন নিয়মিতভাবে। জামিনে থাকা সেই মামলায় আটক দেখিয়ে পুলিশ ও দুদক তাকে গ্রেফতার করে দু-হাতে হ্যান্ডকাফ ও কোমড়ে দড়ি বেঁধে আদালতে সোপর্দ করে। এ সংবাদ বরিশালে মিডিয়া কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে আদালত পাড়ায় ভিড় জমায় মিডিয়া কর্মী ও শিকারপুর এলাকার ব্যবসায়ী কমিটির নের্তৃবৃন্দ সহ সুধীজনরা। বিকালে শাকিল মাহমুদ বাচ্চু বরিশাল আদালতের হাজতখানা থেকে মুক্তি লাভ করলে তাকে ফুল দিয়ে বরন করে নেন সাংবাদিক ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন পেশা শ্রেনীর মানুষ। শাকিল মাহমুদ বাচ্চু জানিয়েছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে উজিরপুর থানা পুলিশ ও দুদকের কর্মকর্তারা তাকে আটক করে নানভাবে নির্যাতন ও মানহানী করার আপচেষ্টা চালায়। বাচ্চু আরও অভিযোগ করেন, ওসি শিশির কুমার পাল’র বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি নিজে থানায় তাকে নানাভাবে নির্যাতন ও গালিগালাজ করেন। এমনকি যে, পুলিশ পিকআপে তাকে আদালতে পাঠান হয় সেই পিকআপে দু হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে কোমড়ে রশি বেঁধে বসে থাকা পুলিশের পায়ের কাছে বসিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।Post Top Ad
বরিশালে সাংবাদিক গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ *চার ঘন্টা পর মুক্তি
শামীম আহমেদ, বরিশাল ব্যুরো . জেলার উজিরপুর উপজেলার সাংবাদিক শাকিল মাহমুদ বাচ্চকে কোন ওয়ারেন্ট ছাড়াই উজিরপুর থানা পুলিশ ও দুদক রবিবার দুপুরে শিকারপুর বন্দরে প্রশান্ত শীলের সেলুন থেকে গ্রেফতার করে প্রকাশ্যে হাতকড়া লাগিয়ে এএসআই জাহাঙ্গীর হোসেন ও আল আমিন শিকারপুর বাজার ঘুরিয়ে শিকারপুর পুলিশ ক্যাম্পে নিয়ে রাখে। পরে ব্যবসায়ী সহ শতশত মানুষ তার আটকের কারন জানতে চাওয়ায় তড়িঘরি করে উজিরপুর থানায় নিয়ে ওসি শিশির কুমার পাল শারীরিক ভাবে নির্যাতন করে আদালতে সোপর্দ করে। পরে বরিশাল সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতের বিচারক সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগ বা ওয়ারেন্ট না থাকায় তাকে মুক্তি দানের আদেশ দেন। তাকে গ্রেফতার করা দুদকের কর্মকর্তাদের আদালতে তলব করে ব্যাখ্যা চান। এদিকে সাংবাদিক শাকিল মাহমুদ বাচ্চু কে পুলিশ ও দুদক গ্রেফতার করায় বিভিন্ন মহলে নিন্দার ঝড় বয়ে যায়। জানাগেছে, শিকারপুর রূপালী ব্যাংকে একটি একাউন্টের পরিচিতি হিসাবে শাকিল মাহমুদ বাচ্চু স্বাক্ষর করলে ওই একাউন্টধারী ব্যাংকের টাকা জালিয়াতি করায় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ একটি মামলা দায়ের করে। ওই মামলায় শাকিল মাহমুদ বাচ্চুকে আসামী না করা হলেও পুলিশ চার্জশীটে তাকে আসামী করে অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। মামলা নং- জিআর ৭৫/০৪। সেই থেকে শাকিল মাহমুদ বাচ্চু ওই মামলায় জামিন নিয়ে নি¤œ আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছেন নিয়মিতভাবে। জামিনে থাকা সেই মামলায় আটক দেখিয়ে পুলিশ ও দুদক তাকে গ্রেফতার করে দু-হাতে হ্যান্ডকাফ ও কোমড়ে দড়ি বেঁধে আদালতে সোপর্দ করে। এ সংবাদ বরিশালে মিডিয়া কর্মীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে আদালত পাড়ায় ভিড় জমায় মিডিয়া কর্মী ও শিকারপুর এলাকার ব্যবসায়ী কমিটির নের্তৃবৃন্দ সহ সুধীজনরা। বিকালে শাকিল মাহমুদ বাচ্চু বরিশাল আদালতের হাজতখানা থেকে মুক্তি লাভ করলে তাকে ফুল দিয়ে বরন করে নেন সাংবাদিক ব্যবসায়ী সহ বিভিন্ন পেশা শ্রেনীর মানুষ। শাকিল মাহমুদ বাচ্চু জানিয়েছেন, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে উজিরপুর থানা পুলিশ ও দুদকের কর্মকর্তারা তাকে আটক করে নানভাবে নির্যাতন ও মানহানী করার আপচেষ্টা চালায়। বাচ্চু আরও অভিযোগ করেন, ওসি শিশির কুমার পাল’র বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় তিনি নিজে থানায় তাকে নানাভাবে নির্যাতন ও গালিগালাজ করেন। এমনকি যে, পুলিশ পিকআপে তাকে আদালতে পাঠান হয় সেই পিকআপে দু হাতে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে কোমড়ে রশি বেঁধে বসে থাকা পুলিশের পায়ের কাছে বসিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।বরিশালে জনগনের দাবি নির্বাচনী ইস্তেহার "সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।
শহীদুল . জনগনের দাবি তার নির্বাচনী ইস্তেহার সেই সাথে আগামী ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ। শনিবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্যা প্রেস সংবাদ কর্মীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন । এসময় তিনি বিএনপির প্রার্থীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, অভিজ্ঞ প্রার্থীর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দিতা
করার সুযোগ আমার জন্য একটি সৌভাগ্যের ব্যাপার। তিনি (সরোয়ার) বরিশালে
চাঁর বার এমপি ছিলেন, সিটি কর্পোরেশনের
মেয়র ছিলেন, তার মতো একজন প্রার্থীর বিপক্ষে আমি প্রতিদ্বন্দিতা করছি। সাদিক আব্দুল্লাহ আরো বলেন, সিটি নির্বাচনের মেয়র প্রার্থী বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি মজিবর রহমান সরোয়ার। তাকে আমি কাকু বলে সম্বোধন করি। তার সঙ্গে আমাকে অনেক জায়গায় হয়তো দেখেছেনও। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য করে সাদিক আব্দুল্লাহ আরও বলেন, আমি বলবো না আপনারা আমার পক্ষে লেখেন, আমি খারাপ কাজ করলে তা অবশ্যই লিখবেন। বরিশালের মানুষের স্বার্থে যেটা ভালো হবে সেটা লিখবেন এই অনুরোধ থাকবে আপনাদের কাছে। বিগত দিনে আপনারা দেখেছেন আমি যা বলি তা করার চেষ্টা করি, ভবিষ্যতেও তাই হবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল, সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট আফজালুল করিম, সাধারণ
সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ কে এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ও বরিশাল রিপোর্টাস ইউনিটির সভাপতি নজরুল বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক বাপ্পী মজুমদার, সাবেক সভাপতি আনিচুর রহমান স্বপন, সাংবাদিক
সুশান্ত ঘোষ প্রমুখ।
