মনবীর আলম খান. বরিশাল নগরীর কলেজ
এভিনিউ বড় পুকুরপাড় মারিয়ান ভিলার নিচ তলায় সোমবার দুপুরের আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে
স্থানীয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে। আত্মহত্যাকারী বিএম কলেজে অনার্স প্রথম বর্ষের ছাত্র কাউখালি উপজেলার তেতলা গ্রামের
রতন হালদারের ছেলে রিদয় (১৮)। নিহতের কাকা অপূর্ব জানান, একসাথেই থাকি আমরা আজ সকাল ১০টায় আমি কলেজে যাই এরপর ২ টা ৪৫ মিনিটের দিকে রুমে
ফিরে এসে দরজা নককরি দরজা না খুল্লে জানালার ফাঁকা দিয়ে দেখি ফ্যানের সাথে গলায় ফাঁস
দিয়ে ঝুলে আছে রিদয়। ঘটনাস্থলে কোতয়ালী
থানার এস আই খায়রুল এসে লাশ বের করেন।
Post Top Ad
Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts
Showing posts with label বাংলাদেশ. Show all posts
বরিশালের সুপারি, রফতানি হচ্ছে বিদেশে
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক. বরিশালের রাজাপুর উপজেলার
ঐহিত্যবাহি বাগড়ি সাতুরিয়া সহ দক্ষিনাঞ্চলে সুপারি কেনাবেচার হাট জমে উঠেছে। এ ছাড়াও বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলা উপজেলাসহ লেবুবুনিয়া, বাদুরতলা,নলছিটি,ভোলা,পটুয়াখালী,বরগুনা ও মীরেরহাটে প্রতিদিন বাইরে থেকে ভীড় জমাচ্ছেন শত শত কৃষক এবং পাইকার। বিনা খরচে ও পরিচর্যায় উৎপাদিত এ সুপারি প্রতিদিন কেনা-বেচা চলছে লক্ষ লক্ষ টাকার। রাজাপুরের ৬ ইউনিয়নেই এবার সুপারির বাম্পার ফলন হয়েছে। স্থানীয় বাজারগুলোতে এ বছর সুপারির দামও ভালো। ফলন ও দাম ভালো পাওয়ায় খুশি চাষিরা। রাজাপুরে উৎপাদিত সুপারি জেলার চাহিদা মিটিয়ে বস্তায় প্যাকিং করে ট্রাকে করে পাঠানো হচ্ছে
দেশের নানা প্রান্তে এমনকি রফতানি হচ্ছে বিদেশেও। সুপারি কিনতে দূর-দূরান্তের পাইকাররা এখন স্থানীয় বাজারগুলোতে
ভিড় জমাচ্ছেন। সরেজমিনে রাজাপুরের বাগড়ি, পুটিয়াখালি, বাদুরতলা, লেবুবুনিয়া, গালুয়া ও সাতুরিয়া সুপারি কেনাবেচার
হাটে গিয়ে দেখা গেছে, প্রতিদিন এ হাটে জেলা ও জেলার
বাইরে থেকে ভিড় জমাচ্ছেন শত শত কৃষক এবং পাইকার। বেচাকেনা হচ্ছে লাখ লাখ টাকার সুপারি। পাইকাররা এখান থেকে সুপারি কিনে মজুদদারদের কাছে বেশি দামে বিক্রি
করে থাকেন। এক সময় ফিলিপাইন ও নিকোবর থেকে
আমদানিকৃত এশীয় পামগাছ এরিকা কাটচু জাতের এ ফলটি বাংলাদেশের প্রায় সব জেলায় আবাদ হলেও
বরিশাল ও খুলনা বিভাগে বেশি জন্মে। একবার এ গাছ লাগালে তেমন কোন পরিচর্যা ছাড়াই ৩০-৩৫বছর ফলন দেয়। কৃষকরা জানিয়েছেন, একবার এ গাছ লাগালে তেমন কোনো পরিচর্যা ছাড়াই ৩০-৩৫ বছর ফলন দেয়। এতে আয় হয় ধানের চেয়ে তিন-চারগুন বেশি। তেমনিভাবে সুপারিও বেশি ফলে। তাই এ অঞ্চলের কৃষকরা সুপারি চাষের দিকে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। তা ছাড়া সুপারি বাগানে অনায়াশে লেবু, হলুদসহ বিভিন্ন ফসল চাষ করা যায়। রাজাপুর উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রাজাপুর উপজেলার ৫৪টি গ্রামের ৩০০ হেক্টর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা সুপারির
বাগানে বাম্পার ফলন হয়েছে। অনেকে আবার বাড়ির পাশে সুপারি গাছ লাগিয়েও ভালো ফলন পেয়েছেন। গত এক যুগের মধ্যে এ বছর সবচেয়ে বেশি ফলন হয়েছে বলে দাবি করছে
কৃষি বিভাগ। বর্তমানে স্থানীয় বাজারগুলোতে
সুপারির দামও বেশ ভালো থাকায় সুপারি বাগান মালিকরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। বাজারগুলোতে স্থানীয় হিসাব মতে প্রতি কুড়ি (২১০টি সুপারিতে এককুড়ি)
সুপারির মূল্য ২শ’ থেকে ৩শ’ ৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। স্থানীয় বাজার ও বাগানগুলো থেকে দেশের বিভিন্ন স্থানের পাইকাররা এসে সুপারি কিনে
নিচ্ছেন। তাদের মাধ্যমে দেশের বিভিন্নস্থানে
চলে যাচ্ছে রাজাপুরের সুপারি। দক্ষিণাঞ্চলের মধ্যে রাজাপুরের সুপারির সুখ্যাতি থাকায় পাইকারদের হাত ঘুরে বড়জাতের
সুপারি দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রফতানি হচ্ছে। রাজাপুরের চাড়াখালি এলাকার সুপারির বাগান মালিক কিসমত ফরাজী
বলেন, কয়েক বছরের চেয়ে এ বছর ফলন হয়েছে তিনগুন। আর সুপারির আকারও হয়েছে অনেক বড়। এ বছর আমি লক্ষাধিক টাকার সুপারি বিক্রি করতে পারব বলে আশা করছি। একই গ্রামের রাসেল বেপারী বলেন, আমার দুই একর জমিতে সুপারির বাগান রয়েছে। এ বছর বৃষ্টির কারণে সুপারির ফলন ভাল হয়েছে। কোনো পোকার আক্রমণও নেই। আমি ইতোমধ্যে দুই লাখ টাকার সুপারি বিক্রি করেছি। বাগানে আরও সুপারি রয়েছে। মীরেরহাট গ্রামের বাসিন্দা মোসলেম আলী বলেন, আমার বাপ দাদার আমলের সুপারির বাগান। এ বছরের মত এত ফলন আগে দেখিনি। আমাদের বাগানের সুপারি বাজারে বিক্রির জন্য নেয়া লাগে না। পাইকাররা বাগান থেকেই সুপারি কিনে নেন। রাজাপুরের বাঘরি বাজারে ভ্যানে করে সুপারি নিয়ে আসা মো. হাসান
বলেন, এক ভ্যান সুপারি এক হাজার টাকায় বিক্রি করেছে। এগুলো পাইকাররা কিনে ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রামের বাজারে বিক্রি করেন। চট্টগ্রাম থেকে সুপারি কিনতে আসা পাইকার গিয়াস উদ্দিন বলেন, আমরা এখান থেকে সুপারি কিনে ট্রাকযোগে চট্টগ্রাম নিয়ে যাই। সেখানে গিয়ে আড়তে সুপারির আকার নির্ধারণ করে বড় সাইজগুলো বিদেশে
রফতানির জন্য মজুদ করি। অন্যান্য সুপারিগুলো দেশের
বিভিন্ন প্রান্তে চালান করছি। রাজাপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রিয়াজ উল্লাহ বাহাদুর বলেন, এ বছর সুপারি চাষের জন্য অনুকূল আবহাওয়া সৃষ্টি হওয়ায় এ অঞ্চলে সুপারির ফলন অত্যাধিক
ভালো হয়েছে। যা দেখে এলাকার মানুষ সুপারি
চাষে আরো উৎসাহী হবে। সুপারি বাগান মালিকরা প্রতি বছরই সুপারি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। ঝালকাঠি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শেখ আবুবকর
সিদ্দিক জানান, জেলায় চলতি মৌসুমে ৫০০ হেক্টর
জমিতে সুপারির আবাদ হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় এ ফসলটি গ্রামীণ অর্থনীতিতে ব্যাপক অবদান রাখছে।বরিশালে আওয়ামী লীগের পাঁচশ’ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা *অর্ধশতাধিক পরিবারকে উৎখাত
শামীম আহমেদ . সংখ্যালঘু সম্প্রদায় অধ্যুষিত জেলার উজিরপুর উপজেলার শিবপুর
ও পশ্চিম সাতলা গ্রামের পুরুষরা কৃষি কাজ ও মাছ চাষ করে তা বিক্রির মাধ্যমে জীবিকা
নির্বাহ করে আসছেন। ওই এলাকার বাসিন্দাদের পূর্ব পুরুষের আমল থেকে ভোগদখলীয় সম্পত্তির
ওপর লোলুপ দৃষ্টি পরেছে এক প্রভাবশালীর। সূত্রমতে, ইতোমধ্যে প্রতারক চক্রের মাধ্যমে ভূয়া কাগজপত্র তৈরি করে
ওইসব এলাকার কৃষকদের সহয় সম্পত্তির মালিকানা দাবি করে দীর্ঘদিন থেকে মিথ্যে মামলা দায়ের
করে হয়রানী করে আসছেন ওই প্রভাবশালী। ইতোমধ্যে লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়সহ প্রায়
অর্ধশতাধিক নিরিহ পরিবারের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের সহয় সম্পত্তি দখল করে গ্রাম থেকে
উৎখাত করা হয়েছে। স্থানীয়
অসংখ্য আওয়ামী লীগ নেতাসহ প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবারের সম্পত্তি দখলে ব্যর্থ হয়ে প্রভাবশালী
ওই ব্যক্তি তার সহযোগিদের দিয়ে দেশের বিভিন্ন থানায় অসংখ্য মামলা দায়ের করে হয়রানী
করে আসছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। সকল অভিযোগের তীর এক সময়ের জাহাজের ক্যাপ্টেন পদে চাকরি করে
আলাদিনের চেরাগ পেয়ে একটি বেসরকারী ব্যাংকের মালিকসহ বর্তমানে শিল্পপতি দাবিদার বানারীপাড়া
উপজেলার সলিয়াবাকপুর গ্রামের বাসিন্দা এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের বিরুদ্ধে। ভূক্তভোগীরা
অভিযোগ করেন, হঠাৎ করে বিশাল বিত্তবৈভবের মালিক বনে যাওয়া এম মোয়াজ্জেম হোসেন
গত দুই মাস ধরে আওয়ামী লীগ নেতা দাবি করে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর)
আসন থেকে দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসেবে তোরন নির্মান, ব্যাপক
পোষ্টারিং ও ফেস্টুন সাটিয়ে নিজেকে জানান দিচ্ছেন। এমনকি
তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা ও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ত্রী আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি’র ছবি সংবলিত ব্যানার বানিয়ে
হাতির পিঠে বেঁধে গণসংযোগের নামে জাতীয় নেতাদের অবমূল্যায়ন করে চলেছেন। আর এতে
মোটা অংকের টাকা পেয়ে উৎসাহ যোগাচ্ছেন
স্থানীয় সুবিধাবাদী কতিপয় নেতা। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বসন্তের
কোকিলের ন্যায় নির্বাচনী মাঠে এসে আপত্তিকর কর্মকান্ডের মাধ্যমে ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম
হোসেনের উত্তপ্ত করে তোলার বিষয়টি ভালো চোখে দেখছেন না খোঁদ দক্ষিণাঞ্চলের আওয়ামী লীগের
একমাত্র অভিভাবকখ্যাত জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি। এজন্য
তিনি কয়েকজন নেতাকে শ্বাসিয়েছেন বলেও সূত্রগুলো দাবি করেছেন। সরেজমিনে
শিবপুর ও পশ্চিম সাতলা গ্রাম ঘুরে একসময় জাহাজের ক্যাপ্টেন হিসেবে চাকরি করা এম মোয়াজ্জেম
হোসেন বাবুলের নানা অপকর্মের বিস্তার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি
সময়ে তার (মোয়াজ্জেম) ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী তান্ডব চালিয়ে সংখ্যালঘুসহ প্রায় অর্ধশতাধিক
পরিবারের সহয় সম্পত্তি দখল করে নিয়েছে। তান্ডবের একপর্যায়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ওইসব পরিবারের
সদস্যরা। শিবপুর গ্রামের হিন্দু সম্প্রদায়ের নিপেন বাড়ৈ জানান, তাদের
বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্বেও ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম তার সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তাদের
দুই একর জমি জোরপূর্বক দখল করে নিয়েছে। জালজালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র বানিয়ে তাদের আরও ৭৮ শতক জমির
উপর মিথ্যা মামলা দিয়ে জবরদখল করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বরিশাল
জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাসুম বিল্লাহ বলেন, ২০১০
সাল থেকে ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল আমাদের ক্রয়কৃত ও পৈত্রিক ওয়ারিশসূত্রের
১২ একর সম্পত্তি দখলের পায়তারা শুরু করেন। বেশ কয়েকবার ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে
আমাদের জমি দখলের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। এতে ক্ষুব্ধ
হয়ে মোয়াজ্জেম আমাকে (মাসুম) সহ অন্যান্য ওয়ারিশদের সম্পত্তি দখল করার জন্য বিভিন্ন
থানায় মোট সাতটি মিথ্যা ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে। তিনি
আরও জানান, ১৯৩৮ সাল থেকে তারা সম্পত্তির বৈধ মালিক হিসেবে ভোগদখল করে
আসলেও ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম তা ভূয়া ডিক্রির মাধ্যমে ক্রয়সূত্রে মালিকানা দাবি করেন। তার দাবি
অনুযায়ী ১৯৬৯ সালের ৩৮৫ নং দেওয়ানী মোকদ্দমার ডিক্রির সাসির্ংয়ে কোন কেচ নেই বলেও আদালত
থেকে তাদের জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তার পরেও অবৈধ টাকার বিনিময়ে মোয়াজ্জেম হোসেন তার সন্ত্রাসী
বাহিনী নিয়ে তাদের সহয় সম্পত্তি দখল করার জন্য হামলার পর এবার একের পর এক মিথ্যে মামলা
দিয়ে হয়রানী শুরু করেছেন। সাতলা ইউনিয়নের ৩নং (শিবপুর) ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ
সম্পাদক ও সাবেক সেনা সদস্য কাঞ্চন হাওলাদার বলেন, জাহাজের
ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন ও তার সহযোগী সন্ত্রাসীরা দীর্ঘদিন থেকে আমার ভোগ দখলীয়
জমি দখলের চেষ্টা চালাচ্ছে। তার অবৈধ দখলে বাঁধা প্রদান করায় সে আমার বিরুদ্ধে একাধিক
মামলা দায়ের করে হয়রানি করে আসছে। শিবপুর গ্রামের মরিয়ম বেগম ও আলেয়া বেগম বলেন, ক্যাপ্টেন
মোয়াজ্জেম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীরা আমাদের ক্রয়কৃত এবং পৈত্রিক সম্পত্তি দখলের চেষ্টা
চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে একাধিক মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। মিথ্যে
মামলায় হয়রানীর শিকার হয়ে এখন আমরা মানবেতর জীবনযাপন করছি। ওয়ার্ড
আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ইব্রাহিম হাওলাদার বলেন, পৈত্রিক
ও ক্রয়কৃত তিন একর সম্পত্তি দখলের জন্য ভূয়া ডিক্রি করে ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম ইতোমধ্যে
আমার বিরুদ্ধে পাঁচটি মিথ্যা মামলা দায়ের করেছেন। পশ্চিম
সাতলা গ্রামের বাসিন্দা ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য ইকবাল বালী জানান, তার ক্রয়কৃত
দশ একর ৬৮ শতক সম্পত্তি দখল করার জন্য মোয়াজ্জেম তার বিরুদ্ধে পাঁচটি মিথ্যা মামলা
দিয়ে হয়রানি করে আসছে। এছাড়া তাকে হত্যার জন্য হুমকি অব্যাহত রাখায় তিনি (ইকবাল)
এখন মোয়াজ্জেম ও তার বাহিনীর হামলা এবং মামলায় গ্রেফতার আতংকে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। শিবপুর
গ্রামের বজলুর রহমান, ফজলুল হক ও আজিজুল হক জানান, তাদের
ক্রয়কৃত ও পৈত্রিক প্রায় তিন একর জমি দখল করার জন্য মোয়াজ্জেম তাদের বিরুদ্ধে একাধিক
মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। তাদের এখন সব সময় হামলা ও মামলার আতংকে দিন কাটাতে হচ্ছে। একই এলাকার
আওয়ামী লীগ নেতা শাজাহান বেপারী জানান, তিনিসহ তার অন্যান্য ভাইদের চার একর সম্পত্তি দখলের জন্য
দীর্ঘদিন থেকে মোয়াজ্জেম বিভিন্নভাবে পায়তারা চালাচ্ছে। ইতোমধ্যে
তাদের বিরুদ্ধে উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে ভুয়া কাগজপত্র দিয়ে তিনটি মিথ্যা মামলা দায়ের
করা হয়েছে। ওই এলাকার ফরিদ শাহ জানান, তার নিজের
ক্রয়কৃত ও পৈত্রিক তিন একর সম্পত্তি দখলের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়ে মোয়াজ্জেম তাদের
বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ তিনটি মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করে আসছে। পশ্চিম
সাতলা গ্রামের বাসিন্দা ও আওয়ামী ওলামা লীগের প্রচার সম্পাদক মাওলানা মোঃ রুহুল আমীন
জানান, তার পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া চার একর সম্পত্তি দখল করার জন্য
মোয়াজ্জেম হোসেন তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ আটটি মামলা দায়ের করেছে। শিবপুর
গ্রামের বাসিন্দা হাবিবুর রহমান জানান, তার পৈত্রিক সম্পত্তিত্বে তিনি দুইবছর পূর্বে মুরগীর ফার্ম
নির্মান করায় ক্ষিপ্ত হয়ে মোয়াজ্জেম হোসেনের তার নামে একাধিক মিথ্যে মামলা দায়ের করেছে। মিথ্যে
মামলায় গ্রেফতার এড়াতে এখনও তিনি পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। একই গ্রামের
মৈজদ্দিন বেপারীর কন্যা বেগম বিবি বলেন, পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া তার এক একর সম্পত্তি দখল করে নিয়েছেন
ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম। ভূক্তভোগীদের অভিযোগে জানা গেছে, পশ্চিম
সাতলা ও শিবপুর এলাকার প্রায় দুই হাজার একর জমির ওপর দীর্ঘদিন থেকে লোলুপ দৃষ্টি পরেছে
ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম হোসেনের। ইতোমধ্যে ভূয়া ডিক্রির মাধ্যমে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে তিনি
অর্ধশতাধিক পরিবারের সম্পত্তি দখল করে তাদের উৎখাত করেছেন। এছাড়া পাঁচ শতাধিক পরিবারের সম্পত্তি দখল করার জন্য একের
পর এক মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছেন। পাশাপাশি মোয়াজ্জেম হোসেন ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে শিবপুরের
সীমান্তবর্তী কান্দি এলাকার অসংখ্য পরিবারের সহয় সম্পত্তি দখল করে উচ্ছেদ করার অভিযোগ
রয়েছে। সূত্রে আরও জানা গেছে, ক্যাপ্টেন
মোয়াজ্জেম হোসেন বিভিন্ন সময় থানা পুলিশের কতিপয় অসাধু কর্মকর্তাদের মোটা অংকের টাকার
বিনিময়ে ম্যানেজ করে ভূক্তভোগীদের হুমকি প্রদর্শন করে আসছেন। ভূমিদস্যু
ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেমের হাত থেকে রেহাই পেতে ভূক্তভোগীরা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মন্ত্রী
আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপি সহ সরকারের সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ
কামনা করেছেন। গত ১৪ অক্টোবর উজিরপুর উপজেলা সেটেলমেন্ট অফিসে গিয়ে জানা
গেছে, ওইদিন সেটেলমেন্ট অফিসে প্রায় ৪০টি মামলার শুনানীর দিনধার্য্য
ছিলো। এরমধ্যে ৩৬টি মামলাই হচ্ছে ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম হোসেন বনাম
শিবপুরবাসীর মধ্যে। এ ব্যাপারে উপজেলা সেটেলমেন্ট কর্মকর্তা আব্দুস সালামের সাথে
যোগাযোগ করা হলে তিনি নিরিহ গ্রামবাসীকে মিথ্যে মামলা দিয়ে হয়রানীর অভিযোগের সত্যতা
স্বীকার করে বলেন, আমি যতোদিন চেয়ারে আছি ততোদিন ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম হোসেন
কেন যতো বড় প্রভাবশালীই হোকনা কেন আমাকে দিয়ে কেউ অবৈধ সুযোগ নিতে পারবেনা। তিনি
আরও বলেন, ১৪ অক্টোবরের প্রতিটি মামলার শুনানী ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম
হোসেনের বিরুদ্ধে গেছে। অভিযুক্ত ক্যাপ্টেন এম মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলের ব্যবহৃত মোবাইল
ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তিনি ফোন রিসিফ না করায় কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে মোয়াজ্জেম
হোসেনের ছোট ভাই মেহেদী হাসান সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সংবাদকর্মীদের অনুরোধ করে
একসাথে বসে বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের প্রস্তাব দিয়েছেন। সূত্রমতে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বানারীপাড়া থানা
পুলিশ উপজেলার ইলুহার গ্রামে অভিযান চালিয়ে জাল দলিল প্রস্তুতের মূলহোতা মুহুরী আব্দুল
মান্নান তালুকদারকে আটক করে। পরবর্তীতে তার দেয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী গোয়েন্দা পুলিশ
অভিযান চালিয়ে মান্নানের সহযোগী বাবুল চৌকিদার, শাহজাহান
হাওলাদার ও নজর আলী মৃধাকে আটক করে। আটককৃতদের কাছ থেকে পুলিশ বিপুল পরিমাণ ব্রিটিশ ও পাকিস্তান
আমল থেকে দলিল প্রস্তুতের স্টাম্প, বিভিন্ন অফিস-আদালতের স্টাম্প ও সিল, অসংখ্য
জাল দলিল, আদালতের রায়ের কপি, ডিক্রি, শত শত
ফলি কাগজ ও ভূয়া ওয়ারেন্টসহ অন্যান্য কাগজপত্র জব্দ করেন। আটককৃতরা
দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে জাল দলিল, ভূয়া
ডিক্রিসহ জজ কোর্ট, ম্যাজিষ্ট্রেট কোর্ট, রেকর্ড
রুম, ভূমি অফিসের ভূয়া কাগজপত্র প্রস্তুত করে বিভিন্ন অপরাধমুলক
কর্মকান্ডের সহযোগিতা করে আসছিলো। ভূক্তভোগীরা জানান, ওই প্রতারক
চক্রের মাধ্যমেই ক্যাপ্টেন মোয়াজ্জেম হোসেন নিরিহ গ্রামবাসীর সহয় সম্পত্তি ভূয়া ডিক্রি
ও জালজালিয়াতির মাধ্যমে মালিকানা দাবি করে আসছে।
বরিশালে শিশু গৃহপরিচারিকার উপর অমানুষিক নির্যাতন গৃহকর্তী আটক
শামীম আহমেদ. নগরীর ২৯ নম্বর ওয়ার্ডের মদিনা সড়কের একটি
বাসা থেকে নির্যাতনের শিকার ১০ বছরে গৃহপরিচারিকা লামিয়া আক্তার মরিয়মকে উদ্ধার করেছে
থানা পুলিশ। একইসাথে শিশু গৃহপরিচারিকাকে নির্যাতনের ঘটনায়
গৃহকর্তী শারমিন আক্তারকে (৩০) আটক করা হয়েছে। তবে অভিযানের খবর পেয়ে অপর নির্যাতনকারী গৃহকর্তা আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী পালিয়ে
যায়। বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার নাসির উদ্দিন
মল্লিক জানান, এ ঘটনায় মঙ্গলবার সকালে শারমিন আক্তার ও তার
স্বামী আশরাফুল ইসলামের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারেন,
এয়ারপোর্ট থানাধীন ২৯নং ওয়ার্ডের মদিনা সড়কের “আকাশ মঞ্জিল” নামক বহুতল
ভবনের চতুর্থ তলার ভাড়া বাসায় লামিয়া আক্তার মরিয়ম নামের ১০ বছরের এক শিশু গৃহপরিচারিকাকে
আটকে নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে
সোমবার দিবাগত রাতে ওই বাসায় অভিযান চালিয়ে নির্যাতিতা শিশু লামিয়া আক্তারকে উদ্ধার
করা হয়। পাশাপাশি ঘটনার সাথে জড়িত গৃহকর্তী শারমিন আক্তারকে আটক করা হলেও তার স্বামী আশরাফুল
ইসলাম চৌধুরী পালিয়ে যায়। সূত্রমতে, গৃহকর্তা আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী ও তার স্ত্রী শারিমন আক্তার কয়েকমাস
পূর্বে ভিকটিম শিশু লামিয়া আক্তারের দাদিকে প্রলোভন দেখিয়ে বরিশালে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে স্বামী-স্ত্রী মিলে মদিনা সড়কের ভাড়া বাসায় লামিয়াকে আটকে রেখে তার ইচ্ছার
বিরুদ্ধে জোরপূর্বক শ্রম শোষনের লক্ষ্যে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে। একপর্যায়ে শিশু লামিয়াকে শারিরিক নির্যাতনের পাশাপাশি তার মাথার চুল কেটে দেয়া
হয়। দ্ধারকৃত শিশু লামিয়া জানায়, গত ৬ মাস আগে আশরাফুল তার ছোট সন্তানের দেখভালের কথা বলে তাকে আনেন। তবে আশরাফুল ও তার স্ত্রী তাকে (লামিয়া) দিয়ে সাংসারিক সব কাজকর্ম করিয়ে নিতো। এসব কাজে ভুল হলেই স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই তাকে মারধর
করতো। নির্যাতনের একপর্যায়ে লামিয়ার দুই হাতেই ক্ষতের সৃষ্টি হয়েছে। যার চিকিৎসা না করানোর
ফলে তাতে পচন ধরেছে। এছাড়া দুই চোখ এবং মাথা ফুলে বৃহৎআকার ধারন করেছে। তাই উদ্ধারের পরপরই পুলিশ লামিয়াকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেছে। অমানুষিক নির্যাতনের শিকার লামিয়া আক্তার মরিয়ম জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের
নোয়াপাড়া গ্রামের ইকবাল সরদারের কন্যা।বরিশাল নগরীর সৌন্দর্য্যহানী মিশনে সালাউদ্দিন রিপন
শামীম আহমেদ . আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজেদের প্রার্থীতা ঘোষনা দিতে বেশ কয়েক জন প্রার্থী নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ন সড়কের পাশে^ এমন কি নগরীর কেন্দ্র বিন্দুতে সৌন্দর্য্য বর্ধন প্রকল্প ঢেকে তাদের শুভেচ্ছা বিল বোর্ড টানানোর ফলে বরিশাল নগরী এখন জঞ্জালে পরিনত হয়েছে। সূত্র মতে,আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল ৫ আসনে নিজেদের এমপি প্রার্থী হিসেবে জাহির করতে ইতি মধ্যেই মাঠে নেমেছেন বেশ কয়েক জন প্রার্থী। এদের মধ্যে রয়েছে বর্তমান সাংসদ জেবুনেচ্ছা আফরোজ ,এ্যাড.বলরাম পোদ্দার,আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতা মাহাবুব উদ্দিন (বীর বিক্রম), আ’লীগ বরিশাল জেলা শাখার সহ-সভাপতি কর্নেল জাহিদ ফারুক শামিম, সদর উপজেলা চেয়্যারম্যান সাইদুর রহমান রিন্টুসহ নব্য দুই দানবীর প্রার্থী যথাক্রমে আরেফিন মোল্লা ও সালাউদ্দিন রিপন। এদের মধ্যে নবাগত দুই প্রার্থী ছাড়া অন্য সকল প্রার্থীদের রয়েছে কম বেশি জনপ্রয়িতা। যার ফলশ্রুতিতে তারা প্রকাশ্য প্রচারনায় না গিয়ে কর্মীদের মাঝে নিজেদের নির্বাচনী তৎপরতা সিমাবদ্ধ রেখেছেন। তবে নবাগত দুই প্রার্থীর মধ্যে সালাউদ্দিন রিপন সরকারী সকল নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে নগরীর সদর রোড, আশি^নী কুমার টাউন হলের সম্মুখ,বিবিপুকুর পাড় ,বরিশাল বিভাগীয় যাদু ঘর ও জেলা পরিষদের পুকুরসহ নগরের বেশ কয়েকটি বিনোদন কেন্দ্রের সামনে শুভেচ্ছা জানিয়ে সড়কজুড়ে টানানো হয়েছে তার বিশাল আকারের বিল বোর্ড । এত নগরের সৌন্দয্য ঢাকা পড়েছে। বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থানগুলোর চারপাশ ঘিরে এখন ব্যানার-ফেস্টুনের ছড়াছড়ি। এগুলোর সবই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরেই বেশ কিছু দিন ধরে সমাজ সেবার নামে বরিশালবাসী মন কেড়ে নিতে চলছে তার নানা ছক। নব্য আওয়ামী লীগ নেতা দাবীদার বরিশাল ৫ আসনে চাইছেন দলীয় মনোনয়ন। বরিশাল সদর আসনের পূর্বাঞ্চলের বাসিন্দা সালাউদ্দিন রিপন। বরিশাল আওয়ামী লীগের কোন পদ-পদবি না থাকলেও চাইছেন এমপি পদে দলীয় মনোনয়ন। মনোনয়ন পাওয়ার জন্য ইতিমধ্যে তোরজোড় শুরু করেছে তিনি। পাশাপাশি অঢেল অর্থ বিলাচ্ছেন নির্বাচনী এলাকায়। অল্প বয়সে হঠাৎ কোটিপতি বনে যাওয়া এই নেতার পেশা হচ্ছে ব্যবসা। বরিশাল সদর আসনের ভোটারদের জাতীয় পরিচয় পত্র (এনআইডি) দেখে ভোটার নিশ্চিত হয়ে সাহায্য সহযোগীতা করছেন তিনি। চক্ষু চিকিৎসার নামে চলছে তার ভোটার আইডি কার্ডের ফটো কপি সংগ্রহ। বরিশাল আওয়ামী লীগের কোন নেতাই বিষয়টি ভাল চোখে দেখছেন না। টাকার গরম দেখিয়ে কিছু লোকজন নিয়ে শোডাউন দিচ্ছে নির্বাচনী এলাকায়। সালাউদ্দিন রিপন নিজ নামে এস.আর সমাজকল্যাণ সংস্থা খুলে বরিশাল সদরের ভোটারদের মাঝে অর্থিক সহযোগিতা প্রদান করছেন। ভোটারদের মাঝে হাঁস, মুরগী, গরু ছাগল বিতরণ করে সাধারন দরিদ্র মানুষের সহানুভুতি আদায় করার চেষ্টা করছেন সালাউদ্দিন রিপন। মসজিদে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান, একাধিক চক্ষু চিকিৎসার ফ্রি ক্যাম্প পরিচালনা করলেও সকল কিছুর পিছনে রয়েছে আসন্ন সংসদ নির্বাচন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে বসতে চান পার্লামেন্টে। তবে ফ্রি চিকিৎসায় তিনি একটি ফরম পূরণ করছেন, যাতে উল্লেখ রয়েছে চিকিৎসা প্রার্থীরা তাকে বরিশাল-৫ আসনে এমপি পদে দেখতে চান। অপরদিকে এরই মধ্যে বরিশালের প্রায় স্থানীয় পত্রিকায় এমপি পদে মনোনয়ন দাবি করে চলাচ্ছেন বিজ্ঞাপন। এদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্রভাবে নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে একাধিক সূত্রে জানা গেছে। সালাইদ্দিন রিপনকে ভালোভাবে কেউ চেনে না। এর মাঝে উড়ে এসে জুড়ে বসা এই ব্যাক্তির কর্মকান্ডে রীতিমত বিরক্ত স্থানীয় আওয়ামীলীগের নেতৃবৃন্দ। বরিশাল আওয়ামী লীগে তাদের অবস্থান কি জানতে চাইলে বরিশাল মহানগর আ’লীগের সভাপতি এড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, সালাউদ্দিন রিপন আ’লীগের কোন পদে নেই। তবে সে আ’লীগ সমর্থন করে। তারা দলীয় মনোনয়ন চাইতে পারেন কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মনোনয়ন যে কেউ চাইতে পারে। দেয়া না দেয়া মনোনয়ন বোর্ডের ব্যাপার। তবে এদের মনোনয়ন দাবি করাটা অযৌক্তিক বলে তিনি মনে করেন। বরিশাল সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামীলীগের সহ সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, যুগ যুগ আ’লীগের রাজনীতি করার পরেও অনেকে মনোনয়ন পান না। তারপরে আবার উড়ে এসে জুড়ে বসারা পাবেন মনোনয়ন। এটা হাস্যকর। তাছাড়া এরা আওয়ামীলীগের কেউ না। এদের নিয়ে তৃণমূল আওয়ামীলীগে বিভ্রাস্তির সৃষ্টি হচ্ছে। এবিষয়ে নগরীর আপন সংগীত সংগঠনের প্রতিষ্টাতা সভাপতি আজিজ হাওলাদার বাবুল বলেন,বিল বোর্ড টানানোর ফলে সাংস্কৃতি বিকাশের কেন্দ্র বিন্দু নগরীর অশি^নী কুমার টাউন হল এখন এই সব অবৈধ বিল বোর্ডের কারনে ঢাকা পড়েছে। ওখানে কোন অনুষ্ঠান হলে তা রয়ে যায় জনগনের অগোচরে। তিনি আরো বলেন,বিভিন্ন সময় টাউন হলের সম্মুখে উন্মুক্ত ভাবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ রাজনৈতিক দল গুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতো যাহা সম্মুখে দাড়িয়ে পথ চারি সহ সাধারন জনগন উপভোগ করতো। বিল বোর্ড গুলো টানানোর ফলে এখন সে কার্যক্রম সস্পূর্ন বন্ধ রয়েছে। আমরা সংশ্লিস্ট কতৃপক্ষের কাছে দ্রুত এই অবৈধ বিলবোর্ড গুলো অপসারনের দাবি জানাচ্ছি। তবে বিষয়টির সাথে রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ জড়িত দাবি করে বিসিসির বিজ্ঞাপন শাখার সহকারী মাহাবুব হোসেন বাদল বলেন,আমরা এই বিলবোর্ড গুলো অপসারনে উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কোন আর্দেশ পাইনি। এগুলোর সাথে রাজনৈতিক ব্যাক্তিবর্গ জড়িত বিধায় ইচ্ছা থাকলেও অপসারনের সুযোগ নেই।