শামীম আহমেদ. ৩০ই জুলাই আসন্ন বরিশাল
সিটি
কর্পোরেশনের
চতুর্থ
পরিষদের
নির্বাচন
অবাধ,নিরপক্ষ,শান্তিপূর্ণ
নির্বাচন
অনুষ্ঠান
এবং
সৎ,যোগ্য জনকল্যাণে
নিবেদিত
প্রার্থীদের
নির্বাচনের
আহবান
জানিয়ে
নগরীতে
মানববন্ধ
ও
শান্তি
পদযাত্রা
কর্মসূচি
পালন
করেছে
সুজন-সুশাসনের
জন্য
নাগরিক
জেলা
ও
মহানগর
কমিটি।আজ
শনিবার
সকাল
১১টায়
শ্রাবনের
বারিধারা
বৃষ্ঠি
উপেক্ষা
করে
নগরীর
প্রান
কেন্দ্র
সদররোডে
একর্মসূচি
পালন
করেছে
তারা।
সুজন-সুশাসনের
জন্য
নাগরিক
জেলা
কমিটির
সভাপতি
বীর
মুক্তিযোদ্বা
আক্কাস
হোসেনের
সভাপতিত্বে
মানববন্ধন
কর্মসূচিতে
বক্তব্য
রাখেন,
মহানগর
সভাপতি
অধ্যাপিকা
শাহ্
সাজেদা,সম্পাদক
রফিকুল
আলম,জেলা সম্পাদক
রনজিৎ
দত্ত
প্রমুখ।
বক্তরা
বলেন
আসন্ন
সিটি
নির্বাচনে
নগর
ভবনের
যিনি
দায়ীত্ব
পালন
করবেন
তিনি
নগরবাশীর
সুবিদাত্বে
নগর
ভবনকে
জন
প্রনিধিত্ব
ভবনকে
গড়ে
তোলা,খাল ও জলাশয় মুক্ত রাখা,ড্রেনেজ
ব্যবস্থা
সচল
রাখা,
নগরকে
বজ্য
মুক্ত
রাখা,নগরীতে
নিরাপদ
পানি
সঠিকভাবে
সরবরাহ
করা,নারী ও শিশু বান্ধব
নগরী
গড়ে
তোলা
সহ
ষোলটি
দাবী
উপাস্থাপন
করা
হয়।
মানববন্ধন
শেষে
নগরীতে
একটি
শান্তিপূর্ণ
পদযাত্রা
র্যালি
বেড়
করেন
তারা।
Post Top Ad
হিসাব কষসে বরিশালবাসী কে হচ্ছেন বিসিসি নগর পিতা -?
শামীম আহমেদ,বরিশাল ব্যুরো . বিএনপির দূর্গ হিসাবে পরিচিত বৃহত্তর বরিশাল অঞ্চলের আসন্ন সিটিকর্পোরেশন নির্বাচন কে সামনে রেখে সর্বত্রই আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে । তার মধ্যে কে হতে যাচ্ছে নগর পিতা-? শেষ মূর্হুতে এমন প্রশ্ন সর্বত্রই। কে বরিশাবাসীর ভাগ্য ফিরাবে-? গত কয়েক বছরের মতো সন্ত্রাস মুক্ত আদো থাকা যাবে কি না-? বা নগরীর জলাবদ্ধতা সহ আধূনিক বরিশালের চোখ ধাধানো পরির্বতন এবারের প্রার্থীদের মধ্যে কতোটুক কাজ করবে সেটা নিয়ে চারিদিকে চলছে চুলছেরা বিশ্লেষন।ঘুরে ফিরে একই প্রসঙ্গ ফিরে আসছে,মরহুম সফল জনপ্রিয় মেয়র এ্যাড.শওকত হোসেন হিরনের পথে কতোটুক হাটতে পারবে এ সময়ের পরিশ্রমী,তৃর্নমূলের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ কিংবা এ আসন থেকে বার বার নির্বাচীত বিএনপির প্রার্থী এ্যাড.মজিবুর রহমান সরোয়ার-? এই কঠিন সমিকরনে হিসাব নিকাষ কষসে বরিশালবাসী। পাওয়া না পাওয়ার সরল সুত্রে প্রথমেই আসে বরিশালের জলাবদ্ধতা,রাস্তাঘাটের করুন পরিস্থিতি,ভোলা থেকে গ্যাস আনার স্বপ্ন যেন এ অঞ্চলের সাধারনের মানুষের সময়ের দাবী হয়ে দাড়িয়েছে। তবে তৃনমূলে খোজ নিয়ে অনসন্ধানকালে এ কথা স্পষ্ট হয়েছে যে,সাধারন মানুষের মধ্যে আগের চেয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারা ভালো মন্দ বিচার করেই তাদের যোগ্য প্রার্থী কে এবার সুযোগ দিবেন বলে জানান। মানুষ এখন আর বোকা নেই। আশ্বাসে নয় বাস্তবে তারা বিশ্বাসী।উন্নয়নের সরকার বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ দলের উপর আস্থা বেড়েছে সাধারন মানুষের।বর্তমান সরকারের ধারাবাহিক উন্নয়নে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে যা মিডিয়ার বদৌলতে সাধারন মানুষ পর্যন্ত অবগত রয়েছে। এরইধারাবাহিকতায় এগিয়ে রয়েছে বরিশালের আওয়ামীলীগ এর তরুন ও পরিশ্রমী তৃনমূলের নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ।বয়ষে সে তরুন হলে ও বরিশালের আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে তার দীর্ঘ প্রচেষ্টা মেধামননে পুরো দল কে একট্টাকরনে তার ভূমিকা অপরিসীম। তিনি এখন তৃনমূলের নেত্্া । যা এ অঞ্চলে বর্ষিয়ান অনেক নেতাদের পর্যন্ত হার মানিয়েছে। বরিশালের তরুন প্রজন্মের কাছে তিনি ইতিমধ্যে যুবরতœ হিসাবে পরিচিতি পেয়েছেন।মাঠ পর্যায়ে তার পরিশ্রমী আত্মত্যাগে বিএনপির দূর্গ হিসাবে পরিচিত বরিশালবাসীর কাছে বর্তমানে নৌকা মার্কার প্রতি বেশ আস্থা বেড়েছে।তরুন এই নেতা ইতিমধ্যে আবাল বৃদ্ধবনিতার কাছে অতন্ত জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। আলাপকালে নগরীর নবগ্রাম সড়কের রিকশা চালক মোঃ শহিদুল (৫৫) জানান, কিছু দিন আগে সারাদিন রিকশা চালিয়ে বগুড়া রোডে ঘর্মাক্তবস্থায় দাড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ করে সাদেক ভাই কোথা দিয়ে এসে আমায় জড়িয়ে ধরে কুশল বিনিময় করলেন। দোয়া চাইলেন।তার মধ্যে অহংকার নেই।এ রকম নিরাহংকার মানুষ হয়না।যারা সাধারন মানুষের কষ্ট বোঝে তাদের নির্বাচীত হওয়া উচিৎ। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক দুজন আমানতগঞ্জ নিবাসী বলল্লেন,সাদিক বয়ষে তরুন।তিনি নিবার্চীত হলে বিভিন্ন এলাকায় পাতি মাসতানরা আবার মাথা তুলে দাড়াতে পারে।ভাইর,লোক বলে স্ব-স্ব এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাবে এ কথা একেবারে উড়িয়ে দেয়া যায় না। তিনি কি ভোলা থেকে গ্যাস এনে বরিশালবাসীকে উপহার দিতে পারবেন কিনা-? যদি ও বরিশালবাসীর দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন বরিশালে ভোলার গ্যাস কবে আসবে-? মরহুম মেয়র এ্যাড,শওকত হোসেন হিরন এমন প্রতিশ্রতি বরিশালবাসী কে দিয়েছিলেন। তার অকাল মৃতুর্তে সে স্বপ্ন ভেস্তে যায়।সময়ের জনপ্রিয় মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ্র কারনে এ অঞ্চলের মানুষ আবার স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন। প্রচারনার কাজে ব্যস্ত থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোঃ হোসেন চৌধুরী বলেন..বরিশালে সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ নির্বাচীত হলে বরিশালের উন্নয়নের জোয়ার বয়ে যাবে।সে নির্বাচীত হলে ন্যায় প্রতিষ্ঠা হবে । এ দিকে আওয়ামীলীগের জনপ্রিয় এই নেতা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহর প্রধান প্রতিদ্বন্ধি হিসাবে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র হেভিয়েট প্রার্থী এ্যাড,মজিবুর রহমান সরোয়ার মাঠে নেমেছেন।যদি ও তার দলটি দীর্ঘ দিন ক্ষমতায় না থাকায় এবং দলীয় কোন্দলে জর্জরিত ঐ অঞ্চলের তৃনমূল নেতারা ঝিমিয়ে পড়েছে। পেটের দ্বায়ে তারা দেশের বিভিন্ন জেলায় ছরিয়ে ছিটিয়ে পড়েছে বলে দলটির বিশস্ত সূত্রে জানা গেছে। তাছারা বিএনপিতে কর্মী মূল্যায়ন নেই বলে দলটির র্দুদিনে কর্মীদের উপস্থিতী আশাব্যঞ্জক নয় বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করেন। শুধূ আশ্বাস দিয়ে এখন জনগন কে বোকা বানানো যাবে না।এ অঞ্চলের সাধারন মানুষ উন্নয়নের হিসাব নিকাস কষসে। কার আমলে দেশে বেশি উন্নয়ন হয়েছে তার হিসাব নিকাস-? বরিশাল বিএনপির উত্তর জেলা দপ্তর সম্পাদক মোঃনূরুল আলম বলেন ,আমরা অবাধ নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। নাগরীকরা চাচ্ছে ভোট দিতে কিন্তু ভোটের পরিবেশ হবে কিনা তা নিয়ে সর্বএ আশংকা রয়েছে। সেক্ষেত্রে প্রশাসন এর নিরপেক্ষ ভূমিকাই নির্বাচন সুষ্ঠ করতে পারে। আমরা নির্বাচীত হলে বিগত দিনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ক্ষমতায় থাকাকালীন মজিবুর রহমান সরোয়ার বরিশালের উন্নয়নের যে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে ছিলেন তার ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে। নতুন প্রজন্মের চাহিদা অনুযায়ী উন্নয়ন করা হবে। তারপরেও মাঠে দেখা যাচ্ছে দিন দিন অনেক কর্মীরাই ঘড় থেকে বের আসতে শুররু করেছে। মেয়র নির্বাচনে যেহেতু জাতীয় প্রতীক ব্যাবহার করছে সেখানে রাগ ক্ষোভ যাই থাকুক না কেন দলের বাহিরে যাবার কোন সুযোগ নাই। একারনেই এক সময়ে দুরে থাকা অনেক বিএনপি মাঠের কর্মীরা নির্বাচনে নেমে, এসেছে তাদের একটাই কথা উন্নয়ন আমরা সকলেই চাই কিন্তু আমাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে উন্নয়ন করবেন সেটা মেনে নেওয়া যায় না। আমরা গত জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছি এবার সরকার সিটি নির্বাচনে সুষ্ট ভাবে ভোট দেয়ার সুযোগ করে দিক। এদিকে লাঙ্গল মার্কা নিয়ে জাপার মনোনীত তরুন প্রার্থী বিশিষ্ট শিল্পপতি ইকবাল হোসেন তাপস প্রথমে ঝামেলায় পড়লে ও পরবর্তিতে তিনি নির্বাচনী প্রতিদ্ধন্ধিতায় ফিরেছেন। বর্তমানে তিনি বেশ ফুরফুরে মেজাজে রয়েছেন ।ইতিমধ্যে তিনি রাত দিন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে গনসংযোগ করে বেড়াচ্ছেন।সম্প্রতি তিনি একটি আলোচনা সভায় বরিশালের বিভিন্ন উন্নয়নের কথা তুলে ধরেন । তারমধ্যে ভোলা থেকে বরিশালে গ্যাস এনে দেয়ার কথা বলেন। বরিশাল কে আধুনিক শহরে পরিনত করার প্রতিশ্রতি দেন। তার বন্ধুবরেষু মরহুম এ্যাড.শওকত হোসেন হিরনের প্রসঙ্গ টেনে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। এ ব্যাপারে জাপার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মোঃনজরুল ইসলাম বলেন,,,আমরা সুষ্ঠ নির্বাচন চাই।আমরা নির্বাচীত হলে বর্ধিত অঞ্চলে উন্নয়ন করে বরিশাল কে আধুনিক শহরে পরিনত করবো । স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মোঃ বশির আহম্মেদ ঝুনু হরিন মার্কা নিয়ে আশাবাদী। তিনি ইতিমধ্যে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছেন।আলাপকালে তিনি বলেন,আসন্য সিটি নির্বাচন নিয়ে এখন পর্যন্ত কোন সংকা নেই।আল্লাহর ইচ্ছায় আমি নির্বাচীত হলে আমার নির্বাচনী ইস্তেহার অনুযায়ী কাজ করবো। রাস্তাঘাট,ড্রেনেজ ব্যবস্থা আধুনিক হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা একটু আন্তরীক হলে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ভোলার গ্যাস বরিশালে আনা সম্ভব।সুতারাং আমি নির্বাচীত হলে বরিশালবাসীর স্বপ্ন পূরন করবো। হাতপাখা মার্কা নিয়ে জামিয়া ইসলামিয়া মাহমুদিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপ্যাল ওবায়দুর রহমান মাহবুব নগরী চষে বেড়াচ্ছেন।তারা আশাবাদী। আলাপকালে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সদস্য কে এম শরীয়াতুল্লাহ বলেন, আমরা বিজয়ের স্বপ্ন দেখছি। তবে গাজীপুর আর খুলনার নির্বাচন দেখে সেই অভিজ্ঞতা থেকে শংকা থেকেই যাচ্ছে। মূলতঃ আমরা শান্তিপূর্ন নিরপেক্ষ নির্বাচন চাই। আমরা নির্বাচীত হলে ন্যায় প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো।নাগরীকদের মৌলিক অধিকার পূরনে কাজ করে যাবো।বস্তির মানুষরা বিভিন্নভাবে বঞ্চিত হচ্ছে তাদের দুঃখ র্দূদশা লাগব করবো। বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল(বাসদ) এর মনোনীত প্রার্থী ডাঃ মনীষা চক্রবর্তী তৃনমূলের খেটে খাওয়া মানুষের মন জয় করে ইতিমধ্যে আলোচনায় এসেছে।সম্প্রতি তার কারাবাস তাকে আরো আলোচনায় এনেছে।তিনি বস্তি অঞ্চলে গরীব রোগীদের ফি ্রচিকিৎষা দিয়ে মেহনতী মানুষের কাছাকাছি পৌছে গেছেন। আলাপকালে বাসদের জেলা আহব্বায়ক ইমরান হাবিব রোমেন বলেন.....আমরা জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। আমাদের প্রার্থী উচ্চ শিক্ষিত। সাধারন মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে নির্বাচন নিয়ে শংকা তো প্রথম থেকেই রয়ে গেছে। এক ধরনের পক্ষপাত মূলক আচারন আমরা দেখতে পাচ্ছি। অনেকেই নির্বাচনী আচরনবিধি লংগন করে চলেছে কিন্তু ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। রাতের আধারে চাদমারী কেডিসি এলাকায় কে বা কাহারা আমাদের পোষ্টার ছিরে ফেলেছে। এর কোন প্রতিকার নেই। আমরা সুষ্ঠ নির্বাচন আশা করছি। আমরা বরিশালের গরীব মেহনতী খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কাজ করব্ ো। যদি সুষ্ঠ নির্বাচন হয় তাহলে আমরা মনে করি আমাদের জয় সু-নিশ্চিত।মানুষের মুখে মুখে আমাদের নিয়ে একটি পজিটিভ আলোচনা হচ্ছে। আমরা নির্বাচীত হলে বরিশালের সিটিকর্পোরেশন কে লুটপাট মুক্ত করবো। আমরা জনগন কে সম্পৃক্ত করে তাদের মতামত নিয়ে সমস্যা সমাধান করবো।বর্ধিত অঞ্চলের মানুষের নাগরীক সুবিধা পূরন করবো।আমরা নগরীর খাল গুলো সংস্কার করে জলাব্ধতা দূর করবো। বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি(সিপিবি)র মনোনীত প্রার্থী শ্রমিক নেতা এ্যাড,এ.কে আজাদ কাস্তে মার্কায় গনসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। গতকাল আলাপকালে তিনি বলেন,এই নির্বাচন টাকার খেলা।জনগন ভাবছে নির্বাচন হবে কিনা-? ভোট দিতে পারবে কিনা-? এমন কি এজেন্টরা ভয় পাচ্ছে ্। আমরা সুষ্ট নির্বাচন চাই। সিটিকর্পোরেশনের প্রশাসনিক অবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে সেটা সংশোধন করে আধুনিক বরিশালে পরিনত করা।আমরা নির্বাচীত হলে বরিশাল কে সন্ত্রাস ও মাদক মুক্ত একটি নগরীতে পরিনত করবো।যদি নিরপেক্ষ ভোট হয় তাহলে আমরা মনে করি সাধারন মেহনতী মানুষরা আমাদের ভোট দিয়ে নির্বাচীত করবে। বীরমুক্তিযোদ্ধা এনায়েত হোসেন চৌধুরী বলেন,আমরা সুষ্ঠ নির্বাচন চাচ্ছি। আশা করি নির্বাচন সুষ্ঠ হবে। উন্নয়নমূলক সংগঠন আইসিডিএ,র নিবার্হী পরিচালক আনোয়ার জাহিদ বলেন,বিগত দশ বছরে বাংলাদেশ যে উন্নয়ন হয়েছে তা পূর্বে হয়নি।এটি একটি প্রতিভাবান নেতৃত্ব ছারা সম্ভব নয় যা প্রধানমন্ত্রী করেছেন। যদি ও বরিশাল নগরীর উন্নয়নে মরহুম মেয়র হিরনের আমলে যা উন্নয়ন হয়েছে সেই গতীধারা ধরে রাখতে হবে। এই মূর্হুতে নৌকার কোন বিকল্প নেই।মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় পক্ষের শক্তির জয় হোক।







