এনামুল হক খাঁন . বরিশাল জেলার
মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার ৯নং জাঙ্গালীয়া ইউনিয়নের
নৌকা প্রতিকের
বিদ্রোহী ও
স্থানীয় সংসদ
সদস্য পংকজ
নাথের মনোনিত
চয়ারম্যান চার বছরের সাজা প্রাপ্ত
আসামী আঃ
কাদের ফরাজীর
অনিয়ম ও
দূর্নীতির বিরুদ্বে প্রতিবাদ করায় ইউপি
সদস্য ও
সংরক্ষিত সদস্যরা
চেয়ারম্যানের সন্ত্রাসী ক্যাডার আর মিথ্যা
মামলায় পুলিশ
ব্যাবহার করে
এলাকা ছাড়া
করেছে দূর্নীতিবাজ
চেয়ারম্যান আঃ কাদের ফরাজী। শনিবার দুপুরে
বরিশাল রিপোর্টার্স
ইউনিটি কার্যলয়ে
এক সংবাদ
সম্মেলনের মাধ্যমে মহিলা ও পুরুষ
জন প্রতিনিধিরা
র্দূর্নীতিবাজ সাজাপ্রাপ্ত আসামী চেয়ারম্যান আঃ
কাদের ফরাজীর
হাত থেকে
রক্ষা পেতে
তারা এই
সংবাদ সম্মেলন
করেন।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ
করার মাধ্যমে
দূর্নীতিবাজ,লুঠেরা ও ব্যাবসায়ীর টাকা
আত্বসাৎ করার
চার বছরের
সাজাপাপ্ত আসামী চেয়ারম্যান আঃ কাদের
ফরাজী সকল
অপকর্ম,সরকারী
মালামাল আত্বসাৎ,করা সহ
নিজ পরিষদের
সততাবান ইউপি
সদস্য ও
সংরক্ষিত সদস্যাদের
বিরুদ্বে বিভিন্ন
সময়ে মিথ্যা
মামলা দাঁড়
করিয়ে অবৈধভাবে
সংসদ সদস্যের
প্রভাব খাটিয়ে
পুলিশ দিয়ে
হয় রানী
ও জেল
হাজতে পর্যন্ত
যেতে হয়েছে
নির্বাচিত জন প্রতিনিধিদের এসব তথ্য
তুলে ধরেন
৭নং ওয়ার্ড
নির্বাচিত ইউপি সদস্য মোঃ বাহাদুর
হাওলাদার।সংবাদ সম্মেলনে এসময় আরো উপস্থিত
ছিলেন ৬
নং ওয়ার্ড
ইউপি সদস্য
মোঃ জাকির
হোসেন, ৪নং
ইউপি সদস্য
রুবেল ভূইয়া,
১নং ওয়ার্ড
ইউপি সদস্য
আলতাফ হোসেন
মীর,সংরক্ষিত
৭.৮
ও ৯নং
ওয়ার্ড সংরক্ষিত
ইউপি সদস্যা
হেলেনা বেগম,৫নং ওয়ার্ড
ইউপি সদস্য
ফাতেমা বেগম
সহ ১.২.৩ নং ওয়ার্ড
ইউপি সংরক্ষিত
সদস্য তহমিনা
বেগম। চেয়ারম্যন
আঃ কাদের
ফরাজী নির্বাচিত
হওয়ার পর
থেকেই এলাকার
সরকারী উন্নয়নমূলক
কাজ কর্ম
সরকারী নিয়ম
বিধান ভেঙ্গে
নিজের মত
কাজ করে
লক্ষ লক্ষ
টাকা আত্বসাৎ
করা সহ
এলাকার বিভিন্ন
সরকারী প্রতিষ্ঠানের
মালামাল বিক্রি
করে টাকা
আত্বসাৎ করে
যাচ্ছে। চেয়ারম্যানের
এসব দূর্নীতি
কাজে ইউপি
সদস্য ও
সংরক্ষিত সদস্যরা
সহযোগীতা না
করার কারনেই
ক্ষিপ্ত হয়ে
কাদের ফরাজী
নিজ পরিষদের
সদস্যদের পিছনে
পুলিশ লেলিয়ে
দিয়ে তাদেরকে
আটক করিয়ে
আবার থানা
থেকে ছাড়িয়ে
আনার জন্য
উক্ত পরিবারগুলোর
কাছ থেকে
লক্ষ লক্ষ
হাতিয়ে নিচ্ছেন
দূর্নীতিবাজ চেয়ারম্যান কাদের ফরাজী। আরো
অভিযোগ করে
বলেন চেয়ারম্যান
শুধু পুলিশ
দিয়ে নয়
সেই সাথে
ব্যাবহার করছেন
একদল সন্ত্রাসী
ক্যাডার বাহিনী
যারা প্রতিদিনই
মটর সাইকেলের
বহর নিয়ে
মহড়া দিয়ে
প্রতিবাদী ইউপি সদস্য ও সংরক্ষিত
সদস্য সহ
নিরীহ জনগনের
বাড়ি গিয়ে
বিভিন্ন ধরনের
জীবন নাশের
হুমকি সহ
ভয়ভীতি প্রদর্শন
করে যাচ্ছে
এক্ষেত্রে তারা জনগনের নির্বাচিত প্রতিনিধি
হয়েও দূর্নীতিবাজ
চেয়ারম্যনের অবৈধ দাপটের কাছে অসহায়
হয়ে পড়েছেন।এব্যাপারে
বরিশাল বিভাগীয়
কমিমনার, জেলা
প্রশাসক সহ
বিভিন্ন সরকারী
দপ্তরে একাধিক
অভিযোগ দায়ের
করার পরও
তারা কোন
আইনগত সাহায্য
পাচ্ছেনা বলে
জানান।সংবাদ সম্মেলনে আসা ইউপি সদস্যরা
দূর্নীতিবাজ,সাজাপাপ্ত মামলার আসামী অত্যাচারী
আঃ কাদের
ফরাজীর মিথ্যা
মামলা,দূর্নীতি,অপকর্ম ও
বিশৃঙ্খলা কর্মকান্ডের হাত থেকে নিরীহ
জনগনের নির্বাচিত
জন প্রতিনিধিরা
উধ্বর্তন প্রশাসনের
আশু হস্তক্ষেপ
কামনা করনে।
Post Top Ad
বরিশালসহ পরিবর্তন হচ্ছে ৫ জেলার ইংরেজি নামের বানান
বরিশাল,চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, বগুড়া ও যশোর জেলার নামের ইংরেজি বানান পরিবর্তন করা হচ্ছে। বাংলা নামের সঙ্গে মিল করতে এ পরিবর্তন আনছে সরকার। প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির (নিকার) সভায় আগামী সোমবার এ সংক্রান্ত প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সভা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করবেন। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, পাঁচটি জেলার নামের ইংরেজি বানানে কিছুটা অসঙ্গতি আছে। এটা দূর করতে নিকার সভায় একটি প্রস্তাব উঠছে। সভাটি হবে সোমবার। উল্লেখ্য, নতুন বিভাগ, জেলা, উপজেলা, থানাসহ প্রশাসনিক ইউনিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে থাকে নিকার সভায়। প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন এ কমিটির আহ্বায়ক। বর্তমানে চট্টগ্রামের ইংরেজি বানান Chittagong, বরিশাল বানান Barisal, কুমিল্লার বানান Comilla, যশোরের বানান Jessore ও বগুড়ার বানান Bogra। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জানা গেছে, Chittagong এর পরিবর্তে বানান Chattagram, Comilla এর পরিবর্তে Kumilla, Barisal এর পরিবর্তে Barishal, Jessore এর পরিবর্তে Jashore এবং Bogra এর পরিবর্তে Bogura করার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য নিকার সভায় উঠছে।
মহান স্বাধীনতা দিবসে অধিকাংস প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করা হয়নি জাতীয় পতাকা
শহিদুল
ইসলাম
. গত সোমবার ছিল ২৬ শে
মার্চ মহান
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।যথাযোগ্য মর্যাদায়
সারাদেশে পালিত
হয় দিবসটি।এদিন
সরকারী, বেসরকারী
ও স্বায়ত্বশাসিত
সহ সকল
প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা
উত্তোলনের আইন থাকা সত্বেও বরিশাল
নগরীতে সরকারী, বেসরকারী
ও স্বায়ত্বশাসিত
সহ অধিকংস
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করা হয়নি
জাতীয় পতাকা।ওই
সব প্রতিষ্ঠানের
পিয়ন থেকে
শুরু করে
উচ্চ পদস্হ
কর্মকর্তারা ও পতাকা উত্তোলন না
করার ব্যাপারে
কোন যুক্তি
সংগত কারন
বলতে পারেনি।
তবে কেউ
কেউ বলেছেন
ছুটি থাকায়
কেউ আসেনি
তাই পতাকা
উত্তোলন করা
হয়নি।অবশ্য দু একজন ভুল স্বীকার
করেন।স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও বরিশাল
নগরীতে জাতীয়
পতাকাকে অবমাননা
করা হয়েছে
বলে মনে
করেন সচেতন
মহল।শুধুমাত্র স্বাধীনতা দিবসে নয়,বিশেষ
বিশেষ দিবসে
সরকারী বেসরকারী
প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা
উত্তোলন বাধ্যতামুলক
থাকলেও খোদ
সরকারী প্রতিষ্ঠানেই
এ নির্দেশ
উপেক্ষিত হচ্ছে।এ
ব্যাপারে প্রশাসনের
তৎপরতাও চোখে
পড়েনি।গতকাল সোমবার স্বাধীনতা দিবসে নগরীর
বিভিন্ন এলাকা
ঘুরে দেখা
গেছে, মেজর
এমএ জলিল
সড়ক এলাকায়
পরিবেশ অধিদপ্তর
বিভাগীয় কার্যালয়
বেলা ১০টার
দিকেও জাতীয়
পতাকা উত্তোলন
করা হয়নি,সাংবাদিক ছবি
তোলার পরে
অবশ্য দেখা
যায় পতাকা
উত্তোলনের চিত্র।এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের
পরিচালক আরেফিন
বাদল ভুল
স্বীকার করে
বলেন আমি
ছুটিতে থাকায়
এমনটি হয়েছে,
যাদের দায়িত্ব
দেয়া হয়ে
তাদের বিরুদ্ধে
আইনানুক ব্যবস্হা
নেয়া হবে।সিএন্ডবি
রোডস্হ উপজেলা
নির্বাচন কমিশন
কার্যালয়, উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়,
উপজেলা কৃষি
উন্নায়ন কার্যালয়,
আমতলার মোড়,সমাজ কল্যান
অধিদপ্তর,সমবায়
কার্যালয়, উপজেলা শিক্ষা অধিদপ্তর,বটতলা
অগ্রানী ব্যাংক,
বীমা ও
মোবাইল কোম্পানির
শোরুম সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
থেকে শুরু
করে অসংখ্যা
স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন
করা হয়নি।সচেতন
মহলের অনেকেই
জানান,স্বাধীনতা
ও বিজয়
দিবসে যে
সকল প্রতিষ্ঠানে
জাতীয় পতাকা
উত্তোলন করেনি
সে সব
প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া উচিত।তারা
আর ও
বলেন,প্রশাসনকে
এ ব্যাপারে
কঠোর হতে
হবে।প্রশাসন ব্যবস্হা গ্রহন না করলে
শহীদের প্রতি
অবমাননা দিন
দিন বেড়ে
যাবে।বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম
বায়ান্নোর বাংলা রির্পোট . মোঃ সাইফুল ইসলাম-বিপিএম বরিশাল রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) বরিশাল নগরের কাশিপুরস্থ রেঞ্জ ডিআইজি'র কার্যালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত ফেব্রুয়ারী মাসের অপরাধ পর্যালোচনা সভা শেষে উত্তম কাজের জন্য তাকে শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপারের পুরষ্কার প্রদান করা হয়। মোঃ সাইফুল ইসলাম-বিপিএম বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে বিট পুলিশিং, কমিউনিটি পু্লিশিং ও স্টুডেন্ট কমিউনিটি পুলিশিং কার্যক্রমকে বেগবান ও শক্তিশালী করেছেন। এছাড়াও রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন পিরোজপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আহমাদ মাঈনুল হাসান।রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হয়েছেন পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার মোঃ মনিরুল ইসলাম ও রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ডিবি অফিসার হয়েছেন ঝালকাঠি জেলা ডিবির পুলিশ পরিদর্শক (নিঃ) মোঃ কামরুজ্জামান
মিয়া।অপরদিকে রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী
অফিসার নির্বাচিত হয়েছেন বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ থানার এসআই (নিঃ) মোঃ আবু সাঈদ, রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার হয়েছন পটুয়াখালী জেলার মহিপুর থানার এসআই(নিঃ) মোঃ হাফিজুর রহমান, রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ বিট অফিসার হয়েছেন ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার ৫ নং বিটের এসআই(নিঃ) মোঃ মিজানুর রহমান।বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ শফিকুল ইসলাম- বিপিএম,পিপিএম উত্তম কাজের জন্য বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে নির্বাচত হওয়া অফিসাদের পুরুষ্কার প্রদান করেন। এরআগে অনুষ্ঠিত অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশালের অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ আজাদ মিয়া, রেঞ্জ ডিআইজি অফিসের পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমান প্রাং, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ ফয়েজ আহমেদসহ রেঞ্জের ৬ জেলার পুলিশ সুপারগণ।
চাদঁমারী খাল দখল করে দোকান নির্মান
যৌতুক লোভী স্বামীর প্রতারনায় সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব তানিয়া বেগম। সন্তান নিয়ে অনাহারে দিন কাটছে
শহিদুল ইসলাম। যৌতুক না পেয়ে স্বামীর প্রতারনায় অবুঝ সন্তান নিয়ে নিঃশ্ব হয়ে স্বামীর খোজে গ্রাম থেকে শহরে এসে মানুষের ধারে ধারে ঘুরছে তানিয়া বেগম। ভান্ডারিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের আতরখালী গ্রামের দেলোয়ার হাওলাদার মেয়ে তানিয়া বেগম জানান,গত ৫ বছর পূর্বে স্বরুপকাঠি উপজেলা ইউনিয়নের সাগরকান্ধা গ্রামের আবদুল হাই হাওলাদারের ছেলে তুহিন হাওলাদার সাথে ইসলামী শরিয়ত মোতাবেক রেজিষ্ট্রিকৃত কাবিন মূলে তাদের বিবাহ হয়। বিবাহের পরে তানিয়া বেগমকে শশুর বাড়িতে উঠিয়ে না নেয়ায় সে তার বাবার বাড়িতেই থাকতেন।বিবাহের পর থেকেই যৌতুক লোভী তুহিন যৌতুক বাবদ ১ লাখ টাকা দাবী করে। দাবীকৃত টাকা দিতে তানিয়া বেগম অপারগতা প্রকাশ করলে এ নিয়ে প্রায়ই তাকে নির্যাতন করত স্বামী তুহিন হাওলাদারও তার পরিবারের সদস্যরা।তুহিনের পরিবারের সকলেই বরিশাল ২৩ ওয়ার্ড সিকদার পাড়া ভাড়া বাসায় বসবাস করত।প্রতারক তুহিন তিন ভাই বোনের মধ্যে ২য়। তুহিন নগরীর মুনসিগ্রেজ এলাকায় একটি দর্জি দোকানের মালিক।তিনি মাঝে মধ্যে তার চাহিদা মেটানোর জন্য স্রী তানিয়াকে বরিশালে আসতে বলতো,কয়েক দিন রেখে যৌতুকের দাবি তুলে মার ধোর করে তারিয়ে দিত,এ ছিল তার অভ্যাস।বাবার বাড়িতে বছর খানেক পরে তাদের কোল জুরে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়।তার পরও থেমে থাকেনি তাদের বিভেদ। গ্রামের শালিশদার থেকে শুরু করে নগরীর ২৩ নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত কান্সিলর রেশমি বেগম বার বার চেষ্টা করেও যৌতুক লোভী তুহিনের পরিবার যেন তানিয়াকে ভরনপোশনের দায়িত্ব নেয়ার কঠোর ভাবে নির্দেশ দেয়ার পরও কয়েক দিন চুপ থাকার পর পুনরায় চলে নির্যাতন। লোভী তুহিনের পরিবারের মধ্যে বোন, ছোট ভাই, মা সকলে মিলে যৌতুকের দাবিতে নির্যাতন করত।তানিয়ার বাবা জমি বিক্রি করে ৫০ হাজার টাকা মেয়ের সুখের জন্য যৌতুক লোভী তুহিনের কাছে তুলে দেন।ছেলে সন্তানের বয়স যখন দুই বছর।তখন বরিশালে কাঠের একটি রুম ভাড়া নিয়ে তারা বসাবাস শুরু করেন।কয়েক মাস যেতে না যেতেই নানান অযুহাত দেখিয়ে শুরু হয় অমানুবিক নির্যাতন, এরই মধ্যে তার গর্ভে ভুমিষ্ট হতে থাকে আর এক সন্তানের,স্বামীর কাছে বিষয়টি জানালে যৌতুক লোভী তুহিন গর্ভে থাকা সন্তানকে নষ্ট করার জন্য চাপ দিতে থাকে,তাতে রাজি হননি তানিয়া বেগম। এজন্য তাকে দফায় দফায় তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।তালাকের কথাও বলেছে বহুবার।স্বামীর পরিবারের কাছে অভিযোগ জানালেও তারা নিরব ভুমিকা পালন করা সহ যৌতুক দাবি করে বলেছেন, তোর বাবার বাড়িতে এক লক্ষ নিয়ে আয় তা হলে সংসার ভাল চলবে। যদি না পারো তোকে তালাক দিয়ে দিবে।তার পর নতুন করে প্রথিবীর বুকে জন্ম নেন আর এক কন্যা সন্তান।জন্মদাতা পিতা যৌতুক লোভী তুহিন হাওলাদার তার কন্যা সন্তান জন্মগ্রহনের কথা শোনা মাত্র তিনি লাপাত্রা। নিজের স্রী সন্তান সহ তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ফেলে রেখে পালিয়ে যাওয়া এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়।তখন অভিযোগ উঠে যৌতুক লোভী তুহিনের পরিবারের যোগসাজশে তাকে বরিশালের বাহিরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।এখন আমার কন্যা সন্তানের বয়স ১৭ মাস হয়েছে,আমি সুস্হ হওয়ার পর পাষণ্ড স্বামী কে সব জায়গায় খোজ করেছি কোন সন্ধান মিলছে না।এই বলে তিনি বরিশাল সময় প্রতিবেদকের কাছে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। কোলে থাকা অবুঝ সন্তানটি শুকনা মুখে মায়ের দিকে তাকিয়ে বাবা কথা বলছে।তার স্বামীর পূর্বেও কয়েকটি বিবাহ রয়েছে বলে জানতে পারেন। এ নিয়ে প্রতিদিনই তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি চলতেই থাকত। একপর্যায়ে নিজেকে সুধ্রে নেয়ার অঙ্গীকার করে চতুর তুহিন। তানিয়া বেগম তার পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে কয়েক দফায় প্রায় লাখ টাকা দেয় স্বামীকে।তানিয়া বেগম আরও জানায়,দোকান দিবার নামে তার কছ থেকে তুহিন যে টাকা নিয়েছে তা সে উড়িয়ে দেয়। পরে কৌশলে আমার কাছ থেকে আবারও প্রায় ৫০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় তুহিন। পুনরায় তার স্বামী টাকার জন্য চাপ প্রয়োগ করলে তানিয়া নিরুপায় হয়ে স্বামীর বিরুদ্ধে বরিশাল বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে একটি যৌতুক মামলা করেন। তুহিনের পরিবার মামলার বিষয়টি অবগত হলে গত এক বছর আগে তার স্ত্রী তানিয়া বেগম ও তাদের দুইটি সন্তান ইসা হাওলাদার বয়স ৩ বছর ৬ মাস। ১বছর ৫ মাস বয়সি তামান্নার খোজ খবর না নিয়ে তারা আত্ম-গোপন করে।
অবস্থায় তানিয়া বেগম তার পৈত্রিক সম্পদ ও নগদ অর্থ হারিয়ে নিশ্বঃ অবস্থায় অবুঝ শিশু সন্তান নিয়ে বিভিন্ন বাড়িতে ঝি এর কাজ করে দিন কাটাচ্ছেন। এই প্রতিবেদকের প্রতি অনুরোধ রেখে তানিয়া বেগম বলেন,গত কয়েক দিন পূর্বে তার এক নিকট আত্মীয়ের মাধ্যমে জানতে পারেন যে,তার স্বামী ঢাকায় পুনরায় আরেকটি বিবাহ করার পায়তারা করছে। এই সংবাদটি যদি প্রকাশ করা হয় তবে হয়ত তার প্রতারক স্বামীর প্রতারনা থেকে অনেকেই রক্ষা পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তানিয়া বেগম। এদিকে খোজ নিয়ে জানা যায় তুহিনের বড় বোন চৌমাথা সিকদার প্যালেস ভবনে মহিলা মাদ্রাসায় কর্মরত আছেন।তাকে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে বন্ধ পাওয়া যায়। চলবে

