শহিদুল ইসলাম।।পৌষ ও মাঘ এই
দুই মাস মূলত শীতকাল। শীত
আসার আগেই বাজারে
আসতে শুরু করেছে মৌসুমী সবজি। শীতের সবজি বলে এখন আর বিশেষ কোনো সবজি বোঝায় না, শীতের বেশ কিছু সবজি এখন অন্য সময়েও পাওয়া যায়। কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, কৃষির উন্নতির কারণে সারা বছরই
সব সবজি মিলছে। এখনকার বেশির
ভাগ সবজির আবাদ আগে হয়েছে। এগুলোর বেশির ভাগই অপরিপুষ্ট।টমেটো,
শশা, শিম,গাজর, কুমড়া, কাচা মরিচ, উস্তা, কহি, বাধাকপি, পেপে, কাচা কলা, বেগুন সারা বছরের সবজি হিসেবেই
পাওয়া যাচ্ছে। এর
বাইরে শীতের সবজি
হিসেবে বাজারে শিম, মেীউসি শিম, লাউ,ফুলকপি, লতি, মুলা, জলপাই, পেয়াজ পাতা, পুই শাক, দাঁড়া শাক, লাউ শাক, পালং শাক, লাল শাক বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।এতো সবজির
সমারোহ দেখে চোখ জুড়ালে কি হবে,
ঝলক
দিয়ে ওঠা এই দৃষ্টি
মুহূর্তেই নিভে যায় দাম শুনে। বাজারভেদে দামেরও হের-ফের রয়েছে। তাই ক্রেতাদেরও অভিযোগের কমতি
নেই। যদিও
বিক্রেতারা বলছেন ভিন্ন কথা।
বিক্রেতারা
বলছেন, শীতকালীন
সরবরাহ এখনো বাজারে আসেনি।নতুন বাজার ঘুরে দেখা গেছে বিভিন্ন ধরনের শীতের সবজি নিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। ফলের দাম
থেকে সবজির দাম
বেশি; শিম বিক্রি
হচ্ছে প্রতি কেজি ১০০ টাকা থেকে ১২০, লাউ ৫০
থেকে
৬০ টাকা, ফুলকপি ৭৫-৮০
টাক, লতি ৫৫ থেকে ৬০
টাকা, মুলা ৫০ থেকে
৬০ টাকা, পুই শাক প্রতি কেজি ৪০ টাকা, দাড়া শাকের আটি ২০ থেকে ২৫ টাকা, লাউ শাক ২৫ থেকে ৩০ টাকা, পালং শাক ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, লাল শাক ৪০ থেকে ৪৫ টাকা বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।কাচা মরিচ
প্রতি কেজি ৮০ টাকা,
বাধাকপি
৩০ টাকা, টাকা, লেবুর হালি ২০ টাকা থেকে ৪০ টাকা, শশা ৬০ টাকা, কুমড়া ৪০ টাকা, টমেটো ১১০ থেকে ১২০ টাকা, ঝালি কুমড়া ৫০ টাকা, ধনিয়া পাতা প্রতি কেজি ১২০থেকে ২৪০ টাকা, উস্তা ৭৫ থেকে ৮০ টাকা, কাচঁ কলা হালি প্রতি ২০ টাকা।শীতের নতুন আলু বাজারে আসেনি
এখনো। বিক্রেতারা
জানালেন,মাস খানিকের মধ্যেই নতুন আলুও বাজারে পাওয়া
যাবে। এদিকে
পাইকারি বাজারের সঙ্গে খুচরা
বাজারে
দামের বেশ ভিন্নতা পাওয়া গেছে। শুধু তাই নয়,
খুচরা
বাজারের মধ্যেও পাশাপাশি দোকানের
সবজির দামে হেরফের দেখা গেছে।অনেক বিক্রেতারই দাবি, তাদের বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। এ কারণে তাঁরা ক্রেতাদের কাছে দাম বেশি রাখছেন। কয়েকজন সবজি বিক্রেতা জানালেন, কিছু দিনের মধ্যেই সরবরাহ বাড়বে। তখন দাম অনেক কমে আসবে।
বর্তমানে বাজারে যেসব শীতের সবজি রয়েছে এসব বেশি আসছে মুন্সিগঞ্জ,নরসিংদী, যশোর, খুলনা ও কুষ্টিয়া এলাকা থেকে। সেসব এলাকায় তুলনামূলক উঁচু জায়গায় এসব সবজির চাষ হয়।চৌমাথা বাজারে শিম কিনছিলেন জিয়া সড়ক এলাকার বাসিন্দা আবুল। তিনি বলেন, শিমের দাম অনেক বেশি রাখে, দেখতেও ভালো নয়। তবে এখনও যেহেতু শীত আসেনি মনে হয় না তেমন মজা হবে। কিন্তু বাসার সবাই খেতে চেয়েছে তাই কিনে নিলাম।







