বায়ান্নোর বাংলা
ডেস্ক
. ঐতিহ্যে ভরা দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ পেয়ারা
সরবরাহ হয়ে
থাকে বরিশালের
পিরোজপুর জেলার
নেছারাবাদ উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা, ঝালকাঠি
সদর উপজেলার
ভীমরুলি ও
বরিশালের বানারীপাড়ার
সদর উপজেলা
থেকে। নদীবেষ্টিত
এসব অঞ্চলের
একমাত্র যোগাযোগব্যবস্থা
খাল-নদীই।
তাই এসব
খাল কিংবা
নদীকে কেন্দ্র
করে আটঘর
ও ভীমরুলিতে
বছরের পর
বছর ধরে
গড়ে উঠেছে
ভাসমান হাট।
মৌসুম অনুযায়ী
মৌসুমি ফলের
কদরে এসব
হাট সবর্দাই
জমজমাট থাকছে,
রাজশাহীর মতো
আমের ফলন
না হলেও
লেবু, আমরার
মৌসুমের শেষের
দিকে শুরু
হয়ে গেছে,
পেয়ারার মৌসুম।
মৌসুমের শুরু
হতে না
হতেই এরই
মধ্যে কর্মব্যস্ততা
ও জমজমাট
ভাব শুরু
হয়ে গেছে
আটঘর ও
ভীমরুলির ভাসমান
পেয়ারারা বাজারকে
কেন্দ্র করে।
পিরোজপুরের আটঘরে সোমবার ও শুক্রবারকেন্দ্রিক
হাট বসলেও
ঝালকাঠির ভীমরুলিতে
প্রতিদিনই বসছে ভাসমান এ পেয়ারার
হাট। এ
হাটগুলোকে কেন্দ্র করে সূর্যোদয়ের আগে
থেকেই চাষিরা
পেয়ারার ক্ষেতে
যান এবং
গাছ থেকে
পেয়ারা সরবরাহ
করেন। পরে
ছোট ছোট
ডিঙি নৌকায়
করে তা
ক্ষেত থেকে
সরাসরি ভাসমান
হাটে নিয়ে
আসেন। হাটে
পাইকারদের ইঞ্জিনচালিত বড় নৌকা কিংবা
ট্রলারকে ঘিরে
কিংবা খাল
তীরবর্তী স্থানে
থাকা পাইকারদের
অবস্থানকে ঘিরে চাষিদের ফসলে ভড়া
নৌকার ভিড়
গড়ে ওঠে।
এসব নৌকায়
থাকা পেয়ারার
আকার ও
ধরণ দেখে
পাইকাররা দাম
হাঁকছেন আড়াইশ
থেকে সাড়ে
চারশ টাকা
পর্যন্ত প্রতি
মন পেয়ারার।
চাষির দাম
পাওয়াটা পেয়ারার
আকার-আকৃতির
ওপর নির্ভর
করলেও পুরো
বিষয়টাই পাইকারদের
নিয়ন্ত্রণে থাকে। তবে নৌ-পথে
যোগাযোগ ব্যবস্থাটা
থাকায় পেয়ারা
আনা-নেয়ার
কাজটি চাষির
খরচ খুব
কম হওয়া
এবং আটঘরের
হাটে নামে
মাত্র খাজনা
দিতে হলেও
ভীমরুলির হাটে
কোনো খাজনা
না থাকায়
বিবিধ খরচ
থেকে বেঁচে
যান চাষিরা।
আর এই
ভীমরুলি ও
আটঘরের হাটগুলো
থেকেই কেজিতে
কেজিতে পেয়ারা
বস্তায় ভড়ে
চলে যাচ্ছে
ফরিদপুর, ঢাকা,
বরিশাল, চট্টগ্রামসহ
দেশের বিভিন্ন
জেলা-উপজেলায়।
তবে এ
বছর বৃষ্টি
দেরিতে ও
কম হওয়ায়
পেয়ারার ফলন
ও উৎপাদনে
বিরূপ প্রভাব
পড়েছে বলে
জানিয়েছেন চাষিরা। আটঘর পেয়ারা হাটে
বিক্রি করতে
আসা সঞ্জয়
মন্ডল নামে
স্থানীয় এক
চাষি জানান,
মৌসুমের শুরু
হওয়ায় এখন
মন প্রতি
পেয়ারার দাম
ভালো রয়েছে।
সর্বনিম্ন আড়াইশ ও সর্বোচ্চ চারশ
টাকা পর্যন্ত
দর পাচ্ছেন।
তবে দিনে
যত যাচ্ছে
দর তত
নিচের দিকে
নেমে আসছে।
উৎপাদন বেড়ে
গেলে আগামী
১০ দিনের
মধ্যে পেয়ারার
দাম আরও
পড়ে যাবে।
যত আমদানি
বাড়বে পেয়ারার
দাম তত
কমবে। এদিকে
আটঘর ও
ভীমরুলির ভাসমান
পেয়ারার বাজার
ও বাজারকেন্দ্রিক
আশপাশের পেয়ারার
ক্ষেতকে কেন্দ্র
করে পুরো
এলাকায় চাষি-পাইকার শ্রমজীবী
মানুষদের পাশাপাশি
বর্তমান সময়ে
পর্যটকদের ভিড়ও বেড়েছে। পর্যটকদের ঘোরাঘুরির
জন্য নৌকার
পাশাপাশি ইঞ্জিনচালিত
ট্রলার পাওয়া
যায়। যার
কারণে এ
পন্থায় আয়
করছেন অনেকেই।
এছাড়া নিরাপত্তার
জন্য পর্যাপ্ত
পুলিশি নিরাপত্তার
ব্যবস্থাও থাকে। স্থানীয় বাসিন্দা সুরঞ্জিত
জানান, আগে
বাজারকেন্দ্রিক শুধু ক্রেতা ও বিক্রেতার
ভিড় ছিল।
তবে সময়ের
সাথে সাথে
এখন পর্যটকদের
ভিড়ও দিনে
দিনে বাড়ছে।
তবে শুক্র
ও শনিবার
ছুটির দিনে
শিক্ষার্থীসহ কর্মজীবী মানুষের ভিড় অনেকটাই
বেড়ে যায়।
এরফলে স্থানীয়ভাবে
অনেকেই ইঞ্জিনচালিত
নৌকা ভাড়ায়
খাটিয়ে কিংবা
হাটকেন্দ্রিক খাবারের দোকান দিয়েও ভালো
আয় করছেন।
ভীমরুলীতে ঘুরতে আসা ব্রজমোহন কলেজের
শিক্ষার্থী মাছুম বিল্লাহ বলেন, প্রাকৃতিক
সৌন্দর্যে ভরা এই নৌ-পথে
ঘুরতে হলে
বৈঠার নৌকাই
ভালো। যদিও
এ নৌকাগুলো
অনেক ছোট-দু-একজন
ছাড়া ওঠা
যায় না।
তবে গ্রুপ
বেঁধে সবাই
আসে বিধায়
বিকট শব্দ
সৃষ্টকারী ইঞ্জিন চালিত নৌকায় চলাচল
করতে হচ্ছে।
এদিক ফাল্গুনী
নামের এক
তরুণী জানালেন,
অনেক দূর
থেকে এসে
জানতে পারলেন
এখান থাকার
ব্যবস্থা নেই।
থাকতে হবে
স্বরুপকাঠী, ঝালকাঠি কিংবা বরিশাল সদরে
গিয়ে। এখানে
থাকতে পারলে
ঘোরাঘুরিটা আরো ভালো হতো। তবে
সম্প্রতি বখাটের
উৎপাতও বেড়েছে
বলে জানান
তিনি। যদিও
এসব বিষয়ে
ঝালকাঠির জেলা
প্রশাসক ও
জেলা পুলিশের
সুপার বেশ
কিছু পদক্ষেপ
হাতে নিয়েছে
বলে জানিয়েছেন
কীর্তিপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আব্দুস
শুক্কুর মোল্লা।
তিনি জানান,
ভাসমান পেয়ারার
হাটে এখন
পর্যটকের সংখ্যা
যে হারে
বাড়ছে, তাতে
এখানে বিশ্রামাগারের
প্রয়োজন দেখা
দিয়েছে। সে
বিষয়ে জেলা
প্রশাসক মহোদয়
পদক্ষেপ নেবেন
বলে জানিয়েছেন।
পাশাপাশি বখাটেদের
রোধে পুলিশের
পক্ষ থেকে
বিশেষ করে
বর্ষা মৌসুমে
নজরদারির ব্যবস্থা
করা হবে।
যাতে নিরাপদে
পর্যটকরা এ
অঞ্চলের সৌন্দর্য
উপভোগ করতে
পারেন। বরিশাল
বিভাগের পিরোজপুর
জেলার নেছারাবাদ
উপজেলার আটঘর-কুড়িয়ানা, ঝালকাঠি
সদর উপজেলার
ভীমরুলি ও
বরিশালের বানারীপাড়ার
সদর উপজেলার
এসব পেয়ারার
বাগানগুলোতে এ মৌসুমে পিকনিকের স্পট
হিসেবে ব্যবহার
করছেন ভ্রমণপিপাসু
অনেকেই।
Post Top Ad
বরিশালে সাপের দংশনে সাপুড়ের মৃত্যু
বায়ান্নোর বাংলা
ডেস্ক
. বরিশাল সদর উপজেলার কর্নকাঠীর তৈয়নপাড়ায়
সাপ ধরতে
গিয়ে নয়ন
মোল্লা (৫৫)
নামে এক
সাপুড়ের মৃত্যু
হয়েছে। নিহত
নয়ন মোল্লা
ঐ এলাকার
মৃত শাহাদাত
মোল্লার ছেলে
ও খন্ডকালীন
কাঠ মিস্ত্রী
পেশায় নিয়োজিত
ছিলেন। গতকাল
ভোর ৪
টায় নিজ
বাড়িতে এঘটনা
ঘটে। নিহতর
ভাই নুরুজ্জামান
মোল্লা জানান,
তাদের বাড়ির
প্রতিবেশী তাসলিমার বাসায় সাপের অবস্থানের
সংবাদ পেয়ে
তার ভাই
নয়ন মোল্লা
সেই সাপটিকে
ধরে নিজের
বাসায় ফেরার
পথে ঐ
সাপটিই তাকে
ছোবল দেয়।
এসময় তিনি
চিৎকার দিলে
প্রতিবেশিরা ছুটে এসে নয়ন মোল্লাকে
দ্রুত বরিশাল
শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল
কলেজ হাসপাতালে
নিয়ে গেলে
কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষনা
করেন। এঘটনায়
এলাকায় শোকের
ছায়া নেমে
এসেছে।
বরিশাল শেবাচিমে দালাল চক্রের রক্ত বেচা-কেনার জমজমাট বাণিজ্য
বায়ান্নোর বাংলা
ডেস্ক
. বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালের ব্লাড
ব্যাংকে দালাল
চক্রের চলছে
অবৈধ জমজমাট
রক্ত বাণিজ্য।
এখানে বাণিজ্যিকভাবে
গড়ে ওঠা
ব্লাড ব্যাংকে
মাদকাসক্ত, যৌনকর্মী এবং পেশাদার রক্তদাতাদের
কাছ থেকে
রক্ত সংগ্রহ
করে দ্বিগুন
দামে বিক্রি
করছে টেকনিশিয়ান
ও দালাল
চক্র। এসব
দূষিত রক্ত
শরীরে প্রবেশ
করালে রোগীর
মৃত্যু ঝুঁকিই
বেশি থাকে।
কমিশনের আশায় হাসপাতালের
কিছু কর্মচারী
এবং নার্সরা
ব্লাড ব্যাংক
থেকে রক্ত
কিনতে রোগীর
স্বজনদের উৎসাহিত
করেন। একটি
সংঘবদ্ধ চক্র
বরিশালের বাইরে
থেকেও পরীক্ষ-নিরীক্ষা ছাড়া
রক্ত সরবরাহ
করছে দালাল
চক্র। হাসপাতাল
কতৃপক্ষ ও
প্রশাসন কোন
অভিযান না
চালানোর কারনে
হাসপাতালের ব্লাট বাংকটি গড়ে উঠছে
রক্ত বেচা-কেনার দোকান।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগ,গাইনী বিভাগ,সার্জারী বিভাগ,প্রসূতি বিভাগ
সহ কয়েকটি
ওয়ার্ডের সামনে
রয়েছে দালাল
চক্রর সদস্যরা।
সূত্রে জানা
গেছে, শেবাচিম
হাসপাতালে দিন দিন গড়ে উঠেছে
রক্ত ব্যবসার
সিন্ডিকেট চক্র। হাসপাতালের দায়ত্বরত টেকনিশিয়ান
সুনিল ,অষোক
ও দালাল
সোহেল,আজিম
সিন্ডিকেটকে কমিশন দিয়েই তাদের কার্যক্রম
চালিয়ে যাচ্ছে।
দালালরা শেবাচিম
ও সদর
হাসপাতাল সহ
বিভিন্ন হাসপাতাল
এবং ক্লিনিকে
সব সময়
ঘোরাফেরা করেন।
তাদের টার্গেট
থাকে সহজ-সরল এবং
গ্রামের মানুষ।
কোন ওয়ার্ডে
রোগীর রক্তের
প্রয়োজন হলেই
কমিশনের আশায়
দালালদের কাছে
খবর পৌঁছে
দেন হাসপাতালেরই
কতিপয় কর্মচারী
,নার্সরা। কর্মচারী ও নার্স এসে
রোগীর আত্মীয়-স্বজনকে অবৈধ
ব্লাড ব্যাংকের
দালাল ও
টেনিশিয়ানদের সন্ধান ও মোবাইল নাম্বার দেন। সেখান থেকে
রক্ত কিনতে
তাদের উৎসাহিত
করেন। রক্ত
সরবরাহকারী চিহিত সোহেল ওরফে দালাল
রক্ত সোহেল
রক্ত সরবরাহ
করে। শেবাচিম
হাসপাতালে অনুসন্ধান চালিয়ে দেখা গেছে
তাদের জমজমাট
ব্যবসা মূল
হোতো টেকনিশিয়ান
সুনিল ও
তার সাথে
কয়েক জন
টেকানশিয়ান। এই রক্ত সংগ্রহ করচ্ছে
মাদকাসক্ত, যৌনকর্মী এবং পেশাদার রক্তদাতা
ও যুবকদের
কাছ থেকে।
রক্ত নেওয়ার
আগে রক্তদাতার
হেপাটাইটিস বি ও সি, এইচআইভি,
সিফিলিস এবং
ম্যালেরিয়ার জীবাণু এ চারটি পরীক্ষা
বাধ্যতামূলক। এই ব্লাড ব্যাংকে এরকম
কোন পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই
রক্ত নেওয়া
হচ্ছে। কেবলমাত্র
রক্তের গ্রুপ
এবং ক্রসম্যাচিং
পরীক্ষা করেই
রোগীর শরীরে
প্রবেশ করাচ্ছে।
রক্ত দূষিত
হওয়ায় আরোগ্যের
পরিবর্তে রোগীর
মৃত্যুঝুঁকিই বেশি থাকে। তাছাড়া রোগী
নানা মরণব্যাধিতেও
আক্রান্ত হতে
পারে। শেবাচিমে
হাসপাতালে চিকিৎসা
নিতে আসা
রোগীর ভাই
সোহাগ বলেন,
আমার বোনের
দুই ব্যাগ
রক্তের প্রয়োজন।
অনেক কষ্টে
এক ব্যাগ
সংগ্রহ করেছি।
বাধ্য হয়ে
আর এক
ব্যাগ রক্তের
জন্য দালালকে
অগ্রিম টাকা
দিয়েছি। একাধিক
চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলে জানা
গেছে, ব্লাড
ব্যাংকে ভেজাল
রক্ত রোগীর
শরীরে প্রবেশ
করালে সে
নানা মরণব্যাধিতে
আক্রান্ত হতে
পারে, এমনকি
মৃত্যুও হতে
পারে। দালাল
সোহেল ,আজিম
রক্তের দাম
২ হাজার
থেকে ৪
হাজার টাকা
পর্যন্ত বিক্রি
করে। এরা
রোগীদের পদে
পদে ঠেকিয়ে
হাতিয়ে নিচ্ছে
প্রতিদিন হাজার-হাজার টাকা।
এরা আবার
মেয়াদোত্তীর্ণ রক্তও বিক্রি করে রোগীদের
প্রতারিত করছে।
এরা রেডক্রিসেণ্ট
সোসাইটি, সন্ধানী,
ব্লাড বাংকের
কিছু লোকের
ম্যাধ্যমে রক্ত সংগ্রহ করে দালাল
চক্রটি বিক্রি
করে আসছে।
সরজমিনে গিয়ে
দেখা গেছে,
শেবাচিমে রক্ত
বেচা-কেনার
মূল হোতা
সোহেল নামে
এক যুবকে।
তিনি সব
সময়ই হাসপাতালের
ব্লাড বাংকের
সামনে ঘুরাঘুরি
করেন। এমন
কি রোগীদের
চাপ একটু
কম থাকলে
ব্লাড বাংকের
মধ্যে প্রবেশ
করে দায়ত্বরত
টেকনিশিয়ানদের সাথে হিসাব নিকাশ নিয়ে
ব্যাস্ত থাকতে
দেখা যায়।
রোগীর ভাই
পরিচয় দিয়ে
সংবাদকর্মী জানতে পারে তার ব্যাবসা
পরিচালনার রহস্য। এব্যাপারে টেকনিশিয়ান সুনিল
ও অসোকের
কাছে জানতে
চাইলে তারা
বলেন,আমরা
কিছুই জানিনা।
কিন্তু স্থানীয়
কিছু যুবক
এখানে এস
রোগীদের টাকার
বিনিময় রক্ত
দিচ্ছে শুনেছি।
একটি সূত্রে
জানা গেছে,
রক্তের দালাল
সোহেল,মজিবর
সহ কয়েক
জনকে কয়েক
দিন আগে
দালালি কার্যক্রম
অবস্থায় হাতে
নাতে ধরে
হাসপাতালে নিচতলার ব্লাড বাংকের সংগঠনের
কতৃপক্ষ। পরে
দালাল সদস্য
সোহেল,মজিবর,আজিম সহ
অন্য গনধোলাই
খেয়ে প্রানে
বেচে আসে
তারা। এবং
কি তারা
হাসপাতালে কোন দালালি কর্যক্রমের সাথে
জড়াবেনা বলে,মুচলেকা দিয়ে
আসে। কিন্তু
গনধোলাই খাওয়ার
২ /৩
দিন যেতে
না যেতেই
আবারও দালাল
চক্রের সদস্যদের
দেখা যাচ্ছে
হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে। এব্যাপারে হাসপাতালের
পরিচালক ডা.এস.এম
সিরাজুল ইসলাম
বলেন,হাসপাতালে
দালালদের ধরার
জন্য আমাদের
হাসপাতাল কতৃপক্ষ
এবং প্রশাসন
অভিযান চালাচ্ছে।
স্বৈরাচারী সরকারের অধিনে বাংলার মানুষ নির্বাচন করবে না-- মজিবর রহমান সরোয়ার
শামীম আহমেদ .অসাংবিধানিকভাবে কারাগারের ভিতর আদালত স্থানন্তরের
প্রতিবাদ বিক্ষোভ
সমাবেশের সভাপতি
কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এ্যাড.মজিবর
রহমান সরোয়ার
বলেছেন,বাংলার
মানুষ দলীয়
স্বৈরাচারী সরকারের অধিনে কেহ নির্বাচন
করবে না।
ভোটার বিঞীন
সরকার আজ
দেশনেত্রী বিএনপি চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা
জিয়াকে ভোটের
বাহিরে রাখার
জন্য তারা
ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সামরিক সরকারের
ন্যায় বিচার
কাজ সম্পূর্ণ
করতে চায়।
কেন্দ্রƒয়
কর্মসূচির অংশ হিসাবে গতকাল শনিবার
সকাল ১১টায়
জেলা ও
মহানগর বিএনপি
দলীয় কার্যালয়ের
সামনে অনুষ্ঠিত
বিক্ষোভ প্রতিবাদ
সমাবেশে তিনি
একথা বলেন।
প্রতিবাদ সমাবেশে
আরো বক্তব্য
রাখেন মহানগর
মহানগর বিএনপি
সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান
খান ফারুক,ভারপ্রাপ্ত সাধারন
সম্পাদক জিয়া
উদ্দিন সিকদার,মহানগর আইন
বিষয়ক সম্পাদক
এ্যাড. আবুল
কালাম আজাদ,এ্যাড. মহসিন
মন্টু,মহানগর
সহ-সাধারন
সম্পাদক আনায়ারুল
হক তারিন,মহানগর যুবদল
সভাপতি এ্যাড.
আখতারুজ্জামান শামীম,মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি
মাহাবুবুর রহমান পিন্টু। এসময় আরো
উপস্থিত ছিলেন
মহানগর বিএনপি
উপদেষ্টা সাংবাদিক
ও মুক্তিযুদ্বা
নুরুল আলম
ফরিদ,মহানগর
সহ-সভাপতি
রফিকুল ইসলাম
রুনু সরদার,আব্বাস উদ্দিন
বাবলু,সহ-সভাপতি সৈয়দ
আকবর হোসেন,মহানগর যুবদল
সিনিয়র সহ-সভাপতি কামরুল
আহসান,আলাউদ্দিন
আহমেদ, সাজ্জাদ
হোসেন,মারুফ
আহমেদ,জাহিদ
হোসেন,এ্যাড.তছলিম উদ্দিন,কেন্দ্রীয় ছাত্রদল
সাংগঠনিক সম্পাদক
আফরোজা খানম
নাসরিন। বিক্ষোভ
প্রতিবাদ সমাবেশে
মহিলাদল ও
অঙ্গ সংগঠনের
নেতা কর্মীরা
অংশ নেয়।
সরোয়ার আরো
বলেন সরকার
নিজেকে একজন
গনতান্ত্রিক সরকার দাবী করেন অথচ
তারা ২০১৪
সালে অবৈধভাবে
১৫৪জন সংসদ
সদস্যকে নির্বাচিত
ক্ষমতা দখল
করে রেখেছে।এসরকারের
অধিনে কি
নির্বাচন হতে
পারে তা
৩০ই জুলাই
সিটি নির্বানে
বরিশাল বাশী
ভাল করে
দেখেছে। তাই
অন্য সকল
মেয়র প্রার্থীরা
শপথ নিয়েছে
বরিশালের মেয়র
কেন নিতে
পারছে না?
আমাদের এ
আন্দোলন গনতন্ত্র
পূর্ণ উদ্বারের
জন্য। জনগনের
ভোটের অধিকার
ফিরিয়ে আনার
আন্দোলন তাই
আগামীতে বিএনপি
সহ সকল
দলীয় অঙ্গ
সংগঠনের নেতা
কর্মীদের মাঠে
থাকার আহবান
জানান। এর
পূর্বে একই
স্থানে বরিশাল
দক্ষিন জেলা
বিএনপি ও
বরিশাল উত্তর
জেলা বিএনপি
যৌথভাবে বিক্ষোভ
প্রতিবাদ সমাবেশ
করেছে। জেলা
বিএনপি সভাপতি
আলহাজ্ব এবায়েদুল
হক চাঁনের
সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন
জেলা বিএনপি
সাধারন সম্পাদক
এ্যাড. আবুল
কালাম শাহিন,সহ-সভাপতি
এ্যাড. নাজিম
উদ্দিন আহমেদ
পান্না,কোতয়ালী
বিএনপি সভাপতি
এ্যাড. এনায়েত
হোসেন বাচ্চু,ভারপ্রাপ্ত সাধারন
সম্পাদক আনোয়ার
হোসেন লাবু,উজিরপুর উপজেলা
বিএনপি সভাপতি
আঃ মাজেদ
মন্নান মাস্টার,বাখেরগঞ্জ উপজেলা
সাধারন সম্পাদক
নাসির হাওলাদার,জেলা বিএনপি
দপ্তর সম্পাদক
আলহাজ্ব মন্টু
খান প্রমুখ।আমাদের দেশকে অন্য দেশগুলো আজ অনুসরন করছে
শামীম আহমেদ .বরিশালে আন্তর্জাতিক
স্বাক্ষরতা দিবসে উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা
সভায় অনুষ্ঠানের
প্রধান অতিথি
নবাগত বিভাগীয়
কমিশনার রাম
চন্দ্র দাস
বলেন,আমাদের
দেশকে অন্য
দেশগুলো আজ
অনুসরন করছে।
আমাদের দেশের
এ অগ্রযাত্রা
ধরে রাখতে
হবে। এজন্য
আমাদের শিশুদের
সু-শিক্ষায়
গড়ে তোলার
মাধ্যমে গড়ে
তুলতে পারলে
আগামী দিনে
এ প্রজন্মের
শিশুরা এদেশের
উন্নয়নের ধারা
ধরে রেখে
আরো বেশী
করে বাস্তবায়ন
করবে। সরকার
এলক্ষে ৬৪
জেলায় অক্ষর
স্বাক্ষরতা দিবস কার্যক্রম চালু করতে যাচ্ছে।
বিভাগীয় কমিশনার
আগামী প্রজন্মের
শিক্ষার্থীদের দিকে সু-দৃষ্টি রাখার
জন্য সকল
অভিভাবকদের প্রতি আহবান জানান। গতকাল
শনিবার অশ্বিনী
কুমার টাউন
হলে বরিশাল
জেলা প্রশাসন
ও উপানুষ্ঠিক
শিক্ষা ব্যুরো
আয়োজিত ও
বেসরকারী উন্নয়ন
সংস্থার আয়োনে
আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত হয়।বরিশাল
জেলা প্রশাসক
মোঃ হাবিবুর
রহমানের সভাপতিত্বে
আলোচনা সভায়
আরো বক্তব্য
রাখেন বরিশাল
প্রাথমিক শিক্ষা
উপ-পরিচালক
এস.এম
ফারক, জেলা
শিক্ষা অবিসার
আনোয়ার হোসেন,
বরিশাল সরকারী
মডেল স্কুল
এন্ড কলেজ
অধ্যাক্ষ মেজর
ড. সিরাজুল
ইসলাম উকিল,বরিশাল অতিরিক্ত
মেজিষ্ট্রেট নুরুজ্জামান। এর পূর্বে আন্তর্জাতিক
স্বাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে নগরীতে একটি
র্যালি
বেড় করা
হয়।বিজ্ঞপ্তি
এতদ্বারা সর্ব সাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে, নিম্ন তফসিল ভূক্ত সম্পত্তির এস, এ রেকর্ডীয় মালিক আব্দুল আলী। উক্ত আব্দুল আলী মৃত্যুবরণ করিলে তৎত্যাজ্য সম্পত্তিতে পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে আঃ হাকিম চৌধুরী মালিক হইয়া তৎসম্পত্তি মোকাম বরিশাল সরকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসের ১৯৮৬-৮৭ সনের ৬৬৬ (১) কেটি নং নামপত্তন ও জমাখারিজ মোকদ্দমার
আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করতঃ রেকর্ড মূলে ঐ আব্দুল হাকিম চৌধুরী মালিক হইয়া মৃত্যুবরণ করিলে তৎত্যাজ্য সম্পত্তিতে পৈত্রিক ওয়ারিশ সূত্রে মালিক হন রাহিমা বেগম পারভীন (রহিমা)। উক্ত সম্পত্তি মোসাঃ রাহিমা বেগম পারভীন (রহিমা) বিক্রী করার প্রস্তাব করিলে আমার মোয়াক্কেল
মোঃ সাদ্দাম মল্লিক, পিতা-শাহ আলম মল্লিক, সাং -পূর্ব বগুড়া রোড, ১৭নং ওয়ার্ড, বিসিসি, বরিশাল ক্রয় করার নিমিত্তে বরিশাল জেলা সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে বায়নাচুক্তি পত্র দলিল রেজিষ্ট্রি করিয়াছে রেজিষ্ট্রি নং ৩৩৬৬। উক্ত সম্পত্তি আমার মোয়াক্কেল
গ্রহীতা মোঃ সাদ্দাম মল্লিক রেজিষ্ট্রিকৃত সাব কবলা দলিল মূলে মালিক হইয়া নিজ নামে রেকর্ড সংশোধন করিয়া নিতে চায়। এমতাবস্থায়
উক্ত সম্পত্তি দাতা রাহিমা বেগম পারভীন (রহিমা) যদি ইতিপূবে বা ইতিমধ্যে কাহারো নিকট বিক্রয় , দান, বন্ধক সহ অন্যান্য কার্যক্রম করিয়া থাকেন তাহা হইলে অত্র বিজ্ঞপ্তির ১০ দিনের ভিতরে নিন্ম ঠকানায় যোগাযোগ করার জন্য বিশেষভাবে
অনুরোধ করা যাইতেছে।
তফসিল সম্পত্তির পরিচয়ঃ - জেলাঃ বরিশাল, থানাঃ কোতয়ালী, মৌজাঃ সাগরদী, জে,এল নং-৫১,এস, এ খতিয়ান নং- ১০১৮, ১০২১,দাগ নং- ১৩২৩, জমির পরিমান ০৫ শতাংশ। যাহার বি,এস ডিপি খতিয়ান নং-৪৪১৮, দাগ নং-৩১৫৭।
মোঃ জাফর হোসেন এ্যাডভোকেট জজ কোর্ট বরিশাল মোবাঃ ০১৭১৮১৭৫৫৫০
যোগাযোগ ঠিকানাঃ মোঃ সাদ্দাম মল্লিক, পিতা-শাহ আলম মল্লিক সাং-পূর্ব বগুড়া রোড, ১৭নং ওয়ার্ড, বিসিসি বরিশাল সদর বরিশাল। মোবাঃ ০১৭৮৪৭৫৪৫৬৮,
০১৯৯৪৪১৯৭৪১।