শামীম আহমেদ . বরিশাল সিটি
নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী,সাধারন কাউন্সিলর
ও সংরক্ষিত
কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন সংক্রান্ত
মতবিনিময় সভায়
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নির্বাচন কমিশনার
মাহবুব তালুকদার
বলেন, বরিশাল
সিটি নির্বাচনে
আমরা কারো
কাছে নতি
স্বিকার করবো
না। তিনি
আরো বলেন
কোন প্রকার
প্রশাাসনের শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে
না। নির্বাচনের
পক্ষ থেকে
বলে দিয়েছি
খুলনা-গাজীপুরের
মত নির্বাচন
বরিশালে হতে
দেব না।
নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তা
পালনে প্রশাসনের
বাহিনী ব্যার্থ
হয় তাহলে
তাদেরকে রাখার
পয়োজন নেই।
সোমবার বিকালে
বরিশাল শেরে
বাংলা মেডিকেল
কলেজ নাসিমুজ্জামান
মেহেদী মিলনায়তন
সভ কক্ষে
অনুষ্টিত মতবিনিময়
সভায় তিনি
একথা বলেন।
বরিশাল আঞ্চলিক
নির্বচন কার্যলয়ের
আয়োজনে রিটানিং
অফিসার মজিবুর
রহমানের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত মতবিনিময়
সভায় তিনি
আরো বলেন,
সারা বিশ্ব
সহ দেশের
মানুষ সিটি
নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে কোন
ক্রমেই নির্বাচন
প্রশ্নবিদ্ব হতে দেওয়া হবেনা। নির্বাচনে
প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি উৎসাহিত
করে কিছু
করবেন ন্
াপ্রয়োজনে তাদের সহ প্রাথীর পদ
বাতিল করা
হতে পারে।
ভোট একটি
আমানত
কোন প্রত্যয়ে ব্যার্থ ঘটলে কাইকে
ছাড় দেওয়া
হবেনা। এসময়
মঞ্চে আরো
উপস্থিত ছিলেন
বরিশাল জেলা
প্রশাসক মোঃ
হাবিবুর রহমান,বরিশাল মেট্রোপলিটন
ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান,উপ-পুলিশ
কমিশনার আঃ
রউফ। অনুষ্ঠানে
স্বগত নিদেৃশনামূলক
বক্তব্য রাখেন
বরিশাল জৈষ্ঠ
নির্বাচন কর্মকর্তা
মোঃ হেলাল
উদ্দিন। এসময়
নির্বাচন কর্মকর্তাদের
দৃষ্টি আকর্ষন
করে নৌকা
প্রতীকের মেয়র
প্রার্থী সেরনিয়াবাত
সাদিক আবদুল্লাহ্
বলেন বরিশাল
সিটি নির্বাচনে
ভোটাররা নির্বাচনের
দিন নির্ভয়ে
যাকে খুশী
তাকে ভোট
দেবে। এছাড়া
তিনি আরো
একটি কথা
বলেন আমার
প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা বলেন আমরা ক্ষমতায়
আছি আমার
আত্বীয়-স্বজনরা
ক্ষমতায় আছে
এটা কি
আমার অপরাধ।
আমরা চাইনা
নির্বাচন প্রশ্ন
বিদ্ব হোক।
ধানের শীষের
প্রার্থী মজিবর
রহমান সরোয়ার
বলেন,নির্বাচনে
সেনা বাহিনী
আসলে জনগন
বেশী খুশী
হত। আমরা
নির্বাচন কমিশনে
অভিযোগ দিয়েছি
তার কি
ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছে এপর্যন্ত যতগুলি
নির্বাচন হয়েছে
সর্বজন বিধিত
নয়। লাঙ্গল
প্রতীকের প্রার্থী
ইকবাল হোসেন
তাপস বলেছেন
খুলনা ও
গাজীপুরের সিটি নির্বাচনে কোন ধরনের
মারামারি-হানাহানী
হয়নি তাহলে
কেন ভোটে
অনিয়ম হয়েছে। বরিশালে
খুলনা ও
গাজীপুরের মত নির্বাচন হয় তাহলে
আমাদের আর
বলার কিছুই
নেই। এছাড়া
মেয়র প্রার্থী
মনিষা চক্রবর্তী
ও একে
আজাদ বলেছেন
এখনো কতিপয়
মেয়র প্রার্থী
নির্বাচনী আচরন ভংগ করে যেখানে-সেখানে পোস্টার
লাগিয়ে রেখে
নিয়ম ভংগ
করার পরও
নির্বাচন কমিশনের
পক্ষ থেকে
কোন ব্যাবস্থা
নেয়া হয়
নাই। তারা
নির্বাচনী ভিজেলেন্স টিমের সংক্ষা বাড়ানোর
জন্য দাবী
করেন। প্রধান
অতিথি নির্বাচন
কমিশনার মাহবুব
তালুকদার বলেন,
প্রশাসন আমাদের
সহায়ক শক্তি
তাদের নিয়ে
আমাদের কাজ
করতে হয়।
আমাদের কাছে
যতগুলি অভিযোগ
এসেছে তার
প্রতিটি তদন্ত
করে ব্যাবস্থা
গ্রহন করা
হবে।
শামীম আহমেদ . বরিশাল সিটি
নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী,সাধারন কাউন্সিলর
ও সংরক্ষিত
কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন সংক্রান্ত
মতবিনিময় সভায়
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নির্বাচন কমিশনার
মাহবুব তালুকদার
বলেন, বরিশাল
সিটি নির্বাচনে
আমরা কারো
কাছে নতি
স্বিকার করবো
না। তিনি
আরো বলেন
কোন প্রকার
প্রশাাসনের শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে
না। নির্বাচনের
পক্ষ থেকে
বলে দিয়েছি
খুলনা-গাজীপুরের
মত নির্বাচন
বরিশালে হতে
দেব না।
নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তা
পালনে প্রশাসনের
বাহিনী ব্যার্থ
হয় তাহলে
তাদেরকে রাখার
পয়োজন নেই।
সোমবার বিকালে
বরিশাল শেরে
বাংলা মেডিকেল
কলেজ নাসিমুজ্জামান
মেহেদী মিলনায়তন
সভ কক্ষে
অনুষ্টিত মতবিনিময়
সভায় তিনি
একথা বলেন।
বরিশাল আঞ্চলিক
নির্বচন কার্যলয়ের
আয়োজনে রিটানিং
অফিসার মজিবুর
রহমানের সভাপতিত্বে
অনুষ্ঠিত মতবিনিময়
সভায় তিনি
আরো বলেন,
সারা বিশ্ব
সহ দেশের
মানুষ সিটি
নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে কোন
ক্রমেই নির্বাচন
প্রশ্নবিদ্ব হতে দেওয়া হবেনা। নির্বাচনে
প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি উৎসাহিত
করে কিছু
করবেন ন্
াপ্রয়োজনে তাদের সহ প্রাথীর পদ
বাতিল করা
হতে পারে।
ভোট একটি
আমানত
কোন প্রত্যয়ে ব্যার্থ ঘটলে কাইকে
ছাড় দেওয়া
হবেনা। এসময়
মঞ্চে আরো
উপস্থিত ছিলেন
বরিশাল জেলা
প্রশাসক মোঃ
হাবিবুর রহমান,বরিশাল মেট্রোপলিটন
ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান,উপ-পুলিশ
কমিশনার আঃ
রউফ। অনুষ্ঠানে
স্বগত নিদেৃশনামূলক
বক্তব্য রাখেন
বরিশাল জৈষ্ঠ
নির্বাচন কর্মকর্তা
মোঃ হেলাল
উদ্দিন। এসময়
নির্বাচন কর্মকর্তাদের
দৃষ্টি আকর্ষন
করে নৌকা
প্রতীকের মেয়র
প্রার্থী সেরনিয়াবাত
সাদিক আবদুল্লাহ্
বলেন বরিশাল
সিটি নির্বাচনে
ভোটাররা নির্বাচনের
দিন নির্ভয়ে
যাকে খুশী
তাকে ভোট
দেবে। এছাড়া
তিনি আরো
একটি কথা
বলেন আমার
প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা বলেন আমরা ক্ষমতায়
আছি আমার
আত্বীয়-স্বজনরা
ক্ষমতায় আছে
এটা কি
আমার অপরাধ।
আমরা চাইনা
নির্বাচন প্রশ্ন
বিদ্ব হোক।
ধানের শীষের
প্রার্থী মজিবর
রহমান সরোয়ার
বলেন,নির্বাচনে
সেনা বাহিনী
আসলে জনগন
বেশী খুশী
হত। আমরা
নির্বাচন কমিশনে
অভিযোগ দিয়েছি
তার কি
ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছে এপর্যন্ত যতগুলি
নির্বাচন হয়েছে
সর্বজন বিধিত
নয়। লাঙ্গল
প্রতীকের প্রার্থী
ইকবাল হোসেন
তাপস বলেছেন
খুলনা ও
গাজীপুরের সিটি নির্বাচনে কোন ধরনের
মারামারি-হানাহানী
হয়নি তাহলে
কেন ভোটে
অনিয়ম হয়েছে। বরিশালে
খুলনা ও
গাজীপুরের মত নির্বাচন হয় তাহলে
আমাদের আর
বলার কিছুই
নেই। এছাড়া
মেয়র প্রার্থী
মনিষা চক্রবর্তী
ও একে
আজাদ বলেছেন
এখনো কতিপয়
মেয়র প্রার্থী
নির্বাচনী আচরন ভংগ করে যেখানে-সেখানে পোস্টার
লাগিয়ে রেখে
নিয়ম ভংগ
করার পরও
নির্বাচন কমিশনের
পক্ষ থেকে
কোন ব্যাবস্থা
নেয়া হয়
নাই। তারা
নির্বাচনী ভিজেলেন্স টিমের সংক্ষা বাড়ানোর
জন্য দাবী
করেন। প্রধান
অতিথি নির্বাচন
কমিশনার মাহবুব
তালুকদার বলেন,
প্রশাসন আমাদের
সহায়ক শক্তি
তাদের নিয়ে
আমাদের কাজ
করতে হয়।
আমাদের কাছে
যতগুলি অভিযোগ
এসেছে তার
প্রতিটি তদন্ত
করে ব্যাবস্থা
গ্রহন করা
হবে।
No comments:
Post a Comment