মনবীর আলম সোহান. বরিশাল সিটি নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে প্রতীক বরাদ্দ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে নথুল্লাবাদ কাশিপুর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল ৪টা ৪৫ শে। তবে প্রতীক পেয়েই অনেকে প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। বিশেষ করে কোন কোন প্রার্থী রিকশা বা অটোরিকশাযোগে মাইকিংও করছেন। বরিশাল সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর
রহমান জানিয়েছেন- বেলা ১২টার দিকে মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর আগে সকাল থেকে নির্ধারিত সময়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের
মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে- ৬জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে দলীয় নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার, লাঙল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী
আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন তাদের সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব, মই প্রতীক পেয়েছেন বাসদের মেয়র প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী এবং কাস্তে প্রতীক পেয়েছেন সিপিবির প্রার্থী একে আজাদ। বরিশাল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন খান সাংবাদিকদের জানান, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার কার্যক্রম শেষে বিসিসির নির্বাচনে মেয়র-৬ জন, সাধারণ
কাউন্সিলর-৯৪ জন, সংরক্ষিত
মহিলা কাউন্সিলর ৩৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫, ১৬ ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিনজন ও সংরক্ষিত ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১ জন প্রার্থী এককভাবে রয়েছেন। যাদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। এর বাইরে সব প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরমধ্যে সাধারণ আসনের কাউন্সিলরা ১২টি ও সংরক্ষিত ওয়াডের্র কাউন্সিলরদের
জন্য ১০টি সংরক্ষিত প্রতীক রয়েছেন। তিনি বলেন- প্রতীক
পাওয়ার পর প্রার্থীরা নির্বাচনী বিধি-নিষেধ মেনে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন। প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার, জাতীয়
পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন সরকারের প্রতি। আগামী ৩০ জুলাই নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডের ১২৩ কেন্দ্রে ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন ভোটার বেছে নেবেন তাদের প্রার্থীদের।Post Top Ad
বরিশাল সিটি নির্বাচনের প্রতীক পেয়েই প্রচারণায় মাঠে প্রার্থীরা
মনবীর আলম সোহান. বরিশাল সিটি নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে প্রতীক বরাদ্দ। গতকাল মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টা থেকে নথুল্লাবাদ কাশিপুর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ প্রতীক বরাদ্দের কার্যক্রম শুরু হয়। শেষ হয় বিকেল ৪টা ৪৫ শে। তবে প্রতীক পেয়েই অনেকে প্রচার প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন। বিশেষ করে কোন কোন প্রার্থী রিকশা বা অটোরিকশাযোগে মাইকিংও করছেন। বরিশাল সিটি নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. মুজিবুর
রহমান জানিয়েছেন- বেলা ১২টার দিকে মেয়র প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর আগে সকাল থেকে নির্ধারিত সময়ে বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলরদের
মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। খোঁজখবর নিয়ে জানা গেছে- ৬জন মেয়র প্রার্থীর মধ্যে দলীয় নৌকা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ, ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার, লাঙল প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস, ইসলামী
আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন তাদের সমর্থিত মেয়র প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব, মই প্রতীক পেয়েছেন বাসদের মেয়র প্রার্থী মনীষা চক্রবর্তী এবং কাস্তে প্রতীক পেয়েছেন সিপিবির প্রার্থী একে আজাদ। বরিশাল জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন খান সাংবাদিকদের জানান, যাচাই-বাছাই, প্রত্যাহার কার্যক্রম শেষে বিসিসির নির্বাচনে মেয়র-৬ জন, সাধারণ
কাউন্সিলর-৯৪ জন, সংরক্ষিত
মহিলা কাউন্সিলর ৩৫ জন প্রার্থী রয়েছেন। তাদের মধ্যে ১৫, ১৬ ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডে তিনজন ও সংরক্ষিত ৪ নম্বর ওয়ার্ডে ১ জন প্রার্থী এককভাবে রয়েছেন। যাদের বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। এর বাইরে সব প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। এরমধ্যে সাধারণ আসনের কাউন্সিলরা ১২টি ও সংরক্ষিত ওয়াডের্র কাউন্সিলরদের
জন্য ১০টি সংরক্ষিত প্রতীক রয়েছেন। তিনি বলেন- প্রতীক
পাওয়ার পর প্রার্থীরা নির্বাচনী বিধি-নিষেধ মেনে প্রচার-প্রচারণা চালাতে পারবেন। প্রতীক বরাদ্দ পেয়ে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরওয়ার, জাতীয়
পার্টির প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস ও ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ওবাইদুর রহমান মাহবুব নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়া নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি তারা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন সরকারের প্রতি। আগামী ৩০ জুলাই নির্বাচনে ৩০টি ওয়ার্ডের ১২৩ কেন্দ্রে ২ লাখ ৪২ হাজার ১৬৬ জন ভোটার বেছে নেবেন তাদের প্রার্থীদের।বরিশাল সিটি মেয়র প্রার্থী তাপসের সাথে ওয়ার্ড নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা।
শামীম আহমেদ.
আগামী
৩০ই
জুলাই
বরিশাল
সিটি
কর্পোরেশনের
আসন্ন
সিটি
নির্বাচন
উপলক্ষে
জাতীয়
পাটি(এরসাদ) লাঙ্গল
প্রতিকের
মনোনিত
প্রার্থী
বিশিষ্ট
শিক্ষনুরাগী,সমাজসেবক
ইকবাল
হোসেন
তাপস
সহ
দলীয়
নেতৃবৃন্দ
নগরীর
৩০টি
ওয়ার্ড
নেতা-কর্মীদের
সাথে
এক
সৌজন্য
সাক্ষাৎ
ও
নির্বাচন
সম্পূর্ণ
করার
বিষয়
নিয়ে
প্রস্তুতি
ও
মতবিনিময়
করেন।
আজ
সোমবার
বিকালে
নগরীর
অক্্রফোর্ড
মিশন
সড়কস্থ
ইকবাল
হোসেন
তাপসের
বাসভবন
কার্যলয়
এ
মতবিনিময়
সভা
অনুষ্ঠিত
হয়।জাতীয়
পার্টি
নেতা
আঃ
রাজ্জাক
তালুকদারের
সভাপতিত্বে
মতবিনিময়
সভায়
দলীয়
কর্মীদের
উর্দ্যেশে
বক্তব্য
রাখেন
মেয়র
প্রার্থী
ইকবাল
হোসন
তাপস।
এসময়
আরো
বক্তব্য
রাখেন
জাতীয়
পার্টি
কেন্দ্রীয়
ভাইস
চেয়ারম্যান
অধ্যাপক
মহসিন-উল-ইসলাম হাবুল,বরিশাল
মহানগর
জাপা
নেতা
মীর
আলফাজ
উদ্দিন
আহমেদ
জসিম,জেলা সহ-সভাপতি
আলতাফ
হোসেন
ভাট্রি,আখতার হেসেন, মহানগর
যুগ্ম
আহবায়ক
এ্যাড.
এস.এম জসিম,রুস্তুম
আলী
খান,ফরহাদ হোসেন হাবিল,রফিকুল
ইসলাম
খোকন,ফোরকান
তালুকদার
ও
ইরান
চৌধুরী
প্রমুখ।
৩০ই
জুলাই
বরিশাল
সিটি
নির্বাচনে
জাতীয়
পার্টি
দলীয়ভাবে
একক
প্রার্থী
দিয়েছেন
পার্টির
চেয়ারম্যান
হুসাইন
মোঃ
এরসাদ।
দলীয় কর্মীদের উর্দ্যেশে
তাপস
সহ
স্থানীয়
নেতৃবৃন্দ
কর্মীদের
বলেন
বরিশাল
জাতীয়
পার্টিতে
কোন
ভেদাভেদ
নাই
৩০ই
সিটি
নির্বাচনে
প্রতিটি
কর্মীকে
জাপা
প্রার্থী
ইকবাল
হোসেন
তাপসের
বিজয়ের
জন্য
দলীয়
নেতা-কমী ও ওয়ার্ড
সভাপতি,সম্পাদকরা
যেন
প্রতিটি
ওয়ার্ডের
বাড়ি
বাড়ি
গিয়ে
জাতীয়
পাটি
কথা
মানুষের
মাঝে
তুলে
ধরার
আহবান
করার
পাশাপাশি
লাঙ্গল
প্রতিকের
কথা
বলার
জন্য
আহবান
জানান।
কর্মীদের
মনে
রাখতে
হবে
পূর্বের
জাতীয়
পার্টি
চেয়ে
এবারের
জাতীয়
পার্টির
প্রার্থী
অনেক
মনের
দিক
দিয়ে
শক্তিশালী
তার
গায়ে
নেই
কোন
কালিমার
দাগ।
আজ
মঙ্গলবার
বরিশাল
নির্বাচন
অফিস
থেকে
মেয়র
প্রার্থীদের
আনুষ্ঠানিকভাকে
প্রতিক
বরাদ্ব
করা
হবে।
বরিশাল আমানতগঞ্জ পুলিশ ফাড়ির নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্থর
শামীম আহমেদ.
বরিশাল
কোতয়ালী
মডেল
থানা
আওতধীন
নগরীর
আমানতগঞ্জ
পুলিশ
ফাঁড়ির
নতুন
ভবনের
ছয়
তালা
ভবন
এর
দ্বিতীয়
তলা
ভবন
নির্মান
কাজের
ভিত্তি
প্রস্থর
উদ্বোধন
করেন
বরিশাল
মেট্রোপলিটন
ভারপ্রাপ্ত
পুলিশ
কমিশনার
মাহফুজুর
রহমান।
আজ
সোমবার
বিকাল
চারটায়
পুলিশ
ফাঁিড়র
নতুন
ভবন
নির্মান
কাজের
উদ্বোধন
করা
হয়েছে।
এসময়
আরো
উপস্থিত
ছিলেন
বরিশাল
জেলা
আওয়ামীলীগ
সহ-সভাপতি
মাহাবুব
উদ্দিন
আহমেদ
(বীর
বিক্রম),মসিউর রহমান মিন্টু,বরিশাল
মেট্রোপলিটন
উপ-পুলিশ কমিশনার
(দক্ষিন)
মোঃ
গোলাম
রউফ
খান,ডিসি হেড কোয়াটার
খায়রুল
আনোয়ার,ডিসি ডিবি মোয়াজ্জেম
হোসেন
ভূইয়া,অতিরিক্ত
উপ-পুলিশ কমিশনার
রুনা
লায়লা,কোতয়ালী
মডেল
থানা
সহকারী
পুলিশ
কমিশনার
শাহনাজ
পারভীন,মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত
ইনচার্জ
অফিসার
(ওসি
তদন্ত)
আসাদ
জামান
ও
আমানতগঞ্জ
পুলিশ
ফড়ির
সদস্যগন।বরিশাল
গনপূর্ত
অধিদপ্তরের
তত্বাবধায়নে
দুই
কোটি
টাকা
ব্যায়ে
দীর্ঘ
আট
মাসে
দুই
তলা
ভবনের
কাজ
করে
দিবেন
আলহাজ্ব
সাইদুর
রহমান
রিন্টু
ঠিকাদারী
প্রতিষ্ঠান।
এর
পূর্বে
ভারপ্রাপ্ত
পুলিশ
কমিশনার
মাহফুজুর
রহমান
আমানতগঞ্জ
পুলিশ
ফাড়ির
নতুন
ভবনের
ভিত্তিপ্রস্থর
করার
জন্য
আসলে
পুলিশ
প্রশাসনের
সদস্যরা
পুলিশ
কমিশনার
মাহফুজুর
রহমান
ও
মাহাবুব
উদ্দিন
আহমেদ
(বীর
বিক্রমকে
ফুলের
শুভেচ্ছা
জনান
প্রশাসনের
সদস্যরা।