শহিদুল ইসলাম. শীত না
পড়লেও এরইমধ্যে
বাজারে শীতকালীন
সবজি আসতে
শুরু করেছে।
তবে এসব
সবজির দাম
সাধারণ ক্রেতাদের
নাগালের বাইরে,
অনেকটা আকাশছোঁয়া।
তবে অন্য
শাকসবজির দাম
ও সরবরাহ
মোটামুটি সহনীয়।
মাছের দাম
সাধারণ ক্রেতাদের
জন্য কিছুটা
বেশি।নগরীর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে,
ঈদের পর
ক্রেতা-বিক্রেতায়
বাজার এখনও
জমজমাট হয়নি।
মাছের দাম
সাধারণ ক্রেতাদের
জন্য কিছুটা
বেশি।বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০টাকা
থেকে ১২০
টাকায় বিক্রি
হচ্ছে।দু’ থেকে আড়াই’শ গ্রাম
ওজনের ছোট
ছোট ফুলকপি
৫০ থেকে
৬০ টাকায়
বিক্রি হচ্ছে।
একই আকারের
বাধাকপি প্রতি
পিস ৪০-৫০ টাকায়
বিক্রি করছেন
বিক্রেতারা।বরবটি প্রতি কেজি
৪০ থেকে
৫০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।
গাজর ৫০
থেকে ৬০
টাকা এবং
টমেটো ৮০-১০০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।এই
সবজিগুলো ছাড়া
অন্য শাকসবজির
বেশিরভাগের দাম ৩০থেকে ৪০ টাকার
মধ্যে।পটল ৩০-৪০ টাকা, কাঁকরোল
৩৫-৪০
টাকা, ধুন্দল
৫০ টাকা,
চিচিঙা ৫০
টাকা, কচুর
লতি ৬০
টাকা, ঢেঁড়স
৪০-৫০
টাকা, কচুর
ছড়া ৫০-৬০ টাকা,
ঝিঙা ৫০
টাকা, আলু
২৫-২৮
টাকা ও
করলা ৩০-
৪০টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে।কাঁচা কলা ৩৫ থেকে ৪০
টাকা হালি,
লাউ প্রতি
পিস ৪০-৫০ টাকা,
লাল শাক
আঁটিভেদে ১৫-২০ টাকা,
লাউ শাক
২০-২৫,
পুঁই শাক
১৫-২০
টাকা, পাট
শাক ১৫-২০ টাকা
ও ডাটা
শাক ১৫-২০ টাকা
দরে বিক্রি
হচ্ছে।পেঁয়াজ ৪০-৬০ টাকা ও
রসুন ৬০
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে।মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের কিছুটা
নাগালের বাইরে।
আকারভেদে জ্যন্ত
রুই মাছ
২৮০ থেকে
৩৫০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।
মৃত রুই
কেজিতে ২২০
টাকা থেকে
২৮০ টাকায়
বিক্রি হচ্ছে।
ঈদের আগের
চেয়ে এ
দাম কেজিতে
২০ থেকে
৩০ টাকা
বেশি।দেড় থেকে
পৌনে দুই
কেজি আকারের
ইলিশ মাছ
দুই হাজার
থেকে আড়াই
হাজার টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।
এক কেজি
ওজনের ইলিশ
১০০০/১২০০
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে। এছাড়া
৫০০ গ্রাম
থেকে ৬০০/৭০০ গ্রাম
ওজনের ইলিশ
প্রতি কেজি
এক হাজার
টাকা থেকে
৯০০ টাকা
দরে বিক্রি
হচ্ছে।চিংড়ি মাছ আকারভেদে ৫০০ থেকে
এক হাজার
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে।বড় বাইন
মাছ ৫০০
টাকা, আইড়
মাছ ৪০০-৬০০ টাকা,
চিতল মাছ
৫০০-৬০০
টাকা ও
শিং মাছ
৫০০-৬০০
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে। তেলাপিয়া
মাছ ১৬০
টাকা থেকে
২২০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।
পাঙাস মাছ
১৩০ টাকা
থেকে ১৫০
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে।বেসরকারি চাকরিজীবী আসলাম হোসেন বলেন,
শাকসবজি, মাছ
সবকিছুর দামই
আমাদের মতো
স্বল্প আয়ের
মানুষের জন্য
বেশি। বিশেষ
করে মাছের
দাম আমাদের
জন্য অনেক
বেশি।তবে শাকসবজির
সরবরাহ পর্যাপ্ত
বলে মনে
করেন তিনি।সবজি
বিক্রেতা সালাম
মিরা বলেন,
আমরা যে
হারে কিনি
সে হারে
বিক্রি করি।
কিছু শাকসবজি
বাজারে নতুন
আসতে শুরু
করেছে, আবার
কয়েকটির সিজন
শেষ সেগুলোর
দাম একটু
বেশি হওয়াই
স্বাভাবিক। অন্য শাকসবজির দাম মোটামুটি
স্থিতিশীল।মাছ বিক্রেতা কামরুল ইসলাম বলেন,
ঈদের পর
বাজারে ক্রেতা
কিছুটা কম
থাকায় আমদানি
কিছুটা কম।
এজন্য কিছু
কিছু মাছের
দাম ঈদের
আগের চেয়ে
সামান্য বেশি।তিনি
বলেন, বাজারে
মাছের দাম
মোটামুটি কমই।
অনেকের কাছে
কিছুটা বেশি
হতে পারে।
কিন্তু আমরা
যে হারে
পাইকারি কিনি
সেভাবে বিক্রি
করতে হয়।তাছাড়া
ব্রয়লার মুরগী
১৪০-১৫০
টাকা,সোনালি
২২০-২২৫
টাকা, গরুর
মাংস প্রতি
কেজি ৫০০
টাকা,খাসির
মাংস ৬০০-৭০০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হতে
দেখা গেছে।Post Top Ad
নগরীর বাজারে আগাম শীতকালিন সবজি
শহিদুল ইসলাম. শীত না
পড়লেও এরইমধ্যে
বাজারে শীতকালীন
সবজি আসতে
শুরু করেছে।
তবে এসব
সবজির দাম
সাধারণ ক্রেতাদের
নাগালের বাইরে,
অনেকটা আকাশছোঁয়া।
তবে অন্য
শাকসবজির দাম
ও সরবরাহ
মোটামুটি সহনীয়।
মাছের দাম
সাধারণ ক্রেতাদের
জন্য কিছুটা
বেশি।নগরীর কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা গেছে,
ঈদের পর
ক্রেতা-বিক্রেতায়
বাজার এখনও
জমজমাট হয়নি।
মাছের দাম
সাধারণ ক্রেতাদের
জন্য কিছুটা
বেশি।বাজারে প্রতি কেজি শিম ১০০টাকা
থেকে ১২০
টাকায় বিক্রি
হচ্ছে।দু’ থেকে আড়াই’শ গ্রাম
ওজনের ছোট
ছোট ফুলকপি
৫০ থেকে
৬০ টাকায়
বিক্রি হচ্ছে।
একই আকারের
বাধাকপি প্রতি
পিস ৪০-৫০ টাকায়
বিক্রি করছেন
বিক্রেতারা।বরবটি প্রতি কেজি
৪০ থেকে
৫০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।
গাজর ৫০
থেকে ৬০
টাকা এবং
টমেটো ৮০-১০০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।এই
সবজিগুলো ছাড়া
অন্য শাকসবজির
বেশিরভাগের দাম ৩০থেকে ৪০ টাকার
মধ্যে।পটল ৩০-৪০ টাকা, কাঁকরোল
৩৫-৪০
টাকা, ধুন্দল
৫০ টাকা,
চিচিঙা ৫০
টাকা, কচুর
লতি ৬০
টাকা, ঢেঁড়স
৪০-৫০
টাকা, কচুর
ছড়া ৫০-৬০ টাকা,
ঝিঙা ৫০
টাকা, আলু
২৫-২৮
টাকা ও
করলা ৩০-
৪০টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে।কাঁচা কলা ৩৫ থেকে ৪০
টাকা হালি,
লাউ প্রতি
পিস ৪০-৫০ টাকা,
লাল শাক
আঁটিভেদে ১৫-২০ টাকা,
লাউ শাক
২০-২৫,
পুঁই শাক
১৫-২০
টাকা, পাট
শাক ১৫-২০ টাকা
ও ডাটা
শাক ১৫-২০ টাকা
দরে বিক্রি
হচ্ছে।পেঁয়াজ ৪০-৬০ টাকা ও
রসুন ৬০
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে।মাছের দাম সাধারণ ক্রেতাদের কিছুটা
নাগালের বাইরে।
আকারভেদে জ্যন্ত
রুই মাছ
২৮০ থেকে
৩৫০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।
মৃত রুই
কেজিতে ২২০
টাকা থেকে
২৮০ টাকায়
বিক্রি হচ্ছে।
ঈদের আগের
চেয়ে এ
দাম কেজিতে
২০ থেকে
৩০ টাকা
বেশি।দেড় থেকে
পৌনে দুই
কেজি আকারের
ইলিশ মাছ
দুই হাজার
থেকে আড়াই
হাজার টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।
এক কেজি
ওজনের ইলিশ
১০০০/১২০০
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে। এছাড়া
৫০০ গ্রাম
থেকে ৬০০/৭০০ গ্রাম
ওজনের ইলিশ
প্রতি কেজি
এক হাজার
টাকা থেকে
৯০০ টাকা
দরে বিক্রি
হচ্ছে।চিংড়ি মাছ আকারভেদে ৫০০ থেকে
এক হাজার
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে।বড় বাইন
মাছ ৫০০
টাকা, আইড়
মাছ ৪০০-৬০০ টাকা,
চিতল মাছ
৫০০-৬০০
টাকা ও
শিং মাছ
৫০০-৬০০
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে। তেলাপিয়া
মাছ ১৬০
টাকা থেকে
২২০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হচ্ছে।
পাঙাস মাছ
১৩০ টাকা
থেকে ১৫০
টাকা কেজি
দরে বিক্রি
হচ্ছে।বেসরকারি চাকরিজীবী আসলাম হোসেন বলেন,
শাকসবজি, মাছ
সবকিছুর দামই
আমাদের মতো
স্বল্প আয়ের
মানুষের জন্য
বেশি। বিশেষ
করে মাছের
দাম আমাদের
জন্য অনেক
বেশি।তবে শাকসবজির
সরবরাহ পর্যাপ্ত
বলে মনে
করেন তিনি।সবজি
বিক্রেতা সালাম
মিরা বলেন,
আমরা যে
হারে কিনি
সে হারে
বিক্রি করি।
কিছু শাকসবজি
বাজারে নতুন
আসতে শুরু
করেছে, আবার
কয়েকটির সিজন
শেষ সেগুলোর
দাম একটু
বেশি হওয়াই
স্বাভাবিক। অন্য শাকসবজির দাম মোটামুটি
স্থিতিশীল।মাছ বিক্রেতা কামরুল ইসলাম বলেন,
ঈদের পর
বাজারে ক্রেতা
কিছুটা কম
থাকায় আমদানি
কিছুটা কম।
এজন্য কিছু
কিছু মাছের
দাম ঈদের
আগের চেয়ে
সামান্য বেশি।তিনি
বলেন, বাজারে
মাছের দাম
মোটামুটি কমই।
অনেকের কাছে
কিছুটা বেশি
হতে পারে।
কিন্তু আমরা
যে হারে
পাইকারি কিনি
সেভাবে বিক্রি
করতে হয়।তাছাড়া
ব্রয়লার মুরগী
১৪০-১৫০
টাকা,সোনালি
২২০-২২৫
টাকা, গরুর
মাংস প্রতি
কেজি ৫০০
টাকা,খাসির
মাংস ৬০০-৭০০ টাকা
কেজি দরে
বিক্রি হতে
দেখা গেছে।নৌকার মাঝি হতে চান আরিফিন মোল্লা, বরিশালে শোক দিবসে মাসব্যাপী কর্মসূচি পালিত
মাহফুজ ইসলাম
সবুজ. ১৯৭৫
সালের
১৫ই
আগস্ট
কালো
রাতে
স্বাধীনতার
স্থপতি
হাজার
বছরের
শ্রেষ্ঠ
বাঙালি
জাতির
জনক
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মজিবুর
রহমান
সহ
তার
পুরো
পরিবার
ও
দক্ষিন
বাংলার
কৃষককুলের
নয়ন
মনি
শহীদ
আঃ
রব
সেরনিয়াবাত
এর
পরিবারের
সদস্যদের
ঘাতকদের
বুলেটের
আঘাতে
নির্মমভাবে
নিহত
হওয়া
সদস্যদের
স্বরনে
বরিশাল
নগরীর
বিভিন্ন
স্থানে
১৫ই
আগস্ট
এর
গেট,ব্যনার,ফ্যস্টুন
ও
আলোচনা
সভা,
মস্জিদে
মস্জিদে
দোয়া-মোনাজাত
এবং
কাঙ্গালী
ভোজের
আয়োজন
করেছে
বরিশাল
আওয়ামীলীগ
নেতা
ও
বিশিষ্ট
সমাজসেবক
আগামী
জাতীয়
সংসদ
নির্বাচনের
মনোনয়ন
প্রত্যাশী
আরিফিন
মোল্লা
।
নিজ
উদ্যেগে
১৫ই
আগস্ট
দিনব্যাপী
সদর
উপজেলার
রায়পাশা-কড়াপুর
ইউনিয়নের
মোল্লা
বাড়িতে
শোক
দিবসের
অনুষ্ঠান
পালিত
হয়।
সকাল
থেকে
বাড়িতে
বঙ্গবন্ধু
ও
তার
আত্বীয়দের
রুহের
মাগফেরাত
কামনা
করে
কোরআনখানী
দোয়া-মোনাজাত
অনুষ্ঠিত
হয়।
পড়ে
জোহরবাদ
মিলাদ
শেষে
সুশৃঙ্খলভাবে
আরিফিন
মোল্লার
নিজ
হাতে
মিলাদের
তবারক
বিতরণ
করেন।
অনুষ্ঠানে
শতাধিক
নিজস্ব
স্বেচ্ছাসেবক
কর্মীদের
সহায়তায়
কোন
ধরনের
বিশৃঙ্খলা
ছাড়াই
প্রায়
সাড়ে
১২
হাজার
মানুষের
মাঝে
খিচুরির
প্যাকেট
তুলে
দেওয়া
হয়।
এসময়
এলাকার
অনুষ্ঠানের
পরিবেশ
পরিস্থিতি
শান্ত
রাখার
জন্য
এয়ারপোর্ট
থানার
একদল
পুলিশ
সদস্য
সেখানে
অবস্থান
করেন।
শোকের
মাসকে
স্বরন
করে
এত
বড়
কাঙ্গালী
ভোজের
আয়োজন
এটাই
প্রথম
বলে
এলাকাবাশী
ও
দোয়া-মোনাজাতে
অংশ
নেয়া
বিভিন্ন
মুসল্লীরা
জানান।
এসময়
আরিফিন
মোল্লা
বলেন,
এখনো
জাতিরপিতার
হত্যাকারীরা
যেসব
দেশে
অবস্থান
করছেন
তাদেরকে
দেশে
ফিরিয়ে
এনে
তাদের
বিচার
কাজ
সম্পূর্ণ
করার
জন্য
প্রধানমন্ত্রীর
প্রতি
আহবান
জানান
তিনি।
পড়ে
২৬
শে
আগস্ট
সকালে
উপজেলার
১নং
রায়পাশা
কড়াপুর
ইউনিয়ানের
সদস্যদের
কে
তিনটি
বাস
ও
পাঁচটি
মাইকো
নিয়ে
টুঙ্গিপাড়ায়
বাংলাদেশের
স্বাধীনতা
সংগ্রামের
মহানায়ক,
সর্বকালের
সর্বশ্রেষ্ঠ
বাঙালি,
জাতির
জনক
বঙ্গবন্ধু
শেখ
মুজিবুর
রহমানের
সমাধীর
পাশে
দাঁড়িয়ে
উপস্থিত
সকলে
এক
মিনিট
নিরবতা
পালন
করেন।
পরিশেষে
ফাতেহা
পাঠ
করে
বিশেষ
মুনাজাতের
মাধ্যমে
জাতির
পিতাসহ
সকল
শহীদদের
আত্মার
মাগফিরাত
কামনা
করে
দোয়া
করা
হয়।
বরিশালে
ফিরে
আওয়ামীলীগ
নেতা
আরিফিন
মোল্লা
২৭শে
আগস্ট
বরিশাল
চৌমাথা
নবগ্রাম
রাস্তা
ব্যক্তিগত
খরচে
ইটের-খোয়া দিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য
রাস্তার
গর্ত
ভরাট
করেছেন
তিনি।
ফলে
চরম
দুর্ভোগ
থেকে
রক্ষা
পাচ্ছেন
হাজার-হাজার মানুষ।
দুপুর
১টা
থেকে
বিকাল
৪
টা
পর্যন্ত
চৌমাথা
থেকে
মোল্লার
দোকান
এই
বেহাল
সড়কের
সংস্কার
করেন
তাঁর
ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে। সদর উপজেলার
১নং
রায়পাশা
কড়াপুর
ইউনিয়ানের
মোল্লাবাড়ির
সন্তান,সমাজসেবক,
শিল্পপতি,ও শিক্ষানুরাগী আরিফিন মোল্লা।
চাচইর মাদ্রাসায় দিন ব্যপি দৈনিক বরিশাল সময় পত্রিকার প্রকাশক'র পিতার ১১তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক .
বরিশাল
সমাচার পত্রিকার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকের পিতার
১১তম মৃত্যু
বার্ষিকী ঝালকাঠি
সদর উপজেলার
চাচইর ফাযিল
ও কওমী
মাদ্রাসা কমপ্লেক্স
ইয়াতিমখানা ও লিল্লাহ বোডিং এ
গতকাল শুক্রবার
সকালে কোরআন
তিলাওয়াত অনুষ্ঠিত
হয়। পরে
যোহরের নামাজ
বাদ দোয়া
মহফিল শেষে
১৩০জন ছাত্রদেরকে
কুলখানির আয়োজন
করা হয়।
কুলখানিতে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক বরিশাল
সময় পত্রিকার
প্রকাশক ও
দৈনিক বরিশাল
সমাচার পত্রিকার
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক অালহাজ্ব
কেএম তারেকুল
আলম অপু,
মফাসল বার্তার
সম্পাদক আঃ
হালিম, সময়
পত্রিকার ক্রাইম
রির্পোটার ইভান, স্টাফ রির্পোটার শহিদুল
ইসলাম, সমাচার পত্রিকার ফটো সাংবাদিক
মাহফুজ ইসলাম
সবুজ সহ
আরো উপস্থিত
ছিলেন চাচইর
মাদ্রাসার আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ আবুবকর
সিদ্দিক (নশা
হুজুর) ও
চাচইর মাদ্রাসার
আশপাসের মুরুব্বিয়ানেরাবরিশালে সুবিধাভোগীদের মাঝে নতুন ভাতার বই প্রদান
শামীম
আহমেদ. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বরিশাল জেলার গৌরনদী উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়নের বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের ভাতা প্রদানের লক্ষে নতুন বই বিতরণ করা হয়েছে। আজ বুধবার বেলা বারটায় ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে ইউনিয়নের ৫৯ জন নতুন ভাতাভোগিদের মাঝে বই বিতরণ করেন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলু। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইউপি সচিব মাহতাব হোসেন, ইউনিয়ন সমাজকর্মী মনিরুজ্জামান, ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান, নুর আলম সরদার, হাসান আল মামুন, বাবুল রায় প্রমূখ।