2018-07-15 - ৫২র বাংলা - সংবাদ সবসময়

Recent Topic

Post Top Ad

চৌমাথা থেকে রুইয়া সড়কের বেহাল দশা প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি

7:53 AM 0


শহিদুল ইসলাম . সাবেক মেয়র সওকত হোসেন হিরন তার আমলের শেষ সময়ে চৌমাথা থেকে রুইয়া পর্যন্ত কোটি টাকা ব্যয়ে সড়কটি  প্রস্হত করা সহ নতুন রুপে নগরবাসির চলাচলের জন্য উপযোগী করেন তিনি।তখন জনগনের কাছ থেকে প্রসংশা কুরিয়ে ছিলেন। - বছর ভাল ভাবেই যাতায়াত করছিল অঞলের মানুষ।ধীরে ধীরে সড়কটিতে খানাখন্দ হওয়ায় পদচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে থাকে।১৩ সালে ক্ষমতার পালা বদল হওয়ায় কামাল সাহেব এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করলে তার ভুমিকা ছিল প্রশ্নবিদ্ধ। ততক্ষনে সড়কটির বারোটা বেজে যায়,বিসিসির পক্ষ থেকে প্রতি বছর রাস্তা ঘাট সংস্কার করার কথা থাকলে তা করা হয়নি।স্হানীয় পত্রিকায়  কয়েক বার লেখা লেখি করার কারনে  সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে গত বছর কোন রকমের খোয়া দিয়ে দায় সারা ভাবে সড়ক সংস্কার করা হয়। দুঃখের বিষয় দুই মাস যেতে না যেতেই খোয়া উঠে গিয়ে যেই লাউ সেই কদুতে পরিনত হয়েছে।ফের সড়কটির বেহাল দশা, সড়ক নয় যেন মৃত্যু কুপ। চলাচলের অনউপযোগী হয়ে পড়েছে  বৃষ্টি পানি জমে গিয়ে এই সড়কের অধিকাংশ জায়গা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সড়কটিতে  বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে।খানাখন্দে ভরে গেছে সড়ক। কিন্তু সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। এই এক সড়কের কারণেই সারা বছর আমাদের ভোগান্তি পোহাতে হয়।ঐ এলাকার বাসিন্দা আইনজীবী হায়দার মিরা  প্রতিবেদককে কথাগুলো ক্ষোপের সাথে বলেন।   শুধু তিনি নন ২৩. ২২.২৭.নং ওয়ার্ড সহ ঝালকাঠি,কড়াপুর, সুগন্ধিয়া সহ দুরদুরান্ত থেকে আসা  প্রায় লক্ষাধিক মানুষকে প্রতিদিন চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।চৌমাথা থেকে রুইয়া সড়কে দীর্ঘদিন ধরে অটোরিকসা চালান মো. আলমগীর। আলমগীরও সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে ক্ষুব্ধ। তিনি বলেন, সন্ধ্যার পর  এলাকায় আমরা অটোরিকসা চালাই না। তার একটাই কারণ রাস্তার বেহাল দশা। যেকোন সময় গর্তে পড়ে আমরা মরমু, যাত্রীও মরবো।জিয়া সড়ক এলাকার বাসিন্দা আকবর আলী বলেন,আমার বয়স ৪০ বছর  একটি বছর সড়কটি দিয়ে চলাচল করতে পারি নাই,বর্ষার মৌসুম এলেই  সড়কের ক্ষত-বিক্ষত চেহারা ভেসে ওঠে। বছরের পর বছর এই অবস্থা চললেও কর্তৃপক্ষ সড়কটি উঁচুকরণের উদ্যোগ নিচ্ছে না। ফলে আমাদের ভোগান্তিও শেষ হচ্ছে না।কলেজ ছাত্র ফরহাদ আহমদ বলেন, এই সড়ক দিয়া কেউ অটোরিকসা, রিকসা চালকরা আসতে চায় নারাস্তা ভালো নাঅজুহাতে। তাদের বাড়তি ভাড়া দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। কিন্তু প্রতিদিন বাড়তি ভাড়া দেয়া আমাদের মতো শিক্ষার্থীদের পক্ষে সম্ভব না। আমরা চাই সড়কটি দ্রুত মেরামত করা হোক।খান সড়ক এলাকার বাসিন্দা শামীম আহমদ বলেন, নগরীর / ওয়ার্ডের প্রায় লক্ষাধিক লোক চলচল করে। যেকোন প্রয়োজনেই আমাদের শহরে আসতে হয়। শহরে আসতে গেলেই ভাঙাচুরা সড়কে দুর্ভোগের সীমা থাকে না। বিশেষ করে রোগী হাসপাতালে নিয়ে যেতে আমাদের দুর্ভোগের সীমা ছাড়িয়ে যায়।এছাড়া ব্যবসায়ীরা মালামাল আনতে গিয়ে সমস্যায় পড়েন। বাড়তি পরিবহন ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাদের। রুইয়া এলাকার মনোয়ারা বেগম বলেন, রাস্তায় দুই পাশে গর্ত, মধ্য খানে গর্ত ছোট ছোট শিশুরা স্কুলে করতে গেলেও ভয়ে থাকি যদি গর্তে পড়ে যায়। প্রতিদিনই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে। আমাদের দাবি, দ্রুত যেন সড়কটি মেরামত করা হয়। ব্যাপারে  বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ওহেদুজ্জামানের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে বিষয়টি  দেখবেন বলে তিনি জানান।স্হানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, ২২'২৩' ২৭ নং ওয়ার্ডের সাধারন কাউন্সিলর সহ সংরক্ষিত কাউন্সিলর তারা তো এই সড়কটি দিয়ে চলাচল করে তাদের কি চোখে পড়ছে না রাস্তার করুন দশা। ওয়ার্ড লোকজন তাদের ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন।তারা ভুলে গেছেন।এবার আর তা হবে না। এবার ব্যালোটের মাধ্যামে জবাব দেওয়া হবে
Read More

বরিশালে দুই কলেজের কেউ পাশ করেনি

7:24 AM 0



শামীম আহমেদ .  এইচএসসি পরীক্ষার ঘোষিত ফলাফলে বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের অধীনে দুইটি কলেজের কোন পরীক্ষার্থী পাশ করতে পারেনি। শিক্ষাবোর্ড সূত্রে জানা গেছে, জেলার উজিরপুর উপজেলার সাতলা আইডিয়াল কলেজ এবং পটুয়াখালী জেলার পশুরবুনিয়া ইসলামিয়া মহিলা কলেজ থেকে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় ১৮জন করে পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেও কেউ পাশ করতে পারেনি। বরিশাল শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর মোঃ আনোয়ারুল আজিম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

Read More

নারী বান্ধব নগরীর প্রত্যাশা বরিশালের নারীনেত্রীদের

7:18 AM 0


বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . নগরীর প্রায় অর্ধেক ভোটার নারী হলেও বরিশাল নগরীদের চলাফেরা বা অপরাপর সুযোগ-সুবিধা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে নারীরা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তাই বরিশাল নগরী নারীবান্ধব নগরী বলে মনে করেননা স্থানীয় নারী নেত্রীরা। তাদের মতে, কোন বাস্তবসম্মত কার্যক্রম না থাকলেও বরিশালকে শিশুবান্ধব নগরী ঘোষণা করা হলেও নারীবান্ধব নগরী করে গড়ে তুলতে এখন পর্যন্ত কোন মেয়র উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। তাই নারী নেত্রীরা আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীদের কাছে নারীবান্ধব নগরী গড়ে তুলতে কর্মজীবী মহিলা হোস্টেল নির্মাণ, নারী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য বিলুপ্ত, মাদার্স কর্নার প্রতিষ্ঠাসহ নারীবান্ধব নগরী গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি এবং নির্বাচিত হলে তা বাস্তবায়নের দাবি করেন। সূত্রমতে, সিটি নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৪২ হাজার ১১৬ জন। এরমধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২১ হাজার ৪৩৬ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ২০ হাজার ৭৩০ জন। অর্থাৎ মাত্র ৭০৬ জন পুরুষ ভোটার বেশি। যাদের সিংহভাগই ভোটের সময়ে কর্মস্থলে থাকায় বরিশালে ভোট দিতে পারেন না। ভোটার সংখ্যায় নারীরা অর্ধেক হলেও নগরীতে তারা নানাভাবে বঞ্চিত ও উপেক্ষিত হচ্ছে। নারীদের ভাগ্য পরিবর্তনে দীর্ঘদিন থেকে কাজ করা উন্নয়ন কর্মী শাকিলা ইসলাম বলেন, ভোটের পরিসংখ্যানে বরিশাল নগরীতে জয়-পরাজয়ের অন্যতম ফ্যাক্টর নারীদের ভোট। অথচ বিগত তিনটি সিটি নির্বাচনে নির্বাচিত মেয়রের কোন সদিচ্ছা ছিলোনা বরিশালকে নারীবান্ধব করে গড়ে তোলার। এমনকি বার্ষিক বাজেটেও এ বিষয়টি তুলে ধরা হয়নি। ফলে এখনও নগরীতে নারীরা চলাফেরায়, কর্মস্থলে এবং সমান অধিকার প্রাপ্তিতে নানাভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। নারী নেত্রী প্রতিমা সরকার বলেন, বরিশাল নগরীতে নারী ভোটার অর্ধেক হলেও তাদেরই অধিকার ও সুবিধাবঞ্চিত করে রাখা হয়েছে। শ্রমজীবী নারীরা মজুরি বৈষম্যের শিকার। নগর কর্তৃপক্ষের উচিত শ্রমজীবী নারীদের অধিকার রক্ষায় সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করা। কর্মজীবী মায়েরা তাদের শিশু সন্তানদের কোথায় রেখে কর্মস্থলে যাবেন তার কোন সুব্যবস্থা নেই। তিনি আরও বলেন, নারীদের জন্য নগর কর্তৃপক্ষের এ অধিকারগুলো নিশ্চিত করার দায়িত্ব হলেও কেউ সে দায়িত্ব পালন করেননি। সরকারী বিএম কলেজের সাবেক প্রফেসর শাহ সাজেদা বলেন, নগরীতে স্বাচ্ছন্দ্যে নারীদের চলাচলেও নানা প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগামী ছাত্রীরা প্রতিনিয়ত ইভটিজিংয়ের শিকার হচ্ছেন। অথচ নারীদের ভোট নিয়ে নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরা এসব বিষয়ে কখনও মাথা ঘামান না। এখনও একজন নারী সহজে গণপরিবহনে যাতায়াত করতে পারেন না। এ প্রসঙ্গে বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের নির্বাচন কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক বিলকিস আক্তার জাহান শিরিন বলেন, বিএনপি সর্বক্ষেত্রে নারীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে। আসন্ন নির্বাচনে তাদের প্রার্থী বিজয়ী হলে অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে বরিশালকে নারীবান্ধব নগরী গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তার (শিরিন) বক্তব্যকে মিথ্যাচার আখ্যাদিয়ে জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দা মনিরুন নাহার মেরী বলেন, বিএনপির নেতৃত্বাধীন কথিত ২০ দলের নেতারা বরাবরেই নারীদের সমান সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে বিরোধীতা করে আসছেন। তাদের দলের ধর্মবিক্রি করা তেঁতুল মৌলভীরা নানা আপত্তিকর বয়ান দিয়ে নারীদের চুড়ি পরিয়ে ঘরের দাসি করে রাখতে চেয়েছিলেন। তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী। সর্বক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ-ই নারীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এজন্যই নারীরা আজ সর্বক্ষেত্রে সমান অধিকার পেয়ে কর্মক্ষেত্রে সুযোগ পেয়েছেন। আসন্ন সিটি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কার প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকে নির্বাচিত করা হলে বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে বরিশালকে নারীবান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলা হবে। সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে - আগামী ৩০ জুলাই বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনকে ঘিরে জনগণের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, নগরবাসীর ব্যাপক সারাপেয়ে নির্বাচনে উন্নয়নের প্রতীক নৌকা মার্কার গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে ইনশাল্লাহ নৌকার বিজয় হবে। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত প্রচার-প্রচারণার মাঠে সুষ্ঠু ও সুন্দর পরিবেশ বিরাজ করছে। সাদিক আব্দুল্লাহ বলেন, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী হওয়ায় বিরোধী প্রার্থীদের আঙ্গুলটা আমার ওপরে আসে। এজন্য আমার নিজের ওয়ার্ডের ভোট কেন্দ্রসহ আশপাশের বেশ কয়েকটি ভোটকেন্দ্রে ইভিএমের জন্য আবেদন করেছি। সরোয়ার পতœীর গণসংযোগ - সিটি নির্বাচনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ মার্কার মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ারের পক্ষে ভোট চাইতে এবার মাঠে নেমেছেন তার স্ত্রী নাসিমা সরোয়ার। নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডে তিনি ধানের শীষের পক্ষে প্রচারনা চালিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন। অপরদিকে নগরীর চাঁদমারী এলাকায় বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার গণসংযোগকালে সাংবাদিকদের বলেন. ইভিএমের বিষয়টা এখনও জনগণ জানেনা। কাজেই ইভিএম করলেই যে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে সেটা ঠিক নয়, বরং সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য গাজীপুর ও খুলনার যে ত্রুটি-বিচ্যুতি হয়েছে সেগুলো দূর করতে হবে।

Read More

বরিশাল শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৭০.৫৫

7:16 AM 0


শামীম আহমেদ .  বরিশাল শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০১৭ সালের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। যা গত বছরের তুলনায় দশমিক ৩১ ভাগ পাশের হার বেড়েছে। গতকাল বৃহষ্পতিবার বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে এ ফলাফল ঘোষনা করা হয়।  এসময় বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আনোয়ারুল আজিম জানান, এ বছর পাসের হার ৭০.৫৫ যা গত বছরে ছিলো ৭০.২৮। এ বছর ৩ শত ৩৩ কলেজের ১ শত ১৬ টি সেন্টারে ৬২ হাজার ১৭৩ জন পরিক্ষার্থী ছিলো। যার মধ্যে জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬৭০ জন। জিপিএ-৫ বেলায় এবারও ছেলেদের থেকে মেয়ে পরীক্ষার্থীরা এগিয়ে রয়েছে। মেয়েদের পাশের হার ৭৬ দশমিক ০০ ও ছেলেদের পাশের হার ৬৫ দশমিক ৩৫। ফলে গত বছরের থেকে এবছর যেখানে মেয়েদের পাশের হার বেড়েছে ২ দশমিক ৬৫, সেখানে ছেলেদের পাশের হার কমেছে ১ দশমিক ৯৯ ভাগ। এদিকে গতবছরের মতো এবছরেও মেয়েরা ছেলেদের থেকে জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছে। মেয়েরা মোট ৩৭০ টি জিপিএ-৫ পেয়েছে, আর ছেলেরা মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩০০ টি, ফলে ছেলেদের থেকে মেয়েদের মোট জিপিএ-৫ ৭০ টি বেশি। তবে মোট জিপিএ-৫ এর ক্ষেত্রে গত বছরের থেকে এবছর ১৪৫ টি কমেছে।  গত বছর জিপিএ-৫ এর সংখ্যা ছিলো ৮১৫ আর এ বছর ৬৭০ টি। এছাড়াও বিষয় ভিত্তিতে পাশের হারে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষায়ও এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। ২০১৬ ও ২০১৭ সালের ফলাফলেও মেয়েরা জিপিএ-৫ ও পাশের হারে বরিশাল বোর্ডে এগিয়ে ছিলো। জেলা ভিত্তিক পাশের হারে বরিশাল জেলা ৭৬ দশমিক ৩০ ভাগ পাশ করে প্রথম অবস্থানে রয়েছে। এছারা ৬১ দশমিক ২২ ভাগ পাশের হার নিয়ে সবার নিম্নে রয়েছে পটুয়াখালী জেলা। ৬ জেলার মধ্যে ৭৩ দশমিক ৮৭ নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঝালকাঠি জেলা। এছাড়াও ৭০ দশমিক ১২ নিয়ে তৃতীয়তে ভোলা, ৬৮ দশমিক ৯২ নিয়ে চতুর্থ স্থানে পিরোজপুর, ৬৬ দশমিক ৭৫ নিয়ে পঞ্চমে রয়েছে বরগুনা জেলা। এদিকে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় দুটি প্রতিষ্ঠানে কোন পরীক্ষার্থীই পাশ করতে পারেনি। প্রতিষ্ঠান দুটোর মধ্যে বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা আইডিয়াল কলেজ ও পটুয়াখালীর পশুরবুনিয়া ইসলামিয়া মহিলা কলেজে পাশের হার শূন্য রয়েছে। এ দুই স্কুল থেকে ১৮ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহন করলেও কেই পাশ করেনি। অপরদিকে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বছরে বছরে বাড়ছে পাশের হার। ২০১৫ সালে বরিশাল মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ছিলো ৭০.০৬ ভাগ এরপরে ২০১৬ সালে দশমিক ০৬ ভাগ বেড়ে পাশের হার দাড়ায় ৭০.১৩ ভাগে। ২০১৬ সালের চেয়ে দশমিক ১১ ভাগ বেড়ে ২০১৭  সালে দাড়িয়েছে ৭০ দশমিক ২৪ ভাগে। আর ২০১৭  সালের থেকে দশমিক ৩১ ভাগ বেড়ে পাশের হার দাড়িয়েছে ৭০ দশমিক ৫৫ তে। ২০১৭ সালে যেখানে ৩১ হাজার ৩৩৯ জন ছাত্র ও ২৯ হাজার ১৪৭ জন ছাত্রী মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিলো ৬০ হাজার ৪৮৬ জন, সেখানে চলতি বছরে ১ হাজার ৭০৫ জন পরীক্ষার্থী বেড়েছে। ২০১৮ সালে পরীক্ষায় ৩১ হাজার ৮১৭ জন ছাত্র ও ৩০ হাজার ৩৫৬ জন ছাত্রী মিলিয়ে মোট ৬২ হাজার ১৭৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহন করে।

Read More

প্রচারনায় উত্তাল নগরী সর্বত্র বইছে উৎসবের আমেজ।

3:25 AM 0


শহিদুল ইসলাম. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, নিয়ে মাতামাতির মাত্রাও তত বাড়ছে। পোস্টার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে নগরীর সড়ক মহাসড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা অলিগলি। আগামী ৩০ জুলাই নির্বাচনে জয়লাভ করার লক্ষ্যে মেয়র কাউন্সিলর প্রার্থীরা পোস্টার ফেস্টুন টানিয়েছেন। কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডে পোস্টার ফেস্টুন টানিয়ে প্রচারণা করলেও মেয়র প্রার্থীদের পোস্টারে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সিটি করপোরেশন এলাকা। ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে বাজার, রাস্তা, মহল্লা। সবমিলিয়ে মহানগরজুড়ে চলছে ভোট উৎসব। প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোট নিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতেছেন সমগ্র সিটি কর্পোরেশন বাসী।বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে জন, কাউন্সিলর পদে ১১০ জন সংরক্ষিত আসনে ৩৭  জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা এখন প্রতিদিনই ছুটে বেড়াচ্ছেন নগরীর প্রতিটি মহল্লায়। বিশেষ করে মেয়র প্রার্থীরা নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন। শুধু মেয়র প্রার্থীরাই নয়, তাদের কর্মী-সমর্থকেরাও দলবেঁধে ছুটে বেড়াচ্ছেন নগরীর প্রান্ত থেকে প্রান্ত। ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন; চাইছেন ভোট। কর্মী-সমর্থকরা ছাড়া বিভিন্ন সংগঠনও নিজেদের পছন্দের প্রার্থীর জন্য চালাচ্ছে প্রচারণা।নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতকরণে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। নির্বাচন পূর্ব, নির্বাচন কালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী যেকোন ধরণের নাশকতা প্রতিহত করতে তৎপর আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন  নির্বাচনে কয়েক এস্তারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার  জানান, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন  নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।এবং কয়েকটি কেন্দ্রে এভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।তাছাড়া কোন কোন কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ সেগুলোর সামগ্রিক তালিকা তৈরীর জন্য মহানগর পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।বরিশাল সিটি নির্বাচনকে একটি মডেল স্থানীয় নির্বাচন রূপে দাঁড় করতে চায় ইসি। আর তাই সামগ্রিকভাবে প্রার্থী, ভোটার, স্থানীয় সাধারণ জনতা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহায়তা চেয়েছে ইসি

Read More

প্রচারনায় উত্তাল নগরী সর্বত্র বইছে উৎসবের আমেজ

3:21 AM 0


বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, নিয়ে মাতামাতির মাত্রাও তত বাড়ছে। পোস্টার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে নগরীর সড়ক মহাসড়ক থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লা অলিগলি। আগামী ৩০ জুলাই নির্বাচনে জয়লাভ করার লক্ষ্যে মেয়র কাউন্সিলর প্রার্থীরা পোস্টার ফেস্টুন টানিয়েছেন। কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডে পোস্টার ফেস্টুন টানিয়ে প্রচারণা করলেও মেয়র প্রার্থীদের পোস্টারে ভিন্ন চিত্র দেখা গেছে। প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে সিটি করপোরেশন এলাকা। ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে গেছে বাজার, রাস্তা, মহল্লা। সবমিলিয়ে মহানগরজুড়ে চলছে ভোট উৎসব। প্রার্থীদের পাশাপাশি ভোট নিয়ে আনন্দ উৎসবে মেতেছেন সমগ্র সিটি কর্পোরেশন বাসী।বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে জন, কাউন্সিলর পদে ১১০ জন সংরক্ষিত আসনে ৩৭  জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা এখন প্রতিদিনই ছুটে বেড়াচ্ছেন নগরীর প্রতিটি মহল্লায়। বিশেষ করে মেয়র প্রার্থীরা নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি মহল্লা চষে বেড়াচ্ছেন। শুধু মেয়র প্রার্থীরাই নয়, তাদের কর্মী-সমর্থকেরাও দলবেঁধে ছুটে বেড়াচ্ছেন নগরীর প্রান্ত থেকে প্রান্ত। ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন; চাইছেন ভোট। কর্মী-সমর্থকরা ছাড়া বিভিন্ন সংগঠনও নিজেদের পছন্দের প্রার্থীর জন্য চালাচ্ছে প্রচারণা।নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতকরণে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন। নির্বাচন পূর্ব, নির্বাচন কালীন এবং নির্বাচন পরবর্তী যেকোন ধরণের নাশকতা প্রতিহত করতে তৎপর আছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বরিশাল সিটি কর্পোরেশন  নির্বাচনে কয়েক এস্তারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার  জানান, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন  নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সভায় আলোচনা হয়েছে।এবং কয়েকটি কেন্দ্রে এভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।তাছাড়া কোন কোন কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ সেগুলোর সামগ্রিক তালিকা তৈরীর জন্য মহানগর পুলিশকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।বরিশাল সিটি নির্বাচনকে একটি মডেল স্থানীয় নির্বাচন রূপে দাঁড় করতে চায় ইসি। আর তাই সামগ্রিকভাবে প্রার্থী, ভোটার, স্থানীয় সাধারণ জনতা এবং সংশ্লিষ্ট সকলের সহায়তা চেয়েছে ইসি এদিকে ধানের শীষ প্রতীকের মেয়র প্রার্থী  এ্যাডঃ মজিবর রহমান সরোয়ার মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১১টারদিকে বাংলাবাজার,আমতলারমোড়,চান্দু মার্েকট, রুপাতলী এলাকায় গণসংযোগ করেন।
Read More

ভোলা শিবপুর গ্রামের গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা

11:40 AM 0


বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক. স্বজনদের কাছ থেকে জানা যায়  আরজু বেগমের (৩৫) স্বামী মোঃ ফরিদ( ৪০) এর সাথে জমি জমার সংঘাতের জেদ ধরে ভুট্টু (৩০) সালাউদ্দিন (২৭) নূর আলম (৩৫) পিতাঃ নূর ইসলাম (৬০) কাশেম (৪৫) পিতা সাদেক(৭০) ১৪ তারিখ রাতে ঘরের শিক কেঁটে মাঝ রাতে প্রবেশ করে তার গলা কেঁটে হত্যার চেষ্টা চালায়। বর্তমানে বরিশাল শেবাচিমে চিকিৎসারত অবস্থায় রয়েছে।
Read More

আমরা সিটি নির্বাচনে কারো কাছে নতি স্বিকার করবো না। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার।

11:30 AM 0


শামীম আহমেদ . বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী,সাধারন কাউন্সিলর সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীদের সাথে নির্বাচন সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, বরিশাল সিটি নির্বাচনে আমরা কারো কাছে নতি স্বিকার করবো না। তিনি আরো বলেন কোন প্রকার প্রশাাসনের শিথিলতা বরদাস্ত করা হবে না। নির্বাচনের পক্ষ থেকে বলে দিয়েছি খুলনা-গাজীপুরের মত নির্বাচন বরিশালে হতে দেব না। নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে নিরাপত্তা পালনে প্রশাসনের বাহিনী ব্যার্থ হয় তাহলে তাদেরকে রাখার পয়োজন নেই। সোমবার বিকালে বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ নাসিমুজ্জামান মেহেদী মিলনায়তন সভ কক্ষে অনুষ্টিত মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন। বরিশাল আঞ্চলিক নির্বচন কার্যলয়ের আয়োজনে রিটানিং অফিসার মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় তিনি আরো বলেন, সারা বিশ্ব সহ দেশের মানুষ সিটি নির্বাচনের দিকে তাকিয়ে আছে কোন ক্রমেই নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ব হতে দেওয়া হবেনা। নির্বাচনে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অতি উৎসাহিত করে কিছু করবেন ন্ াপ্রয়োজনে তাদের সহ প্রাথীর পদ বাতিল করা হতে পারে। ভোট একটি আমানত  কোন প্রত্যয়ে ব্যার্থ ঘটলে কাইকে ছাড় দেওয়া হবেনা। এসময় মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান,বরিশাল মেট্রোপলিটন ভারপ্রাপ্ত পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান,উপ-পুলিশ কমিশনার আঃ রউফ। অনুষ্ঠানে স্বগত নিদেৃশনামূলক বক্তব্য রাখেন বরিশাল জৈষ্ঠ নির্বাচন কর্মকর্তা মোঃ হেলাল উদ্দিন। এসময় নির্বাচন কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষন করে নৌকা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ্ বলেন বরিশাল সিটি নির্বাচনে ভোটাররা নির্বাচনের দিন নির্ভয়ে যাকে খুশী তাকে ভোট দেবে। এছাড়া তিনি আরো একটি কথা বলেন আমার প্রতিপক্ষ প্রার্থীরা বলেন আমরা ক্ষমতায় আছি আমার আত্বীয়-স্বজনরা ক্ষমতায় আছে এটা কি আমার অপরাধ। আমরা চাইনা নির্বাচন প্রশ্ন বিদ্ব হোক। ধানের শীষের প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন,নির্বাচনে সেনা বাহিনী আসলে জনগন বেশী খুশী হত। আমরা নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দিয়েছি তার কি ব্যাবস্থা নেয়া হয়েছে এপর্যন্ত যতগুলি নির্বাচন হয়েছে সর্বজন বিধিত নয়। লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপস বলেছেন খুলনা গাজীপুরের সিটি নির্বাচনে কোন ধরনের মারামারি-হানাহানী হয়নি তাহলে কেন ভোটে অনিয়ম হয়েছে।  বরিশালে খুলনা গাজীপুরের মত নির্বাচন হয় তাহলে আমাদের আর বলার কিছুই নেই। এছাড়া মেয়র প্রার্থী মনিষা চক্রবর্তী একে আজাদ বলেছেন এখনো কতিপয় মেয়র প্রার্থী নির্বাচনী আচরন ভংগ করে যেখানে-সেখানে পোস্টার লাগিয়ে রেখে নিয়ম ভংগ করার পরও নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে কোন ব্যাবস্থা নেয়া হয় নাই। তারা নির্বাচনী ভিজেলেন্স টিমের সংক্ষা বাড়ানোর জন্য দাবী করেন। প্রধান অতিথি নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার বলেন, প্রশাসন আমাদের সহায়ক শক্তি তাদের নিয়ে আমাদের কাজ করতে হয়। আমাদের কাছে যতগুলি অভিযোগ এসেছে তার প্রতিটি তদন্ত করে ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।



Read More

বিসিসি নির্বাচনে সরকারি জায়গায় প্রার্থীদের ক্যাম্প ও অফিস স্থাপন নয়

3:17 AM 0


মনবীর আলম খাঁন. বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে প্রচার-প্রচারণা এরইমধ্যে জমজমাট হয়ে উঠেছে।এরইমধ্যে সিটি নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীরা নগরের বিভিন্ন স্থানে বসিয়েছেন নির্বাচনী ক্যাম্প।যেখান থেকে প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার-প্রচারনার কাজও চালাচ্ছেন নেতা-কর্মী সমর্থকরা।নির্বাচনী ক্যাম্পের পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক গড়ে ওঠা রাজনৈতিক দল অঙ্গসংগঠনগুলোরে কার্যালয় বা অফিসে প্রতিনিয়ত বাড়ছে কর্মী-সমর্থকদের উপস্থিতি। তবে এসব নির্বাচনী ক্যাম্প অফিস সরকারি জায়গায় বসানো যাবে না বলে জানিয়েছেন বরিশাল জেলা জেষ্ঠ্য নির্বাচন কর্মকর্তা সিটি নির্বাচনের সহকারী রিটার্নিং অফিসার মোঃ হেলাল উদ্দিন খান।তিনি রোববার (১৭ জুলাই) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে বসে বলেন, জেলা প্রশাসন, আর সিটি কর্পোরেশন যার জায়গাই হোক না কেন সরকারি জায়গায় কোন প্রার্থী নির্বাচনী ক্যাম্প কিংবা দলীয় অফিস বসাতে পারবে না। এরইমধ্যে একটি সভার মাধ্যমে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং প্রার্থীদের রিটার্নিং কর্মকর্তা জানিয়েও দিয়েছেন।তিনি বলেন, খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে মাঠপর্যায়ে অভিযান শুরু করা হবে। সরকারি জায়গায় বসানো নির্বাচনী ক্যাম্প অফিস উচ্ছেদ করা হবে। আর যদি সরকারি জায়গা কারো নামে লিজ নেয়া থাকে, তবে সে লিজ কি কাজের জন্য দেয়া হয়েছে তাও খতিয়ে দেখা হবে।এদিকে রিটানিং কর্মকর্তার কার্যলয় সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনী আচরণবিধি তদারকি করতে ১০ সদস্যের ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে। অপরদিকে ৩০ জুলাই নির্বাচন কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত বরিশাল জেলা প্রশাসনের ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিটার্নিং কর্মকর্তার অধীনে থাকবেন। তারা প্রার্থীদের আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ আইনশৃঙ্খলা বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে আইনি সহায়তা দেবেন





Read More

Recent Movies

Post Top Ad