শামীম আহমেদ . বরিশালে শিশু পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে
আটক করেছে পুলিশ। এদের বিরুদ্ধে
বরিশালের বিভিন্ন স্থান থেকে ১১জন শিশুকে ভারতে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার (২৬ মে) দুপুরে বরিশাল
মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো:
মাহফুজুর রহমান জানান,
শুক্রবার রাতে নগরের রসুলপুর বস্তিতে অভিযান চালানো হয়। এসময় মুক্তা, চামেলি ও হারুণ নামে তিন শিশু পাচারকারীকে তাদের নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়।
সম্প্রতি মুক্তা দুটি শিশুকে ভারতে পাচারের সময় একটি
শিশুকে বিজিবি উদ্ধার করে ফেরত পাঠায় বলে জানায়
পুলিশ। সে
শিশুটি রসুলপুরেরই বাসিন্দা। বাকী শিশুটিকে এখনও উদ্ধার করা যায়নি বলে জানিয়েছেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ আছে বলে দাবী করেছে
পুলিশের।Post Top Ad
বরিশালে শিশু পাচারকারী চক্রের তিন সদস্য আটক
শামীম আহমেদ . বরিশালে শিশু পাচারকারী চক্রের তিন সদস্যকে
আটক করেছে পুলিশ। এদের বিরুদ্ধে
বরিশালের বিভিন্ন স্থান থেকে ১১জন শিশুকে ভারতে পাচারের অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার (২৬ মে) দুপুরে বরিশাল
মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো:
মাহফুজুর রহমান জানান,
শুক্রবার রাতে নগরের রসুলপুর বস্তিতে অভিযান চালানো হয়। এসময় মুক্তা, চামেলি ও হারুণ নামে তিন শিশু পাচারকারীকে তাদের নিজ বাসা থেকে আটক করা হয়।
সম্প্রতি মুক্তা দুটি শিশুকে ভারতে পাচারের সময় একটি
শিশুকে বিজিবি উদ্ধার করে ফেরত পাঠায় বলে জানায়
পুলিশ। সে
শিশুটি রসুলপুরেরই বাসিন্দা। বাকী শিশুটিকে এখনও উদ্ধার করা যায়নি বলে জানিয়েছেন। আটককৃতদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ আছে বলে দাবী করেছে
পুলিশের।বরিশালে প্রশ্নপত্র ফাঁস পরিকল্পনা, ছাত্রলীগ নেতাসহ আটক ১০
বায়ন্নোর বাংলা ডেস্ক . প্রাথমিক শিক্ষক
নিয়োগ পরীক্ষার
প্রশ্নপত্র ফাঁস করার পরিকল্পনার অভিযোগে
বরিশালে ১০
জনকে আটক
করেছে কোতয়ালী
থানা পুলিশ।
এসময় উদ্ধার
করা হয়েছে
বেশ কয়েকটি
ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ও নগদ টাকা।আটকদের
মধ্যে রয়েছেন-
বরিশাল সরকারি
সৈয়দ হাতেম
আলী কলেজ
ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল করিম বাপ্পি
ও তার
সহযোগী সোহেল।
বাকী ৭
জনের পরিচয়
নিশ্চিত হওয়া
যায়নি।বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি থানা পুলিশ
সূত্র জানিয়েছে-
গোয়েন্দা তথ্যে
নিশ্চিত রাত
সাড়ে ১২টার
দিকে শহরের
গির্জ মহল্লা
এলাকার আবাসিক
হোটেল ইম্পিরিয়ালে
অভিযান চালানো
হয়। এখান
থেকে তিন
পরীক্ষার্থীসহ আরও ৭জনকে আটক করা
হয়। এসময়
উদ্ধার করা
হয় ইলেকট্রনিক্স
ডিভাইসসহ আরও
বেশকিছু নগদ
টাকা উদ্ধার
করা হয়।
পরবর্তীতে তাদের স্বীকারোক্তি নিয়ে রাত
১টার দিকে
শহরের হাতেম
আলী কলেজ
এলাকায় অভিযান
চালিয়ে বাপ্পিকে
তার বাসা
থেকে আটক
করা হয়।
ওই সময়
নগদ টাকাসহ
আরও ২
পরীক্ষার্থীকে আটক করা হয়। এই
অভিযানে নেতৃত্ব
দেন বরিশাল
মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার
(ডিসি) গোলাম
রউফ, ওসি
আওলাদ হোসেন
মামুন ও
এসআই মহিউদ্দিন
মাহি। এসময়
বরিশাল মেট্রোপলিটন
পুলিশের বেশ
কয়েকজন পুলিশ
সদস্য উপস্থিত
ছিলেন।কোতয়ালী মডেল থানার এস আই
মহিউদ্দিন মাহি (পিপিএম) বাদি হয়ে
আসামীদের বিরুদ্ধে
মামলার প্রস্তুতি
নিচ্ছেন বলে
জানা গেছে।
বরিশালে বিকাশ পয়েন্টের ক্যাশ বাক্স ভেঙ্গে ৫ লাখ টাকা চুরি
গৌরনদী প্রতিনিধি . বরিশালের গৌরনদী উপজেলার টরকী বন্দর এলাকায় বিকাশ পয়েন্ট ও মোবাইল গ্যালারীতে দুর্ধর্ষ চুরি হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের সময় দোকানের ক্যাশ বাক্স ভেঙ্গে ৫ লক্ষাধিক টাকা চুরি করে নেয় সংঘবদ্ধ চোর। খবর পেয়ে গৌরনদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে চোর সনাক্ত করার চেষ্টা করছে। বিকাশ পয়েন্টের মালিক সাইফুল ইসলাম জানান, জুমার নামাজ পড়ার জন্য, প্রতিষ্ঠানের থাই গ্লাসের দরজার তালা মেরে মসজিদে যান। নামাজ শেষে প্রতিষ্ঠানে এসে দরজা ও ক্যাশ বাক্সের তালা ভাঙ্গা দেখতে পান। সংঘবদ্ধ চোর ক্যাশ বাক্সের তালা ভেঙ্গে নগদ ৫ লক্ষাধিক টাকা চুরি করে। এ ব্যাপারে গৌরনদী থানার এসআই মো. মাজাহারুল জানান, খবর পেয়ে ওই প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে। পাশের দোকানের সিসি ক্যামেরায় ধারনকৃত ফুটেজ দেখে চোর সনাক্তের চেষ্টা চলছে এবং এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।বরিশালে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ৬৭
শামীম আহমেদ . বরিশাল জেলা
ও মেট্রোপলিটন
পুলিশের (বিএমপি)
মাদক বিরোধী
অভিযানে ২৪
ঘন্টায় বরিশালে
৬৭ জনকে
গ্রেফতার করা
হয়েছে। শনিবার
(২৬ মে)
স্ব-স্ব
দফতর থেকে
প্রেরিত সংবাদ
বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করা
হয়। রেঞ্জ
পুলিশের পক্ষ
থেকে প্রেরিত
এক সংবাদ
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ১৮ মে
থেকে চলমান
বিশেষ মাদক
বিরোধী অভিযানের
অংশ হিসেবে
বরিশাল রেঞ্জের
অধীনে ৬
জেলায় মাদক
বিরোধী অভিযান
চলমান রয়েছে।
রেঞ্জের ডিআইজি
মোঃ শফিকুল
ইসলাম-বিপিএম,
পিপিএম এর
নির্দেশনা ও সরসরি তদারকিতে ২৫
মে ২৪
ঘন্টায় বরিশাল,
পটুয়াখালী, ঝালকাঠী, ভোলা, পিরোজপুর ও
বরগুনা জেলায়
মাদকের সাথে
সংশ্লিষ্টতার জন্য মোট ৫০ জনকে
গ্রেফতার করা
হয়েছে। পাশাপাশি
২২৬ পিস
ইয়াবা ট্যাবলেট,
৪ কেজি
৭ গ্রাম
গাঁজা, ১
শত মিলি
লিটার চোলাইমদ
তৈরীর উপকরণ
উদ্ধার করা
হয়। যার
প্রেক্ষিতে মোট ৩৭ টি মামলা
রুজু করা
হয়েছে। অপরদিকে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকায়
মাদক বিরোধী
অভিযানের পাশাপাশি
আসন্ন ঈদ
উপলক্ষ্যে সন্ত্রাসী কার্যক্রম ও অপতৎপরতা
রোধে বিশেষ
অভিযান চলমান
রয়েছে।বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে
প্রেরিত খুদে
বার্তায় জানানো
হয়, মাদক
বিরোধী অভিযানে
গত ২৪
ঘন্টায় মোট
১৪ জনকে
গ্রেফতার হয়েছে।
এসময় তাদের
কাছ থেকে
উদ্ধার হয়েছে
৩৮৭ পিস
ইয়াবা, ৭৫০
গ্রাম গাঁজা
উদ্ধার করা
হয়। যার
অনুকুলে মেট্রোপলিটনের
৪ থানায়
১০ মামলা
দায়ের করা
হয়েছে। এদিকে
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন অধিদপ্তরের অভিযান গত
২৪ ঘন্টায়
১০ টি
অভিযান পরিচালনা
করেছেন। যারমধ্যে
আজ শনিবার
(২৬ মে)
সকালে গৌরনদী
থানাধীন বার্থী
গ্রামের মোঃ
ধলু ফকিরের
বাড়িতে সফল
অভিযান চালানো
হয়। অভিযানের
আগেই ধলু
ফকির পালিয়ে
গেলে তাকে
আটক করা
সম্ভব হয়নি।
তবে ধলু
ফকিরের স্ত্রী
রওশান আরা
বেগম (৪৫)
ও মেয়ে
জামাই মোঃ
রানা ঢালী
(২২) কে
১ কেজি
৫ শত
গ্রাম গাঁজাসহ
গ্রেফতার করা
হয়। পাশাপাশি
তাদের বাড়ির
সামনে থেকে
স্থানীয় বাসিন্দা
মোঃ বাবুকে
১ শত
গ্রাম গাঁজাসহ
গ্রেফতার করা
হয়।বরিশালে আম পাড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত-৭
গৌরনদী প্রতিনিধি . জেলার গৌরনদী
উপজেলার মাহিলাড়া
ইউনিয়নের শরিফাবাদ
গ্রামের কেবলার
ভিটা নামক
স্থানে গাছের
আম পাড়াকে
কেন্দ্র করে
উভয় পক্ষের
হামলা পাল্টা
হামলায় কমপক্ষে
সাতজন আহত
হয়েছে। গুরুতর
আহত দুইজনকে
শেবাচিম হাসপাতালে
প্রেরণ করা
হয়েছে। অপর
পাঁচজনকে গৌরনদী
উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায়
গৌরনদী মডেল
থানায় মামলা
দায়ের করা
হয়েছে। আহত
সূত্রে জানা
গেছে, শুক্রবার
সকালে পূর্ব
শরিফাবাদ সরকারী
প্রাথমিক বিদ্যালয়
সংলগ্ন কেবলার
ভিটায় নিজেদের
গাছে আম
পারতে যায়
একই গ্রামের
আলমগীর হাওলাদার
ও বেল্লাল
হাওলাদার। এসময় একই এলাকার আদম
আলী হাওলাদারের
বখাটে পূত্র
তুহিন হাওলাদার
তাদের আম
পারতে বাধা
দিলে উভয়ের
মধ্যে বাগবিতন্ডা
হয়। বাগবিতন্ডার
একপর্যায়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে আলমগীর
হাওলাদারের বাড়ীর হেমায়েত হাওলাদার, এনায়েত
হাওলাদার ও
ইদ্রিস হাওলাদারসহ
কয়েকজন। এসয়ম
তুহিনের পক্ষের
লোকজনও সেখানে
জড়ো হইলে
উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। পূর্ব শরিফাবাদ
সরকারী প্রাথমিক
বিদ্যালয় ম্যানেজিং
কমিটির সভাপতি
আহত ইদ্রিস
হাওলাদার জানান,
আলমগীর হাওলাদারের
সাথে বাগবিতন্ডা
হইলে ঘটনার
বিস্তারিত জানার জন্য কেবলার ভিটায়
গেলে কাঞ্চন
হাওলাদার, তুহিন হাওলাদার, আদম আলী
হাওলাদার, দাদন হাওলাদারসহ ১০/১২জন
মিলে আতুর
ও লোহার
রড নিয়ে
তাদের উপর
পরিকল্পিত ভাবে হামলা চালায়। হামলায়
আলমগীর হাওলাদার,
হেমায়েত হাওলাদার,
এনায়েত হাওলাদার,
ইদ্রিস হাওলাদার,
বেল্লাল হাওলাদার,
রবিউল হাওলাদার
গুরুতর আহত
হয়। এসময়
পাল্টা হামলায়
প্রতিপক্ষের আদম আলী হাওলাদার আহত
হন। গুরুতর
আহত হেমায়েত
ও আলমগীর
হাওলাদারকে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা
হয়েছে। সত্যিকারের নৌকা, ধানের শীষ নিয়ে প্রচার আর চলবে না- নির্বাচন কমিশন
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . ভোটের প্রচারে
প্রতীকের ব্যবহার
নিয়ে নির্বাচন
কমিশন এমন
এক সিদ্ধান্ত
নিয়েছে যার
ফলে বিএনপির
কর্মীরা এখন
থেকে ক্ষেত
থেকে ধানের
শীষ কেটে
এনে আর
প্রচার চালাতে
পারবেন না।
দলটির নেতা-কর্মীদেরকে প্রচারে
নামতে হবে
প্লাস্টিকে তৈরি ধানের শীষ ব্যবহার
করে।
একইভাবে আওয়ামী
লীগ তার
নির্বাচনী প্রচারে সত্যিকারের নৌকা নিয়ে
আসতে পারবে
না। তবে
তারা নৌকার
আদলে তৈরি
প্রতিকৃতি ব্যবহার করা যাবে।
বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনে এক বৈঠক
শেষে এই
বিষয়টি জানান
নির্বাচন কমিশন
সচিব হেলালুদ্দীন
আহমেদ।
নানা সময়
নির্বাচনী প্রচারে বিএনপির কর্মী সমর্থকরা
ক্ষেত থেকে
ধানের শীষ
কেটে এনে
প্রচারে অংশ
নেন। দলের
নেতারাও কোনো
এলাকায় সফরে
গেলে তাদের
হাতে এই
প্রতীক দেয়া
হয়।
তবে নির্বাচন
কমিশন সচিব
বলেন, ‘এখন
থেকে কেউ
প্রতীকের প্রতিকৃতি
ব্যতীত অন্য
কিছু ব্যবহার
করে প্রচারণা
চালাতে পারবে
না।’প্রতীক
হিসেবে নৌকা,
হাতপাখার প্রতিকৃতি
কী হবে-
এক সাংবাদিকের
করা প্রশ্নের
সরাসরি উত্তর
না দিয়ে
ইসি সচিব
বলেন, ‘আগে
ছিল জীবন্ত
কোনও কিছু
নিয়ে প্রচারণা
করা যাবে
না। যেমন
হাতি, ঘোড়া
ইত্যাদি, সেখানে
এখন বলা
হয়েছে, প্রতিকৃতি
ব্যতিত অন্য
কিছু নিয়ে
প্রচারণা করা
যাবে না।’সেনা সমর্থিত
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নিয়োগ পাওয়া
নির্বাচন কমিশন
আওয়ামী লীগ
সরকারের আমলে
২০১১ সালে
জীবন্ত প্রাণী
নিয়ে নির্বাচনী
প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
দেয়।এর আগ
পর্যন্ত হাতি,
ঘোড়া, ময়ূর
বা গোরগ
মার্কার প্রার্থীরা
এসব প্রাণী
নিয়ে মিছিল
বের করতেন।
কিন্তু সাত
বছর ধরে
এসব বন্ধ
হয়ে গেছে। নির্বাচন
কমিশনের এই
সিদ্ধান্তে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের
ক্ষেত্রে কী
হবে? এর
তো কোনা
প্রতিকৃতি নেই- এমন প্রশ্নে নির্বাচন
কমিশন সচিবের
সুস্পষ্ট বক্তব্য
পাওয়া যায়নি।
তিনি জবাব
না দিয়ে
সংবাদ সম্মেলন
শেষ করেন। সচিব
জানান, সিটি
করপোরেশন আচরণ
বিধিমালায় ১১টি বিষয়ে সংশোধনের প্রস্তাবে
সায় দেয়া
হয়েছে। বিধিমালাটি
জারি হলে
আওয়ামী লীগের
দীর্ঘ দিনের
দাবি অনুযায়ী
সিটি নির্বাচনের
প্রচারে সংসদ
সদস্যরা অংশ
নিতে পারবেন। ২০১৫
সালে কাজী
রকিব উদ্দিন
আহমেদের নেতৃত্বে
নির্বাচন কমিশন
স্থানীয় সরকার
নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের প্রচারে নিষেধাজ্ঞা
দেয়। তবে
গত ১২
এপ্রিল আওয়ামী
লীগের একটি
প্রতিনিধি দল আইন সংশোধন করে
নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার দাবি জানায়। নির্বাচন
কমিশনের নতুন
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেয়র প্রার্থীরা এখন
থেকে প্রতি
ওয়ার্ডে একটি
করে নির্বাচনী
ক্যাম্প করতে
পারবেন। আগে
এটা ছিল,
প্রতি থানায়
একটি।
সংশোধিত বিধিমালাটি
ভেটিং বা
আইনি পরীক্ষার
জন্য আইন
মন্ত্রণালয়ে যাবে। সেখানে যাচাই বাছাই
শেষে পরিপত্র
জারি হলে
নতুন বিধিমালা
কার্যকর হবে। নির্বাচন
কমিশনের এই
সিদ্ধান্ত নিয়ে জানতে চাইলে বিএনপির
ভাইস চেয়ারম্যান
শামসুজ্জামান দুদু ঢাকাটাইমসকে বলেন, ‘এই
নির্বাচনকমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ। এদের কোনো
যোগ্যতা নেই
যা কিছু
করছে বিরোধী
দলকে ঠেকানোর
জন্যই করছে।
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে স্পেশাল সার্ভিসের কেবিনের চাহিদাপত্র শুরু
শামীম আহমেদ . পবিত্র ঈদুল
ফিতর উপলক্ষে বরিশল-ঢাকা নৌরুটের বেসরকারি লঞ্চের স্পেশাল সার্ভিসের কেবিনের জন্য আবেদন বা চাহিদাপত্র জমা নেয়ার ঘোষনা
দেয়া হয়েছে। যদিও
সরকারিভাবে এখনো কোন
ঘোষনা আসেনি তবে বরিশালের
লঞ্চমালিকরা এরইমধ্যে ঘরমুখো মানুষের জন্য কেবিনের চাহিদাপত্র,
স্লিপ বা আবেদন নেয়ার কার্যক্রম
শুরু করেছেন। বৃহস্পতিবার
সপ্তম রমজান থেকে আগামী ১৫ রমজান পযর্ন্ত এ আবেদন গ্রহন
কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন
লঞ্চ মালিকরা। স্বচ্ছতার
দোহাই দিয়ে বিগত বছরগুলোর থেকে অনেকটা আগেভাগে কেবিনের
চাহিদাপত্র নেয়া হলেও যাত্রীরা কবে নাগাদ হাতে টিকিট পাচ্ছেন সে বিষয়ে এখনো কিছু নিশ্চিত করে কিছু যাচ্ছে না। যদিও এরবাহিরে আগে আসলে আগে পাবেন এই ভিত্তিতেই কিছু লঞ্চ কর্তৃপক্ষ যাত্রীদের
হাতে সরাসরি টিকিট তুলে দিবেন এবারও, তবে সেই টিকেটের জন্য অপেক্ষা করতে আরো বেশ
কয়েকটা দিন । বরিশালের লঞ্চ কাউন্টারগুলোতে খোজ নিয়ে জানাগেছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো যাত্রীদের জন্য বৃহষ্পতিবার থেকে কেবিনের আবেদন স্লিপ
জমা নেয়া শুরু করেছে ক্রিসেন্ট শিপিং লাইন্সের সুরভী
লঞ্চ কর্তৃপক্ষ। যা চলবে
১০ রমজান পর্যন্ত। অপরদিকে
১০ রমজান (২৭/০৫/১৮ মে) থেকে ১৫ রমজান (১ জুন) পযর্ন্ত নেভিগেশনের সুন্দরবন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ কেবিনের
জন্য আবেদন পত্র গ্রহন করবেন। একইসময়ে নিজাম শিপিং লাইন্সের এ্যাডভেঞ্চার লঞ্চ কর্তৃপক্ষও আবেদন
গ্রহন করবেন। যে
সংক্রান্ত নোটিশ ওই সকল
লঞ্চ কাউন্টারে টানিয়ে দেয়া
হয়েছে। আবেদনগুলো
বরিশাল ও ঢাকার স্ব-স্ব লঞ্চের কাউন্টারে
জমা দিতে হবে, আবার ভাগ্যে যদি মেলে তবে কাউন্টার থেকেই
সোনার হরিন ক্ষ্যাত টিকিট বুঝে নিতে হবে। এরবাহিরে কীর্তনখোলা, পারাবাত, টিপু, কালাম খান, ফারহানসহ বরিশাল-ঢাকা রুটের বাকী লঞ্চগুলোর টিকিট আগে আসলে আগে
পাবেন ভিত্তিতে সরাসরি যাত্রীদের মাঝে বিক্রি করা
হবে। তবে সরাসরি টিকিট বিক্রি লঞ্চগুলো কবে থেকে শুরু করতে যাচ্ছে সে বিষয়ে এখনো
নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি কর্তৃপক্ষ। এতিকে ধরাবাধা কোন নিয়ম না থাকলেও সরাসরি
টিকিট নিতে হলে যাত্রীদের
সরাসরি বরিশাল ও ঢাকার স্ব-স্ব
লঞ্চের কাউন্টার কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে লঞ্চে হাজির হয়ে নিজেদের মোবাইল নম্বর দিয়ে কেবিন নেয়ার
জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন মালিকরা। সুরভী লঞ্চের বরিশাল
কাউন্টারের ইনচার্জ নাইমুল ইসলাম বলেন,
ঈদে ঢাকা থেকে আসা ও বরিশাল
থেকে যাওয়ার কেবিনের টিকিটের জন্য আবেদন গ্রহন শুরু
করেছেন তারা। আবেদন
যাচাই-বাছাই করে যাত্রী
সাধারণের মাঝে টিকিট বিতরণ করা
হবে। টিকিট বিতরণের তারিখ নির্ধারণ না হলেও যারা টিকিট পাবেন তাদের ফোনে জানিয়ে দেয়া হবে। অপরদিকে পারাবাত লঞ্চ কোম্পানির বরিশালে
ইনচার্জ মোঃ সেলিম আহমেদ জানিয়েছেন, তাদের লঞ্চে কেবিনের জন্য আবেদন গ্রহন করা
হবে না। তবে
নৌ-মন্ত্রনালয়, মালিক সমিতির ও বিআইডবিউটিএ এর যৌথ সভার পরে
আগে আসলে আগে পাবেন ভিত্তিতে লঞ্চের টিকিট বিক্রি
শুরু হবে। সুন্দরবন
নেভিগেশনের পরিচালক জানান,
আগামী ১০ রমজান থেকে ১৫ রমাজার পযর্ন্ত তাদের লঞ্চের কেবিনের
জন্য আবেদন গ্রহন করা হবে এবং যাচাই-বাছাই শেষে
৫ জুন থেকে যাত্রীদের মধ্যে টিকিট বিতরন শুরু করা হবে। চাহিদাপত্র নিয়ে যাচাই-বাছাইয়ের ফলে বিগত সময়েও যেমন টিকিট
কালোবাজারির হাত থেকে রক্ষা করতে পেরেছেন
এবারেও সেটি সম্ভব হবে।
তিনি আরো জানান, কেবিনের থেকে চাহিদা কয়েকগুন বেশি থাকায় লটারীরর মাধ্যমে যাত্রীদের টিকিট
দিতে হয়। এজন্য
সবাই টিকিট যে পান
এমনটাও নয়, তবে আমরা চাই সবাই যেন টিকিট পায় বাড়িতে আসতে
পারে কর্মস্থলে ফিরতে
পারে।