2018-01-21 - ৫২র বাংলা - সংবাদ সবসময়

Recent Topic

Post Top Ad

গৌরনদী থানার ওসিকে প্রত্যাহার

9:51 AM 0


 গৌরনদী থানার ওসিকে প্রত্যাহার
বায়ান্নোর বাংলা প্রতিনিধি . বরিশালে গৌরনদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। শুক্রবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশাল জেলার পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম (পিপিএম)। তিনি জানান, তার পারফরমেন্স খারাপ হওয়ায় তাকে গৌরনদী থানা থেকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, গৌরনদী থানাধীন এলাকায় মাদক এবং আইন-শৃঙ্খলার অবস্থা খারাপ থাকায় তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়েছে। তবে গত বছরের ২২ নভেম্বর বরিশালের গৌরনদীতে কলেজ ছাত্র সাকির গোমস্তা(১৮)কে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার এজাহারভূক্ত আসামীকে গ্রেফতার করে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ ওঠে পরিদর্শক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ৩ দিন পরে পুলিশের উর্ধতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। যে কমিটি তদন্তে নামার ২ মাসের মাথায় মনিরুল ইসলামকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হলো ।



Read More

ভোলায় নর্থ-১ থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু

9:50 AM 0


ভোলায় নর্থ- থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু
ভোলার প্রতিনিধি . ভোলার নর্থ- গ্যাস ক্ষেত্র থেকে পরীক্ষামূলক গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়েছে। শনিবার বাপেক্স অনুষ্ঠানিক ভাবে উত্তোলন কাজ শুরু করে। বাপেক্স প্রকল্প পরিচালক বজলুর রহমান জানান, মাটির  ৩৩৪৮ ফুট নিচে গ্যাসের অনুসন্ধান মিলেছে সেখান থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু করা হয়েছে। কুপে ৬০০ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুদ রয়েছে। এর আগে ডিসেম্বর ভোলা সদরের ভেদুরিয়া এলাকায় নর্থ- কুপ খনন কাজ শুরু করা হয়। সে স্থানেই চলতি মাসের ১৫ জানুয়ারী গ্যাসের সন্ধান পায় বাপেক্স ভোলার গ্যাস অনুসন্ধানের পর টি কুপ খনন করা হয়েছে। সেখানকার টি কুপ থেকে প্রতিদিন ৪০/৪২ মিলিয়ন গ্যাস উত্তোলন চলছে। শাহবাজপুর, শাহবাজপুর ইস্ট- নর্থ- মিলিয়ে ভোলায় মোট গ্যাসের মজুদ ১৫০০ বিলিয়ন ঘনফুট । এটি দেশের ২৭ তম গ্যাস ক্ষেত্র
Read More

বরিশালে জাসদের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা ও র্যালি অনুষ্ঠিত

9:49 AM 0


বরিশালে জাসদের বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা ্যালি অনুষ্ঠিত
বায়ান্নোর বাংলা প্রতিনিধি . একবার মুক্তিযুদ্ধের সরকার,একবার রাজাকারের সরকার- মিউজিক্যাল চেয়ারের খেলা বন্ধ করার শ্লোগান নিয়ে সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের বরিশাল বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার অশ্বিনী কুমার টাউন হলে দিনব্যাপি এই প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়।পটুয়াখালী জেলা জাসদের সভাপতি আব্দুল হাই খন্দকারের সভাপতিত্বে প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারন সম্পাদক শিরীন আকতার (এমপি),জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ন সম্পাদক ওবায়েদুর রহমান চুন্নু,কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি শফিউদ্দিন মোল্লা,কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড.আব্দুল হাই মাহাবুব,সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন,পটুয়াখালী জেলা সাধারন সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দিলীপ,পিরোজপুর জেলা সভাপতি চিত্তরঞ্জন বিশ্বাষ,ভোলা জেলা সাধারন সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান বরগুনা জেলা সাধারন সম্পাক কামাল উদ্দিন,জাহাঙ্গির হোসেন মুকুল। প্রতিনিধি সভা শুরুর পূর্বে বেলা ১২টায় অশ্বিনী কুমার টাউন হল চত্বর থেকে লাল পতাকা ্যালি বের করে নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে পুনরায় টাউন হল চত্বরে এসে শেষ হয়

Read More

দশমিনা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী দেশীয় বাদ্যযন্ত্র

5:31 AM 0


দশমিনা থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে ঐতিহ্যবাহী দেশীয় বাদ্যযন্ত্র

বায়ান্নোর বাংলা রির্পোট. আগের দিনের মত আর  সংস্কৃতি বাদ্যযন্ত্রের তেমন চাহিদা নেই। যুগ পরিবর্তনের সাথে সাথে হারিয়ে যেতে বসেছে দেশিয় সংস্কৃতি বাদ্যযন্ত্র ঢাক,ঢোল,কর তাল,তবলা। তবে অনেক কষ্ট করে বাপ-দাদার পেশা হাল ধরে রেখেছে পটুয়াখালী জেলার দশমিনা উপজেলার সদর ইউনিয়নের  গ্রামের শন্তু দাস সে জানায়, জন্মের পর থেকে বাবা ঠাকুর দাস এর কাছ থেকে এই বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করতে শিখে তারা পরে আস্তে আস্তে এই বাদ্যযন্ত্র তৈরি করতে শিখিয়েছেন। এক সময় দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের চাহিদা অনেক গুনে বেশি ছিল বর্তমানে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে তাল দিতে না পেরে তাদের মুল ব্যবসা বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়ে দ্বাড়িয়েছে। প্রথমে বাপ-দাদরাই পেশায় দেশীয় বাদ্যযন্ত্র ঢাক-ঢোল,করকা, খোল, তবলা, একতারা, খমর, দো-তারা,ঢোলোকসহ সাইড ড্রাম তৈরি মেরামতের কাজ শরু করেন। বাবার বয়স বাড়ার পর থেকে দির্ঘদিন ধরে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে শন্তু দাস, বাবা  মারা গেছে এর পর পুরো দায়ীত্বটাই তাকে নিতে হয়েছে। দশমিনা বাজারের জনতা ব্যংক মোড়ে ছোট্র একটি দোকান  নিয়ে বাদ্যযন্ত্র তৈরী মেরামত করেন। বর্তমানে পেশায় কাজ করে সংসারের ভরণ-পোষণ কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তিনি আরো জানান, বছরে তিন মাস আশ্বিন,কার্ত্তিক, অগ্রাহয়ন মাস কাজে চাপ থাকেও পরের মাস গুলোতে তেমন কোন ব্যবসা হয় না এই তিন মাসেই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন বিভিন্ন স্থানে অষ্টপ্রহরসহ প্রতি বাড়ীতে মন্দিরে হরিনাম কীর্তন করে বেড়ায় এরাই মূলত দেশীয় সংস্কৃতি বাদ্যযন্ত্রের ক্রেতা। ছাড়াও নিজস্ব বাসা-বাড়িসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের লোকেরা কিছু কিছু বাদ্যযন্ত্র তৈরি করে মেরামত করে থাকেন। বর্তমানে প্রতিটি খোল নতুন করে তৈরি করে ক্রেতার কাছে বিক্রি করে হাজার শত টাকা থেকে হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হয়। তবলা বিক্রি করে হাজার থেকে হাজার টাকা সাইড্রাম তৈরিতে হাজার টাকা, দো-তারা তৈরিতে হাজার টাকা, জিপাসি তৈরিতে ৮শ টাকা। গোপি। খোল,সাইড ড্রাম,দো-তারা তৈরিতে সময় লাগে চার থেকে পাঁচ দিন। অন্যন্যা বাদ্যযন্ত্র তৈরি সময় লাগে দুই থেকে তিন দিন। এসব বাদ্যযন্ত্র তৈরি করতে যে মালামাল লাগে তা বর্তমানে অনেক দামে কিনতে হয়। যার ফলে পুষিয়ে উঠা সম্ভব হয় না উপজেলার বিভিন্ন জায়গা থেকে ক্রেতাদের দেশীয় বাদ্যযন্ত্র তৈরিতে বছরে এই তিন মাস কাজ করে ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা কোন রকমে আয় হয়। বছরের বাকি নয় মাস শন্তু দাস উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান,নীলা কীর্তন, বিয়ে বাড়িসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বাদ্যযন্ত্র বাদক (শিল্পী) হিসাবে কাজ করে জীবন-জীবীকা নির্বাহ করি উপজেলার তৈরি বাদ্যযন্ত্র বিক্রেতা গোপাল দাস মিউজিক্যাল এর কর্নধার কন্ঠ শিল্পী গবিন্দ্র দাস জানান, গীটার, প্যাড ড্রাম, কি-বোর্ড দিয়ে আগেকার গান গুলোর সঙ্গে তাল মিলেনা কিন্তু যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আমরাও আধুনিক বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার বিক্রয় করছি। সে কারণে অনেকটায় দেশিয় বাদ্যযন্ত্রের চাহিদা কমে গেছে। এখনকার ছেলে-মেয়েরা দোকানে আসলেই প্রথম পছন্দ করে গীটার, কি-বোর্ড আধুনিক বাদ্যযন্ত্র। সেই কারণে আমাদের এই ধরনে বিক্রয় সামগ্রী বেশি রাখতে হয়। ব্যাপারে রংপুর বেতার কন্ঠ শিল্পী খালিদ হাসান বকুল জানান, ২৫ বছর ধরে পেশায় রয়েছি, বর্তমানে পশ্চিমা সাংস্কৃতির ছোয়া এবং তাদের গান গুলি দর্শক বেশী পছন্দ করে। সে কারনে দর্শকের মন যোগাতে পশ্চিমাদের এই গান গুলি আমাদেরকেও গাইতে হয়। বর্তমান গানগুলির সংঙ্গে তাল মেলাতে তেমন আর দেশিয় বাদ্যযন্ত্রের প্রয়োজন হয় না, ফলে তা আর তৈরী ব্যবহারে তেমন কোন আগ্রহ দেখা যায় না। দেশিয় বাদ্যযন্ত্রকে লালন পালন করতে আমাদের মনমানষিকতার পরিবর্তন করা অত্যন্ত জরুরি। তা না হলে একদিন গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ঢাক-ঢোল, তবলা, একতারা, দো-তারা, বিলীন হয়ে যাবে। আমাদের দেশিয় সংস্কৃতিকে ধরণ করেতে হলে অবশ্যই দেশিয় বাদ্যযন্ত্রের প্রতি যত্নবান হতে হবে বলে মনে করে এখানকার অনেক প্রবীন গুনি শিল্পীরা

Read More

Recent Movies

Post Top Ad