বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . পুলিশেল উপর হামলা এবং সরকারি কাজে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ এনে বাসদ বরিশাল জেলার আহবায়ক এবং সদস্য সচিবসহ নামধারী ৬ ও অজ্ঞাত ৬০ জনসহ ৬৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহষ্পতিবার (১৯ এপ্রিল) দিবাগত রাতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের এসআই নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এ মামলাটি (মামলা নম্বর ৪৮/১৮) দায়ের করেন। নামধারী আসামীদের মধ্যে বৃহষ্পতিবার দুপুরে আটক ৬ জন হলো, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) বরিশাল জেলা শাখার আহবায়ক প্রকৌশলী ইমরান হাবিব রুম্মন, সদস্য সচিব ডা. মনিষা চক্রবর্তী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট বরিশাল জেলা শাখার অর্থ সম্পাদক নাসরিন আক্তার টুম্পা, জেলা শ্রমিক ফ্রন্টের অর্থ সম্পাদক মিঠুন চক্রবর্তী, সদস্য জাকির হোসেন ও নূর ইসলাম।বিষয়টি নিশ্চিত করে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মোঃ আওলাদ হোসেন জানান, আটক ৬ জনকে মামলায় নামধারী ও অজ্ঞাত আরো ৫০/৬০ জনকে আসামী করা হয়েছে। মামলায় জননিরাপত্তা বিঘ্ন করা, পুলিশেল উপর হামলা এবং সরকারি কাজে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, ব্যাটারি চালিত রিক্সার উচ্ছেদ বন্ধ করা ও লাইসেন্স প্রদানের দাবীতে বৃহস্পতিবার সকালে নগরের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করে ব্যাটারি রিকশা শ্রমিক-মালিক সংগ্রাম কমিটি। যে কর্মসূচিতে একাত্বতা প্রকাশ করে বাসদ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।পরবর্তীতে তারা নগরে ভূখা মিছিল বের করে নগর ভবনে মেয়র বরাবর স্মারকলিপি দেয়। থানা পুলিশ জানায়, সেখান থেকে ফেরার পথে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের সরাতে গেলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক করে। এসময় সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার (কোতয়ালি) শাহনাজ পারভীন, কোতয়ালী ওসি শাহ মো. আওলাদ হোসেন, সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক সত্য রঞ্জন খাসকেল, উপ-পরিদর্শক নজরুল ইসলাম, কনস্টেবল শারমিন আক্তার, ইতি, সাদিয়া ও সুরমাসহ বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়। এদিকে আন্দোলনকারীরা জানান, পুলিশের আকস্মিক লাঠিচার্জে তাদের বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী আহত হয়েছে।
Post Top Ad
বরিশালে বাসদ নেতাদের বিরুদ্বে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন
এনামুল হক খাঁন . বরিশালে বাসদ নেতা ইমরান হাবীব রুমন, ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী , নাসরীন আক্তার টুম্পা, জাকির হোসেন, নুর ইসলাম সহ সকল আটক নেতা-কর্মীদের বিরুদ্বে পুলিশের দায়ের করা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার সহ অবিলম্বে মুক্তির দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে বাম সংগঠন সিপিবি-বাসদ-গনতান্ত্রিক বাম মোর্চা বরিশাল জেলা কমিটি। শনিবার বিকালে নগরীর প্রান কেন্দ্র অশ্বিনী কুমার হল সম্মুখ আটককৃর্তদের মুক্তির দাবী জানিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন। বরিশাল জেলা কমিউস্টি পার্টি সভাপতি এ্যাড. একে আজাদের সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেসে বক্তব্য রাখেন মহিলা নেত্রী নুর জাহান বেগম, অধ্যাপিকা শাহ সাজেদা, অধ্যাপক দুলাল মজুমদার,অধ্যাপক জলিলুর রহমান,দেওয়ান আঃ রসিদ নিলু,বদরুজ্জা সৈকত। এসময় বরিশাল জেলা বাসদ আহবায়ক ইমরান হাবীব রুমন,সদস্য সচিব ডাঃ মনিষা চক্রবর্তী সহ আটক কৃর্তদের বিরুদ্বে সকল মামলা প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে ব্যাটারীচালিত রিক্সা শ্রমীক অংশ গ্রহন করেন।
বরিশালে দুই দিন ব্যাপী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা
মনবীর খাঁন আলম . বরিশালে দুইদিন ব্যাপী ৫ম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি যাদুঘর মহা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) স্বপন কুমার রায় বলেছেন, বর্তমানে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দিন দিন বিজ্ঞান মনোস্ক শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। আগে এক সময়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ৪০% পাসের্ন্ট শিক্ষার্থী বেড় হয়ে এসেছিল এখন তা কমে ২০% পাসের্ন্টে এসে দাড়িয়েছে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞান শিক্ষার প্রতি তেমন কোন আগ্রহ দেখা যাচ্ছেনা তেমনি তারা সচেতন না। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পিছিয়ে পড়ছে।২১/০৪/২০১৮ আজ শনিবার বিকালে অশ্বিনী কুমার হলে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যলয়ের আয়োজনে ও বিজ্ঞান প্রযুক্তি উন্নয়ন ট্রাস্ট পৃষ্ঠপোষকতায় দুইদিন ব্যাপী ৫ম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধনকালীন বক্তব্যে একথা বলেন। বরিশাল অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) নুরুল আলমের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) মোঃ গোলাম মোস্তফা,বরিশাল সরকারী বিএম কলেজ অধ্যক্ষ, শফিকুর রহমান সিকদার, বরিশাল সরকারী মডেল স্কুল এন্ড কলেজ অধ্যক্ষ ড,মেজর সিরাজুল ইসলাম উকিল,মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বরিশাল অঞ্চল উপ-পরিচালক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,বরিশাল কর্মচারী কল্যাণ বোর্ডের উপ সচিব ও উপ পরিচালক সোহরাব হোসেন। প্রধান অতিথি মহা পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) স্বপন কুমার রায় আরো বলেন, বর্তমান যুগে বিজ্ঞান মনোস্ক ছাড়া চলার কোন সুযোগ নেই। তিনি আরো বলেন আমরা অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিষয়ক যন্ত্রপাতি কেনার জন্য অনুদান দিয়েছি কিন্তূ সেখানে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে শিক্ষকরা সে টাকা দিয়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আসবাব পত্র কিনেছেন। বর্তমান সরকার শেখ হাসিনা দেশের ২০ হাজার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞান বিষয়ের সরঞ্জাধী সরবরাহ করার সিদ্বান্ত গ্রহন করেছে। তিনি আরো বলেন সরকার চায় এদেশের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান চর্চায় বেড়ে উঠুক ৪১ সালের মধ্যে আমরা বিশ্বে বিজ্ঞানের জ্ঞান অর্জন করতে হবে। সরকার আরো সিদ্বান্ত নিয়েছেন প্রতিটি বিভাগে একটি করে বিজ্ঞান যাদুঘর নির্মান করা হবে। তাই প্রতিটি শিক্ষার্থীকে এখন থেকে বিজ্ঞান মনোস্ক হিসাবে তৈরী করার জন্য আহবান করেন। পরে তিনি অশ্বিনী কুমার হলে আয়োজিত বিজ্ঞান মেলায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থী ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের ষ্টল পরিদর্শন করেন আয়োজকদের নিয়ে। মেলায় বরিশাল নগরীর স্কুল-কলেজ সহ বিভাগের ৬ জেলা থেকে বিভিন্ন সিনিয়র, জুনিয়র ও বিশেষ ৩ ভাগে ৩১টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিজ্ঞান মেলায় অংশ গ্রহন করেন।
বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন কাউন্সিলর রূপার
বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর ইসরাত আমার রূপা
। আর এ
ঘটনার পিছনে প্যানেল মেয়র ও মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি কেএম শহীদুল্লাহকে দায়ী করছেন রূপার ঘনিষ্টজনরা।
রূপার পারিবারিক সূত্র জানা গেছে- রূপাকে বিয়ে করার জন্য দীর্ঘ দিন ধরে রূপা ও তার পরিবারকে হয়রানি করে আসছে প্যানেল মেয়র শহীদুল্লাহ । রূপার ভাইকে মাদক মামলায় কারাগারে পাঠানো এবং রূপাকে অন্য কোথাও বিয়ে দিলে তাকে বিধবা করাসহ নানা হুমকি দিয়ে আসছিল র্যাবের হাতে অস্ত্রসহ আটক শহীদুল্লাহ। নানা সময় রূপার বিরুদ্ধে বিভিন্ন পত্রিকায় মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করে তাকে একা করে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে । কোন উপায় না পেয়ে লেটকুর কাছে নিজেকে সোপে দিবে রূপা। তবে কোন কিছুতেই কাজ না হওয়ায় রূপার বড় মামা হোমিও চিকিৎসক হুমায়ুন কবির ও তার মেয়ে জামাই রুবেলকে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে কিনে নেয় শহীদ। বিভিন্ন সময় বড় মামার পরিবারের সদস্যদের শহীদের মালিকাধীন রেঁস্তোরা দি কিচেন-এ আমন্ত্রন করে খাওয়ানো হয়। দেয়া হয় দামি দামি উপহার। নগদ অর্থ আর দাবি উপহার পেয়ে শহীদের সাথে রূপাকে বিয়ে দেয়ার জন্য রূপার পরিবারের উপর চাপ সৃষ্টি করেন মামা হুমায়ুন কবির। কোন উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে শহীদের সাথে মেয়েকে বিয়ে দিতে রাজি হয় রূপার পরিবার।
২ বৈশাখ এ বিয়ে হওয়ার কথা ছিল।৬০ বছরের বৃদ্ধ, পিতার বয়সী শহীদের সাথে বিয়ের বিষয়টি কোনভাবেই মেনে নিতে পারছিলেন না কাউন্সিলর রূপা। এছাড়া পরিবার তার পাশে না থাকায় পুরোপুরি ভেঙ্গে পরেসে। তাই সে নিজেকে গৃহবন্দি করে নেয়। বন্ধ করে দেয় খাওয়া দাওয়া। এদিকে, রূপা বিয়েতে রাজি নয় শুনে ১ বৈশাখের আগের দিন রাতে ব্রাউন কম্পাউন্ড রোডের বাসায় দিয়ে রূপাকে হুমকি দেয় শহীদুল্লাহ। এঘটনার পরপরই ওই রাতেই বিষ পানে আত্মহত্যার চেষ্টা চালায় কাউন্সিলর রূপা। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে পর দিন ১ বৈশাখ সকালে তাকে কঠোর গোপনীয়তার মধ্য দিয়ে রাহাত আনোয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সে বর্তমানে ওই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন রয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে মিলে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করছেন শহীদুল্লাহ।



