বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক. বিয়ের প্রলোভনে
এক লম্পট
ইউপি সদস্যর
একাধিকবার ধর্ষনের ফলে নবম শ্রেনীর
এক ছাত্রী
অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে। শুক্রবার সকালে বিষয়টি
এলাকায় ছড়িয়ে
পরলে ইউপি
সদস্যর হুমকির
মুখে নিজ
এলাকা ছেড়ে
আত্মগোপন করেছে
ওই ছাত্রী
ও তার
পরিবারের সদস্যরা।
এলাকাবাসী ইউপি সদস্য রাসেল সরদারের
দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি করেছেন। ঘটনাটি
জেলার গৌরনদী
উপজেলার চাঁদশী
ইউনিয়নের নরসিংহলপট্টি
গ্রামের। স্থানীয়রা
জানান, ওই
গ্রামের ইউপি
সদস্য রাসেল
সরদার বিয়ের
প্রলোভনে একই
গ্রামের চাঁনমিয়া
সরদারের কন্যা
নবম শ্রেনীর
ছাত্রী রুপা
আক্তারের সাথে
দীর্ঘদিন থেকে
দৈহিক মেলামেশা
করে আসছিলো।
এলাকাবাসি আপত্তিকর অবস্থায় ইউপি সদস্য
রাসেলকে একাধিকবার
ওই ছাত্রীর
বসত ঘরে
আটক করলেও
সে (রাসেল)
কৌশলে পালিয়ে
যেতে সক্ষম
হয়। সূত্রমতে,
একাধিকার ধর্ষনের
ফলে স্কুল
ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা
হয়ে পরে।
শুক্রবার সকালে
সরেজমিনে নরসিংহলপট্টি
গ্রামে গিয়ে
চাঁনমিয়া সরদারের
বসত ঘর
তালাবদ্ধ অবস্থায়
পাওয়া যায়।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, ইউপি সদস্য
রাসেল সরদারের
অব্যাহত হুমকির
মুখে নিজ
এলাকা ছেড়ে
আত্মগোপন করেছে
ওই ছাত্রী
ও তার
পরিবারের সদস্যরা।
অভিযুক্ত ইউপি
সদস্য রাসেল
সরদারের ব্যবহৃত
মোবাইল ফোনে
যোগাযোগ করা
হলে তিনি
হুমকির অভিযোগ
অস্বীকার করে
এ বিষয়ে
রির্পোট না
করে সংবাদ
কর্মীদের সাথে
সমঝোতার প্রস্তাব
দেন। গৌরনদী
মডেল থানার
ওসি মুনিরুল
ইসলাম জানান,
এ ব্যাপারে
থানায় লিখিত
অভিযোগ পেলে
আইনগত ব্যবস্থা
গ্রহণ করা
হবে।
Post Top Ad
দুবাইতে সততার পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশী যুবক
গৌরনদী প্রতিনিধি . দুবাই প্রবাসী
ফিলিপিনের এক নাগরিকের ফেলে যাওয়া
ব্যাগ কুড়িয়ে
পেয়ে তা
ওই নাগরিকের
কাছে ফিরিয়ে
দিয়ে সততার
নজির স্থাপন
করেছেন বাংলাদেশী
নাগরিক ছরোয়ার
হাওলাদার। ফলশ্রুতিতে দুবাই এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষের
কাছ থেকে
সততার পুরস্কার
পেয়েছেন দুবাই
প্রবাসী বরিশাল
জেলার গৌরনদী
উপজেলার দক্ষিণ
বিল্বগ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ হাওলাদারের
পুত্র ছরোয়ার
হাওলাদার। তিনি (ছরোয়ার) বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের
সহযোগী সংগঠন
বাংলাদেশ আওয়ামী
নবীন লীগের
দুবাই শাখার
শিক্ষা ও
সাহিত্য বিষয়ক
সম্পাদক। বৃহস্পতিবার
রাতে দুবাই
এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ তাকে সম্মাননা পুরস্কার
প্রদান করেন।
প্রবাসী ছরোয়ার
হাওলাদার জানান,
কয়েকবছর থেকে
তিনি দুবাই
ফুজায়রা ইন্টারন্যাশনাল
এয়ারপোর্টে পোর্টার পদে চাকরি করে
আসছেন। গত
২৫ জুন
বাসা থেকে
মসজিদে যাওয়ার
পথে তিনি
দুবাই প্রবাসী
ওয়ালিদ নামের
এক ফিলিপিন
নাগরিকের মানি
ব্যাগ রাস্তায়
কুড়িয়ে পান।
পরবর্তীতে ব্যাগটি বাসায় নিয়ে খুললে
ব্যাগের মধ্যে
বিপুল পরিমান
ডলার ও
দুবাইর দিরহামসহ
প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের সাথে মোবাইল নম্বর
পান। ছরোয়ার
আরও জানান,
ডলার ও
দিরহামসহ ব্যাগটি
ফিরিয়ে দেয়ার
জন্য ওয়ালিদ
নামের ওই
ব্যক্তির মোবাইল
ফোনে একাধিকবার
যোগাযোগ করা
হলেও তিনি
ফোন রিসিভ
না করায়
ব্যাগটি নিয়ে
স্থানীয় মসজিদের
ইমামের কাছে
যান। পরবর্তীতে
ইমামের পরামর্শে
পূনরায় অসংখ্যবার
ফোন করার
পর ফিলিপিনের
ওই নাগরিক
মোবাইল রিসিভ
করেন। এরপর
দুবাইতে ছরোয়ারের
ঠিকানা নিয়ে
ফিলিপিনের ওই নাগরিক ব্যাগসহ ডলারগুলো
নিয়ে যায়।
একপর্যায়ে এয়ারপোর্ট কর্তৃপক্ষ ছরোয়ারের সততার
বিষয়টি জানতে
পেরে অর্থ
ফেরত পাওয়ার
বিষয়টি নিশ্চিত
হওয়ার জন্য
ওয়ালিদ নামের
ওই ব্যক্তির
কাছে ফোন
করে ঘটনার
সত্যতা খুঁজে
পান। পরবর্তীতে
দুবাই এয়ারপোর্ট
কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর
তাকে (ছরোয়ার)
বৃহস্পতিবার রাতে এক হাজার ডলারসহ
সম্মাননা প্রদান
করে বাংলাদেশের
ভূয়সী প্রশংসা
করেন। এ
ব্যাপারে জেলার
দুইবারের শ্রেষ্ঠ
ইউপি চেয়ারম্যান
সৈকত গুহ
পিকলু বলেন,
মাহিলাড়া ইউনিয়নের
সন্তান ছরোয়ার
হাওলাদার প্রবাসে
যে সততার
উদাহরন দিয়েছে
তা বাংলাদেশসহ
বরিশালের ভাবমূর্তি
উজ্জল করেছে।বরিশালে দীর্ঘ আট বছর মামলা চালিয়ে ভূমিদস্যুদের হাত থেকে জমি উদ্বার।
শামমী আহমেদ .
বরিশাল
দীর্ঘ
আট
বছর
আদালতে
মামলা
চালিয়ে
ভূমিদস্যুদের
দখল
থেকে
পৈত্তিক
জমি
আদালতের
মাধ্যমে
ফিরে
পেয়েছে
কৃষক
মোঃ
খলিলুর
রহমান।
আদালতের
নির্দেশ
মোতাবেক
জেলা
জজ
আদালতের
নাজির,
কারীজারক,
আমিন
ও
একদল
পুলিশ
প্রশাসনের
উপস্থিতিতে
জমির
মাফ
দিয়ে
লাল
নিশানা
টানিয়ে
খলিলুর
রহমানের
জমি
বুঝিয়ে
দেয়া
হয়েছে।
গতকাল
বেলা
বারটায়
স্থানীয়
এলাকাবাশীর
সামনে
জমির
মালিক
খলিলকে
প্রশাসন
তার
সম্পত্তি
বুঝিয়ে
দেয়া
হয়।
আদালতের
মামলা
সূত্রে
জানা
গেছে
নগরীর
৬০
নং
দক্ষিন
চর
আইচার
মৌজার
৪৬০৩
দাগের,
বি,এস ১৭৭০৮ দাগের সাড়ে আট শতাংশ জমি দীর্ঘদিন যাবত উক্ত এলাকার
ভূমিদস্যু
এমদাদুল
হক
সুরুজ
মোল্লা
জাল
জালিয়াতের
মাধ্যমে
দখল
নিয়ে
ভোগদখল
করা
সহ
কয়েকদফা
ঐজমি
বিভিন্ন
মানুষের
কাছে
বিক্রি
করে
আসছিল।
খলিলুর
রহমান
ও
তার
পরিবার-পরিজন উক্ত জমি উদ্বারের
জন্য
২০১০
সালের
১০ই
আগস্ট
জেলা
জজ
আদালতে
একটি
মামলা
দায়ের
করেন।
প্রায়
ছয়
বছর
মামলা
পরিচালনা
করে
আসছিল
খলিলুর
রহমান।
দীঘ
আইনী
লড়াই
শেষে
২০১৬
সালের
১৮ই
আগস্ট
জেলা
জজ
আদালতের
বিচারক
খলিলুর
রহমানের
পক্ষে
রায়
প্রদান
করেন।
বিবাদী
ভূমিদস্যু
পুনরায়
উচ্চ
আদালতে
গিয়ে
আপিল
করেন
যার
পরিপেক্ষিতে
পুনরায়
উক্ত
জমির
মামলা
খলিুর
রহমানকে
নতুন
করে
মামলা
পরিচালনা
করতে
হয়।
২
বছর
মামলা
পরিচালনা
করে
খলিলুর
রহমান
আবার
এ
মামলায়
তার
পক্ষে
আদেশ
দেন
বিচারক।
এব্যাপারে
খলিলুর
রহমান
তার
জমি
ফিরিয়ে
দেয়ার
জন্য
আদালতে
আবেদন
করলে
বিজ্ঞ
সিনিয়র
সহকারী
জজ
আদালতের
বিচারক
মোঃ
হাদিউজ্জামান
গত
২ইএপ্রিল-২০১৮ইং
খলিলুর
রহমানের
জমি
বুঝিয়ে
দেয়ার
জন্য
বরিশাল
মেট্রোপলিটন
উপ-পুলিশ কমিশনারের
নিকট
একজন
এস.আই,তিন জন ও দুই জন মহিলা কনষ্টেবল
চেয়ে
আদেশ
প্রদান
করে।
এবং
পুলিশের
উপস্থিতিতে
২২ই
মে
২০১৮
মধ্যে
খলিলুর
রহমানের
বেদখল
থাকা
জমি
উদ্বার
করার
মাধ্যমে
বুঝিয়ে
দেয়ার
আদেশ
দেন।
জেলা
জজ
আদালতের
সিনিয়র
সহকারী
জজ
আদালতের
বিচারকের
আদেশ
তামিল
করতে
জেলা
জজ
আদালতের
নাজির
এস.
এম
রেজাউল
করীম,জারীকারক
মাকসুদুর
রহমান,
সরকারী
আমিন
সহ
পুলিশ
প্রশাসন
ও
এলাকাবাশীর
উপস্থিতিতে
জমির
মাফ
দিয়ে
সরকারী
ভাবে
লাল
নিশান
টানিয়ে
খলিলুর
রহমানকে
জমি
বুঝিয়ে
দেন।
উল্লেখ্য
উক্ত
দক্ষিন
চর
আইচা
ও
কর্নকাঠী
এলাকায়
বিশ্ববিদ্যালয়
পতিষ্ঠিত
হবার
শুরু
থেকে
এক
শ্রেনীর
ভূমিদস্যু
সাধারন
মানুষ
ও
কৃষকের
ধানী
জমি
ও
বসত
ভিটা
বেনামে
ভূমি
অফিসের
দু’নম্বরী
কার্যকলাপের
মাধ্যমে
কাগজ
বানিয়ে
সাধারন
মানুষকে
নিঃশ
করে
জমি
হাতিয়ে
নিয়ে
অধিক
মুনাফার
লোভে
বিক্রি
করে
যাচ্ছে।