শামীম আহমেদ . ‘বরিশালের ইলিশ, কেজি মাত্র ৩০০’, ‘বড় বড় ইলিশ, দেইখ্যা-শুইন্যা-বাইছ্যা লন’, ‘শ্যাষ হইলে পস্তাইবেন’, ‘আর মাত্র কয়েক দিন’ এ রকম নানা শ্লোগান দিচ্ছে বরিশালের মাছ বাজারে। গত এক সপ্তাহ ধরে দাম কমায় মৌসুমে টাটকা ইলিশের স্বাদ নিতে পোর্ট রোড মাছ বাজারে আড়তে প্রতিদিন মাছ কিনতে আসছেন ক্রেতারা। মাছ বাজারে ভিতরে ঢুকলেই ক্ষুদ্র মাছ ব্যাবসায়ীরা ঢেকে ঢেকে ক্রেতাদের কাছে ইলিশ মাছ বিক্রি করছে। ইলিশের দামও আগের চেয়ে অনেকটা কমেছে। বাজারের ইলিশ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এ বছর ইলিশের মৌসুম শুরু হওয়ার কয়েক মাস পর্যন্ত নদীতে ইলিশ তেমন পড়েনি। দামও ছিল তুলনামূলক বেশি। এখন শেষ সময়ে এসে ইলিশ পড়ছে, দামও ব্যাপক কমেছে, সবাই ইলিশও কিনছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজন ইলিশ কিনতে বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন। কারন ২৫০ টাকা কেজিতেও ইলিশ পাচ্ছে। এ ছাড়া আগামী ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা, বিক্রি, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিনিময় নিষিদ্ধ করায় ক্রেতারা ইলিশ কেনায় ঝুঁকছেন। বিক্রেতারাও দাম কমিয়েছেন। নগরের চৌ-মাথা বাজার, নতুন বাজার,নতুল্লাবাদ বাজারসহ বরিশালের বিভিন্ন বাজারেই শস্তা দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বিভিন্ন মহল্লায় ভ্যানেও মাথায় করেও ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ৫০০-৬০০ গ্রামের ইলিশ ৭-৮’শ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন সাইজের মাছ। যার দাম তার অধেক। মোটামুটি সাইজের ইলিশ ৩০০ টাকা কেজি দরেই বিক্রি হচ্ছে বেড়ি। পোর্ট রোড বাজারে প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢেকে ঢেকে ইলিশ বিক্রির প্রতিযোগিতা চলছে। মাছ বিক্রেতা শাওন বলেন, ১ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন চার-পাঁচ মণ করে ইলিশ বিক্রি করছি। আমার মতো অনেকেই এই বাজারে বিক্রি করছে। সিয়াম মসৎ আড়ৎ’র পাইকারী বিক্রেতা বাবুল জানায়,আমরা আগে কয়েক ধরনের মাছও বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন শুধু ইলিশ মাছই বিক্রি করছি। এছাড়াও বেশ কয়েক জন বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বরিশালে যে ইলিশ বিক্রি হয় তার বেশির ভাগ আসে পাথরঘাটা, চরদুয়ানি থেকে। বাজারে ইলিশ কিনতে আসা সুমন বলেন, কয়েক দিন পর নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। আর দাম আগের চেয়ে অনেক কমেছে। তাই বেশি করে ইলিশ কিনতে এসেছেন। ৩৫০ টাকা হিসাবে ৪ কেজি ইলিশ কিনেছি। কারন আমি ছোট খাটো একটি চাকরি করি তাই বেশি দাম দিয়ে কেনা আমার পক্ষে সম্ভাব নয়। তাই দাম কম পেয়ে কিনেছি। ফ্রিজে রেখে রেখে খাবো। বরিশাল মৎস আড়ৎদার সমিতির সাধারন সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, পটুয়াখালীর বিভিন্ন মোকাম থেকে বরিশাল বাজারে প্রচুর ইলিশ আসছে। স্থানীয় নদনদীতেও জেলেরা ইলিশ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষাকালীন নিষেধাজ্ঞা এবং জাটকা ইলিশ শিকারকালীন নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন করায় এভাবে ইলিশের ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতা আকর্ষণে বিক্রি করা হচ্ছে রূপালি ইলিশ। সস্তায় স্বাদের সে মাছ কিনতে ক্রেতারাও ভিড় জমাচ্ছেন আমাদের এই বাজারে।Post Top Ad
বরিশালের বাজারে রূপালী ইলিশের সয়লাভ ৩০০টাকা কেজিতে মিলছে ইলিশ
শামীম আহমেদ . ‘বরিশালের ইলিশ, কেজি মাত্র ৩০০’, ‘বড় বড় ইলিশ, দেইখ্যা-শুইন্যা-বাইছ্যা লন’, ‘শ্যাষ হইলে পস্তাইবেন’, ‘আর মাত্র কয়েক দিন’ এ রকম নানা শ্লোগান দিচ্ছে বরিশালের মাছ বাজারে। গত এক সপ্তাহ ধরে দাম কমায় মৌসুমে টাটকা ইলিশের স্বাদ নিতে পোর্ট রোড মাছ বাজারে আড়তে প্রতিদিন মাছ কিনতে আসছেন ক্রেতারা। মাছ বাজারে ভিতরে ঢুকলেই ক্ষুদ্র মাছ ব্যাবসায়ীরা ঢেকে ঢেকে ক্রেতাদের কাছে ইলিশ মাছ বিক্রি করছে। ইলিশের দামও আগের চেয়ে অনেকটা কমেছে। বাজারের ইলিশ বিক্রেতারা জানিয়েছেন, এ বছর ইলিশের মৌসুম শুরু হওয়ার কয়েক মাস পর্যন্ত নদীতে ইলিশ তেমন পড়েনি। দামও ছিল তুলনামূলক বেশি। এখন শেষ সময়ে এসে ইলিশ পড়ছে, দামও ব্যাপক কমেছে, সবাই ইলিশও কিনছে। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত শ্রেণির লোকজন ইলিশ কিনতে বাজারে ভিড় জমাচ্ছেন। কারন ২৫০ টাকা কেজিতেও ইলিশ পাচ্ছে। এ ছাড়া আগামী ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর মোট ২২ দিন ইলিশ ধরা, বিক্রি, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিনিময় নিষিদ্ধ করায় ক্রেতারা ইলিশ কেনায় ঝুঁকছেন। বিক্রেতারাও দাম কমিয়েছেন। নগরের চৌ-মাথা বাজার, নতুন বাজার,নতুল্লাবাদ বাজারসহ বরিশালের বিভিন্ন বাজারেই শস্তা দামে বিক্রি হচ্ছে ইলিশ। বিভিন্ন মহল্লায় ভ্যানেও মাথায় করেও ইলিশ বিক্রি হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, ৫০০-৬০০ গ্রামের ইলিশ ৭-৮’শ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। তাছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন সাইজের মাছ। যার দাম তার অধেক। মোটামুটি সাইজের ইলিশ ৩০০ টাকা কেজি দরেই বিক্রি হচ্ছে বেড়ি। পোর্ট রোড বাজারে প্রতিদিন সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত ঢেকে ঢেকে ইলিশ বিক্রির প্রতিযোগিতা চলছে। মাছ বিক্রেতা শাওন বলেন, ১ সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন চার-পাঁচ মণ করে ইলিশ বিক্রি করছি। আমার মতো অনেকেই এই বাজারে বিক্রি করছে। সিয়াম মসৎ আড়ৎ’র পাইকারী বিক্রেতা বাবুল জানায়,আমরা আগে কয়েক ধরনের মাছও বিক্রি করতাম। কিন্তু এখন শুধু ইলিশ মাছই বিক্রি করছি। এছাড়াও বেশ কয়েক জন বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বরিশালে যে ইলিশ বিক্রি হয় তার বেশির ভাগ আসে পাথরঘাটা, চরদুয়ানি থেকে। বাজারে ইলিশ কিনতে আসা সুমন বলেন, কয়েক দিন পর নিষেধাজ্ঞা শুরু হচ্ছে। আর দাম আগের চেয়ে অনেক কমেছে। তাই বেশি করে ইলিশ কিনতে এসেছেন। ৩৫০ টাকা হিসাবে ৪ কেজি ইলিশ কিনেছি। কারন আমি ছোট খাটো একটি চাকরি করি তাই বেশি দাম দিয়ে কেনা আমার পক্ষে সম্ভাব নয়। তাই দাম কম পেয়ে কিনেছি। ফ্রিজে রেখে রেখে খাবো। বরিশাল মৎস আড়ৎদার সমিতির সাধারন সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, পটুয়াখালীর বিভিন্ন মোকাম থেকে বরিশাল বাজারে প্রচুর ইলিশ আসছে। স্থানীয় নদনদীতেও জেলেরা ইলিশ পাচ্ছেন। তিনি বলেন, মা ইলিশ রক্ষাকালীন নিষেধাজ্ঞা এবং জাটকা ইলিশ শিকারকালীন নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে পালন করায় এভাবে ইলিশের ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। সরবরাহ বাড়ায় ক্রেতা আকর্ষণে বিক্রি করা হচ্ছে রূপালি ইলিশ। সস্তায় স্বাদের সে মাছ কিনতে ক্রেতারাও ভিড় জমাচ্ছেন আমাদের এই বাজারে।বরিশাল জেলা মহাফেজখানা ‘তথ্য ও সেবা কেন্দ্রে’র উদ্বোধন
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নপ্রসূত
‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বিনির্মাণের লক্ষ্যে বরিশাল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে জেলা মহাফেজখানা ‘তথ্য ও সেবা কেন্দ্র’ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে জেলা মহাফেজখানা তথ্য ও সেবা কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর
রহমান। দালালমুক্ত ও হয়রানিমুক্ত পরিবেশে এবং স্বচ্ছতার সাথে সরকার নির্ধারিত সেবা মূল্যে নির্ধারিত সময়ে সর্বসাধারণকে ভূমির মালিকানার (খতিয়ান
ও নকশা) বিবরণী দেওয়া. ই-সেবার মাধ্যমে মালিকানার সহিমোহর আবেদন গ্রহণ, প্রস্তুত
ও সরবরাহকরণ, জেলা প্রশাসনের আওতাধীন আদালতসমূহের মামলার আরজি ও রায়, নামজারি, জমা-খারিজ, জমা-একত্রিকরণ, জন্ম-মৃত্যুর নিবন্ধনের সহিমোহর নকল ও সার্চিং সংরক্ষণ এবং সরবরাহকরণের লক্ষ্যে এ তথ্য ও সেবা কেন্দ্রটি চালু করা হয়েছে। সরকারি সেবা সহজীকরণে এ তথ্য ও সেবা কেন্দ্রটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জেলা প্রশাসক মো. হাবিবুর
রহমান।যুববন্ধু পদক পেলেন সমাজসেবক আরিফিন মোল্লা
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . যুববন্ধু পদক-২০১৮ পেলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সদস্য বিশিষ্ট সমাজসেবক আরিফিন মোল্লা। মঙ্গলবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকায়
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেচ্ছাসেবী সংগঠন মানবিক পদক্ষেপের উন্নয়ন বারতা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে তাকে এ পদক প্রদান করা হয়। সংগঠনের সভাপতি রুবেল শঙ্করের সভাপতিত্বে এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য কবি কাজী রোজী। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য কাজী রোজী বলেন, ‘জাতির
জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সপ্নের সোনা বাংলা গড়তে প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার নেতৃত্ব কাজ করছেন কোটি যুবক, তার মধ্যে আরিফিন মোল্লা একজন। তিনি যেভাবে নিজ উদ্যোগে জনসাধারনের জন্য কাজ করছেন তা সত্যি প্রসংশনীয়। আওয়ামীলীগের নিবেদিত একজন প্রাণ আরিফিন মোল্লাকে সম্মাননা দেয়া সহ আজ এরকম একটি আয়োজনের জন্য মানবিক পদেক্ষেপকে ধন্যাবাদ জানাই।’ অনুষ্ঠানের শুরুতে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে গান পরিবেশন করেন পাপী মনা। এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা
জিয়াউল হক কিসলু, অভিনেতা
ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আহসান হক মিলু, প্রখ্যাত লেখক আসলাম সানী। পরে আওয়ামীলীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পোষ্টারের মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিরা।বরিশাল বিভাগের এস এস সি ২০০১ ও এইচ এস সি ২০০৩ ছাত্র-ছাত্রীদের মিলন মেলা
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . বন্ধুত্ব দৃঢ়
হোক সহযোগিতার
বন্ধনে" স্লোগানের মধ্যে দিয়ে বরিশাল
বিভাগের এস
এস সি
২০০১ ও
এইচ এস
সি ২০০৩
ছাত্র-ছাত্রীদের
মিলন মেলা
অনুষ্ঠিত হয়
বরিশাল শহরস্থ
তাওয়া রেস্টুরেন্ট
এ। গতকাল
শুক্রবার বেলা
সাড়ে ১১
টার সময়
দূর দূরান্ত
থেকে আসা
সকল বন্ধুদের
উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।পবিত্র কুরআন
তেলাওয়াত ও পবিত্র গীতা পাঠের
মাধ্যমে অনুষ্ঠান
শুরু হয়,
অনুষ্ঠান উপস্থাপনা
করেন রুবাইয়া
আহসান চৈতি,খান শাওন
ও শরিফ
মেহেদী ।
অনুষ্ঠানে আনন্দ দেওয়ার জন্য সাংস্কৃতিক
অনুষ্ঠান ,পিলো পাসিং , লটারি ড্র
সহ মজার
মজার অনুষ্ঠান
হয়। অনুষ্ঠানটির
দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ার রায়হান জিহাদ,
বলেন আমরা
চেয়েছি সকল
বন্ধু একত্রিত
হতে আল্লাহর
রহমতে আমরা
একত্রিত হতে
পেরে আল্লাহর
দরবারে শুকরিয়া
জানাই যাতে
করে আমরা
প্রতিবছর এ
ধরনের সুন্দর
একটি আয়োজন
করতে পারি।
অনুষ্ঠান পরিচালনায়
সহযোগিতা করেন
ইমরুল কায়েস
সোহাগ, হাবিবুল্লাহ
বাবু , আকরামুল
ও আতিক
খান।এ সময়
উপস্থিত থাকেন
পল্লী টিভির
বরিশাল ব্যুরো
প্রধান ইঞ্জিনিয়ারি
এইচ এম
আসলাম, বরিশাল
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার আবু
হাসান, সহকারী
রেজিস্ট্রার সোলায়মান খান,, বরিশাল পূবালী
ব্যাংক শাখার
মোঃ মারুফ
হোসেন ও
রতন দাস,
ইঞ্জিনিয়ার সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের
বরিশাল শাখার
ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্টের ইঞ্জিনিয়ার
মোঃ রাজিব
হোসেন, মোঃ
রায়হান বাপ্পী,
ইঞ্জিনিয়ার জিকো, ঢাকা থেকে আসা
ইঞ্জিনিয়ার ইয়াসির আরাফাত, আনোয়ার, আদনান,ইমরান,রেজভী,বরগূনা থেকে
আসা এস
আই মামুন
টিপু,মাসুম,
স্বরুপকাঠি থেকে আসা আরিফ,রাকেশ,
গৌরনদীর লোপা
সহ প্রায়
দুই শতাধিক
বন্ধু। অনুষ্ঠানের
ফাঁকে লটারি
ড্র অনুষ্ঠিত
হয়, পরিচালনা
করেন এইচ
এম আসলাম,
ইমরুল কায়েস
সাথে সাথেই
বিজয়ীদের পুরুস্কা হাতে তুলে দেয়া
হয়। শেষে
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান কুপিয়ে আহত করা সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের দাবীতে মানববন্ধন
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল
সাধারন সম্পাদক মশিউর রহমান মঞ্জু’র উপর কতিপয় চিহ্নিত জঙ্গি সন্ত্রাসী কর্তৃক হামলা করে কুপিয়ে জখম করার প্রতিবাদে ও দ্ররুত হামলাকারী সন্ত্রসীদের গ্রেপ্তারের দাবী জানিয়ে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন বরিশাল মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল। রোববার সকাল ১১টায় সদর রোড বরিশাল জেলা ও মহানগর বিএনপি দলীয় কার্যলয়ের সামনে এ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি মাহাবুবুর রহমান পিন্টুর সভাপতিত্বে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন কালে বক্তব্য রাখেন,মহানগর ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক খান মোঃ আনোয়ার,সিনিয়র সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম সমির,মতিউর রহমান মিঠু,তারেক সোলাইমান,সাইদুল ইসলাম ও ডাঃ মোঃ আনিস। অভিলম্বে মসিউর রহমান মঞ্জুর উপর হামলাকারীদের গ্রেপতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান।বরিশালে ইয়াবাসহ পুলিশের খাঁচায় চৌমাথার অনিক চৌধুরী
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . বরিশাল নগরীর চৌমাথা এলাকায় অনিক চৌধুরী একটি আতংকিত নাম। কেউ এই নামটি জোপে ভয়ে। আবার কেউ তাকে তোয়াজ করে অনৈতিক সুবিধা হাসিলের কারণে। এই অনিক স্থানীয় ব্যক্তি বিশেষকে অনৈতিক সুবিধা দিয়ে চৌমাথা এলাকায় গড়ে তুলেছেন মাদকের একটি শক্তপোক্ত
সিন্ডিকেট। অবশ্য মাদকের হোলসেলর নামের তকমাটি জুড়তে গিয়ে তিনি কতিপয় ব্যক্তিকে অর্থনৈতিক সুবিধা দিয়েই ব্যবসাটি চালাচ্ছিলেন। এমনকি শোনা গেছে, অর্থনৈতিক সুবিধা নিয়ে পুলিশও ছিল ম্যানেজ। কিন্তু সেই অনিকের লাগাম এবার টেনে ধরার সক্ষমতা দেখালো কোতয়ালি থানা পুলিশ। শনিবার রাতে এই থানা পুলিশের একটি দল নবগ্রাম রোড এলাকা থেকে অনিক চৌধুরী ও তার সহযোগী রিপন দাস কালুকে গ্রেফতার করেন। ওই সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করার বিষয়টি জানিয়েছে পুলিশ। অনিক চৌধুরী বরিশাল শহরের স্বনামধন্য চিকিৎসক মজিবুর রহমান রিপন ওরফে এমআর চৌধুরীর ভাতিজা। ভয়াঙ্কর এই যুবক সাম্প্রতিকালে এক তরুণীকে প্রকাশ্যে সড়কে ফেলে পিটিয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় তুলেছিলেন। এমনকি সেই ঘটনায় কোতয়ালি পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানা হেফাজতে নিয়েছিল। কিন্তু তখন থানার তদন্ত কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান অনিককে রক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেন। ফলে সেই দফা তরুণীর কাছে হাত পা ধরে মুচলেকা দিয়ে রক্ষা পেয়েছিলেন। তবে ভেতরের খবর হচ্ছে ওসি আসাদ লাখ টাকা সন্ধিচুক্তিতে তাকে রক্ষায় অগ্রসর হয়েছিলেন। সেই ঘটনার মাস দুয়েকের মাথায় অনিক চৌধুরী ইয়াবা নিয়ে পুলিশের জালে আসার বিষয়টি ব্যাপক ভাবে আলোড়িত হচ্ছে। বরিশাল কোতয়ালি পুলিশ জানিয়েছেন, সহকারী কমিশনার রাসেল হোসেনের নেতৃত্বে শনিবার রাতে নবগ্রাম রোডে অভিযান চালায় অনিক ও তার সহযোগী কালুকে আটক করা হয়। ওই সময় অনিকের কাছ থেকে ২০ ও কালুর কাছ থেকে ৩০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের পরবর্তী তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই অনিক ওই এলাকার আনিচুর রহমান ওরফে বাবুল চৌধুরীর সন্তান। এদিকে অনিকের গ্রেপ্তারের খবরে নগরীর চৌমাথা এলাকার বাসিন্দাদের স্বস্তি এনেছে। এমনকি অনেকে গ্রেফতারের খবর শুনে আনন্দ উল্লাসও প্রকাশ করেছেন।