শামীম আহমেদ . বরিশাল
সিটি নির্বাচন উপলক্ষে আগামী ১০ জুলাই
প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। এরপরই প্রার্থীদের আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে প্রচার-প্রচারণা। আগামী ৩০ জুলাই
অনুষ্ঠিক ভাবে হবে বরিশাল
সিটি করপোরেশন নির্বাচন। এদিকে নির্বাচন কমিশনের বাধ্যবাধকতায় প্রচার-প্রচারণা শুরু করতে না পারায়
রাজনৈতিক অঙ্গ সংগঠনগুলো নির্বাচনে করণীয় সম্পর্কে আলোচনা সভা চালিয়ে
যাচ্ছেন। আ’লীগের মেয়র প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ বলেন, বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র প্রার্থী হবো বলে কয়েক বছর থেকেই
দলীয় এবং সামাজিক কর্মকান্ডে সময় দিয়েছি।
দলও আমাকে মনোনয়ন দিয়েছে। এখন প্রতীক
বরাদ্দ পাওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে
প্রচার-প্রচারণায় নামবো। জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদীও তিনি। বিএনপির মেয়র প্রার্থী অ্যাড: মজিবর রহমান সরোয়ার বলেন,প্রচার-প্রচারণার আগে সামাজিক
কর্মকান্ডে অংশগ্রহণ করা একটি নির্বাচনী কৌশল। গতকাল শনিবার দুপুরে মজিবর রহমান সরোয়ার বরিশালে অবস্থানরত কয়েকটি জাতীয় পত্রিকা ইত্তেফাক, কালের কন্ঠ, ও প্রথম
আলো অফিসের ব্যুরো প্রধান ও স্টাপ
রিপোটারদের সাথে সৌজন্যমূলক সাক্ষাৎ দেখা করেন।
এসময় তার সাথে ছিলেন মহানগর বিএনপি সিনিয়র সহ-সভাপতি
মনিরুজ্জামান খান ফারুক, মহানগর বিএনপি যুগ্ম সম্পাদক আনায়ারুল হক তারিন,মহানগর স্বোচ্ছাসেবকদল সভাপতি মাহাবুবুর রহমান পিন্টু,কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নেত্রী আফরোজা খানম নাসরিন সহ দলীয় অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আগামী ১০ তারিখ
প্রতীক বরাদ্দের পর কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচার-প্রচারণা শুরু করবেন এবং জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী তিনি। নির্বাচন কমিশন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১০ জুলাই
প্রতিদ্বন্দি মেয়র ও কাউন্সিলর
প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হবে। আর ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিত ভাবে হবে ভোট। তবে ভোটারদের নিরাপত্তার জন্য বরিশাল সিটি নির্বাচনে থাকছে তিন স্তরের
নিরাপত্তা।
Post Top Ad
বরিশাল সিটি নির্বাচনে সরকারকে সহযোগীতা করতে আসিনি এসেছি নির্বাচন করতে------ জাপা মেয়র প্রার্থী তাপস।
শামীম আহমেদ বরিশাল
ব্যুরো
. বরিশাল আসন্ন সিটি কর্পোরেশনের চতুর্থ
পরিষদের নির্বাচনে
জার্তীয় পাটি
(এরসাদ) মনোনিত
লাঙ্গলের মেয়র
প্রার্থী বিশিষ্ট
শিক্ষনুরাগী, শিল্পপতি ইকবাল হোসন তাপস
বলেছেন আমি
জার্তীয় পাটি
এরসাদের আসন্ন
বরিশাল সিটি
কর্পোরেশনের মেয়র প্রার্থী আমরা এ
নির্বাচনে সরকারকে কোন রকম সহযোগীত
করতে আসিনি
আমরা এসেছি
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দিতা করতে। আমাকে বরিশালবাশী
ভোট দিয়ে
নির্বাচিত করলে আমি কখনো নগর
পিতা বা
ভাই হব
না। আমি
নগরবাশীর সেবক
হয়ে বরিশালের
সম্মানিত জ্ঞানী
গুনিদের সমন্বয়ে
বরিশাল শহরকে
আধুনিক নান্দনিক
শহরে রুপ
দেয়ার কাজ
করে যাব।
এখানে সব
বড়দলের প্রার্থী
রয়েছে আমার
সাথে আরো
দু’জন
মেয়র প্রার্থী
রয়েছে এদের
ভিতর একজন
রাজিৈতক পরিবারের
সস্তান তার
আত্বিয়-স্বজনরা
সরকারে রয়েছে
আরো একজন
দীর্ঘদিনের মাঠের রাজনৈতিক নেতা। আমাকে
বরিশালবাশী ঠিকমত চেনে না জানেনা
আমি বরিশালবাশীকে
বলব আমাকে
একটি বারের
জন্য সুযোগ
দিয়ে চিনুন।
গতকাল শুক্রবার
সকাল সাড়ে
১০টায় বরিশাল
রিপোর্টার্স ইউনিটি কার্য়লয়ে মিট দ্যা
প্রেস সংবাদ
কর্মীদের সাথে
এক মতবিনিময়
সভায় তিনি
একথা বলেন।
বরিশাল রিপোর্টার্স
ইউনিটির সভাপতি
নজরুল বিশ্বাষের
সভাপতিত্বে মিট দ্যা প্রেস অনুষ্ঠানে
জাপা মেয়র
প্রার্থী ইকবাল
হোসেন তাপসের
সাথে আরো
উপস্থিত ছিলেন
সিটি নির্বাচনের
জাতীয় পাটির
সমন্বয়ক ও
জাতীয় পাটি
ভাইস চেয়ারম্যান
অধ্যাপক মহসিন-উল ইসলাম
হাবুল। এসময়
আরো উপস্থিত
ছিলেন জাপা
নেতা নজরুল
ইসলাম,ফোরকান
তালুকদার,হারুন
আর রসিদ,নজরুল ইসলাম
হেমায়েত,জাহাঙ্গির
হোসেন ফকির
ও সফিউল্লাহ
দিপু প্রমুখ।
তাপস সাংবাদিকদের
আরো বলেন,
তিনি বরিশালে
নির্বাচিত হলে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে
নগরীর দারিদ্র
পরিবারের মেধাবী
সস্তানদের লেখা-পড়ার জন্য একটি
সেল গঠন
করার মাধ্যমে
তাদের সে
সদস্যা দূর
করা হবে।
এছাড়া বরিশালের
পুরানো স্বৃর্তি
সংরক্ষনের মাধ্যমে বরিশাল শহরের ঐতিহ্য
রক্ষা করা
সহ বরিশাল
শহরকে বাচিয়ে
রাখার
কাজ করে যাবেন যাতে বরিশাল
শহরটি একটি
পর্যটন শহরের
রুপ নেয়।
ইকবাল হোসেন
তাপস আরো
বলেন, আমি
কোন নেতা
হিসাবে আসিনি
এসেছি আমি
এই শহরের
নাগরীক একজন
সন্তান হিসাবে
নির্বাচন করতে
এসেছি নগরবাশী
বিগত দিনে
অনেক দলে
প্রার্থীদের দেখেছে নগরবাশী আমাকে একবার
তারা দেখুক।
তিনি নির্বাচন
নিয়ে আসাবাদ
ব্যাক্ত করে
বলেন বরিশাল
সিটি নির্বাচনে
সরকার খুলনা-গাজীপুরের ভূমিকা
পালন করবে
না। এখানে
শতভাগ সুষ্ট
নির্বাচন যাতে
হয় সেজন্য
সরকারের সহযোগীতা
কামনা করেন।বিসিসি নির্বাচনে ১০ কাউন্সিলর প্রার্থী স্ব-শিক্ষিত, ১ জন অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন, ৪৪ জন পাশ করেনি এসএসসি
শামীম আহমেদ বরিশাল ব্যুরো . সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সাধারণ ও সংরক্ষিত
কাউন্সিলর পদে মনোনয়ন পত্র জমা দেয়া প্রার্থীদের মধ্যে ১০ জন হলফ নামায় তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা স্ব-শিক্ষিত
ও ১ জন অক্ষর
জ্ঞান সম্পন্ন উল্লেখ করেছেন।বরিশাল সিটি নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থীদের হলফনামা থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।হলফ নামার তথ্যানুযায়ী কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যে ৫নং ওয়ার্ডের
মো: মন্টু, ৭নং ওয়ার্ডের
সৈয়দ আকবর, ৮নং ওয়ার্ডের
আওয়ামী লীগ প্রার্থী সুরঞ্জিৎ দত্ত লিটু, ১৫নং ওয়ার্ডের লিয়াকত হোসেন খান লাভলু,
২২নং ওয়ার্ডের তানভীর হোসেন রানা, ২৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জাকির হোসেন ও ২৭নং ওয়ার্ডের আলতাফ হোসেন সিকদার হাবুল ও একই ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর নুরুল ইসলাম তাদের হলফ নামায়
শিক্ষাগত যোগ্যতা স্ব শিক্ষিত
উল্লেখ করেছেন। এছাড়াও ২নং ওয়ার্ডের
সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী জোছনা বেগম ও সংরক্ষিত
৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী জোহরা স্ব শিক্ষিত
বলে হলফ নামা থেকে জানা গেছে।তবে ২নং ওয়ার্ডের কানন বেগম তার হলফনামায়
অক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন উল্লেখ করেছেন। এছাড়া ৩৭ জন কাউন্সিলর প্রার্থী উল্লেখ করেছেন ৮ম শ্রেনী
পাশ। যারমধ্যে রয়েছেন- ১নং ওয়ার্ডের
আউয়াল মোল্লা, ৩নং ওয়ার্ডের
শামীম খান, শহিদুল ইসলাম হাওলাদার, মজিবর রহমান মৃধা, হালিমা বেগম ও সৈয়দ হাবিবুর রহমান ফারুক, ৪নং ওয়ার্ডের
বর্তমান কাউন্সিলর ইউনুস মিয়া, ৫নং ওয়ার্ডের
জিয়াউল হক চিশতি নাদির, আলম বিশ্বাস,
৬নং ওয়ার্ডের আতাউল গনি ও রফিকুল ইসলাম, ৭নং ওয়ার্ডের
শেখ মোঃ আলম, ৮নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সেলিম হাওলাদার, ৯নং ওয়ার্ডের
বর্তমান কাউন্সিলর হারুন অর রশিদ ও শামীম রহমান, ১০নং ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর জয়নাল আবেদিন, ১১নং ওয়ার্ডের মজিবর রহমান ও মোঃ রাজা, ১৪নং ওয়ার্ডে শাকিল হোসেন পলাশ, ১৬ নং ওয়ার্ডে রুবিনা আক্তার, ১৯ নং ওয়ার্ডে হানিফ চৌধুরী, ২৩নং ওয়ার্ডে এমরান চৌধুরী জামাল, ২৪নং ওয়ার্ডে ফিরোজ আহম্মেদ, ২৫ নং ওয়ার্ডের আবু হানিফ,
২৬নং ওয়ার্ডের মো: হাসান
ইমাম, ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের মোঃ জাহাঙ্গীর
হোসেন। পাশাপাশি সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ১নং ওয়ার্ডে মিনু রহমান ও নুরুন্নাহার
বেগম, ২নং ওয়ার্ডের জাহানারা বেগম ও আলমতাজ
বেগম, ৫নং ওয়ার্ডের হোসনেয়ারা বেগম, ৬নং ওয়ার্ডের
নাছিমা হান্নান ও মজিদা
বোরহান, ৮নং ওয়ার্ডের রেশমি বেগম,
৯নং ওয়ার্ডের ডালিম বেগম, আয়শা বেগম ও ১০ নং ওয়ার্ডে রোজী বেগম ৮ম শ্রেনী
পাশ। এরবাহিরে হলফনামায় নবম শ্রেনী
পাশ দেখিয়েছেন ১২ নং ওয়ার্ডের কেএম শহিদুল্লাহ ও ২৫ নং ওয়ার্ডের প্রার্থী ফজলুর রহমান হাওলাদার। অপরদিকে ৫ নম্বর
সাধারণ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী শেখ আনোয়ার
হোসেন ছালেক ও সংরক্ষিত
৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী সেলিনা বেগম ৫ম শ্রেনী
পাশ করেছেন। এছাড়াও সংরক্ষিত ২ নম্বর
ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ফাতেমা রহমান চতুর্থ শ্রেনী পাশ করেছেন।এদিকে
সংরক্ষিত ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী কামরুন্নাহার রোজী এসএসসি অকৃতকার্য ও ৩০ নম্বর সাধারণ ওয়ার্ডের আজাদ হোসেন মোল্লা কালাম মাধ্যমিক পাশের কথা হলফনামায়
উল্লেখ করেছেন। এরবাহিরে ২৫ জন কাউন্সিলর এসএসসি পাশ ও ১ জন দাখিল
পাশ করেছেন। পাশাপাশি ২৭ জন এইচএসসি পাশ করেছেন।
অপরদিকে ২ জন বিএসসি,
১ জন ডিপ্লোমা, ১ জন এমবি ও ১ জন মাষ্টার্স পাশ ছাড়া বাকী সকল প্রার্থী
বিএ, এমএ, এমকম, বিএসএস, এমএসএস, বিএ-এলএলবি,
এমএ-এলএলবি, পাশের কথা হলফনামায়
উল্লেখ করেছেন।