শামীম আহমেদ . প্রধান প্রজনন মৌসুমে
মা ইলিশ শিকারের দায়ে বরিশালের ৬ জেলায় ৯৬১ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দিয়ে জেল-হাজতে
পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি তাদের কাছ
থেকে ২০ লাখ ৯শ’ টাকা জরিমানা আদায়
করা হয়েছে। বিভাগীয় মৎস কার্যালয়ের সিনিয়র
সহকারী পরিচালক আজিজুল হক জানান, প্রধান প্রজনন মৌসুমে
ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষ্যে গত ৭ অক্টোবর থেকে ২২ দিনের জন্য সমুদ্র ও নদীতে ইলিশ ধরায়
নিষেধাজ্ঞা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মা ইলিশ শিকারের দায়ে ২২ দিনে বরিশালের
৬ জেলায় ৯৬১ জেলেকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কারাদন্ড- ও জরিমানার পাশাপাশি ৭ হাজার ৯৯৪ কেজি ইলিশ
ও প্রায় ৩০ লাখ মিটার অবৈধ জাল জব্দ করা হয়েছে। এছাড়াও জালের মূল্য নির্ধারন করা হয়েছে প্রায় সাড়ে ৫ কোটি টাকা। তিনি আরও জানান, গত ৭ অক্টোবর থেকে রবিবার মধ্যরাত পর্যন্ত বিভাগের ৬ জেলার মৎস অধিদফতরের নেতৃত্বে
মোট ১ হাজার ৯০০ টি অভিযান ও ৯৮৬ টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে। যার অনুকূলে ৯৩৫ টি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
Post Top Ad
বৃষ্টির কারণে শুরু হয়নি বরিশাল ও খুলনা বিভাগের খেলা
শামীম আহমেদ . বৃষ্টির কারণে বরিশাল
শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামের শুরু হয় নি ওয়াল্টন ২০ তম জাতীয় ক্রিকেট লীগের
বরিশাল ও খুলনা বিভাগের খেলা। সোমবার সকাল সাড়ে ৯
টায় খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও মাঠ ভিজা ছিলো। তাই টসও হয় নি। পরবর্তিতে সকাল সাড়ে
১০ টায় শুরু হয় গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি। তাই বৃষ্টির কারণে বরিশাল ও খুলনা বিভাগের প্রথম দিনের খেলা
নাও হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ম্যাচ রেফারী সামিউর রহমান সায়েম। তিনি বলেন,
সকাল ৯ টায় ও ১০ টায় মাঠ পরিদর্শন করা হয়েছে। তখন মাঠ ভিজা ছিলো। আর সাড়ে ১০ টায় বৃষ্টি
শুরু হয়। বরিশাল স্টেডিয়ামে
ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় মাত্র ১৫ কিংবা ৩০ মিনিট বৃষ্টি হলে ওই দিন এই মাঠে খেলা
সম্ভব নয়। এছাড়া মেঘলা আবহাওয়ার
কারণে মাঠে আলোর স্বল্পতাতো রয়েছেই। সকাল থেকেই বৃষ্টির
কারণে পুরো পিচ, কাভার দিয়ে ঢেকে রাখা
হয়েছে। উলে¬খ্য গত ১৫ অক্টোবর বরিশাল ও রাজশাহীর খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলে
মাঠ ভিজা থাকায় প্রথম দুই দিন বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামের খেলা অনুষ্ঠিত
হয় নি। তবে শেষের দুই দিনে
মাঠে বল ব্যাটের লড়াই হলেও ম্যাচ ড্র হয়। বাস চলাচল দ্বিতীয় দিনের বন্ধ
শামীম আহমেদ . সড়ক পরিবহন আইনের
কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির কারণে
সোমবার দ্বিতীয় দিনেও বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল ও রূপাতলী বাস টার্মিনাল
থেকে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটের কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এসব কারণে সাধারণ যাত্রী থেকে শুরু করে কর্মস্থলে যেতে বিকল্প
যান ব্যবহার করায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া যাত্রীদের। বরিশালে সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হলে এ দুর্ভোগ আরো বেশি বেড়ে
যায়। বুষ্টি উপেক্ষা করে
অনেকেই গন্তব্যে পৌছানোর চেষ্টা করছেন। সোমবারও সরজমিনে বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাসষ্ট্যান্ড ঘরে
দেখা গেছে অসংখ্য যাত্রী তাদের মামলামাল নিয়ে বসে আসেন। কখন ঘোষনা আসবে আর কখন গাড়ী ছারবে সেই আশায় টার্মিনাল ছাড়ছেননা
অনেকেই। ফরিদপুরের এক যাত্রী
রহিমা বেগম বলেন, আত্বীয়ের বাড়ীতে বেড়াতে
এসেছিলেন তিনি। তার সাথে তিন ছোট সন্তানও
রয়েছে। এখন বাড়ী ডেতে হবে
জরুরী কাজের জন্য। অথচ বোরবার বাস না
ছাড়ায় ফিরে যেতে হয়েছে আর সোমবারও একই অবস্থা। ধর্মঘটের কথা যেনেও কেন এসেছেন এমন প্রশেনর জবাবে তিনি বলেন, বিকল্প কোন ব্যবস্থা যদি হয় তাই এসেছি। এচাড়াও টার্মিনালে উপস্থিত মিজানুর রহমান মিলন নামের এক যাত্রী
বলেন, ধর্মঘটের কারনে গন্তব্যে
যেতে না পারায় তার যে ক্ষতি হয়েছে তা কেউ বুঝতে পারবেনা। তিনি বলেন,
সব কিছু মালিক আর শ্রমিক;েদর হাতে। আমরা সাধারন মানুষ আজ তাদের কাছে জিন্মি হয়েআছি। একটু কিছু হলেই তারা ধর্মঘটের যাক দেয়। যাত্রীদের জিম্মি না
করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। যাত্রীরা বলেন,
কোনো দাবি থাকলে তা সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা উচিৎ। এরপর আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমঝোতা করা উচিৎ। কিন্ত পরিবহন বন্ধ রেখে যাত্রীদের জিম্মি করে দাবি আদায় মেনে
নেয়া যায় না। সোমবার নথুল্লাবাদের
কাউন্টার গুলেঅ ছিলো বন্ধ। কিছু সংখ্যক খোলা থাকলেও
সেখানে শ্রমিকরা গল্প গুজব করে সময় পার করছে। এবিষয়ে একাধিক শ্রমিক
জানান, কেন্দ্র থেকে আমাদের
যে সিধান্ত দেয়া হবে আমরা সে মোতাবেক কাজ কররো। যদি ঘোষনা আসে তবে বাস চলবে আর না আসলে আমাদের কিছু করার নেই। আর শ্রমিক ইউনিয়নের
নেতারা বলেন, আটচল্লিশ ঘন্টার কর্মবিরতি
পাড় হওয়ার পর কেন্দ্রীয় নেতারা যে সিদ্ধান্ত দেবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি পালন
করবেন। বরিশাল জেলা বাস শ্রমিক
ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন গত ১৯ সেপ্টেম্বর সংসদে পাশ হওয়া সড়ক পরিবহন
আইনে সড়ক দুর্ঘটনায় অপরাধী হলে মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত রাখা হয়েছে। এই আইন শ্রমিকদের রক্ষা বা স্বার্থের পরিপন্থী। ফাঁসির ঝুঁকি নিয়ে কোনো শ্রমিকই গাড়ি চালাতে পারবে না। এ কারণে এই আইন বাতিল না হলে পরবর্তীতে আরও কর্মসূচি দেয়া হবে।বরিশাল জেলায় বিএনপি নেতা-কর্মীদের বিরুদ্বে পুলিশের দায়ের করা গায়েবী মামলার প্রতিবাদে পুলিশ সুপার বরাবর স্বারকলিপি প্রদান।
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক
. বিএনপি’র রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের
বিরুদ্ধে গায়েবী মামলা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যাহারের দাবী জানিয়ে বরিশালের পুলিশ
সুপার বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে বরিশাল দক্ষিন জেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দ। সোমবার বেলা ১১টায়
বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রকিবুর রহমান কাছে স্মারকলিপি তুলেদেন দক্ষিন জেলা বিএনপি’র সভাপতি এবায়দুল হক চাঁন। স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বরিশাল জেলার বিভিন্ন থানায় রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হয়রানী করার উদ্যোশে পুলিশ মিথ্যা
মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসময তারা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, বরিশালের বাবুগঞ্জে গত ২৫ অক্টোবর এস আই মোঃ আলমগীর হেসেন বাদী
হয়ে মোঃ রাজন সিকদারসহ অসংখ্য অজ্ঞাত নামা আসামী করে মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ০৬/১৮। এছাড়াও পুলিশের বিশেষ ক্ষমতা আইনে উজিরপুর থানায় গত ২১ অক্টোবর এস আই আলমগীর হোসেন
বাদী হয়ে খোকন ডাকুয়াসহ অজ্ঞাত নামা ৫০ থেকে ৬০ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ১৮/১৮। অপরদিকে গত ২৩ অক্টোবর পুলিশের বিশেষ ক্ষমতা আইনে বাকেরগঞ্জ থানায় এস আই
কলম চন্দ্র দে বাদী হয়ে মাওলানা মাহমুদুন্নবীসহ অজ্ঞাতনামা ২৫ থেকে ৩০ জনের বিরুদ্ধে
একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ২৫/১৮। এভাবে প্রায় প্রতিটি
থানায় ঘটনাবিহীন গায়েবী মামলা দায়ের করছে পুলিশ বলে অভিযোগ তোলেন তারা। এসকল অজ্ঞাতনামা আসামীদের স্থানে বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে গ্রেফতার করা
হবে বলে আশংকা প্রকাশ করেন। স্মারকলিপিতে তারা বলেন, বস্তুনিষ্ঠ তদন্ত করলে দেখা যাবে ঐ মামলায় উল্লেখিত কোন ঘটনাই ঘটেনি। কতিপয় অতি উৎসাহি পুলিশ কর্মকর্তা ক্ষমতাসীন দলের ইঙ্গিতে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে
বিরোধী দলকে হয়রানী করতে এমন মামলা প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। এসব মামলায় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার দেখানো হবে। রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের
নির্বাচনের পূর্বে গ্রেফতার করে জেল হাজতে রাখলে গনতন্ত্র বাধাগ্রস্থ হবে বলে মনে করেন
তারা। এসময় তারা উক্ত গায়েবী
মামলাগুলো জরুরী ভিত্তিতে চুরান্ত প্রতিবেদন দাখিল পূর্বক নিস্পত্তি বা ফৌজদারী কার্যবিধি
আইনের ৪৯৪ ধারার মতে প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করার দাবী জানান। স্মারকলিপি প্রদাননের
সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, দক্ষিন জেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক এ্যাডভোকেট আবুল কালাম শাহীন, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র সদস্য ও সাবেক সংসদ আবুল হোসেন খান, বরিশাল আইনজীবী সমিতির সাধারন সম্পাদক এ্যাভোকেট লিংকন, উজিরপুর উপজেলা বিএনপি’র সাধারন সম্পাদক আব্দুল মান্নান তালুকদার এবং এ্যাভোকেট রিয়াজ প্রমুখ।
বরিশালে জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিল।
শামীম আহমেদ . বিএনপি চেয়ারপারর্সন
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মিথ্যা সাজানো মামলায় সাজা প্রদান করার প্রতিবাদে
নগরীতে তাৎক্ষনিকভাবে সভা ও বিক্ষোভ
মিছিল করেছে বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল। সোমবার বিএনপি চেয়ারপারর্সন
বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্বে রায় ঘোষিত হওয়ার সাথে জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল বিক্ষোভ মিছিল
বেড় করে। এসময় মিছিলে উপস্থিত
ছিলেন জেলা স্বেচ্ছাসেবকদল সভাপতি জে.এম আমিনুল ইসলাম লিপন, সিনিয়র সহ-সভাপতি আতাউর রহমান আউয়াল,সাংগঠনিক সম্পাদক জাবের আবদুল্লাহ সাদী,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আজিজুর রহমান ভূইয়া মামুন,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দল অন্যতম নেতা এ্যাড. আব্দুল মালেক,এ্যাড. জাহিদুল ইসলাম পান্না,রবিউল আউয়াল শাহিন,নিজামুর রহমান নিজাম,সফিউর রহমান কামাল,আল-আমিন হাওলাদার,আখতারুজ্জামান সাব্বির,মিজানুর রহমান বাপ্পি ও ক্ষিএইচ রিমন প্রমুখ। এর পূর্বে নগরীর গোড়াচাঁদ দাস সড়কে এক প্রতিবাদ সভা করে বিক্ষোভ
মিছিল বেড় করে। মিছিলটি এসময় গোড়াচাঁদ
দাস রোড,সাহেবের গোরস্তান হয়ে
সদররোডে এসে মিছিল শেষ করে । অপরদিকে মহানগর স্বেচ্ছাসেবকদল
নগরীর বগুড়া রোডে সভাপতি মাহাবুবুর রহমান পিন্টুর নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করে।প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের এ ১০টি বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে সাধারন মানুষের কাছে জানাতে হবে-তথ্য উপ-পরিচালক মোঃ আমিরুল আজম।
শামীম আহমেদ. সরকারের সাফল্য, অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা
বিষয়ক জনগনকে অবহিত ও সম্পৃক্তকরনের লক্ষে এক সংবাদ সম্মেলন অুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার বেলা ১২টায় বরিশাল
নগরের জর্ডর রোডস্থ বরিশাল বিভাগীয় তথ্য অফিসে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল
বিভাগীয় অফিসের উপ-পরিচালক মোঃ আমিরুল আজম বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কণ্যা প্রধন
মন্ত্রী শেখ হাসিনা বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি তার নির্বাচনী অঙ্গিকার
হিসেবে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক দেশে পরিনত করেছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র উন্নয়ন সাধারন মানুষের
কাছে পৌছে দিতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার
দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ হিসেবে গড়ে তলেছেন। যার ফল আমরা ভোগ করছি। বর্তমান সরকার তার মেয়দে ১০ টি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহন করেছেন। এ প্রকল্পের মুল লক্ষ
ভোগান্তিবিহীন ,
দূর্নীতি মুক্ত স্বচ্ছতার সাথে স্বল্পতম সময়ে জনগনের কাছে সেবা পৌছায়। যার মধ্যে
রয়েছে, একটি বাড়ি
একটি খামার প্রকল্প। যা প্রধানমন্ত্রীর
নিজ মস্তিস্ক থেকেই এসেছে। এর মাধ্যমে গ্রামের হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্য বদলাতে শুরু করেছে। এটি আজ বিপ্লবে পরিনত
হয়েছে। বিশেষ উদ্যেগের
মধ্যে আর একটি হচ্ছে আশ্রয় প্রকল্প। ঘুনিঝর ও নদীভাঙ্গনে ছিন্নমুল অসহায় পরিবারের পূর্নবাসনের লক্ষে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন
করেছে সরকার। সরকারের নিজস্ব
অর্থায়নে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পের ৩টি পর্যায়ে ১৯৯৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত এক লক্ষ
৫৯ হাজারের বেশী পরিবার পূর্নবাসিত হয়েছে। আর একটি প্রকল্প ডিজিটাল বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু সুখী-স্বনির্ভর সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন। সে লক্ষে সমযোপযুগী ডিজিটাল কর্মসূচী নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ। রুপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের
মুল উদ্যেশ। এছাড়াও বিশেষ ১০ টি উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, শিক্ষা সহয়তা কর্মসূচী, নারীর ক্ষমতায়ন, ঘরে ঘরে বিদুৎ, কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানষিক
স্বাস্থ্য, সামাজিক নিরাপত্তা
কর্মসূচী, বিনিয়োগ বিকাশ
এবং পরিবেশ সুরক্ষা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের
এ ১০টি বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে সাধারন মানুষের কাছে জানাতে হবে। এর সুফল তুলে ধরতে হবে। সাধারন মানুষ যাতে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগ জেনে এর সুফল
ভোগ করতে পারে। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, সহকারী তথ্য অফিসার মোঃ মোস্তাক আলী মল্লিক। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার এ ১০টি বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে আগামী কাল সোমবার বরিশাল কাশীপুর হাই স্কুল এন্ড
কলেজে শিক্ষার্থ ও অভিভাবকদেও
সাথে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে বরিশাল বিভাগীয় তথ্য অফিস। সেখানে বরিশাল সদও উপজেলার মহিলা ভাসস চেয়ারম্যান রেহানা বেগম উপস্থিত থাকবেন ।