শামীম আহমেদ . সড়ক পরিবহন আইনের
কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির কারণে
সোমবার দ্বিতীয় দিনেও বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল ও রূপাতলী বাস টার্মিনাল
থেকে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটের কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এসব কারণে সাধারণ যাত্রী থেকে শুরু করে কর্মস্থলে যেতে বিকল্প
যান ব্যবহার করায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া যাত্রীদের। বরিশালে সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হলে এ দুর্ভোগ আরো বেশি বেড়ে
যায়। বুষ্টি উপেক্ষা করে
অনেকেই গন্তব্যে পৌছানোর চেষ্টা করছেন। সোমবারও সরজমিনে বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাসষ্ট্যান্ড ঘরে
দেখা গেছে অসংখ্য যাত্রী তাদের মামলামাল নিয়ে বসে আসেন। কখন ঘোষনা আসবে আর কখন গাড়ী ছারবে সেই আশায় টার্মিনাল ছাড়ছেননা
অনেকেই। ফরিদপুরের এক যাত্রী
রহিমা বেগম বলেন, আত্বীয়ের বাড়ীতে বেড়াতে
এসেছিলেন তিনি। তার সাথে তিন ছোট সন্তানও
রয়েছে। এখন বাড়ী ডেতে হবে
জরুরী কাজের জন্য। অথচ বোরবার বাস না
ছাড়ায় ফিরে যেতে হয়েছে আর সোমবারও একই অবস্থা। ধর্মঘটের কথা যেনেও কেন এসেছেন এমন প্রশেনর জবাবে তিনি বলেন, বিকল্প কোন ব্যবস্থা যদি হয় তাই এসেছি। এচাড়াও টার্মিনালে উপস্থিত মিজানুর রহমান মিলন নামের এক যাত্রী
বলেন, ধর্মঘটের কারনে গন্তব্যে
যেতে না পারায় তার যে ক্ষতি হয়েছে তা কেউ বুঝতে পারবেনা। তিনি বলেন,
সব কিছু মালিক আর শ্রমিক;েদর হাতে। আমরা সাধারন মানুষ আজ তাদের কাছে জিন্মি হয়েআছি। একটু কিছু হলেই তারা ধর্মঘটের যাক দেয়। যাত্রীদের জিম্মি না
করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। যাত্রীরা বলেন,
কোনো দাবি থাকলে তা সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা উচিৎ। এরপর আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমঝোতা করা উচিৎ। কিন্ত পরিবহন বন্ধ রেখে যাত্রীদের জিম্মি করে দাবি আদায় মেনে
নেয়া যায় না। সোমবার নথুল্লাবাদের
কাউন্টার গুলেঅ ছিলো বন্ধ। কিছু সংখ্যক খোলা থাকলেও
সেখানে শ্রমিকরা গল্প গুজব করে সময় পার করছে। এবিষয়ে একাধিক শ্রমিক
জানান, কেন্দ্র থেকে আমাদের
যে সিধান্ত দেয়া হবে আমরা সে মোতাবেক কাজ কররো। যদি ঘোষনা আসে তবে বাস চলবে আর না আসলে আমাদের কিছু করার নেই। আর শ্রমিক ইউনিয়নের
নেতারা বলেন, আটচল্লিশ ঘন্টার কর্মবিরতি
পাড় হওয়ার পর কেন্দ্রীয় নেতারা যে সিদ্ধান্ত দেবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি পালন
করবেন। বরিশাল জেলা বাস শ্রমিক
ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন গত ১৯ সেপ্টেম্বর সংসদে পাশ হওয়া সড়ক পরিবহন
আইনে সড়ক দুর্ঘটনায় অপরাধী হলে মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত রাখা হয়েছে। এই আইন শ্রমিকদের রক্ষা বা স্বার্থের পরিপন্থী। ফাঁসির ঝুঁকি নিয়ে কোনো শ্রমিকই গাড়ি চালাতে পারবে না। এ কারণে এই আইন বাতিল না হলে পরবর্তীতে আরও কর্মসূচি দেয়া হবে।
শামীম আহমেদ . সড়ক পরিবহন আইনের
কয়েকটি ধারা সংশোধনসহ আট দফা দাবিতে পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার কর্মবিরতির কারণে
সোমবার দ্বিতীয় দিনেও বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল ও রূপাতলী বাস টার্মিনাল
থেকে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার রুটের কোনো বাস ছেড়ে যায়নি। এসব কারণে সাধারণ যাত্রী থেকে শুরু করে কর্মস্থলে যেতে বিকল্প
যান ব্যবহার করায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বিভিন্ন গন্তব্যে যাওয়া যাত্রীদের। বরিশালে সকাল থেকে বৃষ্টি শুরু হলে এ দুর্ভোগ আরো বেশি বেড়ে
যায়। বুষ্টি উপেক্ষা করে
অনেকেই গন্তব্যে পৌছানোর চেষ্টা করছেন। সোমবারও সরজমিনে বরিশাল কেন্দ্রীয় নথুল্লাবাদ বাসষ্ট্যান্ড ঘরে
দেখা গেছে অসংখ্য যাত্রী তাদের মামলামাল নিয়ে বসে আসেন। কখন ঘোষনা আসবে আর কখন গাড়ী ছারবে সেই আশায় টার্মিনাল ছাড়ছেননা
অনেকেই। ফরিদপুরের এক যাত্রী
রহিমা বেগম বলেন, আত্বীয়ের বাড়ীতে বেড়াতে
এসেছিলেন তিনি। তার সাথে তিন ছোট সন্তানও
রয়েছে। এখন বাড়ী ডেতে হবে
জরুরী কাজের জন্য। অথচ বোরবার বাস না
ছাড়ায় ফিরে যেতে হয়েছে আর সোমবারও একই অবস্থা। ধর্মঘটের কথা যেনেও কেন এসেছেন এমন প্রশেনর জবাবে তিনি বলেন, বিকল্প কোন ব্যবস্থা যদি হয় তাই এসেছি। এচাড়াও টার্মিনালে উপস্থিত মিজানুর রহমান মিলন নামের এক যাত্রী
বলেন, ধর্মঘটের কারনে গন্তব্যে
যেতে না পারায় তার যে ক্ষতি হয়েছে তা কেউ বুঝতে পারবেনা। তিনি বলেন,
সব কিছু মালিক আর শ্রমিক;েদর হাতে। আমরা সাধারন মানুষ আজ তাদের কাছে জিন্মি হয়েআছি। একটু কিছু হলেই তারা ধর্মঘটের যাক দেয়। যাত্রীদের জিম্মি না
করে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। যাত্রীরা বলেন,
কোনো দাবি থাকলে তা সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে বলা উচিৎ। এরপর আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমঝোতা করা উচিৎ। কিন্ত পরিবহন বন্ধ রেখে যাত্রীদের জিম্মি করে দাবি আদায় মেনে
নেয়া যায় না। সোমবার নথুল্লাবাদের
কাউন্টার গুলেঅ ছিলো বন্ধ। কিছু সংখ্যক খোলা থাকলেও
সেখানে শ্রমিকরা গল্প গুজব করে সময় পার করছে। এবিষয়ে একাধিক শ্রমিক
জানান, কেন্দ্র থেকে আমাদের
যে সিধান্ত দেয়া হবে আমরা সে মোতাবেক কাজ কররো। যদি ঘোষনা আসে তবে বাস চলবে আর না আসলে আমাদের কিছু করার নেই। আর শ্রমিক ইউনিয়নের
নেতারা বলেন, আটচল্লিশ ঘন্টার কর্মবিরতি
পাড় হওয়ার পর কেন্দ্রীয় নেতারা যে সিদ্ধান্ত দেবে সে অনুযায়ী পরবর্তী কর্মসূচি পালন
করবেন। বরিশাল জেলা বাস শ্রমিক
ইউনিয়নের সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন গত ১৯ সেপ্টেম্বর সংসদে পাশ হওয়া সড়ক পরিবহন
আইনে সড়ক দুর্ঘটনায় অপরাধী হলে মৃত্যুদন্ড পর্যন্ত রাখা হয়েছে। এই আইন শ্রমিকদের রক্ষা বা স্বার্থের পরিপন্থী। ফাঁসির ঝুঁকি নিয়ে কোনো শ্রমিকই গাড়ি চালাতে পারবে না। এ কারণে এই আইন বাতিল না হলে পরবর্তীতে আরও কর্মসূচি দেয়া হবে।
No comments:
Post a Comment