দশীঘ্রই বরিশালে আনা হবে ভোলার গ্যাস’- প্রধানমন্ত্রী
বায়ান্নোর বাংলা . ভোলার গ্যাস পাইপলাইনের মাধ্যমে খুব শিগ্রই বরিশালে সরবরাহের পরিকল্পনার কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ বৃহস্পতিবার৮ ফেব্রুয়ারী) বিকেলে বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির শেখ হাসিনা বক্তব্যে তিনি একথা বলেন । ভোলা থেকে বরিশালে সরাসরি আসার জন্য তেঁতুলিয়া নদীতে সেতু নির্মাণ করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এটি ক্ষমতাসীন দলের দ্বিতীয় প্রচারণামূলক সভা। ভোলার গ্যাস বরিশালে আনা গেলে বরিশালের শিল্পাঞ্চল অর্থনৈতিকভাবে ‘সমৃদ্ধ’ হবে মনে করছেন বিশ্লেষকমহল ।বৃহস্পতিবার (৮ফেব্রুয়ারী) বরিশাল নগরীর বঙ্গবন্ধু উদ্যানে বরিশাল জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের আয়োজিত বিশাল জনসভায় কল-রেডি মাইক্রোফোনের সামনে দাঁড়িয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা।
বরিশাল জেলা ও মহানগর আ’লীগ আয়োজিত জনসভাকে জনসমুদ্রে আখ্যায়তি করেছেন শেখ হাসিনা।
বেলা সোয়া চারটার কিছু পরে প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতে তিনি একথা বলেছেন।
বরিশালে মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এর আগে তিন বেলা সাড়ে তিনটার দিকে লেবুখালী থেকে হেলিকপ্টার যোগে বঙ্গবন্ধু উদ্যানের জনসভায় যোগ দেন তিনি।
বরিশাল জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ এমপির সভাপতিত্বে এ জনসভা চলছে। সভাপতির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বরিশাল বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিকমানের বিমানবন্দরে উন্নিত করার দাবী জানিয়েছেন বরিশাল – ১ আসনের সাংসদ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ।
প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এসময় তিনি বরিশাল শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত স্টেডিয়ামে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের দাবীও জানান।
এর আগে এ বছরের ২৭ জানুয়ারী ভোলার ভেদুরিয়া এলাকার নতুন গ্যাসকূপের মুখে আগুন জ্বালিয়ে ২৭ তম গ্যাসকূপেরর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণার পর সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ভোলার গ্যাস বরিশালে সরবরাহের পরিকল্পনার কথা বলেছিলেন। ভোলার গ্যাস বরিশালে সরবরাহের জন্য এরইমধ্যে পাইপ লাইন নির্মাণের বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেছিলেন শিগগিরই ভোলার গ্যাস বরিশালে সরবরাহের কাজ শুরু হবে।
এ ছাড়াও ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া এলাকার তেঁতুলিয়া নদীতে একটি ব্রিজ নির্মিত হলে ভোলা ও পটুয়াখালী জেলার মানুষের সাথে সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠবে।
লাভবান হবে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।
সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার থেকে চট্রগ্রাম হয়ে ফেনি, লক্ষ্মীপুর, ভোলা ও পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত সড়ক পথে যোগাযোগ সহজ হবে । চট্রগ্রাম সমুদ্র বন্দর থেকে মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর পর্যন্ত সড়ক পথে মালামাল পরিবহন করা যাবে।
এর ফলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধি পাবে বানিজ্য সম্প্রসারন ঘটবে।

No comments:
Post a Comment