বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
সারা
বিশ্বে
এখন
প্রশংসিত-লেবুখালীতে
প্রধানমন্ত্রী
শেখ
হাসিনা
বায়ান্নোর বাংলা . আমাদের সশস্ত্র বাহিনী
শুধু দেশ নয়, সারা
বিশ্বে এখন প্রশংসিত। জাতিসংঘ
শান্তি মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী
এখন ব্রান্ড নেম। দেশের উন্নয়ন,
প্রাকৃতিক দুর্যোগে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে।তাই
সশস্ত্র বাহিনীকে তিনি দেশের গণতন্ত্র,
উন্নয়ন ও স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব
রক্ষায় প্রস্তুত থাকতেও নির্দেশ দেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বৃহস্পতিবার
দুপুর সাড়ে ১২টায় বরিশালের
বাকেরগঞ্জ উপজেলার লেবুখালীতে শেখ হাসিনা সেনানিবাস
উদ্বোধন করার সময় দেওয়া
ভাষণে এসব কথা বলেন।
তিনি পতাকা উত্তোলন ও
বেলুন উড়িয়ে সেনাবাহিনীর সপ্তম
পদাতিক ডিভিশনের সদর দপ্তরসহ ১১টি
ইউনিট নিয়ে সেনানিবাসের আনুষ্ঠানিক
উদ্বোধন করেন। দুপুর পৌনে
১২টার কিছু পরে প্রধানমন্ত্রীকে
বহনকারী হেলিকপ্টারটি লেবুখালী সেনানিবাস এলাকায় অবতরণ করে। প্রধানমন্ত্রীর
সঙ্গে মন্ত্রী আমির হোসেন আমু,
তোফায়েল আহম্মেদ, মতিয়া চৌধুরী, ওবায়দুল
কাদের এবং তিন বাহিনীর
প্রধান, সাবেক সেনাপ্রধানগণ ও
সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের
সরকার দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে
আধুনিক, উন্নত ও যুগোপযোগী
করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। এ জন্য আমাদের
সরকার আর্মড ফোর্সেস গোল
২০৩০ প্রণয়ন করে প্রতিরক্ষা
বাহিনীর উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সেনাবাহিনীর সঙ্গে
আমার পারিবারিক ও আত্মিক সম্পর্ক
রয়েছে। আমার ছোট ভাই
ক্যাপ্টেন শেখ জামাল একজন
চৌকস সেনা অফিসার ছিলেন।
আরেক ভাই শেখ কামালও
সেনাবাহিনীর কমিশনে যোগ দিয়েছিলেন।প্রধানমন্ত্রী
বলেন, ‘দেশের সেনাবাহিনীকে আরও
আধুনিক করার অংশ হিসেবে
২০১৬ সালে আমরা পায়রা
নদীর পাড়ে এই সেনানিবাস
স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম।’ এত অল্প সময়ের
মধ্যে এখানে এই সেনানিবাস
উদ্বোধনের উপযোগী করতে পারায়
তিনি সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। বলেন, এই
এলাকায় সেনানিবাস হওয়ায় এখানকার মানুষের
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের উন্মোচন
হলো। সেনাবাহিনীকে
আধুনিক ও শক্তিশালী হিসাবে
গড়ে তুলতে বর্তমান সরকারের
বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন
প্রধানমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরো
বলেন, ২১ বছর সশস্ত্র
বাহিনীর উন্নয়নে তখনকার সরকার কোনো
পদক্ষেপ নেয়নি। আওয়ামী লীগ
সরকার ক্ষমতায় এসে আধুনিকায়নের পরিকল্পনা
বাস্তবায়ন করছে।

No comments:
Post a Comment