কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনে বরিশাল নগরের বর্জ্য অপসারণ বন্ধ - ৫২র বাংলা - সংবাদ সবসময়

Recent Topic

Post Top Ad

কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনে বরিশাল নগরের বর্জ্য অপসারণ বন্ধ



কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্দোলনে বরিশাল নগরের বর্জ্য অপসারণ বন্ধ
বকেয়া বেতন-ভাতার দাবীতে বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে টানা মাস ধরে আন্দোলন কর্মসূচী পালন করে যাচ্ছে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। ৩০ তম দিন সোমবার (১৯ মার্চ) আন্দোলনরতরা নগর ভবনের সকল শাখায় তালা ঝুলিয়ে কর্মবিরতি পালন করছেন।পাশাপাশি কর্মচারীদের মধ্যে পরিচ্ছন্নতা কর্মীরা তাদের সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে রোববার থেকে বরিশাল নগরের সকল জায়গা থেকে বর্জ্য অপসারণ বন্ধ রয়েছে। নগরের বিভিন্ন সড়কের পাশে কর্পোরেশনের নির্ধারিত জায়গাগুলো আজ সোমবার ময়লার স্তুপে পরিনতো হয়েছে। আর এতে করে নগরবাসী ময়লা আর দুর্গন্ধের কারনে ব্যাপক বিড়াম্বনার মধ্যে দিন পাড় করছেন। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের শ্রমিক লীগের সভাপতি মোঃ শানু জোমাদ্দার বাংলানিউজকে জানান, মাসের পর মাস বেতন বকেয়া থাকায়, শ্রমিকদের বাকীর দোকানের তাগাদা, ঘর ভাড়ার তাগাদ, সন্তানের বিদ্যালয়ের বেতনের তাগাদসহ নানান কষ্টে রয়েছেন। অনেকে ভাড়া না দিতে পারায় তাদের ঘর থেকে নামিয়ে দিয়েছে বাড়ির মালিক।  তিনি বলেন, শ্রমিকরা তাই বাধ্য হয়ে কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। কারনে ময়লা পরিষ্কার বন্ধ রয়েছে। এজন্য আমাদের কিছু করার মুহুর্তে নেই। এদিকে শ্রমিকরা ময়লা পরিষ্কার বন্ধ করে দিলেও পানি বিদ্যুৎসেবা এখনো পাচ্ছেন নগরবাসী। তবে পূর্বের ঘোষনা অনুযায়ী ১৮ মার্চ থেকে এই সেবাও বন্ধ থাকার কথা ছিলো। আন্দোলনকারীদের অন্যতম নেতা সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা দীপক লাল মৃধা বলেন, ১৮ মার্চ থেকে কঠোর কর্মসূচী ঘোষনা করার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত করা হয়নি।তাই পানি, বিদ্যুৎ, নগর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সেবা বন্ধের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে শ্রমিকরা কাজে না গেলে সে ক্ষেত্রে আমাদের কিছু করার নেই।কারণ তারা বেতন থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। উল্লেখ্য উল্লেখ্য গত ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বকেয়া বেতন প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকার জন্য কর্মবিরত, অবস্থান কর্মসূচী, মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে আসছে সিটি কর্পোরেশনের স্থায়ী দৈনিক মজুরী ভিত্তিক হাজারের ওপর কর্মকর্তা-কর্মচারী শ্রমিকরা। কিন্তু দফায় দফায় সমঝোতা বৈঠক হলেও এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি। তবে আন্দোলনকারীরা প্রথম থেকেই কর্মবিরতি পালন করলেও নগরবাসীর সুবিধার্থে পানি-বিদ্যুৎ সরবরাহ নগর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করে আসছিলো। আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, বিসিসিতে স্থায়ী অস্থায়ী মিলিয়ে হাজারের বেশি কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে। স্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সব শেষ জানুয়ারী মাসে গত বছরের আগস্ট মাসের বেতন পেয়েছেন। সে হিসেবে এখন স্থায়ী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মাসের বেতন বকেয়া। অপরদিকে দৈনন্দিন মজুরী ভিত্তিক কর্মচারীদের মাসের বেতন বকেয়া হয়েছে। পাশাপাশি প্রভিডেন্টফান্ডের ২৩ মাসের অর্থ বরাদ্দ হয়ে ব্যাংকে যায়নি

No comments:

Post a Comment

Recent Movies

Post Top Ad