বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক .
আসন্ন
বরিশাল
সিটি
কর্পোরেশন
নির্বাচনে
দুই
হেভিওয়েট
নৌকার
নবিন
প্রার্থী
ও
ধানের
শীর্ষের
প্রবিন
প্রার্থী
সহ
নগরীর
বিভিন্ন
ওয়ার্ডের
সাধারন
ও
সংরক্ষিত
ওয়ার্ডের
কাউন্সিলর
প্রার্থীরা
আনন্দ-উৎসাহ উদ্দিপনার
মধ্যে
দিয়ে
প্রার্থীরা
তাতের
সমর্থকদের
সাথে
নিয়ে
স্বতঃফুর্তভাবে
নৌকা
ও
ধানের
শীর্ষের
প্রার্থীরা
তাদের
দলীয়
নেতা-কর্মীদের
সাথে
নিয়ে
তাদের
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
করেন।
শেষ
দিন
বৃহস্পতিবার
বেলা
বারটার
দিকে
নৌকার
তরুন
মেয়র
প্রার্থী
প্রথম
বারের
মত
নির্বাচনে
অংশ
নেয়া সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর
ও
তার
দল
বাংলাদেশ
আওয়ামীলীগের
কেন্দ্রীয়
তথ্য
ও
গবেষনা
বিষয়ক
সম্পাদক
এ্যাড.
আফজাল
হোসেন,বরিশাল
মহানগর
সভাপতি
এ্যাড.
গোলাম
আব্বাস
চৌধুরী
দুলাল,সাধারন
সম্পাদক
এ্যাড.
একে
এম
জাহাঙ্গির
হোসাইন,মহানগর
সহ-সভাপতি
এ্যাড.
আফজাল
হোসেন,
জেলা
আওয়ামীলীগের
সহ-সভাপতি
মাহাবুব
উদ্দিন
আহমেদ(বীর বিক্রম),
সাবেক
সচিব
সিরাজ
উদ্দিন
আহমেদ
সহ
প্রার্থীর
দুই
সহদর
আশিক
আবদুল্লাহ
ও
মঈন
আবদুল্লাহ
সহ
দলীয়
সমর্থকদের
উপস্থিতিতে
আঞ্চলিক
নির্বাচন
ও
রিটানিং
অফিসার
মো.
মুজিবুর
রহমানের
হাতে
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
করেন।
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
শেষে
বিভিন্ন
গন
মাধ্যমের
মুখামুখি
হলে
এসময়
সেরনিয়াবাত
সাদিক
আবদুল্লাহ
বলেন
তার
কোন
ইস্তেহার
নেই
সে
নির্বাচিত
হলে
সাবেক
মেয়র
শওকত
হোসেন
হিরনের
উন্নয়নের
সে
ধারা
অব্যাহত
রাখার
পাশাপাশি
বরিশালকে
উন্নয়ন
শহরের
রুপ
দেয়ার
জন্য
সকলকে
সাথে
নিয়ে
উন্নয়নমূলক
কাজ
করে
যাবেন।
এছাড়া
অন্যদিকে
বেলা
সোয়া
দুইটার
দিকে
বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাদী
দল
বিএনপির
ধানের
শীর্ষের
মনোনিত
প্রার্থী
কেন্দ্রীয়
যুগ্ম
মহাসচিব
ও
বরিশাল
সিটি
কর্পোরেশনের
নির্বাচনে
প্রথম
বারের
মত
নির্বাচিত
মেয়র
এ্যাড.
মজিবর
রহমান
সরোয়ার
তার
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
করতে
আঞ্চলিক
নির্বাচন
কার্যলয়ে
আসেন।
এসময় তার সাথে কেন্দ্রীয় সদস্য সাবেক সংসদ সদস্য মেজবা উদ্দিন
ফরহাদ,
কেন্দ্রীয়
সদস্য
সাবেক
সংসদ
সদস্য
আবুল
হোসেন
খান,
কেন্দ্রীয়
সদস্য
এ্যাড.কামরুল
ইসলাম
সজল,
বরিশাল
বিভাগীয়
সহ-সাংগঠনিক
সম্পাদক
মাহাবুবুল
হক
নান্নু,বরিশাল
মহানগর
সিনিয়র
সহ-সভাপতি
মনিরুজ্জামান
খান
ফারুক,মহানগর
সাধারন
সম্পাদক
জিয়া
উদ্দিন
সিকদার,জেলা বিএনপি
সাধারন
সম্পাদক
এ্যাড.
আবুল
কালাম
শাহিন
সহ
দলীয়
নেতা-কর্মীদের
উপস্থিতিতে
সরোয়র
তার
মনোনয়ন
পত্র
আঞ্চলিক
নির্বাচন
ও
রিটানিং
অফিসারের
হাতে
দাখিল
করেন।
এসময়
মজিবর
রহমান
সরোয়ার
গন
মাধ্যম
কর্মীদের
বিভিন্ন
প্রশ্নের
উত্তরে
বলেন,
খুলনা
ও
গাজীপুরের
দুটি
নির্বাচন
দেখে
জনগন
বিস্মিত
হয়েছে।
এছাড়া
বরিশালের
সিটি
নির্বাচনে
নৌকা
প্রতীকের
প্রার্থী
প্রধানমন্ত্রীর
আত্বীয়
তাছাড়া
তার
বাবা
এঅঞ্চলের
একজন
মন্ত্রী
সেখানে
নির্বাচন
করা
মানেই
হাত-পা বাধা সাতার কাটার মত। তারা দলীয় ক্ষমতা
অপব্যাবহার
করে
আইন
শৃঙ্খলা
বাহিনী
কাজে
লাগিয়ে
জনগনের
ভোট
কেড়ে
নিতে
চাইবে।
ভেবে
ছিলাম
গত
৫ই
জানুয়ারীর
নির্বাচনের
পর
সরকারের
শুভবুদ্বি
হবে
কিন্তু
আমরা
৫
বছরে
কি
দেখতে
পেয়েছি
সরকার
দেশের
গনতন্ত্র
আর
জনগনের
ভোটাধিকার
কেড়ে
নিয়ে
এক
নায়কতন্ত্র
ভাবে
দেশ
পরিচালনা
করছেন।
তিনি
আশা
করেন
সরকার
বরিশালে
একটি
শান্তি
পূর্ণ
নির্বাচন
উপহার
দেবেন
যাতে
এখানকার
মানুষ
নিবিঘেœ
তাদের
ভোটাধিকার
করতে
পারেন।
বরিশালের
সিটি
নির্বাচনে
খুলনা
ও
গাজীপুরের
মত
জনগনের
ভোট
কেড়ে
নিয়ে
বিজয়ী
হতে
চায়
তাহলে
এখান
থেকে
গনতন্ত্র
উদ্বারের
আন্দোলন
আরো
বেগবান
করা
হবে।
এছাড়া
তিনি
তার
নির্বাচনের
ইস্তেহারের
কথা
বলেন
সে
নির্বাচিত
হলে
বরিশাল
সিটির
বর্ধিত
এলাকা
এলাকার
মানুষের
উন্নয়নের
কাজ
করা
হবে।
সেসাথে
নগরীর
উন্নয়নের
পাশাপাশি
নগরীর
জলাবদ্বতা
দূর
করার
জন্য
নগর
থেকে
হারিয়ে
যাওয়া
খালগুলো
পূর্ণ
উদ্বার
করার
জন্য
কাজ
করবেন।
অন্যদিকে
সকাল
থেকেই
মনোনয়ন
পত্র
দাখিলের
শেষ
দিনে
সাধারন
কাউন্সির
ও
সংরক্ষিত
কাউন্সিলর
প্রার্থীরা
দলবদ্ব
ভাবে
এস
নিজ
নিজ
ভাবে
তাদের
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
করেন।
শেষ
দিনের
দুপুর
দুইটা
পর্যন্ত
দুই
মেয়র
প্রার্থী
সহ
সংরক্ষিত
আসনের
২৮জন
কাউন্সিলর
ও
সাধারন
কাউন্সিলর
পদের
৭৯জন
প্রার্থী
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
করেছেন।
এই
নিয়ে
গত
দুই
দিনে
মেয়র
পদেআওয়ামীলীগ,বিএনপি,
জাতীয়
পার্টি,
জাতীয়
পার্টি
বিদ্রোহী,বাসদ,বাংলাদেশের
কমিউনিস্ট
পার্টি
(সিপিবি),
ইসলামী
শাষনতন্ত্র
আন্দোলন,
খেলাফত
মজলিসের
প্রার্থী
সহ
৮জন
তাদের
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
করেছেন।
এছাড়া
সাধারন
কাউন্সিলর
পদে
১শত
১তজন
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
করেছেন
অন্য
দিকে
সংরক্ষিত
কাউন্সিলর
পদে
৩৭জন
তাদের
মনোনয়ন
পত্র
দাখিল
করেছেন।
আঞ্চলিক
নির্বাচন
কাযলয়
থেকে
জানা
গেছে
মেয়র
পদে
৯জন,
সাধারন
কাউন্সিলর
পদে
১শত
৩৪জন,
ও
সংরক্ষিত
কাউন্সিলর
পদে
৪০
জন
মনোনয়ন
পত্র
সংগ্রহ
করেছিলেন।
No comments:
Post a Comment