শহিদুল ইসলাম .নগরীর বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে প্রকাশ্যে
ধূমপান করা থামছে না। ফলে বিপাকে পড়ছেন অধূমপায়ীরা। প্রকাশ্যে ধূমপান নিষেধ থাকলেও তা মানতে নারাজ অনেকে। সরেজমিনে দেখা গেছে, যেসব পাবলিক প্লেসে প্রকাশ্যে ধূমপান করলে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে এসব প্লেসে অনেকে জেনেও আবার অনেকে না জেনে বা আইন-কানুন সম্পর্কে অবগত না থাকায় যখন-তখন যত্রতত্র পরিবেশে ধূমপান করছেন। বিশেষ করে দেখা যাচ্ছে বিনোদন কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন, আদালত চত্বরসহ বিভিন্ন সরকারি দফপ্তরের সামনে অনেকটা প্রকাশ্যে ধূমপান করা হচ্ছে। ধূমপান করে এরা পরিবেশ নষ্ট করে তুলছে।গত কয়েক দিন ধরে নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক,বঙ্গবন্ধু উদ্যান সহ অন্যান্য পার্ক ঘুরে দেখা গেছে প্রকাশ্যে স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী সহ শিশু- কিশোর সকল বয়সীরা ধুমপান করছেন,কতৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করছেন। বরগুনা থেকে শিশু পুত্রকে নিয়ে নয়নাভীরাম
সৌনর্য্য কির্তনখোলানদীর তীব্রবর্তী বরিশাল মুক্তিযোদ্ধা পার্কে গুরতে আসা আবির হোসেন নামে এক ভিতরে প্রবেশ করেই দেখতে পান মাদক সেবীদের আনাগোনা, প্রকাশ্য ধুমপানের চিত্র, ছেলে বারবার প্রশ্ন করছে, বাবা ওরা কি করছে, কিকু‘ জবাব দেওয়ার মত কোনো উওর খুজে পাচ্ছে না। অথচ বিধিমালা অনুযায়ী যে ১০ স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগারের অভ্যন্তরে, হাসপাতাল ও ক্লিনিক ভবন, প্রেক্ষাগৃহের অভ্যন্তরে, প্রদর্শনী কেন্দ্রের অভ্যন্তরে, থিয়েটার হলের ভেতরে, চতুর্দিকে দেয়ালে আবদ্ধ এক কক্ষবিশিষ্ট রেস্টুরেন্ট, শিশুপার্ক, খেলাধূলা ও অনুশীলনের জন্য নির্ধারিত আচ্ছাদিত স্থান এবং এক কামরাবিশিষ্ট পাবলিক পরিবহন।'ধূমপান বিষপান’ প্রচলিত কথাটি কে মানে। কার কথা কে শুনে। ধূমপান প্রকাশ্যে চলছে। হরদম টানছে ধূমপায়িরা। ছড়াচ্ছে ধোঁয়া। যত্রতত্র পরিবেশে ধূমপানে অধূমপায়ীদের ছড়াচ্ছে রোগব্যাধি। পাশাপাশি ধূমপায়ীরাও নানান ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ধূমপায়িরা ধূমপান কতোটুকু ক্ষতিকারক ভাবতে হবে! কারণ আগামীর স্বপ্নবাসনা সবার রয়েছে, সবার ঘরে আছে আগামী প্রজন্ম। এরা বড় হয়ে ধূমপায়ী হবে কিনা, ধূমপান থেকে আরো বিষাক্ত মাদকে প্রবেশ করবে কিনা। ভাবতে হবে, রাখতে হবে নজরে? সর্বত্র বাড়াতে হবে উদ্বুদ্ধকরণ ও জনসচেতনতা। সূত্র জানিয়েছে, প্রকাশ্যে ধূমপানে আইন আছে। নির্ধারণ করা আছে কোথায় ধূমপান করা যাবে না, করলে জরিমানা গুনতে হবে। এক্ষেত্রে আইনটি কার্যকর এবং অভিযান বরিশাল নগরীতে অনেকটা শিথিল হয়ে পড়েছে। সুশীল সমাজ অব্যাহত অভিযান ও নজরদারি চেয়েছে। সূত্রমতে, জনবহুল স্থানে প্রকাশ্যে ধূমপানে ৩০০ টাকা জরিমানা করা যাবে। এ বিষয়ে জরিমানার বিধান করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন বিল-২০১৩’ পাস হয়।অন্যদিকে, নগরীর বিভিন্ন এলাকার ধূমপানে আসক্ত কয়েকজন কিশোরের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এদের অনেকে প্রতিনিয়ত ধূমপান করেন, কেউ আবার শখের বসে খাচ্ছেন সিগারেট। তাদের অনেকে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ঘুরে আসক্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানান। তবে নিজেদের নাম প্রকাশে তারা অনিচ্ছুক। আবার অনেক কিশোররা মনে করেন সিগারেট খাওয়া একটি ফ্যাশন। ছেলেরা ধূমপান না করলে তাদের ‘হাফ লেডিস মনে হয়’ এমন কথাও উল্লেখ করেছেন কয়েকজন। তাদের মতে , একটু স্মার্ট হওয়ার ইচ্ছা থেকেই ধূমপানে আসক্ত হচ্ছেন তারা।বর্তমানে বাজারে ৩ টাকা থেকে শুরু করে ১১ টাকার মধ্যে বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি ব্রান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়। স্বল্পমূল্য এবং সহজলভ্য হওয়ায় এসব তামাক পন্যের ক্রেতা হচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে নগরীর বটতলা এলাকার সেলিম নামে এক সিগারেট বিক্রেতার কাছে শিশু-কিশোরদের নিকট তামাকপন্য বিক্রয় সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, কেউ সিগারেট চাইলে আমরা দিতে বাধ্য হই, আমি না বিক্রি করলে আরেক দোকান থেকে তারা কিনবে। তবে সিগারেট খেতে বারন করলে তারা আমাদের উল্টো জ্ঞান দিয়ে চলে যায়।আরেক ব্যবসায়ী বলেন, আইনে তো প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়াও নিষেধ। কিন্তু কয়জনে সে আইন মানে? , যদি এইসব ঠেকাইতে হয় তাহলে যারা আইন প্রয়োগকারি তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে আগে পালন করুক’।সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা
মনে করেন, এক্ষেত্রে প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানো সহ অভিভাবকদের আরো বেশি দায়িত্বশীল হওয়া জরুরী। তবে তামাকজাত পন্য বিক্রেতাদের নৈতিক ভাবে আরও সচেতন হওয়া দরকার।বলেও মনে করেন তারা তা না হলে শিশু-কিশোরদের আসক্তি আরো বাড়তে থাকবে।এ ব্যাপারে,বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ আহম্মেদ জুয়েল এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।
শহিদুল ইসলাম .নগরীর বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে প্রকাশ্যে
ধূমপান করা থামছে না। ফলে বিপাকে পড়ছেন অধূমপায়ীরা। প্রকাশ্যে ধূমপান নিষেধ থাকলেও তা মানতে নারাজ অনেকে। সরেজমিনে দেখা গেছে, যেসব পাবলিক প্লেসে প্রকাশ্যে ধূমপান করলে জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে এসব প্লেসে অনেকে জেনেও আবার অনেকে না জেনে বা আইন-কানুন সম্পর্কে অবগত না থাকায় যখন-তখন যত্রতত্র পরিবেশে ধূমপান করছেন। বিশেষ করে দেখা যাচ্ছে বিনোদন কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান,
শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সদর হাসপাতাল, জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন, আদালত চত্বরসহ বিভিন্ন সরকারি দফপ্তরের সামনে অনেকটা প্রকাশ্যে ধূমপান করা হচ্ছে। ধূমপান করে এরা পরিবেশ নষ্ট করে তুলছে।গত কয়েক দিন ধরে নগরীর মুক্তিযোদ্ধা পার্ক,বঙ্গবন্ধু উদ্যান সহ অন্যান্য পার্ক ঘুরে দেখা গেছে প্রকাশ্যে স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থী সহ শিশু- কিশোর সকল বয়সীরা ধুমপান করছেন,কতৃপক্ষ দেখেও না দেখার ভান করছেন। বরগুনা থেকে শিশু পুত্রকে নিয়ে নয়নাভীরাম
সৌনর্য্য কির্তনখোলানদীর তীব্রবর্তী বরিশাল মুক্তিযোদ্ধা পার্কে গুরতে আসা আবির হোসেন নামে এক ভিতরে প্রবেশ করেই দেখতে পান মাদক সেবীদের আনাগোনা, প্রকাশ্য ধুমপানের চিত্র, ছেলে বারবার প্রশ্ন করছে, বাবা ওরা কি করছে, কিকু‘ জবাব দেওয়ার মত কোনো উওর খুজে পাচ্ছে না। অথচ বিধিমালা অনুযায়ী যে ১০ স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে-শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রন্থাগারের অভ্যন্তরে, হাসপাতাল ও ক্লিনিক ভবন, প্রেক্ষাগৃহের অভ্যন্তরে, প্রদর্শনী কেন্দ্রের অভ্যন্তরে, থিয়েটার হলের ভেতরে, চতুর্দিকে দেয়ালে আবদ্ধ এক কক্ষবিশিষ্ট রেস্টুরেন্ট, শিশুপার্ক, খেলাধূলা ও অনুশীলনের জন্য নির্ধারিত আচ্ছাদিত স্থান এবং এক কামরাবিশিষ্ট পাবলিক পরিবহন।'ধূমপান বিষপান’ প্রচলিত কথাটি কে মানে। কার কথা কে শুনে। ধূমপান প্রকাশ্যে চলছে। হরদম টানছে ধূমপায়িরা। ছড়াচ্ছে ধোঁয়া। যত্রতত্র পরিবেশে ধূমপানে অধূমপায়ীদের ছড়াচ্ছে রোগব্যাধি। পাশাপাশি ধূমপায়ীরাও নানান ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। ধূমপায়িরা ধূমপান কতোটুকু ক্ষতিকারক ভাবতে হবে! কারণ আগামীর স্বপ্নবাসনা সবার রয়েছে, সবার ঘরে আছে আগামী প্রজন্ম। এরা বড় হয়ে ধূমপায়ী হবে কিনা, ধূমপান থেকে আরো বিষাক্ত মাদকে প্রবেশ করবে কিনা। ভাবতে হবে, রাখতে হবে নজরে? সর্বত্র বাড়াতে হবে উদ্বুদ্ধকরণ ও জনসচেতনতা। সূত্র জানিয়েছে, প্রকাশ্যে ধূমপানে আইন আছে। নির্ধারণ করা আছে কোথায় ধূমপান করা যাবে না, করলে জরিমানা গুনতে হবে। এক্ষেত্রে আইনটি কার্যকর এবং অভিযান বরিশাল নগরীতে অনেকটা শিথিল হয়ে পড়েছে। সুশীল সমাজ অব্যাহত অভিযান ও নজরদারি চেয়েছে। সূত্রমতে, জনবহুল স্থানে প্রকাশ্যে ধূমপানে ৩০০ টাকা জরিমানা করা যাবে। এ বিষয়ে জরিমানার বিধান করে ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) সংশোধন বিল-২০১৩’ পাস হয়।অন্যদিকে, নগরীর বিভিন্ন এলাকার ধূমপানে আসক্ত কয়েকজন কিশোরের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এদের অনেকে প্রতিনিয়ত ধূমপান করেন, কেউ আবার শখের বসে খাচ্ছেন সিগারেট। তাদের অনেকে বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ঘুরে আসক্ত হয়ে পড়েছেন বলে জানান। তবে নিজেদের নাম প্রকাশে তারা অনিচ্ছুক। আবার অনেক কিশোররা মনে করেন সিগারেট খাওয়া একটি ফ্যাশন। ছেলেরা ধূমপান না করলে তাদের ‘হাফ লেডিস মনে হয়’ এমন কথাও উল্লেখ করেছেন কয়েকজন। তাদের মতে , একটু স্মার্ট হওয়ার ইচ্ছা থেকেই ধূমপানে আসক্ত হচ্ছেন তারা।বর্তমানে বাজারে ৩ টাকা থেকে শুরু করে ১১ টাকার মধ্যে বিভিন্ন দেশি ও বিদেশি ব্রান্ডের সিগারেট পাওয়া যায়। স্বল্পমূল্য এবং সহজলভ্য হওয়ায় এসব তামাক পন্যের ক্রেতা হচ্ছে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে নগরীর বটতলা এলাকার সেলিম নামে এক সিগারেট বিক্রেতার কাছে শিশু-কিশোরদের নিকট তামাকপন্য বিক্রয় সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, কেউ সিগারেট চাইলে আমরা দিতে বাধ্য হই, আমি না বিক্রি করলে আরেক দোকান থেকে তারা কিনবে। তবে সিগারেট খেতে বারন করলে তারা আমাদের উল্টো জ্ঞান দিয়ে চলে যায়।আরেক ব্যবসায়ী বলেন, আইনে তো প্রকাশ্যে সিগারেট খাওয়াও নিষেধ। কিন্তু কয়জনে সে আইন মানে? , যদি এইসব ঠেকাইতে হয় তাহলে যারা আইন প্রয়োগকারি তারা তাদের দায়িত্ব সঠিকভাবে আগে পালন করুক’।সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা
মনে করেন, এক্ষেত্রে প্রশাসনের নজরদারী বাড়ানো সহ অভিভাবকদের আরো বেশি দায়িত্বশীল হওয়া জরুরী। তবে তামাকজাত পন্য বিক্রেতাদের নৈতিক ভাবে আরও সচেতন হওয়া দরকার।বলেও মনে করেন তারা তা না হলে শিশু-কিশোরদের আসক্তি আরো বাড়তে থাকবে।এ ব্যাপারে,বিসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমতিয়াজ আহম্মেদ জুয়েল এর সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তাকে পাওয়া যায়নি।
No comments:
Post a Comment