শহিদুল ইসলাম . নগরীর বিভিন্ন স্থানে বেওয়ারিশ কুকুরের তান্ডবে অতীষ্ট হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে,অলিগলি ও ব্যস্ততম সড়কে দলবেধে কুকুরের অবাধ চলাফেলায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই।বিসিসির পক্ষ থেকে কুকুর নিধন কার্যক্রম নেই বললেই চলে। এ কারণে দিন দিন বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ উপদ্রব বেড়েই গেছে। শহরের অধিকাংশ এলাকায় ময়লার ভাগাড়গুলোতে কুকুরের জটলা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। রাতের বেলায় কুকুর রাস্তায় শুয়ে-বসে থাকার ফলে অনেকে মোটরসাইকেলযোগে বাসায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। এ ছাড়া চলাফেলায় পথচারী থেকে শুরু করে নারী ও শিশুদের হাতে থাকা কোন প্রকার ব্যাগ দেখলেই কুকুরগুলো আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এদের জন্য এখন রাস্তায় চলাফেরা দায় হয়ে পড়েছে। গত কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে পাগলা কুকুরের হিংস্র আক্রমণের শিকার হয়ে স্কুল শিক্ষর্থীসহ অন্তত ১০ জনের বেশি আক্রান্ত হয়ে রক্তাক্ত জখম হয়েছে। বিসিসি কর্তৃপক্ষ কুকুর নিধনে কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় নগরী সহ আশপাশের এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের হিংস্র উৎপাতে স্কুল-কলেজের শিক্ষর্থীদের মধ্যে কুকুর আতঙ্ক বিরাজ করছে। নগরীর ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও সর্বস্তরের জনসাধারণের মধ্যে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর বটতলা বাজার, নবগ্রাম রোড,চৌমাথা,সদর রোড,চকবাজার,নাজিরের পুল, নতুন বাজার,সাগরদী এলাকা,নথুল্লাবাদ,রুপাতলী,বাংলা বাজার,জিলা স্কুল মোড়,বগুরা রোড,কলেজ এভিনিউ,পুরান কয়লা ঘাট,পলাশপুর এলাকা,বিসিক রোড সহ নগরী বিভিন্ন রোডে বেওয়ারিশ কুকুরের দল রীতিমত মহড়া দিচ্ছে। সুযোগ পেলেই তারা হিংস্র আক্রমণ করে লোকজনদেরকে আক্রান্ত করছে। কুকুরের আক্রমণে আহত হবার কারনে নগরীতে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।শহরের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, কুকুরের দল প্রায়ই হোটেল-রেঁস্তোরার খাবার তৈরির জিনিসপত্রে মল-মূত্র ত্যাগ করে। এছাড়া বেশির ভাগ কুকুর বিভিন্ন রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে জীবাণু ছড়াচ্ছে। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে কুকুর নিধনে কর্তৃপকে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। কুকুর আতংকে কোমলমতি শিক্ষর্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে ভয়ে থাকেন। সাধারণ মানুষও রাস্থাঘাটে নির্বিগ্নে চলাচল করতে পারছেন না। অনেককে কুকুর কামড় দিলেও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন না পাওয়ায় জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কুকুর নিধনেও সংশ্লিষ্টরা উদাসীন রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়,নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, অলিগলিতে পাগলা কুকুরের কারণে বাসায় যাতায়াত ও রাস্থায় হাটা যায় না। মানুষ দেখলেই কুকুর তেড়ে আসে। নগরীতে অলিগলিতে এসব কুকুর দলবেঁধে ঘোরাফেরা করায় জনতা আতংকে থাকেন। কালুশাহ এলাকার বাসিন্দা লিটন মিয়া জানান, কিছুদিন আগে দিনের বেলায় চলাচলের সময় আমাকে পাগলা কুকুরে কামড় দিয়ে ডান পায়ের মাংস ছিরে নিয়ে যায়,এ কারনে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে আমাকে ,যে কোন সময়ের চেয়ে নগরীতে কুকুরের সংখ্যা তিন গুনেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে বলে তিনি জানান। বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে নগরবাসী। এ ব্যাপারে বিসিসির ডাঃ রবিউল ইসলাম মুঠো ফোনে দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন প্রতিবেদকে জানান, হাইকোর্টের নিষেক্কার কারনে কুকুর নিধনের অনুমতি নেই,তবে পাগলা কুকুরের বিষয়ে কেউ অভিযোগ দিলে আমাদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থতা নেয়া হয়। সর্বশেষ কবে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সঠিক উত্তর তিনি দিতে পারেন নি।
শহিদুল ইসলাম . নগরীর বিভিন্ন স্থানে বেওয়ারিশ কুকুরের তান্ডবে অতীষ্ট হয়ে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। শহরের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে,অলিগলি ও ব্যস্ততম সড়কে দলবেধে কুকুরের অবাধ চলাফেলায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই।বিসিসির পক্ষ থেকে কুকুর নিধন কার্যক্রম নেই বললেই চলে। এ কারণে দিন দিন বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বৃদ্ধিসহ উপদ্রব বেড়েই গেছে। শহরের অধিকাংশ এলাকায় ময়লার ভাগাড়গুলোতে কুকুরের জটলা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। রাতের বেলায় কুকুর রাস্তায় শুয়ে-বসে থাকার ফলে অনেকে মোটরসাইকেলযোগে বাসায় ফেরার পথে দুর্ঘটনার শিকার হন। এ ছাড়া চলাফেলায় পথচারী থেকে শুরু করে নারী ও শিশুদের হাতে থাকা কোন প্রকার ব্যাগ দেখলেই কুকুরগুলো আরো বেপরোয়া হয়ে ওঠে। এদের জন্য এখন রাস্তায় চলাফেরা দায় হয়ে পড়েছে। গত কয়েক সপ্তাহের ব্যবধানে পাগলা কুকুরের হিংস্র আক্রমণের শিকার হয়ে স্কুল শিক্ষর্থীসহ অন্তত ১০ জনের বেশি আক্রান্ত হয়ে রক্তাক্ত জখম হয়েছে। বিসিসি কর্তৃপক্ষ কুকুর নিধনে কোন ধরনের ব্যবস্থা না নেওয়ায় নগরী সহ আশপাশের এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের হিংস্র উৎপাতে স্কুল-কলেজের শিক্ষর্থীদের মধ্যে কুকুর আতঙ্ক বিরাজ করছে। নগরীর ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও সর্বস্তরের জনসাধারণের মধ্যে এক ধরনের চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে।সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, নগরীর বটতলা বাজার, নবগ্রাম রোড,চৌমাথা,সদর রোড,চকবাজার,নাজিরের পুল, নতুন বাজার,সাগরদী এলাকা,নথুল্লাবাদ,রুপাতলী,বাংলা বাজার,জিলা স্কুল মোড়,বগুরা রোড,কলেজ এভিনিউ,পুরান কয়লা ঘাট,পলাশপুর এলাকা,বিসিক রোড সহ নগরী বিভিন্ন রোডে বেওয়ারিশ কুকুরের দল রীতিমত মহড়া দিচ্ছে। সুযোগ পেলেই তারা হিংস্র আক্রমণ করে লোকজনদেরকে আক্রান্ত করছে। কুকুরের আক্রমণে আহত হবার কারনে নগরীতে উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে।শহরের কয়েকজন ব্যবসায়ী জানান, কুকুরের দল প্রায়ই হোটেল-রেঁস্তোরার খাবার তৈরির জিনিসপত্রে মল-মূত্র ত্যাগ করে। এছাড়া বেশির ভাগ কুকুর বিভিন্ন রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে জীবাণু ছড়াচ্ছে। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে কুকুর নিধনে কর্তৃপকে পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। কুকুর আতংকে কোমলমতি শিক্ষর্থীরা বিদ্যালয়ে যেতে ভয়ে থাকেন। সাধারণ মানুষও রাস্থাঘাটে নির্বিগ্নে চলাচল করতে পারছেন না। অনেককে কুকুর কামড় দিলেও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন না পাওয়ায় জনমনে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। কুকুর নিধনেও সংশ্লিষ্টরা উদাসীন রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। জানা যায়,নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, অলিগলিতে পাগলা কুকুরের কারণে বাসায় যাতায়াত ও রাস্থায় হাটা যায় না। মানুষ দেখলেই কুকুর তেড়ে আসে। নগরীতে অলিগলিতে এসব কুকুর দলবেঁধে ঘোরাফেরা করায় জনতা আতংকে থাকেন। কালুশাহ এলাকার বাসিন্দা লিটন মিয়া জানান, কিছুদিন আগে দিনের বেলায় চলাচলের সময় আমাকে পাগলা কুকুরে কামড় দিয়ে ডান পায়ের মাংস ছিরে নিয়ে যায়,এ কারনে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে আমাকে ,যে কোন সময়ের চেয়ে নগরীতে কুকুরের সংখ্যা তিন গুনেরও বেশি ছাড়িয়ে গেছে বলে তিনি জানান। বেওয়ারিশ কুকুর নিধনের জন্য কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে নগরবাসী। এ ব্যাপারে বিসিসির ডাঃ রবিউল ইসলাম মুঠো ফোনে দৈনিক ঢাকা প্রতিদিন প্রতিবেদকে জানান, হাইকোর্টের নিষেক্কার কারনে কুকুর নিধনের অনুমতি নেই,তবে পাগলা কুকুরের বিষয়ে কেউ অভিযোগ দিলে আমাদের পক্ষ থেকে ব্যবস্থতা নেয়া হয়। সর্বশেষ কবে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে সঠিক উত্তর তিনি দিতে পারেন নি।
No comments:
Post a Comment