মাহফুজ
ইসলাম সবুজ . বর্তমান সরকারের গৃহীত সকল উন্নয়ন কার্যক্রম
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মাঝে তুলে ধরতেই বরিশাল নগরীর শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত আউটার
স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তিনদিন ব্যাপী ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার দ্বীতিয় দিনে সাধারন
দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভীর লক্ষ্য করা গেছে গতকাল শেষ দিনেও। তবে উন্নয়ন মেলায় সাধারন দর্শকদের মূল আর্কষনের
কেন্দ্রবিন্দু ছিল বরিশাল শিক্ষা প্রকৌশলী, বরিশাল গণপূত
অদিধপ্তর, বরিশাল সড়ক ও জনপদ, বরিশাল এলজিইডি,
বরিশাল সামাজিক বন বিভাগ, অধিদপ্তরের স্টলগুলোতে। বাংলাদেশে
সরকারের যোগাযোগ ক্ষেত্রে সার্বিক উন্নয়নের কিছু বাস্তবচিত্র এই স্টলের সামনের
অংশে তুলে ধরেছেন দপ্তরগুলো তাছাড়া উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বরিশাল-ভোলা
মহাসড়কের ও বরিশাল উজিড়পুর উপজেলাধীন ব্রীজের লিংক বাস্তবচিত্রটি মেলা প্রাঙ্গনে
উপস্থাপন করা হয়েছে। আর এর ফলে
সাধারন জনগন বর্তমান সরকারের উন্নয়ন সম্পর্কে আরো বেশি ধারনা লাভ করেছেন। এছাড়াও শিক্ষা প্রকৌশলী, এলজিইডি, সড়ক ও জনপদ,
গণপূত বিভাগ, সামাজিক বন,
বিভাগের সকল কর্মকর্তারা আন্তরিকতার
সাথে সেবাগ্রহীতাদের নানা তথ্য দিয়ে সেবা প্রদান করছে। উন্নয়ন মেলায় সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তরের স্টলের
পাশাপাশি, এলজিইডির স্টলসহ অন্যান্য দপ্তরের স্টল গুলোতে
সাধারন সেবাগ্রহীতাদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। বরিশাল
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে নগরীর শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত আউটার স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত
মেলার তৃতীয় দিনেও সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। এদিকে
তিনদিনব্যাপী উন্নয়ন মেলার শেষ দিনে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের
অংশগ্রহনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিষয় ভিত্তিক রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা। ষষ্ঠ শ্রেনী থেকে অষ্টম শ্রেনী পর্যন্ত
শিক্ষার্থীদের রচনা প্রতিযোগীতার বিষয় ছিল “ডিজিটাল
বাংলাদেশ”। নবম থেকে দশম শ্রেনীর রচনা প্রতিযোগীতার বিষয়
ছিল “উন্নয়নের রোল মডেল শেখ হাসিনার বাংলাদেশ”। এছাড়াও একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর রচনা
প্রতিযোগীতার বিষয় ছিল “২০৪১ সালে কেমন বাংলাদেশ দেখতে চাই”। উন্নয়ন মেলায় জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন,
সমাজসেবা, ফায়ার সার্ভিস,
সিটি কর্পোরেশন, কৃষি বিভাগ,
মৎসবিভাগ সহ সকল সরকারী-বেসরকারী দপ্তর এবং
বিভিন্ন উন্নয়নমুলক সংস্থার অংশগ্রহনে মোট ২০০ টি স্টল রয়েছে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত
মেলা উন্মুক্ত রয়েছিল সকলের জন্য। এদিকে উন্নয়ন
মেলা নিয়ন্ত্রন ও যাবতীয় তথ্য প্রদানের জন্য রয়েছে নিয়ন্ত্রন কক্ষ। আর এই নিয়ন্ত্রন কক্ষ পরিচালনার জন্য জেলা
প্রশাসনের একজন সহকারী কমিশনার সর্বদা নিয়োজিত রয়েছেন। উল্লেখ্য, গত ৪ অক্টোবর
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী ৪র্থ জাতীয় উন্নয়ন মেলার উদ্বোধন করেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
Post Top Ad
Subscribe to:
Post Comments (Atom)






No comments:
Post a Comment