শহিদুল ইসলাম
. পাখির ঠোটে গান।আম গাছে মুকুল
প্রবাহমান বাতাসে সু মধুর
গন্ধ। মাঘের
ঠান্ডা প্রায় শেষ হতে
চলেছে।ফাল্গুন
মাস থেকেই শুরু হয়ে
যায় ঋতুরাজ বসন্তের প্রকৃতি
নিয়ে বৈচিত্রময় খেলা।আর
এ প্রকৃতিরর খেলায় প্রফুল্ল হয়
সকল মানুষের মন।সেই
সাথে নিজেকে উজার করে
খোলা কন্ঠে গান ধরে
কোকিল।মৌমাছির
গুন গুন শব্দে মুখরিত
হয়ে ওঠে সদ্য মুকুল
ধরা আম গাছের ডাল।গাছের
শাখায় বেজে ওঠে সুর
সারথি।ফুলের
কলিতে ইতি মধ্যেই ভারি
হয়ে উঠেছে জুই চামেলীর
শাখা কান্ড। বছর
ঘুরে আবারো আসতে চলেছে
ঋতুরাজ বসন্ত।পথে
প্রান্তে চোখ পড়লেই দেখা
যায় প্রকৃতির অপরুপা সৌন্দয্য।গতকাল নগরীর বিভিন্ন
স্হানে ঘুরে দেখা যায়
যে সব জায়গায় রয়েছে
সবুজের সমারোহ।সব
জায়গা গুলো এখন আলেদা
রুপ ধারন করতে শুরু
করেছে।তবে
প্রায় জায়গায় গুলোতে ইট-
পাথরের বিন্ডিং ওঠার কারনে আগের
মত সে রকম সাজতে
পারছেনা প্রকৃতি। তাছাড়া
এ বছর শীতের প্রকপ
বেশি থাকায় বসন্তের ছোয়া লাগতে একটু
সময় নিচ্ছে শহর কেন্দ্রীয়
যান্ত্রিক জীবনে।তবে
পৌষ মাসের শেষের দিকে
ও মাঘ মাসের শুরুর
দিকে হাড় কাপানো শীত
পড়লে ও তা এখন
কমতে শুরু করেছে।
তাছাড়া ঘন কুয়াশার ও
আধিপত্য ছিল পুরো শীতের
মৌসুম।এ
দিকে, এ বছর শীত
বেশি থাকায় মৌসুমি সবজি
সহ ফল-ফলাদির ফলন
কম হয়েছে বলে কৃষকেরা
জানান।এ
ব্যাপারে বরিশালের রায় পাশা কড়াপুর
এলাকার কৃষক মাজেদ মিয়া
জানান,এ বছর শীত
প্রকব বেশি থাকায় দেরিতে
আম গাছে মুকুল আসছে,তবে দুই একটি
গাছে মুকুল দেখা গেলেও
বেশির ভাগ গাছে এখনও
মুকুল আসেনি।২২
নং ওয়ার্ড লেকের পশ্চিম
পাড় নুপুর ভিলার স্হানীয়
বাসিন্দা মামুন খাঁ জানান,
চলতি মাস সহ মার্চ
মাসেও তাপমাত্রা ভাল থাকলে কোন
ধরনের ঝড় বৃষ্টি না
হলে প্রায় সব আম
গাছ গুলোতে মুকুল আসার
সম্ববনা রয়েছে,তাতে ফলন
ভাল হবে।এ
ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তা আবুল
বাশার জমাদ্দার জানান,গত বছরের
তুলনায় এ বছর শীতের
প্রকপ অনেক বেশি ।ছিল শৈত্যপ্রবাহ সহ
ঘন কুয়াশা। যার
কারনে গাছে মুকুল আসতে
দেরি হচ্ছে।তবে
প্রতিদিনই আবহাওয়া স্বাভাবিক হচ্ছে।যার
কারনে শহরের অনেক স্হানেই
আমগাছ গুলোতে ১৫ থেকে
২০দিনের আগ থেকেই মুকুল
দেখা গেছে।তিনি
আরও জানান,তাপমাত্রা ভাল
থাকলে এ মাসের মধ্য
শহর থেকে শুরু করে
গ্রাম গঞ্জের আম গাছ
গুলোতে মুকুল আশার সম্ববনা
রয়েছে।

No comments:
Post a Comment