স্টাফ রিপোর্টার, বরিশাল
॥ বিনামুল্যে
বিতরণের জন্য
ডায়রিয়ার সরকারী
স্যালাইন মজুত
করে রোগীদের
বিতরন না
করার অভিযোগে
বৃহস্পতিবার দুপুরে দুর্নীতি দমন কমিশন
বরিশাল সদর
জেনারেল হাসপাতালে
অভিযান চালিয়ে
ষ্টোর থেকে
এক হাজার
স্যালাইন উদ্ধার
করেছে। সরবরাহ
থাকা সত্বেও
রোগীদেরকে না দিয়ে ষ্টোরে মজুত
রাখার দায়ে
ডায়রিয়া ওয়ার্ডের
ষ্টোর ইনচার্জের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
নেয়ার নির্দেশ
দিয়েছেন দুদক
কমিশনার।দুদকর কমিশনার এএফএম আমিনুল ইসলাম
আকস্মিকভাবে বরিশাল জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন
করেন। রোগীদের
সাথে কথা
বলে তিনি
জানতে পারেন
ডায়রিয়ার স্যালাইন
রোগীদেরকে বাহির থেকে ক্রয় করতে
হচ্ছে। এরপর
তিনি ষ্টোর
পরিদর্শন করে
সেখান থেকে
প্রায় এক
হাজার স্যালাইন
উদ্ধার করেন।সরকারীভাবে
বরাদ্দকৃত ডায়রিয়ার স্যালাইন রোগীদের না
দিয়ে স্টোরে
মজুদ রাখার
দায়ে দায়িত্বরত
ষ্টোর ইনচার্জ
সিনিয়র স্টাফ
নার্স মুনিরা
ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার
নির্দেশ দেন
দুদক কমিশনার।
পরিদর্শনকালে দায়িত্বরত দুই চিকিৎসককে কর্মস্থলে
অনুপস্থিতসহ নানা অনিয়ম পেয়েছে দুদক
কমিশনার। তাদের
বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া
হয়েছে।নাম প্রকাশ না করার শর্তে
ডায়রিয়া ওয়ার্ডে
চিকিৎসাধীন এক রোগী জানান, তিনি
বুধবার হাসপাতালে
ভর্তি হয়েছেন।
হাসপাতাল থেকে
তাকে জানিয়ে
দেয়া হয়েছে
সরকারী স্যালাইন
বরাদ্দ নেই,
তাই বাধ্য
হয়ে বৃহস্পতিবার
দুপুর পর্যন্ত
তাকে বাহির
থেকে পাঁচটি
স্যালাইন ক্রয়
করে আনতে
হয়েছে। স্টোর
ইনচার্জ সিনিয়র
স্টাফ নার্স
মুনিরা ইয়াসমিনের
সাথে যোগাযোগ
করা হলে
তিনি কোন
সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
এবিষয়ে আরএমও ডাঃ দেলোয়ার হোসেন জানান, মার্চ থেকে মে মাস পর্যন্ত ডায়েরিয়ার প্রকোপ বেশি থাকে। এসময়ের জন্য কিছু স্যালাইন মজুদ করে রাখা হয় ওয়ার্ডে। সর্বোশেষ অডিটে ওই স্যালাইন মজুদের বিষয়টি অডিট কর্মকর্তাসহ তারা দেখেছেন। এগুলো রোগীকে দিয়ে দেয়া হবে, তবে সকাল থেকে ওয়ার্ডের রোগীদের কোন স্যালাইন না দেয়ার ঘটনায় ইনচার্জকে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রদান করা হবে। ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স মুনিরা ইয়াসমীন জানান, উর্ধতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশ রয়েছে রোগী ভর্তি হওয়ার পর প্রথম স্যালাইনটি
হাসপাতাল থেকে দেয়ার, বাকীগুলো রোগীকে কিনে আনতে হবে। এরবাহিরে তার কোন কাজ করার সুযোগ নেই। আর মজুদ স্যালাইনের বিষয়ে আরএমওসহ সকলে অবহিত। জরুরী সময়ের জন্য এগুলো হাতে রাখা হয়েছে।
No comments:
Post a Comment