শামীম
আহমেদ
. বরিশাল
সিটি
কর্পোরেশনের
তিন
মাসের
বকেয়া
ভাতার
দাবীতে
ফের
আন্দোলনে
নেমেছে
(বিসিসি’র) নিয়মিত
অনিয়মিত
কর্মকর্তা
কর্মচারীরা।
মেয়রের
কক্ষে
আন্দোলনরত
কর্মকর্তা
কর্মচারীদের
ভিঢিও
ফুটেজ
ধারন
করতে
গিয়ে
মেয়র
আহসান
হাবীব
কামালের
পিএস
ফরিদের
হাতে
লাঞ্চিত
হয়েছে
এশিয়া
টিভি
ক্যামেরা
পার্সন
সোলেইমান,মাছরাঙ্গা
টিভি
ক্যামেরা
পার্সন
শুভ
ও
স্থানীয়
দৈনিক
আজকের
বরিশাল
পত্রিকারফটো
সাংবাদিক
।
গতকাল
১১টার
দিকে
বকেয়া
ভাতার
দাবীতে
মেয়রের
কক্ষের
সামনে
বিক্ষোভ
করে
পরে
তারা
এক
প্রর্যায়ে
মেয়রের
কক্ষে
প্রবেশ
করে
মেয়র
আহসান
হাবীব
কামালের
সাথে
কথা
বলা
বলার
সময়
ঐ
তিন
সংবাদ
কর্মী
ভিডিও
ফুটেজ
ধারন
করা
কালীন
সময়ে
পিএস
ফরিদ
তাদের
সাথে
অশুভআচরন
করে
তাদেরকে
মেয়রের
কক্ষ
থেকে
বেড়
করে
দেয়
পিএস
ফরিদ।
বিক্ষোভকারীরা
দোতলায়
সকাল
১১টা
থেকে
বিকাল
তিনটা
পর্যন্ত
বকেয়া
তিন
মাসের
পাওয়া
টাকার
জন্য
বিক্ষোভ
প্রদর্শন
করে।বিক্ষোভরত
কর্মকর্তা
কর্মচারীরা
জানায়
গত
তিন
মাস
ধরে
নিয়মিত
অনিয়মিত
প্রায়
পাঁচ
শতাধিক
কর্মকর্তা
কর্মচারীদের
বেতন
বকেয়া
রয়েছে।
অন্যদিকে
অনিয়মিত
দৈনিক
মজুরী
ভিত্তিক
কর্মকর্তা
কর্মচারীদের
তিন
মাসের
বকেয়া
রয়েছে।
আর
মাত্র
কয়েকদিন
পর
ঈদ
কিন্তু
এখন
পর্যন্ত
বেতনের
কোন
খবর
নেই।
তাই
বেতন
ভাতা
পরিশোধ
করা
না
হলে
কর্ম
বিরতিতে
যাবেন
তারা।
এদিকে
বেতন
ভাতা
পরিশোধের
চেষ্টা
চলছে
বলে
জানিয়েছে
বিসিসি
প্রধান
নির্বাহী
কর্মকর্তা
ওয়াহেদুজ্জামান।
এদিকে
মেয়র
পিএস
ফরিদ
কর্তৃক
তিন
সাংবাদিকদের
লাঞ্চিত
করার
ঘটনা
ফরিদের
কাছে
জানতে
চাইলে
প্রথমে
তিনি
অস্বিকার
করেন
যখন
ভিডিও
স্টিল
ছবিতে
প্রমান
রয়েছে
একথা
শোনার
পর
তিনি
এবিষয়টি
এরিয়ে
যাবার
চেষ্টা
করেন।
এছাড়া
বিসিসিতে
মেয়র
পুত্রের
পাশাপাশি
পিএস
ফরিদ
নিজেও
আঙ্গুল
ফুলে
কলা
গাছ
হয়ে
যাবার
কারনে
একজন
বড়
মাপের
কর্মকর্তা
মনে
করেন
তিনি।
শামীম
আহমেদ
. বরিশাল
সিটি
কর্পোরেশনের
তিন
মাসের
বকেয়া
ভাতার
দাবীতে
ফের
আন্দোলনে
নেমেছে
(বিসিসি’র) নিয়মিত
অনিয়মিত
কর্মকর্তা
কর্মচারীরা।
মেয়রের
কক্ষে
আন্দোলনরত
কর্মকর্তা
কর্মচারীদের
ভিঢিও
ফুটেজ
ধারন
করতে
গিয়ে
মেয়র
আহসান
হাবীব
কামালের
পিএস
ফরিদের
হাতে
লাঞ্চিত
হয়েছে
এশিয়া
টিভি
ক্যামেরা
পার্সন
সোলেইমান,মাছরাঙ্গা
টিভি
ক্যামেরা
পার্সন
শুভ
ও
স্থানীয়
দৈনিক
আজকের
বরিশাল
পত্রিকারফটো
সাংবাদিক
।
গতকাল
১১টার
দিকে
বকেয়া
ভাতার
দাবীতে
মেয়রের
কক্ষের
সামনে
বিক্ষোভ
করে
পরে
তারা
এক
প্রর্যায়ে
মেয়রের
কক্ষে
প্রবেশ
করে
মেয়র
আহসান
হাবীব
কামালের
সাথে
কথা
বলা
বলার
সময়
ঐ
তিন
সংবাদ
কর্মী
ভিডিও
ফুটেজ
ধারন
করা
কালীন
সময়ে
পিএস
ফরিদ
তাদের
সাথে
অশুভআচরন
করে
তাদেরকে
মেয়রের
কক্ষ
থেকে
বেড়
করে
দেয়
পিএস
ফরিদ।
বিক্ষোভকারীরা
দোতলায়
সকাল
১১টা
থেকে
বিকাল
তিনটা
পর্যন্ত
বকেয়া
তিন
মাসের
পাওয়া
টাকার
জন্য
বিক্ষোভ
প্রদর্শন
করে।বিক্ষোভরত
কর্মকর্তা
কর্মচারীরা
জানায়
গত
তিন
মাস
ধরে
নিয়মিত
অনিয়মিত
প্রায়
পাঁচ
শতাধিক
কর্মকর্তা
কর্মচারীদের
বেতন
বকেয়া
রয়েছে।
অন্যদিকে
অনিয়মিত
দৈনিক
মজুরী
ভিত্তিক
কর্মকর্তা
কর্মচারীদের
তিন
মাসের
বকেয়া
রয়েছে।
আর
মাত্র
কয়েকদিন
পর
ঈদ
কিন্তু
এখন
পর্যন্ত
বেতনের
কোন
খবর
নেই।
তাই
বেতন
ভাতা
পরিশোধ
করা
না
হলে
কর্ম
বিরতিতে
যাবেন
তারা।
এদিকে
বেতন
ভাতা
পরিশোধের
চেষ্টা
চলছে
বলে
জানিয়েছে
বিসিসি
প্রধান
নির্বাহী
কর্মকর্তা
ওয়াহেদুজ্জামান।
এদিকে
মেয়র
পিএস
ফরিদ
কর্তৃক
তিন
সাংবাদিকদের
লাঞ্চিত
করার
ঘটনা
ফরিদের
কাছে
জানতে
চাইলে
প্রথমে
তিনি
অস্বিকার
করেন
যখন
ভিডিও
স্টিল
ছবিতে
প্রমান
রয়েছে
একথা
শোনার
পর
তিনি
এবিষয়টি
এরিয়ে
যাবার
চেষ্টা
করেন।
এছাড়া
বিসিসিতে
মেয়র
পুত্রের
পাশাপাশি
পিএস
ফরিদ
নিজেও
আঙ্গুল
ফুলে
কলা
গাছ
হয়ে
যাবার
কারনে
একজন
বড়
মাপের
কর্মকর্তা
মনে
করেন
তিনি।
No comments:
Post a Comment