বরিশাল বিভাগীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আসাদুজ্জামান খসরুকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে জেল হাজতে প্রেরন। - ৫২র বাংলা - সংবাদ সবসময়

Recent Topic

Post Top Ad

বরিশাল বিভাগীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি আসাদুজ্জামান খসরুকে বিশেষ ক্ষমতা আইনে জেল হাজতে প্রেরন।



শামীম আহমেদ . বরিশাল বিভাগীয় ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি,ক্রিকেট কন্টোল বোর্ডের সাবেক সহ-সভাপতি অবসরকালীন বিএনপি নেতা আসাদুজ্জামানকে ১৯৭৪ সালের  ১৬() বিশেষ ক্ষমতা (কালো আইনের)ধারায় জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরনের আদেশ দিয়েছে অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মারুফ আহমেদ। গতকাল সোমবার সকালে বরিশাল মেট্রোপলিটন (গোয়েন্দা পুলিশ) ডিবি হাথে আটক আসাদুজ্জামান খসরুকে জামিনের জন্য আদালতে তোলা হলে বিচারক জামিন বাতিল করেন। চাঁদমারী এলাকা আদালতে থাকা মামলার তথ্য সূত্রে জানা যায় ১৭ সালের কোতয়ালী মডেল থানার এস আই সাইফুল ইসলাম বাদী হয়ে থানায় বিএনপি পন্থি কয়েকজন আইনজীবী যুবদল,স্বেচ্ছাসেবকদল সহ ছাত্রদলের ২৭জনকে নামধরা আসামী এবং আরো ৭০/জনকে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে ১৯৭৪ সনের (কালো আইন) বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামরা দায়ের করেন।যার নং ৬৮৫/১৭,তাং ১৪-১০-২০১৭ইং। উক্ত মামলায় অনেকই জেল হাজত খেটে উচ্চ নিম্ন আদালতের মাধ্যমে জামিন নিয়ে বাহিরে এস যে যার মত করে জীবন-যাপন করছে আর আইনজীবীরা তাদের আইন পেশায় জড়িত রয়েছে। উক্ত মামলার কোথাও আটক বরিশাল বিভাগীয় ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি বাংলাদেশ ক্রিকেট কন্টোল বোর্ডের সাবেক সহ-সভাপতি আসাদুজ্জামান খসরুর নাম কোথাও নেই। কোতয়ালী মডেল থানার এস আই মশিউর রহমান খসরুকে সেই মামলায় আসামী দেখিয়ে আদালতে প্রেরন করে। এদিকে খসরুকে আটক করার বিষয় নিয়ে খোঁজ করতে গিয়ে চাদমারী এলাকা পরিবার সূত্র থেকে জানা যায় হোটেল গ্রান্ড প্লাজার কর্তৃপক্ষ রাজিউর রহমান ফয়সালের সাথে আসাদুজ্জামান খসরুদের সাথে হোটেলের পাশে থাকা জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে। উক্ত বিরোধের জেড় ধরে ফয়সাল প্রভাবশালী মহলের ছায়ার উপর ভর করে পুলিশ প্রশাসনকে অনৈতিক ভাবে ব্যাবহার করে তাকে রাজনৈতিক হয়রানী মামলায় জড়িয়ে পুলিশ আদালতে প্রেরন করেন বলে তারা দাবী করে। এছাড়া খসরুর রাজনৈতিক পরিচয় খোঁজ করতে গিয়ে জানা যায় আসাদুজ্জামান খসরু এক সময়ে বরিশাল মহানগর বিএনপি সাধারন সম্পাদকের দায়ীত্ব পালন করতেন।১/১১ পেক্ষাপটের সময় বরিশাল ক্লাবে ফেরদৌস আহমেদ কোরাইশির দলের সভায় সাবেক সভাপতি আহসান হাবীব কামাল সাধারন সম্পাদক আসাদুজ্জামান খসরু অংশ গ্রহন করার কারনে রাজনৈতিক ভাবে কর্ণার হয়ে যায় সেই থেকে আসাদুজ্জামান খসরুকে আর প্রকাশ্যে রাজনীতি করতে দেখা যায়নি।এছাড়া পুলিশের মামলা তথ্য সূত্রে দেখা যায় এস আই সাইফুল ইসলাম যখন মামলা দায়ের করেন তখন খসরু বিএনপির কোন মিছিল-মিটিং সভা-সমাবেশে থাকতেন অনুপস্থিত তাহলে কি করে উক্ত মামলায় খসরুকে জড়িয়ে রাতের আধারে গ্রেপতার করে এনে উক্ত মামলায় জড়িয়ে আদালতে প্রেরন করে পুলিশ। রাজনীতি জগতে ঘুমিযে থাকা আসাদুজ্জামান খসরু গ্রেপতার করার বিষয়টি নিয়ে নগরীতে টক অব দ্যা টাউন পরিনত হয়েছে। খসরুকে জামিনের জন্য আদালতে তোলা হলে তার জামীন চেয়ে বিচারকের কাছে প্রার্থনা করেন বরিশাল আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. ওবায়দুল্লাহ সাজু,এ্যাড.মজিবর রহমান,সাবেক আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. আনিস উদ্দিন শহীদ,এ্যাড. এনায়েত হোসেন বাচ্চু,এ্যাড.নাজিম উদ্দিন আহমেদ পান্না এ্যাড.সরোয়ার হোসন সহ প্রায় অর্ধাশতাধিক আইনজীবী।

No comments:

Post a Comment

Recent Movies

Post Top Ad