শামীম আহমেদ,বরিশাল ব্যুরো . স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিনঞ্চলের কর্মজীবী মানুষ গুলো। ঈদুল আজহার ছুচি শেষে চতুর্থ দিন শনিবার বিকেল থেকেই বরিশাল লঞ্চঘাট টার্মিনাল ও নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, পরিবার-পরিজন নিয়ে ফিরতে শুরু করে দিয়েছেন দক্ষিনাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষ। সাইদুল নামে এক শ্রমিক নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে এসে বলেন, বাবা-মা ও পরিবারের সঙ্গে কোরবানির ঈদ পালন করতে রাজধানী ছেড়ে বাড়িতে এসেছি। ঢাকার মিরপুরে একটি সু-কোম্পানীতে ছোট একটি পদে চাকরী করি, যতোদিন
বরিশালে থাকবো ততোদিন বেতন থেকে টাকা কাটবে মালিক পক্ষ। তাই ঈদের তৃতীয় দিন ছুটি শেষে আজ চতুর্থ দিন চলে যাচ্ছি ঢাকার শহরে কর্মস্থলে। লঞ্চঘাট ও বাস টার্মিনালে গন্তব্যে যেতে অপেক্ষমাণ অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেষ মুহূর্তের ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে একটু আগে-ভাগে ফিরছেন তারা। ঈদের ছুটি শেষে রবিবার থেকে সরকারী-বেসকারী সব অফিস খোলা রয়েছে। এ কারণে কর্মস্থলে যোগ দিতে রাজধানী ছাড়ে আসা মানুষগুলো দক্ষিনাঞ্চল ছেড়ে রাজধানীতে ফিরছেন তারা। তবে আগামীকাল রবিবার যারা অফিস করছেন তারা শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন দক্ষিন আঞ্চল থেকে। এদের কেউ কেউ ভোর রাত, আবার কেউ কেউ ভোরে কিংবা সকালে এসে ঢাকায় পৌঁছেগিছেন বলে জানা গেছে। বরিশাল নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায় একই চিত্র। ঈদের ছুটি শেষে কর্মজীবনে ফিরতে শুরু করেছে অনেকে। এদিকে ঈদের পরের তৃতীয় দিন হলেও যাত্রীদের নিরাপত্তায় বন্দর এলাকা ও টার্মিনাল এলাকায় আনসার, বিআইডব্লিউটিএ সদস্য রয়েছে। অন্য দিকে বাস র্টামিনালে মেট্রোপলিটন পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, সাদা পোশাকধারী পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে যাত্রীদের চোখেপড়ার মতো। ঝালকাঠী থেকে ঢাকায় যাওয়া সাকিল নামের এক চাকরিজীবী জানান, কাল রবিবার সকালে অফিসে যোগ দেওয়ার তাগিদে আজ শনিবার দুপুরেই বরিশাল ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে বাস টার্মিনালে এসে দাড়িয়ে রয়েছি। তবে শুধু সাকিল নয়, ঢাকা উদ্দেশে যাওয়া অধিকাংশই লোকই রবিবার অফিস করবেন বলে তার আগের দিন রাতেই রওনা দিয়ে যাচ্ছে বরিশাল বাস টারর্মিনাল ও লঞ্চঘাট থেকে। বাড়ি ফেরা অনেকেই ঈদের ছুটির পাশাপাশি অতিরিক্ত দু’-এক দিন ছুটি নিয়ে ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে যাচ্ছেন। বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকতারা জানান, ছুটি শেষ তাই মানুষ ঢাকায় যাচ্ছেন, তাই যাত্রীচাপ একটু বেশি। বরিশাল নতুল্লাবাদ র্টারমিনালের
বাস মালিক সমিতির সভাপতি আফতাব হোসেন বলেন,ঈদ ছুটি শেষ তাই যাত্রীর চাপ বেশি সে জন্য কিছুক্ষন পর পরই এখান থেকে ছেড়ে যাচ্ছে পরিবহন গুলো। অন্য দিকে ঘরমুখো মানুষকে ভাড়া গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ, কোনো কোনো রুটে তিনগুণ, দূরপাল্লার পাশাপাশি ঈদ বকশিশের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হতে হয়েছে রাজধানী থেকে দক্ষিন আঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীদেরও। অভিযোগ রয়েছে, নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট,সদর রোড ,সহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র যাওয়া মানুষ গুলোর। তারা বলেন নির্ধারিত ভাড়ার কয়েকগুণ বেশি আদায় করে নিতেছেন পরিবহন কারীরা।
শামীম আহমেদ,বরিশাল ব্যুরো . স্বজনদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি শেষে কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করেছেন দক্ষিনঞ্চলের কর্মজীবী মানুষ গুলো। ঈদুল আজহার ছুচি শেষে চতুর্থ দিন শনিবার বিকেল থেকেই বরিশাল লঞ্চঘাট টার্মিনাল ও নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে, পরিবার-পরিজন নিয়ে ফিরতে শুরু করে দিয়েছেন দক্ষিনাঞ্চলের কর্মজীবী মানুষ। সাইদুল নামে এক শ্রমিক নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে এসে বলেন, বাবা-মা ও পরিবারের সঙ্গে কোরবানির ঈদ পালন করতে রাজধানী ছেড়ে বাড়িতে এসেছি। ঢাকার মিরপুরে একটি সু-কোম্পানীতে ছোট একটি পদে চাকরী করি, যতোদিন
বরিশালে থাকবো ততোদিন বেতন থেকে টাকা কাটবে মালিক পক্ষ। তাই ঈদের তৃতীয় দিন ছুটি শেষে আজ চতুর্থ দিন চলে যাচ্ছি ঢাকার শহরে কর্মস্থলে। লঞ্চঘাট ও বাস টার্মিনালে গন্তব্যে যেতে অপেক্ষমাণ অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শেষ মুহূর্তের ঝক্কি-ঝামেলা এড়াতে একটু আগে-ভাগে ফিরছেন তারা। ঈদের ছুটি শেষে রবিবার থেকে সরকারী-বেসকারী সব অফিস খোলা রয়েছে। এ কারণে কর্মস্থলে যোগ দিতে রাজধানী ছাড়ে আসা মানুষগুলো দক্ষিনাঞ্চল ছেড়ে রাজধানীতে ফিরছেন তারা। তবে আগামীকাল রবিবার যারা অফিস করছেন তারা শনিবার সকাল থেকেই বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন দক্ষিন আঞ্চল থেকে। এদের কেউ কেউ ভোর রাত, আবার কেউ কেউ ভোরে কিংবা সকালে এসে ঢাকায় পৌঁছেগিছেন বলে জানা গেছে। বরিশাল নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে গিয়ে দেখা যায় একই চিত্র। ঈদের ছুটি শেষে কর্মজীবনে ফিরতে শুরু করেছে অনেকে। এদিকে ঈদের পরের তৃতীয় দিন হলেও যাত্রীদের নিরাপত্তায় বন্দর এলাকা ও টার্মিনাল এলাকায় আনসার, বিআইডব্লিউটিএ সদস্য রয়েছে। অন্য দিকে বাস র্টামিনালে মেট্রোপলিটন পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ, সাদা পোশাকধারী পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের উপস্থিতি রয়েছে যাত্রীদের চোখেপড়ার মতো। ঝালকাঠী থেকে ঢাকায় যাওয়া সাকিল নামের এক চাকরিজীবী জানান, কাল রবিবার সকালে অফিসে যোগ দেওয়ার তাগিদে আজ শনিবার দুপুরেই বরিশাল ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে বাস টার্মিনালে এসে দাড়িয়ে রয়েছি। তবে শুধু সাকিল নয়, ঢাকা উদ্দেশে যাওয়া অধিকাংশই লোকই রবিবার অফিস করবেন বলে তার আগের দিন রাতেই রওনা দিয়ে যাচ্ছে বরিশাল বাস টারর্মিনাল ও লঞ্চঘাট থেকে। বাড়ি ফেরা অনেকেই ঈদের ছুটির পাশাপাশি অতিরিক্ত দু’-এক দিন ছুটি নিয়ে ছুটি কাটিয়ে রাজধানীতে যাচ্ছেন। বরিশাল বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকতারা জানান, ছুটি শেষ তাই মানুষ ঢাকায় যাচ্ছেন, তাই যাত্রীচাপ একটু বেশি। বরিশাল নতুল্লাবাদ র্টারমিনালের
বাস মালিক সমিতির সভাপতি আফতাব হোসেন বলেন,ঈদ ছুটি শেষ তাই যাত্রীর চাপ বেশি সে জন্য কিছুক্ষন পর পরই এখান থেকে ছেড়ে যাচ্ছে পরিবহন গুলো। অন্য দিকে ঘরমুখো মানুষকে ভাড়া গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ, কোনো কোনো রুটে তিনগুণ, দূরপাল্লার পাশাপাশি ঈদ বকশিশের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হতে হয়েছে রাজধানী থেকে দক্ষিন আঞ্চলের বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী যাত্রীদেরও। অভিযোগ রয়েছে, নতুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল, লঞ্চঘাট,সদর রোড ,সহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্র যাওয়া মানুষ গুলোর। তারা বলেন নির্ধারিত ভাড়ার কয়েকগুণ বেশি আদায় করে নিতেছেন পরিবহন কারীরা।
No comments:
Post a Comment