বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . সময়ের সঙ্গে জনসংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে সবুজ। ক্রমাগত সবুজ হারানো এ বরিশাল শহরের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত মুক্তিযোদ্ধা
পার্ক, বঙ্গবন্ধু উদ্যান ত্রিশ গোডাউন, শিশু পার্ক সহ অন্যান্য পার্কগুলো সবুজের এক বড় আশ্রয়।আর এই সবুজ ঘেরা পার্কগুলোতে বিনোদনের নামে দিন দিন অপকর্ম বেড়েই চলছে। আর এসব অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে উঠতি বয়সী স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরা। স্কুল-কলেজের পোশাকেই বন্ধু-বান্ধবীদের
সাথে এসব জায়গায় অন্তরঙ্গ সময় পার করছে তারা। গত দুই দিন ধরে নগরীর কীর্তনখোলা
তীরবর্তী মুক্তিযোদ্ধা
পার্ক, শিশু পার্ক,গ্রিনসিটি গার্ডেন, ত্রিশ গোডাউন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, স্কুল-কলেজের পোশাক পরেই বন্ধু-বান্ধবীর হাত ধরে খুব সাধারণ ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা।এইসব বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে জোড়া জোড়া ছেলে মেয়েরা একে অপরের কাধে মাথা রেখে অন্তরঙ্গ অবস্থায় বেঞ্চে বসে আছে। কেউ বা আবার বান্ধবীকে
নিয়ে সেলফি তুলছে।কীর্তনখোলা নদীর তীরে ঘুরতে আসা মহিলা কলেজে পড়ুয়া নাম প্রকাশ না করার সর্তে এক শিক্ষার্থী বলেন, সবসময় তো আর ক্লাস হয়না, তাই মাঝে মাঝে বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে এখানে এসে আড্ডা দিতে ভালো লাগে। বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে
বসে তো আর মনের ভাবটা পুরোপুরি প্রকাশ পায় না কিন্তু এখানে উন্মুক্ত স্থানে সবাই মিলে গান গাই, কবিতা পড়ি, আড্ডা দেই।বাচ্চাদের নিয়ে শিশু পার্কে আসা রুপাতলী এলাকার গৃহনী শান্তা হক, বগুড়া রোডের শিউলি বেগম সহ আরও কয়েক জন অভিযোগ করে বলেন,এই পার্কটি এখন প্রেমিক প্রেমিকদের ডেটিং স্পটে পরিনত হয়েছে তাদের উৎপাতে পার্কে ঠাই পাচ্ছে না দর্শনার্থীরা। তাই এই পার্কের ভেতরে প্রবেশ করলে শিশুদের দেখা যায় না।বরং জোড়ায় জোড়ায় কপোত কপোতিদের অপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়।কর্তৃপক্ষের
উদাসহীনতায় শিশু পার্কের বেহাল দশা।তাছাড়া দর্শনার্থী কমে যাওয়া পার্কটি এখন প্রেম কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে।এ বিষয়ে পার্কের ভিতরের একাধিক আনসারেরা বলেন, এই চিত্র এখানে নতুন কিছু নয়, স্বনামধন্য
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানে আসে। আমরা অনেক শিক্ষার্থীকে
আপত্তিকর অবস্থায় দেখি, অনেক অপমান করি কিন্তু কয়জনকে বলব। এখানে তো আর দু-একজন আসেনা। এখানে আসে শতে শতে মানুষ। আমরা যখন কিছু বলি তখন অন্য জায়গায় সরে যায়। আবার নতুন এক দল আসে। এভাবেই চলছে আসলে কিছু বলার নাই। অনেক সময় অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করি।একজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পরিবার সহকারে বেড়াতে এসেছেন তার কাছে মুক্তিযোদ্ধা পার্কের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে আর পরিবার নিয়ে আসার মত অবস্থা নেই।তিনি বলেন, আমরা যখন স্কুলে পড়তাম তখন একটা মেয়ের সাথে কথা বলতে সাহস পেতাম না। আর এখন কত সহজে একটা ছেলে একটা মেয়ে আমাদের সামনেই অবাধে হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছে,
ঐ
দেখুন আমাদের পাশের বেঞ্চের অবস্হা মেয়েটা ছেলের কাধের উপর শুয়ে হাতে হাত রেখে বসে আছে। আমরা সবাই দেখছি। কিন্তু কেউ কিছু বলছি না। এটা আসলে আমাদেরই দোষ।তিনি আরো বলেন, আমাদের ধর্মীও মতে তো এভাবে জোড়ায় জোড়ায় বন্ধু-বান্ধবীদের
সাথে বসে সময় কাটানো কোন ভাবেই সম্মতি দেয়না। বিয়ের আগে কোন ছেলে মেয়ে প্রেম, ভালবাসাতো
ইসলাম কখনই সমর্থন করে না। প্রেম ভালোবাসাতো
দূরের কথা প্রয়োজন ছাড়া কথাও বলা যাবেনা। কিন্তু প্রেম ভালবাসার নামে এসব ছেলে-মেয়েরা এখন নোংরামি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এ ব্যাপারে বিসিসির ভারপ্রাপ্ত
প্রধান নির্বাহী জানান,মুক্তিযোদ্ধা পার্কে সকালে একজন, বিকালে একজন গার্ড রয়েছে তার পরও এমন ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . সময়ের সঙ্গে জনসংখ্যা যেমন বাড়ছে, তেমনি কমছে সবুজ। ক্রমাগত সবুজ হারানো এ বরিশাল শহরের ফুসফুস হিসেবে পরিচিত মুক্তিযোদ্ধা
পার্ক, বঙ্গবন্ধু উদ্যান ত্রিশ গোডাউন, শিশু পার্ক সহ অন্যান্য পার্কগুলো সবুজের এক বড় আশ্রয়।আর এই সবুজ ঘেরা পার্কগুলোতে বিনোদনের নামে দিন দিন অপকর্ম বেড়েই চলছে। আর এসব অপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে উঠতি বয়সী স্কুল-কলেজ পড়–য়া শিক্ষার্থীরা। স্কুল-কলেজের পোশাকেই বন্ধু-বান্ধবীদের
সাথে এসব জায়গায় অন্তরঙ্গ সময় পার করছে তারা। গত দুই দিন ধরে নগরীর কীর্তনখোলা
তীরবর্তী মুক্তিযোদ্ধা
পার্ক, শিশু পার্ক,গ্রিনসিটি গার্ডেন, ত্রিশ গোডাউন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, স্কুল-কলেজের পোশাক পরেই বন্ধু-বান্ধবীর হাত ধরে খুব সাধারণ ভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে তারা।এইসব বিনোদন কেন্দ্র গুলোতে জোড়া জোড়া ছেলে মেয়েরা একে অপরের কাধে মাথা রেখে অন্তরঙ্গ অবস্থায় বেঞ্চে বসে আছে। কেউ বা আবার বান্ধবীকে
নিয়ে সেলফি তুলছে।কীর্তনখোলা নদীর তীরে ঘুরতে আসা মহিলা কলেজে পড়ুয়া নাম প্রকাশ না করার সর্তে এক শিক্ষার্থী বলেন, সবসময় তো আর ক্লাস হয়না, তাই মাঝে মাঝে বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে এখানে এসে আড্ডা দিতে ভালো লাগে। বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে
বসে তো আর মনের ভাবটা পুরোপুরি প্রকাশ পায় না কিন্তু এখানে উন্মুক্ত স্থানে সবাই মিলে গান গাই, কবিতা পড়ি, আড্ডা দেই।বাচ্চাদের নিয়ে শিশু পার্কে আসা রুপাতলী এলাকার গৃহনী শান্তা হক, বগুড়া রোডের শিউলি বেগম সহ আরও কয়েক জন অভিযোগ করে বলেন,এই পার্কটি এখন প্রেমিক প্রেমিকদের ডেটিং স্পটে পরিনত হয়েছে তাদের উৎপাতে পার্কে ঠাই পাচ্ছে না দর্শনার্থীরা। তাই এই পার্কের ভেতরে প্রবেশ করলে শিশুদের দেখা যায় না।বরং জোড়ায় জোড়ায় কপোত কপোতিদের অপত্তিকর অবস্থায় দেখা যায়।কর্তৃপক্ষের
উদাসহীনতায় শিশু পার্কের বেহাল দশা।তাছাড়া দর্শনার্থী কমে যাওয়া পার্কটি এখন প্রেম কেন্দ্রে পরিনত হয়েছে।এ বিষয়ে পার্কের ভিতরের একাধিক আনসারেরা বলেন, এই চিত্র এখানে নতুন কিছু নয়, স্বনামধন্য
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানে আসে। আমরা অনেক শিক্ষার্থীকে
আপত্তিকর অবস্থায় দেখি, অনেক অপমান করি কিন্তু কয়জনকে বলব। এখানে তো আর দু-একজন আসেনা। এখানে আসে শতে শতে মানুষ। আমরা যখন কিছু বলি তখন অন্য জায়গায় সরে যায়। আবার নতুন এক দল আসে। এভাবেই চলছে আসলে কিছু বলার নাই। অনেক সময় অনেক কিছু দেখেও না দেখার ভান করি।একজন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা পরিবার সহকারে বেড়াতে এসেছেন তার কাছে মুক্তিযোদ্ধা পার্কের পরিবেশ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে আর পরিবার নিয়ে আসার মত অবস্থা নেই।তিনি বলেন, আমরা যখন স্কুলে পড়তাম তখন একটা মেয়ের সাথে কথা বলতে সাহস পেতাম না। আর এখন কত সহজে একটা ছেলে একটা মেয়ে আমাদের সামনেই অবাধে হাত ধরে ঘুরে বেড়াচ্ছে,
ঐ
দেখুন আমাদের পাশের বেঞ্চের অবস্হা মেয়েটা ছেলের কাধের উপর শুয়ে হাতে হাত রেখে বসে আছে। আমরা সবাই দেখছি। কিন্তু কেউ কিছু বলছি না। এটা আসলে আমাদেরই দোষ।তিনি আরো বলেন, আমাদের ধর্মীও মতে তো এভাবে জোড়ায় জোড়ায় বন্ধু-বান্ধবীদের
সাথে বসে সময় কাটানো কোন ভাবেই সম্মতি দেয়না। বিয়ের আগে কোন ছেলে মেয়ে প্রেম, ভালবাসাতো
ইসলাম কখনই সমর্থন করে না। প্রেম ভালোবাসাতো
দূরের কথা প্রয়োজন ছাড়া কথাও বলা যাবেনা। কিন্তু প্রেম ভালবাসার নামে এসব ছেলে-মেয়েরা এখন নোংরামি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।এ ব্যাপারে বিসিসির ভারপ্রাপ্ত
প্রধান নির্বাহী জানান,মুক্তিযোদ্ধা পার্কে সকালে একজন, বিকালে একজন গার্ড রয়েছে তার পরও এমন ঘটনা ঘটলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
No comments:
Post a Comment