শহিদুল
ইসলাম
. গত সোমবার ছিল ২৬ শে
মার্চ মহান
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।যথাযোগ্য মর্যাদায়
সারাদেশে পালিত
হয় দিবসটি।এদিন
সরকারী, বেসরকারী
ও স্বায়ত্বশাসিত
সহ সকল
প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা
উত্তোলনের আইন থাকা সত্বেও বরিশাল
নগরীতে সরকারী, বেসরকারী
ও স্বায়ত্বশাসিত
সহ অধিকংস
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করা হয়নি
জাতীয় পতাকা।ওই
সব প্রতিষ্ঠানের
পিয়ন থেকে
শুরু করে
উচ্চ পদস্হ
কর্মকর্তারা ও পতাকা উত্তোলন না
করার ব্যাপারে
কোন যুক্তি
সংগত কারন
বলতে পারেনি।
তবে কেউ
কেউ বলেছেন
ছুটি থাকায়
কেউ আসেনি
তাই পতাকা
উত্তোলন করা
হয়নি।অবশ্য দু একজন ভুল স্বীকার
করেন।স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও বরিশাল
নগরীতে জাতীয়
পতাকাকে অবমাননা
করা হয়েছে
বলে মনে
করেন সচেতন
মহল।শুধুমাত্র স্বাধীনতা দিবসে নয়,বিশেষ
বিশেষ দিবসে
সরকারী বেসরকারী
প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা
উত্তোলন বাধ্যতামুলক
থাকলেও খোদ
সরকারী প্রতিষ্ঠানেই
এ নির্দেশ
উপেক্ষিত হচ্ছে।এ
ব্যাপারে প্রশাসনের
তৎপরতাও চোখে
পড়েনি।গতকাল সোমবার স্বাধীনতা দিবসে নগরীর
বিভিন্ন এলাকা
ঘুরে দেখা
গেছে, মেজর
এমএ জলিল
সড়ক এলাকায়
পরিবেশ অধিদপ্তর
বিভাগীয় কার্যালয়
বেলা ১০টার
দিকেও জাতীয়
পতাকা উত্তোলন
করা হয়নি,সাংবাদিক ছবি
তোলার পরে
অবশ্য দেখা
যায় পতাকা
উত্তোলনের চিত্র।এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের
পরিচালক আরেফিন
বাদল ভুল
স্বীকার করে
বলেন আমি
ছুটিতে থাকায়
এমনটি হয়েছে,
যাদের দায়িত্ব
দেয়া হয়ে
তাদের বিরুদ্ধে
আইনানুক ব্যবস্হা
নেয়া হবে।সিএন্ডবি
রোডস্হ উপজেলা
নির্বাচন কমিশন
কার্যালয়, উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়,
উপজেলা কৃষি
উন্নায়ন কার্যালয়,
আমতলার মোড়,সমাজ কল্যান
অধিদপ্তর,সমবায়
কার্যালয়, উপজেলা শিক্ষা অধিদপ্তর,বটতলা
অগ্রানী ব্যাংক,
বীমা ও
মোবাইল কোম্পানির
শোরুম সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
থেকে শুরু
করে অসংখ্যা
স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন
করা হয়নি।সচেতন
মহলের অনেকেই
জানান,স্বাধীনতা
ও বিজয়
দিবসে যে
সকল প্রতিষ্ঠানে
জাতীয় পতাকা
উত্তোলন করেনি
সে সব
প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া উচিত।তারা
আর ও
বলেন,প্রশাসনকে
এ ব্যাপারে
কঠোর হতে
হবে।প্রশাসন ব্যবস্হা গ্রহন না করলে
শহীদের প্রতি
অবমাননা দিন
দিন বেড়ে
যাবে।
শহিদুল
ইসলাম
. গত সোমবার ছিল ২৬ শে
মার্চ মহান
স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।যথাযোগ্য মর্যাদায়
সারাদেশে পালিত
হয় দিবসটি।এদিন
সরকারী, বেসরকারী
ও স্বায়ত্বশাসিত
সহ সকল
প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা
উত্তোলনের আইন থাকা সত্বেও বরিশাল
নগরীতে সরকারী, বেসরকারী
ও স্বায়ত্বশাসিত
সহ অধিকংস
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে উত্তোলন করা হয়নি
জাতীয় পতাকা।ওই
সব প্রতিষ্ঠানের
পিয়ন থেকে
শুরু করে
উচ্চ পদস্হ
কর্মকর্তারা ও পতাকা উত্তোলন না
করার ব্যাপারে
কোন যুক্তি
সংগত কারন
বলতে পারেনি।
তবে কেউ
কেউ বলেছেন
ছুটি থাকায়
কেউ আসেনি
তাই পতাকা
উত্তোলন করা
হয়নি।অবশ্য দু একজন ভুল স্বীকার
করেন।স্বাধীনতার ৪৭ বছর পরেও বরিশাল
নগরীতে জাতীয়
পতাকাকে অবমাননা
করা হয়েছে
বলে মনে
করেন সচেতন
মহল।শুধুমাত্র স্বাধীনতা দিবসে নয়,বিশেষ
বিশেষ দিবসে
সরকারী বেসরকারী
প্রতিষ্ঠানগুলোতে জাতীয় পতাকা
উত্তোলন বাধ্যতামুলক
থাকলেও খোদ
সরকারী প্রতিষ্ঠানেই
এ নির্দেশ
উপেক্ষিত হচ্ছে।এ
ব্যাপারে প্রশাসনের
তৎপরতাও চোখে
পড়েনি।গতকাল সোমবার স্বাধীনতা দিবসে নগরীর
বিভিন্ন এলাকা
ঘুরে দেখা
গেছে, মেজর
এমএ জলিল
সড়ক এলাকায়
পরিবেশ অধিদপ্তর
বিভাগীয় কার্যালয়
বেলা ১০টার
দিকেও জাতীয়
পতাকা উত্তোলন
করা হয়নি,সাংবাদিক ছবি
তোলার পরে
অবশ্য দেখা
যায় পতাকা
উত্তোলনের চিত্র।এ ব্যাপারে পরিবেশ অধিদপ্তরের
পরিচালক আরেফিন
বাদল ভুল
স্বীকার করে
বলেন আমি
ছুটিতে থাকায়
এমনটি হয়েছে,
যাদের দায়িত্ব
দেয়া হয়ে
তাদের বিরুদ্ধে
আইনানুক ব্যবস্হা
নেয়া হবে।সিএন্ডবি
রোডস্হ উপজেলা
নির্বাচন কমিশন
কার্যালয়, উপজেলা সমাজ সেবা কার্যালয়,
উপজেলা কৃষি
উন্নায়ন কার্যালয়,
আমতলার মোড়,সমাজ কল্যান
অধিদপ্তর,সমবায়
কার্যালয়, উপজেলা শিক্ষা অধিদপ্তর,বটতলা
অগ্রানী ব্যাংক,
বীমা ও
মোবাইল কোম্পানির
শোরুম সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
থেকে শুরু
করে অসংখ্যা
স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন
করা হয়নি।সচেতন
মহলের অনেকেই
জানান,স্বাধীনতা
ও বিজয়
দিবসে যে
সকল প্রতিষ্ঠানে
জাতীয় পতাকা
উত্তোলন করেনি
সে সব
প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্হা নেওয়া উচিত।তারা
আর ও
বলেন,প্রশাসনকে
এ ব্যাপারে
কঠোর হতে
হবে।প্রশাসন ব্যবস্হা গ্রহন না করলে
শহীদের প্রতি
অবমাননা দিন
দিন বেড়ে
যাবে।
No comments:
Post a Comment