শামীম আহমেদ .
আগামী
১৩
জুন
থেকে
বিআইডব্লিউটিসি’র ঈদ স্পেশাল
সার্ভিস
শুরু
হচ্ছে।
যা
চলবে
ঈদের
পর
২৪
জুন
পর্যন্ত।
ঈদের
আগে
ঘরমুখো
মানুষ
আর
ঈদের
পরে
কর্মমূখী
মানুষের
বাড়তি
চাপ
সামলাতেই
প্রতিবছর
বেসরকারি
লঞ্চগুলোর
পাশাপাশি
স্পেশাল
সার্ভিসের
ব্যবস্থা
করে
আসছে
বিআইডব্লিউটিসি।
ধারাবাহিকতায়
গতবারের
মতো
এবারেও
ঈদের
বিশেষ
সার্ভিসে
যুক্ত
হচ্ছে
প্রায়
৯০
বছর
বা
৯
দশক
পার
করতে
যাওয়া
স্টিমারসহ
বিআইডব্লিউটিসি’র ৬টি নৌযান।
যে
৬টি
জাহাজ
নিয়মিত
সার্ভিসের
পাশাপাশি
বিশেষ
সার্ভিসে
যুক্ত
হয়ে
ঢাকা
থেকে
দক্ষিণাঞ্চলের
জেলাগুলোতে
যাত্রী
পরিবহন
করবে।
বিআইডব্লিউটিসি
সূ্ত্ের
জানা
গেছে,
বিআইডব্লিউটিসি’র সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ
যাত্রীসেবা
কার্যক্রম
পরিচালনা
হয়ে
থাকে
ঢাকা
থেকে
চাঁদপুর
হয়ে
বরিশাল,
ঝালকাঠি,
পিরোজপুর,
বাগেরহাটের
মোড়লগঞ্জ
ও
মংলা
নৌ-রুটে। পাশাপাশি
ঢাকা
থেকে
খুলনায়ও
পরিচালিত
হয়ে
থাকে
যাত্রীসেবা
কার্যক্রম।
দক্ষিণাঞ্চলের
এ
সব
রুটে
যাত্রীসেবায়
দীর্ঘবছর
ধরে
নিয়োজিত
রয়েছে
প্রায়
৯০
বছরের
পুরোনোসহ
বেশ
কয়েকটি
প্যাডেল
স্টিমার।
যার
মধ্যে
১৯২৯
সালে
নির্মিত
পিএস
অস্ট্রিচ
ও
পিএস
মাহসুদ
১৯৩৮
সালে
পিএস
লেপচা
আর
১৯৫০
সালের
পিএস
টার্ন
নামক
প্যাডেল
স্টিমার
রয়েছে।
তবে
১৯২৯
সালে
তৈরি
পিএস
গাজী
ও
১৯৫১
সালের
পিএস
শেলা
নামের
আরো
একটি
প্যাডেল
স্টিমার
ছিলো
বিআইডব্লিউটিসি’র। যার মধ্যে গাজী ১৯৯৮ সালে অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শেলা বছর পাঁচেক আগে সার্ভিস
থেকে
বাতিল
হয়ে
যায়।
এদিকে
বর্তমান
সরকার
দক্ষিণাঞ্চলের
যাত্রীদের
কথা
চিন্তা
করে
২০১৪
ও
২০১৫
সালে
বিআইডব্লিউটিসি’র যাত্রী
পরিবহনের
বহরে
সংযুক্ত
করে
এমভি
বাঙ্গালী
ও
এমভি
মধুমতি
নামের
২টি
বিলাসবহুল
জাহাজ।
তাই
গত
কয়েকবছর
ধরে
ঈদ-কোরবানিতে
স্পেশাল
সার্ভিসে
৪টি
প্যাডেল
স্টিমারের
সঙ্গে
নতুন
দু’টি জাহাজও
ঢাকা
থেকে
চাঁদপুর-বরিশাল
হয়ে
দক্ষিণাঞ্চলে
যাত্রীসেবা
দিয়ে
আসছে।
আর
প্রতিবছরই
এসব
উৎসবের
আগে
জাহাজগুলোকে
নিয়মিত
সার্ভিসের
আওতায়
নিয়ে
আসা
হয়।
তেমন
একটা
দুর্ঘটনা
না
ঘটলেও
যাত্রীদের
মাঝে
প্রায়
৯০
বছরের
পুরোনো
প্যাডেল
স্টিমারে
চড়ে
গন্তব্যে
যাওয়া
নিয়ে
থাকে
নানান
শঙ্কা।
এর
মূল
কারণ
থাকে
যান্ত্রিক
নানান
ত্রুটি।
ফলে
প্রায়ই
মাঝ
নদীতে
বিকল
হয়ে
পড়তে
হয়
প্যাডেল
স্টিমারগুলোকে।
তবে
স্পেশাল
সার্ভিসে
এমন
কোনো
সমস্যা
হবে
না
বলে
আশাবাদ
ব্যক্ত
করেছেন
বিআইডব্লিউটিসি’র বরিশাল
কার্যালয়ের
সহকারী
মহাব্যবস্থাপক
সৈয়দ
আবুল
কালাম
আজাদ।
তিনি
বলেন,
সম্প্রতি
প্রতিটি
জাহাজেরই
যতটুকু
প্রয়োজন
ততটুকু
মেরামত
করা
হয়েছে।
পাশাপাশি
যাত্রা
পথের
যেকোনো
ঝামেলা
মোকাবেলায়
প্রতিটি
জাহাজে
থাকবে
টেকনিশিয়ান।
আর
প্রকৌশলীরাও
মাঠ
পর্যায়ে
কাজ
করবেন।
যাত্রীদের
নিরাপদে
ও
নির্দিষ্ট
সময়ে
গন্তব্যে
পৌঁছে
দিতে
বিআইডব্লিউটিসি’র সব প্রস্তুতি
সম্পন্ন
করা
হয়েছে।
ফলে
এবার
স্টিমার
সার্ভিসে
ঈদে
বাড়ি
ফেরা
এবং
ঈদের
পরে
কর্মস্থলে
যাওয়া
যাত্রীরা
নির্বিঘ্নে
যাত্রা
করতে
পারবেন।
তিনি
বলেন,
আমাদের
ছয়টি
জাহাজের
ঢাকা
বরিশাল
রুটে
৪টি
এবং
চাঁদপুর
থেকে
মোড়লগঞ্জ
রুটে
২টি
স্টিমার
চলাচল
করার
কথা
রয়েছে।
জাহাজগুলোতে
সরকারি
রেট
অনুযায়ী
ঢাকা
থেকে
বরিশাল
পর্যন্ত
যাত্রীপ্রতি
ডেকের
ভাড়া
১৭০
টাকা
এবং
কেবিনের
ভাড়া
শ্রেণি
প্রতি
১
হাজার
থেকে
৩
হাজার
৩২৫
টাকা
পর্যন্ত
রয়েছে।
তবে
ভিআইপি
বা
ফ্যামিলি
স্যুট
এসি
কেবিন
শুধুমাত্র
এমভি
বাঙ্গালী
ও
মধুমতিতেই
পাওয়া
যাবে।
তিনি
আরো
বলেন,
সরকারি
সংস্থা
হওয়ায়
জাহাজের
ভাড়া
বৃদ্ধির
কোনো
কারণ
নেই।
ঈদে
ঘরমুখো
যাত্রীদের
ভোগান্তি
লাঘবে
জাহাজের
৫০
ভাগ
টিকিটের
আবেদন
১৫
রমজান
থেকে
অনলাইনে
দেওয়া
হয়েছে।
এদিকে
বরিশাল
থেকে
লক্ষ্মীপুরের
মজু
চৌধুরির
হাট
রুটে
বিআইডব্লিউটিসি’র সি-ট্রাক সার্ভিস
চালু
থাকার
কথা
থাকলেও
তা
দীর্ঘদিন
ধরে
বন্ধ
রয়েছে।
তাই
বরিশাল
থেকে
বৃহত্তর
চট্টগ্রাম
বিভাগের
ওই
রুটে
সরকারি
এ
সংস্থার
যাত্রীসেবার
কোনো
পরিকল্পনা
নেই।
এ
বিষয়ে
বিআইডব্লিউটিসি’র বরিশাল
কার্যালয়ের
সহকারী
মহাব্যবস্থাপক
সৈয়দ
আবুল
কালাম
আজাদ
বলেন,
বরিশাল
অঞ্চলের
আভ্যন্তরীণ
নৌ-রুটে বিআইডব্লিউটিসি’র বেশ কয়েকটি
সি-ট্রাক নিয়মিত
চলাচল
করে।
যার
মধ্যে
বরিশাল-মজু চৌধুরীর
হাট
রুটে
খিজির-৮ চলাচল করতো। তবে যাত্রী
কম
হওয়ায়
ইজারাদাররা
লোকসানের
অজুহাতে
এ
রুটটিতে
সি-ট্রাক চালাচ্ছে
না।
তারা
এ
বিষয়ে
ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষকে
অবহিতও
করেছেন।
তারা
বর্তমানে
ভোলার
ইলিশা
থেকে
মজু
চৌধুরীর
হাট
পর্যন্ত
সুকান্ত
বাবু,
খিজির-৫, খিজির-৮ নামক সি-ট্রাক নিয়মিত
পরিচালনা
করছে।
এছাড়া
মনপুরা
থেকে
শশিগঞ্জ
রুটে
শেখ
কামাল
যাত্রী
পরিবহন
করছে।
আর
খিজির-৭ এর সংস্কার
কাজ
চলায়
সে
এখন
ডকে
রয়েছে।
তিনি
বলেন,
কোনো
সমস্যা
ছাড়াই
যেখানে
যা
আছে
তা
দিয়ে
ঈদে
যাত্রীসেবা
দেওয়া
সম্ভব
হবে।
শামীম আহমেদ .
আগামী
১৩
জুন
থেকে
বিআইডব্লিউটিসি’র ঈদ স্পেশাল
সার্ভিস
শুরু
হচ্ছে।
যা
চলবে
ঈদের
পর
২৪
জুন
পর্যন্ত।
ঈদের
আগে
ঘরমুখো
মানুষ
আর
ঈদের
পরে
কর্মমূখী
মানুষের
বাড়তি
চাপ
সামলাতেই
প্রতিবছর
বেসরকারি
লঞ্চগুলোর
পাশাপাশি
স্পেশাল
সার্ভিসের
ব্যবস্থা
করে
আসছে
বিআইডব্লিউটিসি।
ধারাবাহিকতায়
গতবারের
মতো
এবারেও
ঈদের
বিশেষ
সার্ভিসে
যুক্ত
হচ্ছে
প্রায়
৯০
বছর
বা
৯
দশক
পার
করতে
যাওয়া
স্টিমারসহ
বিআইডব্লিউটিসি’র ৬টি নৌযান।
যে
৬টি
জাহাজ
নিয়মিত
সার্ভিসের
পাশাপাশি
বিশেষ
সার্ভিসে
যুক্ত
হয়ে
ঢাকা
থেকে
দক্ষিণাঞ্চলের
জেলাগুলোতে
যাত্রী
পরিবহন
করবে।
বিআইডব্লিউটিসি
সূ্ত্ের
জানা
গেছে,
বিআইডব্লিউটিসি’র সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ
যাত্রীসেবা
কার্যক্রম
পরিচালনা
হয়ে
থাকে
ঢাকা
থেকে
চাঁদপুর
হয়ে
বরিশাল,
ঝালকাঠি,
পিরোজপুর,
বাগেরহাটের
মোড়লগঞ্জ
ও
মংলা
নৌ-রুটে। পাশাপাশি
ঢাকা
থেকে
খুলনায়ও
পরিচালিত
হয়ে
থাকে
যাত্রীসেবা
কার্যক্রম।
দক্ষিণাঞ্চলের
এ
সব
রুটে
যাত্রীসেবায়
দীর্ঘবছর
ধরে
নিয়োজিত
রয়েছে
প্রায়
৯০
বছরের
পুরোনোসহ
বেশ
কয়েকটি
প্যাডেল
স্টিমার।
যার
মধ্যে
১৯২৯
সালে
নির্মিত
পিএস
অস্ট্রিচ
ও
পিএস
মাহসুদ
১৯৩৮
সালে
পিএস
লেপচা
আর
১৯৫০
সালের
পিএস
টার্ন
নামক
প্যাডেল
স্টিমার
রয়েছে।
তবে
১৯২৯
সালে
তৈরি
পিএস
গাজী
ও
১৯৫১
সালের
পিএস
শেলা
নামের
আরো
একটি
প্যাডেল
স্টিমার
ছিলো
বিআইডব্লিউটিসি’র। যার মধ্যে গাজী ১৯৯৮ সালে অগ্নিকা-ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শেলা বছর পাঁচেক আগে সার্ভিস
থেকে
বাতিল
হয়ে
যায়।
এদিকে
বর্তমান
সরকার
দক্ষিণাঞ্চলের
যাত্রীদের
কথা
চিন্তা
করে
২০১৪
ও
২০১৫
সালে
বিআইডব্লিউটিসি’র যাত্রী
পরিবহনের
বহরে
সংযুক্ত
করে
এমভি
বাঙ্গালী
ও
এমভি
মধুমতি
নামের
২টি
বিলাসবহুল
জাহাজ।
তাই
গত
কয়েকবছর
ধরে
ঈদ-কোরবানিতে
স্পেশাল
সার্ভিসে
৪টি
প্যাডেল
স্টিমারের
সঙ্গে
নতুন
দু’টি জাহাজও
ঢাকা
থেকে
চাঁদপুর-বরিশাল
হয়ে
দক্ষিণাঞ্চলে
যাত্রীসেবা
দিয়ে
আসছে।
আর
প্রতিবছরই
এসব
উৎসবের
আগে
জাহাজগুলোকে
নিয়মিত
সার্ভিসের
আওতায়
নিয়ে
আসা
হয়।
তেমন
একটা
দুর্ঘটনা
না
ঘটলেও
যাত্রীদের
মাঝে
প্রায়
৯০
বছরের
পুরোনো
প্যাডেল
স্টিমারে
চড়ে
গন্তব্যে
যাওয়া
নিয়ে
থাকে
নানান
শঙ্কা।
এর
মূল
কারণ
থাকে
যান্ত্রিক
নানান
ত্রুটি।
ফলে
প্রায়ই
মাঝ
নদীতে
বিকল
হয়ে
পড়তে
হয়
প্যাডেল
স্টিমারগুলোকে।
তবে
স্পেশাল
সার্ভিসে
এমন
কোনো
সমস্যা
হবে
না
বলে
আশাবাদ
ব্যক্ত
করেছেন
বিআইডব্লিউটিসি’র বরিশাল
কার্যালয়ের
সহকারী
মহাব্যবস্থাপক
সৈয়দ
আবুল
কালাম
আজাদ।
তিনি
বলেন,
সম্প্রতি
প্রতিটি
জাহাজেরই
যতটুকু
প্রয়োজন
ততটুকু
মেরামত
করা
হয়েছে।
পাশাপাশি
যাত্রা
পথের
যেকোনো
ঝামেলা
মোকাবেলায়
প্রতিটি
জাহাজে
থাকবে
টেকনিশিয়ান।
আর
প্রকৌশলীরাও
মাঠ
পর্যায়ে
কাজ
করবেন।
যাত্রীদের
নিরাপদে
ও
নির্দিষ্ট
সময়ে
গন্তব্যে
পৌঁছে
দিতে
বিআইডব্লিউটিসি’র সব প্রস্তুতি
সম্পন্ন
করা
হয়েছে।
ফলে
এবার
স্টিমার
সার্ভিসে
ঈদে
বাড়ি
ফেরা
এবং
ঈদের
পরে
কর্মস্থলে
যাওয়া
যাত্রীরা
নির্বিঘ্নে
যাত্রা
করতে
পারবেন।
তিনি
বলেন,
আমাদের
ছয়টি
জাহাজের
ঢাকা
বরিশাল
রুটে
৪টি
এবং
চাঁদপুর
থেকে
মোড়লগঞ্জ
রুটে
২টি
স্টিমার
চলাচল
করার
কথা
রয়েছে।
জাহাজগুলোতে
সরকারি
রেট
অনুযায়ী
ঢাকা
থেকে
বরিশাল
পর্যন্ত
যাত্রীপ্রতি
ডেকের
ভাড়া
১৭০
টাকা
এবং
কেবিনের
ভাড়া
শ্রেণি
প্রতি
১
হাজার
থেকে
৩
হাজার
৩২৫
টাকা
পর্যন্ত
রয়েছে।
তবে
ভিআইপি
বা
ফ্যামিলি
স্যুট
এসি
কেবিন
শুধুমাত্র
এমভি
বাঙ্গালী
ও
মধুমতিতেই
পাওয়া
যাবে।
তিনি
আরো
বলেন,
সরকারি
সংস্থা
হওয়ায়
জাহাজের
ভাড়া
বৃদ্ধির
কোনো
কারণ
নেই।
ঈদে
ঘরমুখো
যাত্রীদের
ভোগান্তি
লাঘবে
জাহাজের
৫০
ভাগ
টিকিটের
আবেদন
১৫
রমজান
থেকে
অনলাইনে
দেওয়া
হয়েছে।
এদিকে
বরিশাল
থেকে
লক্ষ্মীপুরের
মজু
চৌধুরির
হাট
রুটে
বিআইডব্লিউটিসি’র সি-ট্রাক সার্ভিস
চালু
থাকার
কথা
থাকলেও
তা
দীর্ঘদিন
ধরে
বন্ধ
রয়েছে।
তাই
বরিশাল
থেকে
বৃহত্তর
চট্টগ্রাম
বিভাগের
ওই
রুটে
সরকারি
এ
সংস্থার
যাত্রীসেবার
কোনো
পরিকল্পনা
নেই।
এ
বিষয়ে
বিআইডব্লিউটিসি’র বরিশাল
কার্যালয়ের
সহকারী
মহাব্যবস্থাপক
সৈয়দ
আবুল
কালাম
আজাদ
বলেন,
বরিশাল
অঞ্চলের
আভ্যন্তরীণ
নৌ-রুটে বিআইডব্লিউটিসি’র বেশ কয়েকটি
সি-ট্রাক নিয়মিত
চলাচল
করে।
যার
মধ্যে
বরিশাল-মজু চৌধুরীর
হাট
রুটে
খিজির-৮ চলাচল করতো। তবে যাত্রী
কম
হওয়ায়
ইজারাদাররা
লোকসানের
অজুহাতে
এ
রুটটিতে
সি-ট্রাক চালাচ্ছে
না।
তারা
এ
বিষয়ে
ঊর্ধ্বতন
কর্তৃপক্ষকে
অবহিতও
করেছেন।
তারা
বর্তমানে
ভোলার
ইলিশা
থেকে
মজু
চৌধুরীর
হাট
পর্যন্ত
সুকান্ত
বাবু,
খিজির-৫, খিজির-৮ নামক সি-ট্রাক নিয়মিত
পরিচালনা
করছে।
এছাড়া
মনপুরা
থেকে
শশিগঞ্জ
রুটে
শেখ
কামাল
যাত্রী
পরিবহন
করছে।
আর
খিজির-৭ এর সংস্কার
কাজ
চলায়
সে
এখন
ডকে
রয়েছে।
তিনি
বলেন,
কোনো
সমস্যা
ছাড়াই
যেখানে
যা
আছে
তা
দিয়ে
ঈদে
যাত্রীসেবা
দেওয়া
সম্ভব
হবে।
No comments:
Post a Comment