শহিদুল ইসলাম . সাবেক মেয়র
সওকত হোসেন
হিরন তার
আমলের শেষ
সময়ে চৌমাথা
থেকে রুইয়া
পর্যন্ত কোটি
টাকা ব্যয়ে
সড়কটি প্রস্হত করা সহ নতুন
রুপে নগরবাসির
চলাচলের জন্য
উপযোগী করেন
তিনি।তখন জনগনের
কাছ থেকে
প্রসংশা কুরিয়ে
ছিলেন। ২-
৩ বছর
ভাল ভাবেই
যাতায়াত করছিল
ঐ অঞলের
মানুষ।ধীরে ধীরে সড়কটিতে খানাখন্দ হওয়ায়
পদচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে থাকে।১৩
সালে ক্ষমতার
পালা বদল
হওয়ায় কামাল
সাহেব এই
সড়কটি দিয়ে
চলাচল করলে
তার ভুমিকা
ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।
ততক্ষনে সড়কটির
বারোটা বেজে
যায়,বিসিসির
পক্ষ থেকে
প্রতি বছর
রাস্তা ঘাট
সংস্কার করার
কথা থাকলে
তা করা
হয়নি।স্হানীয় পত্রিকায় কয়েক বার লেখা
লেখি করার
কারনে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে
গত বছর
কোন রকমের
খোয়া দিয়ে
দায় সারা
ভাবে সড়ক
সংস্কার করা
হয়। দুঃখের
বিষয় দুই
মাস যেতে
না যেতেই
খোয়া উঠে
গিয়ে যেই
লাউ সেই
কদুতে পরিনত
হয়েছে।ফের সড়কটির বেহাল দশা, সড়ক
নয় যেন
মৃত্যু কুপ।
চলাচলের অনউপযোগী
হয়ে পড়েছে
বৃষ্টি পানি
জমে গিয়ে
এই সড়কের
অধিকাংশ জায়গা
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সড়কটিতে বড় বড় গর্ত
তৈরি হয়েছে।খানাখন্দে
ভরে গেছে
সড়ক। কিন্তু
সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। এই
এক সড়কের
কারণেই সারা
বছর আমাদের
ভোগান্তি পোহাতে
হয়।ঐ এলাকার
বাসিন্দা আইনজীবী
হায়দার মিরা
এ প্রতিবেদককে
কথাগুলো ক্ষোপের
সাথে বলেন।
শুধু তিনি
নন ২৩.
২২.২৭.নং ওয়ার্ড
সহ ঝালকাঠি,কড়াপুর, সুগন্ধিয়া
সহ দুরদুরান্ত
থেকে আসা
প্রায় লক্ষাধিক
মানুষকে প্রতিদিন
চরম ভোগান্তি
পোহাতে হচ্ছে।চৌমাথা
থেকে রুইয়া
সড়কে দীর্ঘদিন
ধরে অটোরিকসা
চালান মো.
আলমগীর। আলমগীরও
সড়কের বেহাল
অবস্থার কারণে
ক্ষুব্ধ। তিনি
বলেন, সন্ধ্যার
পর এলাকায়
আমরা অটোরিকসা
চালাই না।
তার একটাই
কারণ রাস্তার
বেহাল দশা।
যেকোন সময়
গর্তে পড়ে
আমরা মরমু,
যাত্রীও মরবো।জিয়া
সড়ক এলাকার
বাসিন্দা আকবর
আলী বলেন,আমার বয়স
৪০ বছর
একটি বছর
ও এ
সড়কটি দিয়ে
চলাচল করতে
পারি নাই,বর্ষার মৌসুম
এলেই সড়কের ক্ষত-বিক্ষত চেহারা
ভেসে ওঠে।
বছরের পর
বছর এই
অবস্থা চললেও
কর্তৃপক্ষ সড়কটি উঁচুকরণের উদ্যোগ নিচ্ছে
না। ফলে
আমাদের ভোগান্তিও
শেষ হচ্ছে
না।কলেজ ছাত্র
ফরহাদ আহমদ
বলেন, এই
সড়ক দিয়া
কেউ অটোরিকসা,
রিকসা চালকরা
আসতে চায়
না ‘রাস্তা
ভালো না’
অজুহাতে। তাদের
বাড়তি ভাড়া
দিয়ে যাতায়াত
করতে হয়।
কিন্তু প্রতিদিন
বাড়তি ভাড়া
দেয়া আমাদের
মতো শিক্ষার্থীদের
পক্ষে সম্ভব
না। আমরা
চাই সড়কটি
দ্রুত মেরামত
করা হোক।খান
সড়ক এলাকার
বাসিন্দা শামীম
আহমদ বলেন,
নগরীর ৩/৪ ওয়ার্ডের
প্রায় লক্ষাধিক
লোক চলচল
করে। যেকোন
প্রয়োজনেই আমাদের শহরে আসতে হয়।
শহরে আসতে
গেলেই ভাঙাচুরা
সড়কে দুর্ভোগের
সীমা থাকে
না। বিশেষ
করে রোগী
হাসপাতালে নিয়ে যেতে আমাদের দুর্ভোগের
সীমা ছাড়িয়ে
যায়।এছাড়া ব্যবসায়ীরা মালামাল আনতে গিয়ে
সমস্যায় পড়েন।
বাড়তি পরিবহন
ভাড়া গুনতে
হচ্ছে তাদের।
রুইয়া এলাকার
মনোয়ারা বেগম
বলেন, রাস্তায়
দুই পাশে
গর্ত, মধ্য
খানে গর্ত
ছোট ছোট
শিশুরা স্কুলে
করতে গেলেও
ভয়ে থাকি
যদি গর্তে
পড়ে যায়।
প্রতিদিনই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে।
আমাদের দাবি,
দ্রুত যেন
সড়কটি মেরামত
করা হয়।
এ ব্যাপারে
বিসিসির প্রধান
নির্বাহী কর্মকর্তা
মোঃ ওহেদুজ্জামানের
সাথে মুঠো
ফোনে যোগাযোগ
করা হলে
বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি জানান।স্হানীয়
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, ২২'২৩' ও
২৭ নং
ওয়ার্ডের সাধারন
কাউন্সিলর সহ সংরক্ষিত কাউন্সিলর তারা
ও তো
এই সড়কটি
দিয়ে চলাচল
করে তাদের
কি চোখে
পড়ছে না
রাস্তার করুন
দশা। ওয়ার্ড
লোকজন তাদের
ভোট দিয়ে
নির্বাচিত করেছেন।তারা ভুলে গেছেন।এবার আর
তা হবে
না। এবার
ব্যালোটের মাধ্যামে জবাব দেওয়া হবে।
শহিদুল ইসলাম . সাবেক মেয়র
সওকত হোসেন
হিরন তার
আমলের শেষ
সময়ে চৌমাথা
থেকে রুইয়া
পর্যন্ত কোটি
টাকা ব্যয়ে
সড়কটি প্রস্হত করা সহ নতুন
রুপে নগরবাসির
চলাচলের জন্য
উপযোগী করেন
তিনি।তখন জনগনের
কাছ থেকে
প্রসংশা কুরিয়ে
ছিলেন। ২-
৩ বছর
ভাল ভাবেই
যাতায়াত করছিল
ঐ অঞলের
মানুষ।ধীরে ধীরে সড়কটিতে খানাখন্দ হওয়ায়
পদচারীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটতে থাকে।১৩
সালে ক্ষমতার
পালা বদল
হওয়ায় কামাল
সাহেব এই
সড়কটি দিয়ে
চলাচল করলে
তার ভুমিকা
ছিল প্রশ্নবিদ্ধ।
ততক্ষনে সড়কটির
বারোটা বেজে
যায়,বিসিসির
পক্ষ থেকে
প্রতি বছর
রাস্তা ঘাট
সংস্কার করার
কথা থাকলে
তা করা
হয়নি।স্হানীয় পত্রিকায় কয়েক বার লেখা
লেখি করার
কারনে সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে
গত বছর
কোন রকমের
খোয়া দিয়ে
দায় সারা
ভাবে সড়ক
সংস্কার করা
হয়। দুঃখের
বিষয় দুই
মাস যেতে
না যেতেই
খোয়া উঠে
গিয়ে যেই
লাউ সেই
কদুতে পরিনত
হয়েছে।ফের সড়কটির বেহাল দশা, সড়ক
নয় যেন
মৃত্যু কুপ।
চলাচলের অনউপযোগী
হয়ে পড়েছে
বৃষ্টি পানি
জমে গিয়ে
এই সড়কের
অধিকাংশ জায়গা
ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।সড়কটিতে বড় বড় গর্ত
তৈরি হয়েছে।খানাখন্দে
ভরে গেছে
সড়ক। কিন্তু
সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। এই
এক সড়কের
কারণেই সারা
বছর আমাদের
ভোগান্তি পোহাতে
হয়।ঐ এলাকার
বাসিন্দা আইনজীবী
হায়দার মিরা
এ প্রতিবেদককে
কথাগুলো ক্ষোপের
সাথে বলেন।
শুধু তিনি
নন ২৩.
২২.২৭.নং ওয়ার্ড
সহ ঝালকাঠি,কড়াপুর, সুগন্ধিয়া
সহ দুরদুরান্ত
থেকে আসা
প্রায় লক্ষাধিক
মানুষকে প্রতিদিন
চরম ভোগান্তি
পোহাতে হচ্ছে।চৌমাথা
থেকে রুইয়া
সড়কে দীর্ঘদিন
ধরে অটোরিকসা
চালান মো.
আলমগীর। আলমগীরও
সড়কের বেহাল
অবস্থার কারণে
ক্ষুব্ধ। তিনি
বলেন, সন্ধ্যার
পর এলাকায়
আমরা অটোরিকসা
চালাই না।
তার একটাই
কারণ রাস্তার
বেহাল দশা।
যেকোন সময়
গর্তে পড়ে
আমরা মরমু,
যাত্রীও মরবো।জিয়া
সড়ক এলাকার
বাসিন্দা আকবর
আলী বলেন,আমার বয়স
৪০ বছর
একটি বছর
ও এ
সড়কটি দিয়ে
চলাচল করতে
পারি নাই,বর্ষার মৌসুম
এলেই সড়কের ক্ষত-বিক্ষত চেহারা
ভেসে ওঠে।
বছরের পর
বছর এই
অবস্থা চললেও
কর্তৃপক্ষ সড়কটি উঁচুকরণের উদ্যোগ নিচ্ছে
না। ফলে
আমাদের ভোগান্তিও
শেষ হচ্ছে
না।কলেজ ছাত্র
ফরহাদ আহমদ
বলেন, এই
সড়ক দিয়া
কেউ অটোরিকসা,
রিকসা চালকরা
আসতে চায়
না ‘রাস্তা
ভালো না’
অজুহাতে। তাদের
বাড়তি ভাড়া
দিয়ে যাতায়াত
করতে হয়।
কিন্তু প্রতিদিন
বাড়তি ভাড়া
দেয়া আমাদের
মতো শিক্ষার্থীদের
পক্ষে সম্ভব
না। আমরা
চাই সড়কটি
দ্রুত মেরামত
করা হোক।খান
সড়ক এলাকার
বাসিন্দা শামীম
আহমদ বলেন,
নগরীর ৩/৪ ওয়ার্ডের
প্রায় লক্ষাধিক
লোক চলচল
করে। যেকোন
প্রয়োজনেই আমাদের শহরে আসতে হয়।
শহরে আসতে
গেলেই ভাঙাচুরা
সড়কে দুর্ভোগের
সীমা থাকে
না। বিশেষ
করে রোগী
হাসপাতালে নিয়ে যেতে আমাদের দুর্ভোগের
সীমা ছাড়িয়ে
যায়।এছাড়া ব্যবসায়ীরা মালামাল আনতে গিয়ে
সমস্যায় পড়েন।
বাড়তি পরিবহন
ভাড়া গুনতে
হচ্ছে তাদের।
রুইয়া এলাকার
মনোয়ারা বেগম
বলেন, রাস্তায়
দুই পাশে
গর্ত, মধ্য
খানে গর্ত
ছোট ছোট
শিশুরা স্কুলে
করতে গেলেও
ভয়ে থাকি
যদি গর্তে
পড়ে যায়।
প্রতিদিনই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে।
আমাদের দাবি,
দ্রুত যেন
সড়কটি মেরামত
করা হয়।
এ ব্যাপারে
বিসিসির প্রধান
নির্বাহী কর্মকর্তা
মোঃ ওহেদুজ্জামানের
সাথে মুঠো
ফোনে যোগাযোগ
করা হলে
বিষয়টি দেখবেন বলে তিনি জানান।স্হানীয়
ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে বলেন, ২২'২৩' ও
২৭ নং
ওয়ার্ডের সাধারন
কাউন্সিলর সহ সংরক্ষিত কাউন্সিলর তারা
ও তো
এই সড়কটি
দিয়ে চলাচল
করে তাদের
কি চোখে
পড়ছে না
রাস্তার করুন
দশা। ওয়ার্ড
লোকজন তাদের
ভোট দিয়ে
নির্বাচিত করেছেন।তারা ভুলে গেছেন।এবার আর
তা হবে
না। এবার
ব্যালোটের মাধ্যামে জবাব দেওয়া হবে।
No comments:
Post a Comment