শহিদুল ইসলাম. বরিশাল সিটি
কর্পোরেশন নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে
আসছে, এ
নিয়ে মাতামাতির
মাত্রাও তত
বাড়ছে। পোস্টার-পোস্টারে ছেয়ে
গেছে নগরীর
সড়ক মহাসড়ক
থেকে শুরু
করে পাড়া-মহল্লা ও
অলিগলি। আগামী
৩০ জুলাই
নির্বাচনে জয়লাভ করার লক্ষ্যে মেয়র
ও কাউন্সিলর
প্রার্থীরা পোস্টার ও ফেস্টুন টানিয়েছেন।
কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডে
পোস্টার ও
ফেস্টুন টানিয়ে
প্রচারণা করলেও
মেয়র প্রার্থীদের
পোস্টারে ভিন্ন
চিত্র দেখা
গেছে। প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত
হয়ে উঠেছে
সিটি করপোরেশন
এলাকা। ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে
গেছে বাজার,
রাস্তা, মহল্লা।
সবমিলিয়ে মহানগরজুড়ে
চলছে ভোট
উৎসব। প্রার্থীদের
পাশাপাশি ভোট
নিয়ে আনন্দ
উৎসবে মেতেছেন
সমগ্র সিটি
কর্পোরেশন বাসী।বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র
পদে ৭
জন, কাউন্সিলর
পদে ১১০
জন ও
সংরক্ষিত আসনে
৩৭ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা
এখন প্রতিদিনই
ছুটে বেড়াচ্ছেন
নগরীর প্রতিটি
মহল্লায়। বিশেষ
করে মেয়র
প্রার্থীরা নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি
মহল্লা চষে
বেড়াচ্ছেন। শুধু মেয়র প্রার্থীরাই নয়,
তাদের কর্মী-সমর্থকেরাও দলবেঁধে
ছুটে বেড়াচ্ছেন
নগরীর এ
প্রান্ত থেকে
ও প্রান্ত।
ভোটারদের সঙ্গে
কুশল বিনিময়
করছেন; চাইছেন
ভোট। কর্মী-সমর্থকরা ছাড়া
বিভিন্ন সংগঠনও
নিজেদের পছন্দের
প্রার্থীর জন্য চালাচ্ছে প্রচারণা।নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতকরণে
কঠোর অবস্থানে
প্রশাসন। নির্বাচন
পূর্ব, নির্বাচন
কালীন এবং
নির্বাচন পরবর্তী
যেকোন ধরণের
নাশকতা প্রতিহত
করতে তৎপর
আছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী। বরিশাল
সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচনে কয়েক এস্তারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা
গ্রহণ করা
হয়েছে। নির্বাচন
কমিশনার জানান, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচন অবাধ,
সুষ্ঠু ও
নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন বিষয়
নিয়ে সভায়
আলোচনা হয়েছে।এবং
কয়েকটি কেন্দ্রে
এভিএম পদ্ধতিতে
ভোট গ্রহনের
ব্যবস্থা নেয়া
হয়েছে।তাছাড়া কোন কোন কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ
সেগুলোর সামগ্রিক
তালিকা তৈরীর
জন্য মহানগর
পুলিশকে নির্দেশনা
দেয়া হয়েছে।বরিশাল
সিটি নির্বাচনকে
একটি মডেল
স্থানীয় নির্বাচন
রূপে দাঁড়
করতে চায়
ইসি। আর
তাই সামগ্রিকভাবে
প্রার্থী, ভোটার, স্থানীয় সাধারণ জনতা
এবং সংশ্লিষ্ট
সকলের সহায়তা
চেয়েছে ইসি।
শহিদুল ইসলাম. বরিশাল সিটি
কর্পোরেশন নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে
আসছে, এ
নিয়ে মাতামাতির
মাত্রাও তত
বাড়ছে। পোস্টার-পোস্টারে ছেয়ে
গেছে নগরীর
সড়ক মহাসড়ক
থেকে শুরু
করে পাড়া-মহল্লা ও
অলিগলি। আগামী
৩০ জুলাই
নির্বাচনে জয়লাভ করার লক্ষ্যে মেয়র
ও কাউন্সিলর
প্রার্থীরা পোস্টার ও ফেস্টুন টানিয়েছেন।
কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডে
পোস্টার ও
ফেস্টুন টানিয়ে
প্রচারণা করলেও
মেয়র প্রার্থীদের
পোস্টারে ভিন্ন
চিত্র দেখা
গেছে। প্রচার-প্রচারণায় মুখরিত
হয়ে উঠেছে
সিটি করপোরেশন
এলাকা। ব্যানার-পোস্টারে ছেয়ে
গেছে বাজার,
রাস্তা, মহল্লা।
সবমিলিয়ে মহানগরজুড়ে
চলছে ভোট
উৎসব। প্রার্থীদের
পাশাপাশি ভোট
নিয়ে আনন্দ
উৎসবে মেতেছেন
সমগ্র সিটি
কর্পোরেশন বাসী।বরিশাল সিটি নির্বাচনে মেয়র
পদে ৭
জন, কাউন্সিলর
পদে ১১০
জন ও
সংরক্ষিত আসনে
৩৭ জন
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থীরা
এখন প্রতিদিনই
ছুটে বেড়াচ্ছেন
নগরীর প্রতিটি
মহল্লায়। বিশেষ
করে মেয়র
প্রার্থীরা নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড, প্রতিটি
মহল্লা চষে
বেড়াচ্ছেন। শুধু মেয়র প্রার্থীরাই নয়,
তাদের কর্মী-সমর্থকেরাও দলবেঁধে
ছুটে বেড়াচ্ছেন
নগরীর এ
প্রান্ত থেকে
ও প্রান্ত।
ভোটারদের সঙ্গে
কুশল বিনিময়
করছেন; চাইছেন
ভোট। কর্মী-সমর্থকরা ছাড়া
বিভিন্ন সংগঠনও
নিজেদের পছন্দের
প্রার্থীর জন্য চালাচ্ছে প্রচারণা।নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিশ্চিতকরণে
কঠোর অবস্থানে
প্রশাসন। নির্বাচন
পূর্ব, নির্বাচন
কালীন এবং
নির্বাচন পরবর্তী
যেকোন ধরণের
নাশকতা প্রতিহত
করতে তৎপর
আছে আইনশৃঙ্খলা
বাহিনী। বরিশাল
সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচনে কয়েক এস্তারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা
গ্রহণ করা
হয়েছে। নির্বাচন
কমিশনার জানান, বরিশাল সিটি কর্পোরেশন
নির্বাচন অবাধ,
সুষ্ঠু ও
নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন বিষয়
নিয়ে সভায়
আলোচনা হয়েছে।এবং
কয়েকটি কেন্দ্রে
এভিএম পদ্ধতিতে
ভোট গ্রহনের
ব্যবস্থা নেয়া
হয়েছে।তাছাড়া কোন কোন কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ
সেগুলোর সামগ্রিক
তালিকা তৈরীর
জন্য মহানগর
পুলিশকে নির্দেশনা
দেয়া হয়েছে।বরিশাল
সিটি নির্বাচনকে
একটি মডেল
স্থানীয় নির্বাচন
রূপে দাঁড়
করতে চায়
ইসি। আর
তাই সামগ্রিকভাবে
প্রার্থী, ভোটার, স্থানীয় সাধারণ জনতা
এবং সংশ্লিষ্ট
সকলের সহায়তা
চেয়েছে ইসি।
No comments:
Post a Comment