শহিদুল ইসলাম. বরিশাল সিটি
করপোরেশন নির্বাচনে
মাঠে নেমেছে নারী কর্মিরা এবার
নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় অংশ গ্রহণ
করছেন।গতকাল নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে
দেখা যায়
প্রচার প্রচারনায়
ব্যস্ত সময়
পারকছেন নারী
কর্মিরা। তাদের
সাথে কথা
বলে, জানা যায়, সকাল
ও বিকাল
সহ মোট
৫-৬
ঘন্টা কাজ
করে তারা
বাড়তি অর্থও
উপার্জন করছেন।
সময় কম
হওয়ায় প্রার্থীরা
তাদের কর্মী-সমর্থকদেরকেও ব্যাপকভাবে
প্রচারণায় নামিয়েছেন।বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে
প্রতিদ্বন্দিতা করছেন ১৫৪ জন প্রার্থী।
এর মধ্যে
মেয়র পদে
৭ জন,
সাধারণ কাউন্সিলর
পদে ১১০ জন ও সংরক্ষিত
মহিলা কাউন্সিলর
পদে ৩৭
জন। এসব
প্রার্থীরা পুরোদমে মাঠে নেমে প্রচরনা
শুরু করেছেন।
ভোটারদের মন
জয় করতে
নামিয়েছে বিশাল
কর্মী বাহিনী।
বিশেষ করে
কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রতিদিন ১০০ থেকে
১৫০ জন
নারী কর্মী
মাঠে নামিয়েছেন
ভোট প্রচারের
জন্য। নারী
কর্মীরা বাড়ি
বাড়ি গিয়ে
ভোটারদের কাছে
প্রার্থীদের ছবি-প্রতীক সম্মেলিত লিফলেট
ও নির্বাচনী
ইস্তেহার বিলি
করছেন।নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা
গেছে, নারী
কর্মীরা নারী
ভোটারদের পাশাপাশি
পুরুষ ভোটারদের
কাছেও প্রার্থীদের
অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরছেন। নগরীর
প্রত্যেক ওয়ার্ডেই
মেয়র ও
কাউন্সিলর প্রার্থীদের পক্ষে নারী ভোটকর্মী
রয়েছেন। এসব
নারী কর্মীরা
দল বেঁধে
লিফলেট নিয়ে
তাদের পছন্দের
প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন। নগরীতে
মধ্যবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্ত, নিম্ম মধ্যবিত্ত, দারিদ্র,
অতিদরিদ্র নারী কর্মী এবার ও
নির্বাচনে প্রচারে নেমেছেন। প্রচারে থেমে
নেই ধনী
শ্রেণির নারীরাও।ধনী
ও উচ্চমধ্যবিত্ত
নারীরা তাদের
আত্মীয়-স্বজনের
জন্য বিনা
পারিশ্রমিকে ভোট চাচ্ছেন। আর অন্যান্য
শ্রেণির নারীরা
প্রতিদিন ২০০-২৫০ টাকার
বিনিময়ে প্রার্থীর
পক্ষে প্রচারণায়
অংশ নেন।
তবে প্রচারে
দরিদ্র নারীদের
উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়।
শহিদুল ইসলাম. বরিশাল সিটি
করপোরেশন নির্বাচনে
মাঠে নেমেছে নারী কর্মিরা এবার
নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় অংশ গ্রহণ
করছেন।গতকাল নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে
দেখা যায়
প্রচার প্রচারনায়
ব্যস্ত সময়
পারকছেন নারী
কর্মিরা। তাদের
সাথে কথা
বলে, জানা যায়, সকাল
ও বিকাল
সহ মোট
৫-৬
ঘন্টা কাজ
করে তারা
বাড়তি অর্থও
উপার্জন করছেন।
সময় কম
হওয়ায় প্রার্থীরা
তাদের কর্মী-সমর্থকদেরকেও ব্যাপকভাবে
প্রচারণায় নামিয়েছেন।বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে
প্রতিদ্বন্দিতা করছেন ১৫৪ জন প্রার্থী।
এর মধ্যে
মেয়র পদে
৭ জন,
সাধারণ কাউন্সিলর
পদে ১১০ জন ও সংরক্ষিত
মহিলা কাউন্সিলর
পদে ৩৭
জন। এসব
প্রার্থীরা পুরোদমে মাঠে নেমে প্রচরনা
শুরু করেছেন।
ভোটারদের মন
জয় করতে
নামিয়েছে বিশাল
কর্মী বাহিনী।
বিশেষ করে
কাউন্সিলর প্রার্থীরা প্রতিদিন ১০০ থেকে
১৫০ জন
নারী কর্মী
মাঠে নামিয়েছেন
ভোট প্রচারের
জন্য। নারী
কর্মীরা বাড়ি
বাড়ি গিয়ে
ভোটারদের কাছে
প্রার্থীদের ছবি-প্রতীক সম্মেলিত লিফলেট
ও নির্বাচনী
ইস্তেহার বিলি
করছেন।নগরীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা
গেছে, নারী
কর্মীরা নারী
ভোটারদের পাশাপাশি
পুরুষ ভোটারদের
কাছেও প্রার্থীদের
অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরছেন। নগরীর
প্রত্যেক ওয়ার্ডেই
মেয়র ও
কাউন্সিলর প্রার্থীদের পক্ষে নারী ভোটকর্মী
রয়েছেন। এসব
নারী কর্মীরা
দল বেঁধে
লিফলেট নিয়ে
তাদের পছন্দের
প্রার্থীর পক্ষে ভোট চাইছেন। নগরীতে
মধ্যবিত্ত, উচ্চমধ্যবিত্ত, নিম্ম মধ্যবিত্ত, দারিদ্র,
অতিদরিদ্র নারী কর্মী এবার ও
নির্বাচনে প্রচারে নেমেছেন। প্রচারে থেমে
নেই ধনী
শ্রেণির নারীরাও।ধনী
ও উচ্চমধ্যবিত্ত
নারীরা তাদের
আত্মীয়-স্বজনের
জন্য বিনা
পারিশ্রমিকে ভোট চাচ্ছেন। আর অন্যান্য
শ্রেণির নারীরা
প্রতিদিন ২০০-২৫০ টাকার
বিনিময়ে প্রার্থীর
পক্ষে প্রচারণায়
অংশ নেন।
তবে প্রচারে
দরিদ্র নারীদের
উপস্থিতি লক্ষ্যণীয়।
No comments:
Post a Comment