কোরবানির পশু জবাইয়ের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে কামারদের হাতুড়ি পেটানোর টুংটাং শব্দে - ৫২র বাংলা - সংবাদ সবসময়

Recent Topic

Post Top Ad

কোরবানির পশু জবাইয়ের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে কামারদের হাতুড়ি পেটানোর টুংটাং শব্দে


শহিদুল ইসলাম. আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে কোরবানির পশু জবাইয়ের দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই বাড়ছে কামারদের ব্যস্ততা। একদিকে  আগুনের শিখা অন্যদিকে হাতুড়ি পেটানোর টুংটাং শব্দে তৈরি হচ্ছে দা, বঁটি, ছুরি, চাপাতি।শহর-গ্রাম সবখানেই কামাররা সমান তালে ব্যস্ত,পুরোনো দা, ছুরি এবং বঁটিতে শাণ দিতে। আবার মোটর চালিত মেশিনে শান দেয়ার কাজ চলছে পুরানোগুলোর। কেউবা ব্যস্ত নতুন নতুন দা-ছুরি তৈরিতে। তাই দম ফেলার যেন সময় নেই তাদের। সারা বছর অনেকটা অলস সময় পার করা কামাররা ব্যস্ততার ভিড়ে এখন অতিরিক্ত দরদাম করে সময় নষ্ট করতেও আগ্রহী নন।নগরীর হাটখোলা এলাকার কামার পট্টিসাগরদী বাজার,নতুনবাজার সহ বিভিন্ন স্হানে ঘুরে দেখা যায়, কোরবানি দাতারা কোরবানির পশু কাঁটাছেড়া করার জন্যে পরিবারের ব্যবহৃত অব্যবহৃত সবকটি দা ছুরি,ধামা আর বটি শাণ দেয়ার জন্যে নিয়ে আসছে কামারদের কাছে। ফলে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলছে কামারদের বিরামহীন ব্যস্ততা। দেখা গেছে, অনেকেই এসব দোকানে ভীর জমাচ্ছেন। একজন ক্রেতা জানান, কয়েক দিন আগে একটা চাপাতি এবং বড় চাকু দিয়েছি তা তৈরি না হওয়ায় ১ঘন্টা বসে থেকে তা তৈরী করে নিলাম। কামার দোকানগুলোতে ক্রেতাদের লভিড় বেড়েছে।অন্য সময়ের চেয়ে দোকানে মৌসুমি কর্মচারীর সংখ্যাও বেড়েছে। পোড়া কয়লার গন্ধ, হাপরের হাঁসফাঁস আর হাতুড়ি পেটানোর টুংটাং শব্দে তৈরি হচ্ছে চকচকে ধারালো দা, চাপাতি, ছুরি, বঁটিসহ নিমিষে মাংস কাটা-কুটার উপকরণ।বরিশাল জেলা উপজেলা দোকানগুলোতে কারিগরদের যেমন ব্যস্ততা বেড়েছে তেমনি বেচাবিক্রি করতে গিয়েও গলদগর্ম হয়ে পড়ছেন বিক্রেতারা। কয়েকজন কামারের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্প্রিং লোহা কাঁচা লোহা সাধারণত দুই ধরনের লোহা ব্যবহার করে এসব উপকরণ তৈরি করা হয়। স্প্রিং লোহা দিয়ে তৈরি উপকরণের মান ভালো, দামও বেশি। আর কাঁচা লোহার তৈরি উপকরণগুলোর দাম তুলনামূলকভাবে কম।লোহার মানভেদে স্প্রিং লোহা ৪০০ টাকা, নরমাল ২৫০ টাকা, পশুর চামড়া ছাড়ানো ছুরি ১০০ থেকে ২০০, দা ১৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, পশু জবাইয়ের ছুরি ৩০০ থেকে শুরু, বঁটি ২০০ থেকে ৪০০, চাপাতি ৫০০ থেকে এক হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হয়।বিক্রেতারা আরও জানান, বছরের ১১ মাসে তাঁদের ব্যবসা হয় এক রকম আর কোরবানির ঈদের আগের এক মাসে ব্যবসা হয় আরেক রকম। ঈদুল আযহা এলেই বরিশালে কামারের দোকানিদের বেচাবিক্রি ব্যস্ততা বেড়ে যায়।
> নগরীর হাটখোলা এলাকার  কামার পট্টি মজিবর,ওকিল চন্দ কর্মকার  জানান, বছরের বাকি সময়টার বেশির ভাগই হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকতে হয়। কোরবানি এলেই বেচাবিক্রি লোকজনের মরিচা পড়া দা, বঁটি, ছুরি ইত্যাদি সরঞ্জাম ধারালো করার ব্যস্ততা বেড়ে যায়। এছাড়াও কামার রনজিত, অর্জুন কর্মকার সালাম একই কথা জানান

No comments:

Post a Comment

Recent Movies

Post Top Ad