শামীম আহমেদ . জাত-পাত
ও পেশাভিত্তিক
বৈষম্য প্রতিরোধের
প্রস্তাবিত “বৈষম্য বিলোপ আইন” দ্ররুত
প্রণয়নের দাবীতে
মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে দলিত
ও বঞ্চিত
জনগোষ্ঠী অধিকার
আন্দোলন (বিডিইআরএম)
বরিশাল জেলা
কমিটি। শনিবার
সকাল ১১টায়
নগরীর ক্যাপটেন
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক(সদররোডে একর্মসূচি
পালিত হয়েছে।
(বিডিইআরএম) সংগঠনের সভাপতি মুক্তিযুদ্বা ললিত
কুমার দাসের
সভাপতিত্বে মানববন্ধন সমাবেশে বিভিন্ন বক্তরা
বলেছে, ৬৬সালে
বঙ্গবন্ধু এদেশকে পাকিস্তানীদের হাত থেকে
বৈষম্যহীনতার লড়াই করে দেশ স্বাধীন
করা হলেও
গত ৪৭
বছরে বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীকে বৈষম্যহীনতার কারনে অবহেলিত করে
রাখা হয়েছে।
দেশের ভিতর বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীকে অবহেলিত করে রেখে বঙ্গবন্ধুর
স্বপ্নের সোনার
বাংলা কতটুকু
বাস্তায়িত হবে না প্রশ্ন থেকেই
যাচ্ছে। বক্তরা
আরো বলেন,
দেশের ৬৫লক্ষ
দলিত জনগোষ্ঠী
বসবাস রয়েছে,দেশের মোট
জনসংক্ষার ৪শতাংশ। শিক্ষার অনগ্রসরতার কারণে
মূল ধারার
বিকল্প পেশায় যাওয়ার
ক্ষেত্রে এই
বৈষম্য একটি
বড় বাধা
হয়ে রয়েছে।
যুগ যুগ
ধরে এই
জনগোষ্ঠী মানুষ
হিসাবে একটি
মর্যদাহীন গোষ্ঠীতে পরিনত হয়ে রয়েছে।
তারা আরও
বলেন, বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীরা নাগরিক সুবিদা থেকে শুরু
করে মানবাধিকারের
প্রশ্নে সকল
ক্ষেত্রে অধিকার
থেকে এরা
আজ বঞ্চিত
হয়ে আছে।অবিলম্বে
দলিল বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীর মুখের দিকে তাকিয়ে “বৈষম্য
বিলোপ আইন”নামের একটি
খসরা আইন
মন্ত্রালয়ে রয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য
সরকারের প্রতি
আহবান জানান
মানববন্ধন সমাবেশ থেকে।এসময় বক্তব্য রাখেন
কমিউনিষ্ট পার্টি বরিশাল জেলা কমিটির
সভাপতি এ্যাড.
একে আজাদ,সাংবাদিক শুশান্ত
ঘোষ,বরিশাল
হিন্দু বৌদ্ব
খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি ও
বরিশাল গনফোরাম
সভাপতি এ্যাড.
হিরন কুমার
দাস মিঠু,উন্নয়ন সংস্থা
রান এর
নির্বাহী পরিচালক
রফিকুল আলম,মাইনোরিটি রাইটস্
ফোরাম বরিশাল
জেলা কমিটির
সাধারন সম্পাদক
রনজিৎ দত্ত।
অনুষ্ঠান সঞ্চলনা
করেন সাধারন
সম্পাদক উত্তম
কুমার ভক্ত।
শামীম আহমেদ . জাত-পাত
ও পেশাভিত্তিক
বৈষম্য প্রতিরোধের
প্রস্তাবিত “বৈষম্য বিলোপ আইন” দ্ররুত
প্রণয়নের দাবীতে
মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে দলিত
ও বঞ্চিত
জনগোষ্ঠী অধিকার
আন্দোলন (বিডিইআরএম)
বরিশাল জেলা
কমিটি। শনিবার
সকাল ১১টায়
নগরীর ক্যাপটেন
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর সড়ক(সদররোডে একর্মসূচি
পালিত হয়েছে।
(বিডিইআরএম) সংগঠনের সভাপতি মুক্তিযুদ্বা ললিত
কুমার দাসের
সভাপতিত্বে মানববন্ধন সমাবেশে বিভিন্ন বক্তরা
বলেছে, ৬৬সালে
বঙ্গবন্ধু এদেশকে পাকিস্তানীদের হাত থেকে
বৈষম্যহীনতার লড়াই করে দেশ স্বাধীন
করা হলেও
গত ৪৭
বছরে বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীকে বৈষম্যহীনতার কারনে অবহেলিত করে
রাখা হয়েছে।
দেশের ভিতর বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীকে অবহেলিত করে রেখে বঙ্গবন্ধুর
স্বপ্নের সোনার
বাংলা কতটুকু
বাস্তায়িত হবে না প্রশ্ন থেকেই
যাচ্ছে। বক্তরা
আরো বলেন,
দেশের ৬৫লক্ষ
দলিত জনগোষ্ঠী
বসবাস রয়েছে,দেশের মোট
জনসংক্ষার ৪শতাংশ। শিক্ষার অনগ্রসরতার কারণে
মূল ধারার
বিকল্প পেশায় যাওয়ার
ক্ষেত্রে এই
বৈষম্য একটি
বড় বাধা
হয়ে রয়েছে।
যুগ যুগ
ধরে এই
জনগোষ্ঠী মানুষ
হিসাবে একটি
মর্যদাহীন গোষ্ঠীতে পরিনত হয়ে রয়েছে।
তারা আরও
বলেন, বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীরা নাগরিক সুবিদা থেকে শুরু
করে মানবাধিকারের
প্রশ্নে সকল
ক্ষেত্রে অধিকার
থেকে এরা
আজ বঞ্চিত
হয়ে আছে।অবিলম্বে
দলিল বঞ্চিত
জনগোষ্ঠীর মুখের দিকে তাকিয়ে “বৈষম্য
বিলোপ আইন”নামের একটি
খসরা আইন
মন্ত্রালয়ে রয়েছে তা বাস্তবায়নের জন্য
সরকারের প্রতি
আহবান জানান
মানববন্ধন সমাবেশ থেকে।এসময় বক্তব্য রাখেন
কমিউনিষ্ট পার্টি বরিশাল জেলা কমিটির
সভাপতি এ্যাড.
একে আজাদ,সাংবাদিক শুশান্ত
ঘোষ,বরিশাল
হিন্দু বৌদ্ব
খ্রীষ্টান ঐক্য পরিষদ সভাপতি ও
বরিশাল গনফোরাম
সভাপতি এ্যাড.
হিরন কুমার
দাস মিঠু,উন্নয়ন সংস্থা
রান এর
নির্বাহী পরিচালক
রফিকুল আলম,মাইনোরিটি রাইটস্
ফোরাম বরিশাল
জেলা কমিটির
সাধারন সম্পাদক
রনজিৎ দত্ত।
অনুষ্ঠান সঞ্চলনা
করেন সাধারন
সম্পাদক উত্তম
কুমার ভক্ত।
No comments:
Post a Comment