শামীম আহমেদ. বরিশাল মেট্রোপলিটনের নবাগত পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন বলেছেন, লাইসেন্স ছাড়া যানবাহন চলুক এটা আমরা চাইনা। তাই গাড়ির লাইসেন্স ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। নিরাপদ সড়কের জন্য আগে নিজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সোমবার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে নগরের আমতলা মোড়স্থ মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।এসময় তিনি আরো বলেন, বরিশালের সকল সড়ক যথেষ্ট প্রশস্ত নয়। আবার শহরের প্রাণকেন্দ্র সদররোডকে ঘিরে অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কারণে এখানে মানুষের চাপ অনেকটাই বেশি। তাই সেখানে যানবাহনের চাপও বেশি থাকে। যানবাহন নিয়ন্ত্রনে আনতে গিয়ে আমরা এও চাইবো না যে একটা মানুষ গ্রাম বা অনত্র থেকে শহরে এসে বাস থেকে নেমে ৩ কিলোমিটার হেটে যাক। তাই শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগের সমাধানে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে সচেতনতা ও শৃংঙ্খলা বোধ তৈরি করতে হবে। চাপ প্রয়োগ করে নয়, নিজ থেকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। তাহলে আমাদের এগিয়ে যাওয়া আরো বেগবান হবে। পুলিশ কমিশনার বলেন, জনগনের স্বার্থে পুলিশ ও সাংবাদিক পরস্পরের প্রয়োজনে কাজ করতে হবে। একে অপরকে সাহায্য না করলে নগরের সার্বিক আইন শৃংঙ্খলার উন্নয়ন সম্ভব নয়।মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল বিশ্বাস, শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জিসহ প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন, মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান, উপ- পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. হাবিবুর রহমান, উপ- পুলিশ কমিশনার ( সিটিএসবি ) আবু সালেহ মোঃ রায়হান, উপ- পুলিশ কমিশনার ( উত্তর) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক, উপ- পুলিশ কমিশনার ( দক্ষিন ) মোয়াজ্জেম হোসেন, উপ- পুলিশ কমিশনার ( ট্রাফিক ) খাইরুল আলমসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন
কর্মকর্তাবৃন্দ।
শামীম আহমেদ. বরিশাল মেট্রোপলিটনের নবাগত পুলিশ কমিশনার মোশারফ হোসেন বলেছেন, লাইসেন্স ছাড়া যানবাহন চলুক এটা আমরা চাইনা। তাই গাড়ির লাইসেন্স ও চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকতে হবে। নিরাপদ সড়কের জন্য আগে নিজের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। সোমবার (১৩ আগষ্ট) দুপুরে নগরের আমতলা মোড়স্থ মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারের কার্যালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় তিনি একথা বলেন।এসময় তিনি আরো বলেন, বরিশালের সকল সড়ক যথেষ্ট প্রশস্ত নয়। আবার শহরের প্রাণকেন্দ্র সদররোডকে ঘিরে অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার কারণে এখানে মানুষের চাপ অনেকটাই বেশি। তাই সেখানে যানবাহনের চাপও বেশি থাকে। যানবাহন নিয়ন্ত্রনে আনতে গিয়ে আমরা এও চাইবো না যে একটা মানুষ গ্রাম বা অনত্র থেকে শহরে এসে বাস থেকে নেমে ৩ কিলোমিটার হেটে যাক। তাই শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে অভিযোগের সমাধানে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, নিজেদের মধ্যে সচেতনতা ও শৃংঙ্খলা বোধ তৈরি করতে হবে। চাপ প্রয়োগ করে নয়, নিজ থেকেই আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে। তাহলে আমাদের এগিয়ে যাওয়া আরো বেগবান হবে। পুলিশ কমিশনার বলেন, জনগনের স্বার্থে পুলিশ ও সাংবাদিক পরস্পরের প্রয়োজনে কাজ করতে হবে। একে অপরকে সাহায্য না করলে নগরের সার্বিক আইন শৃংঙ্খলার উন্নয়ন সম্ভব নয়।মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বরিশাল মেট্রোপলিটন প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বরিশাল রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল বিশ্বাস, শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এসএম জাকির হোসেন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক পুলক চ্যাটার্জিসহ প্রিন্ট, ইলেকট্রনিক্স ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। উপস্থিত ছিলেন, মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. মাহফুজুর রহমান, উপ- পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. হাবিবুর রহমান, উপ- পুলিশ কমিশনার ( সিটিএসবি ) আবু সালেহ মোঃ রায়হান, উপ- পুলিশ কমিশনার ( উত্তর) মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন মল্লিক, উপ- পুলিশ কমিশনার ( দক্ষিন ) মোয়াজ্জেম হোসেন, উপ- পুলিশ কমিশনার ( ট্রাফিক ) খাইরুল আলমসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন
কর্মকর্তাবৃন্দ।
No comments:
Post a Comment