শেষ মুহুর্তে বেচা বিক্রি বেড়েছে নগরীর ফ্রিজের শো-রুম গুলোতে - ৫২র বাংলা - সংবাদ সবসময়

Recent Topic

Post Top Ad

শেষ মুহুর্তে বেচা বিক্রি বেড়েছে নগরীর ফ্রিজের শো-রুম গুলোতে



বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . ঈদুল আজাহা ঘরের দারপ্রান্তে। আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় কোরবানি করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা। আর ঈদ উপলক্ষে কোরবানির পশু নতুন পোশাকের চেয়ে বেশি আগ্রহ থাকে ফ্রিজে। বিশেষত যাদের ঘরে ফ্রিজ নামের এই ইলেক্ট্রিক সামগ্রিটি নেই। তাছাড়া ঈদে কেনাকাটা কোরবানির পশুর পরেই ফ্রিজের স্থান।তাই বরিশালে কোম্পানিগুলোর শো-রুমে ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে দিচ্ছে অফারও। কোরবানি দেয়া পশুর মাংস সংরক্ষণ করতে হবে ফ্রিজে। তাইতো পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ফ্রিজের চাহিদা অনেকটাই বেড়ে যায়। কোরবানির ঈদ যতই ঘনিয়ে আসছে ততই মানুষ পাল্লা দিয়ে কিনছে ফ্রিজ।বিক্রেতারা জানান, ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে এবার প্রচুর পরিমাণে ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে। এবারের ঈদে ১৫০ থেকে ২শ লিটার ওজন ধারণক্ষমতার ফ্রিজ ডিপ ফ্রিজের বিক্রি সবচেয়ে বেশি হচ্ছে। ফ্রিজ বেচা-কেনা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা। নগরীর সদররোড,নতুল্লাবাত,গির্জামহল্লা,নতুন বাজার,বটতলা, সাগরদী,রুপাতলী সহ বিভিন্ন এলাকা কেন্দ্রিক শো-রুমগুলোতে এখন বেশি ভিড় দেখা যাচ্ছে ক্রেতাদের। বিভিন্ন কোম্পানির শো-রুম ঘুরে দাম পরখ করে সবাই সেরা পণ্যটিই কিনছেন পরিবারের জন্য।কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে নগরীতে স্যামসাং, এলজি, ওয়াল্টন, সিঙ্গার, মারসেল, বাটারফ্লাইসহ বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের ইলেট্রনিক্স শো-রুমে কেনা-বেচা জমেছে।নগরীর গির্জামহল্লা এলাকার এলজি শো-রুমের ম্যানেজার  বলেন, ভালো চলছে।এ বছর নির্দিষ্ট দুই-একটি মডেলের ফ্রিজ বেশি বিক্রি হয়েছে। এলজি সব ধরনের ফ্রিজের বেশ চাহিদা রয়েছে। তিনি বলেন, প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি বিভিন্ন মডেলের ফ্রিজ বিক্রি হচ্ছে। এখনো ঈদের দিনের মতো বাকি। একদিন পড়ে আরো পুরোদমে বিক্রি শুরু হবে। এলজি সব ধরনের পণ্য কিস্তিতে বিক্রি করা হয়।ফ্রিজ কিনতে আসা আরিফ হোসেন বলেন, সুযোগের অপেক্ষায় ছিলাম। ঈদ আসলে বিভিন্ন ফ্রিজের উপরে ডিসকাউন্ট দেয় কোম্পানিগুলো। তাই কিনছি ফ্রিজ পরিবারের ফ্রিজ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিনি আরো বলেন, সব সময় আর রান্না করা যায় না। আবার খাবার বেশি রাখার সমস্যা হয়। একটা ফ্রিজ থাকলে সব ঝামেলা থেকে মুক্তি।
>
নগরীর সদর রোড এলাকার সিঙ্গার সোরুমে আসা গৃহিণী পাখি বলেন, একটি ফ্রিজ শুধু দৈনন্দিন গৃহস্থালির প্রয়োজন মেটায় না। গৃহের সৌন্দর্য বর্ধনেও ভূমিকা রাখে। যে ফ্রিজ দেখতে যতও সুন্দর, দামে কম এবং টেকসই সেসব ফ্রিজেরই কদর বেশি। নগরীর একাধিক সোরুম ম্যানেজার  জানান, নিম্নবিত্ত থেকে শুরু করে মধ্যবিত্ত বিত্তশালী লোকজনের মাঝেও চলছে সাধ্যমত ইলেক্ট্রনিক পণ্যের কেনা-কাটা। প্রতিটি পণ্যের (ইলেক্ট্রনিক সামগ্রী), উপর সব্বোর্চ ২০% থেকে ৩০% ছাড় দেয়া হচ্ছে। এর মধ্যে ঈদকে ঘিরে ডিপ ফ্রিজ নরমাল ফ্রিজের চাহিদাই বেশি।তারা আরও জানান, ঈদে স্ক্রাচ কার্ডে বিভিন্ন পণ্যের উপর আনন্দ অফার রয়েছে। নিম্নে ৫শ টাকা থেকে শুরু করে ১০০% পর্যন্ত ফ্রি রয়েছে। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সব সময়ের মত এবারও রেফ্রিজেটর, কালার টিভি, ওভেন উপর মানুষের চাহিদা বেশি।তবে বাজারে প্রতিষ্ঠিত কোম্পানির পাশাপাশি বিভিন্ন নতুন কোম্পানির আগমনে প্রতিযোগিতা বেড়েছে। তবুও কোরবানির ঈদকে ঘিরে ফ্রিজের চাহিদাটা শীর্ষে। তাই কেনা-বেচা ভালোই হচ্ছে।ঈদের আগের পর্যন্ত ধুমধাম করে ফ্রিজ বিক্রি চলবে বলে জানান শোরুমের  কর্মকর্তারা। তবে একাধিক সোরুমের  সেলস ম্যানেজারা জানান,গত বছরের তুলনায় বছর বেচা বিক্রি তুলনামুলক কম হচ্ছে বলে তারা জানান


No comments:

Post a Comment

Recent Movies

Post Top Ad