শহিদুল ইসলাম.
নগরীর চৌমাথা আরএম স্কুল থেকে রুইয়া পর্যন্ত মাত্র এক কিলোমিটার দৈর্ঘ্যরে প্রধান সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।সংস্কারের অভাবে জনগুরুত্বপূর্ণ রাস্তাটিতে অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে পুকুর রূপ ধারণ করে। জমে থাকা পানি পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। সব মিলিয়ে এখান দিয়ে চলাচলকারীদের দুর্ভোগের যেন শেষ নেই।গত ১৮ জুলাই অনলাইন সহ কয়েকটি স্হানীয় পত্রিকায় প্রতিবেদন ছাপা হলেও নিরব ভুমিকায় রয়েছে বরিশাল সিটি কর্পোরেশন কর্মকর্তারা। উল্লেখ,প্রধান নির্বাহী মোঃ ওয়াহিদুজ্জামান তিনি ঐ দিনের সাক্ষাত কারে আশ্বস্ত করেছিলেন সংস্কারের জন্য।কিন্তু ২ সপ্তাহের বেশি পেরিয়ে গেলেও বিসিসির পক্ষ থেকে কোনো তৎপরতা চোখে পড়ছে না।তার পর টানা কয়েক দিনের বৃষ্টিতে পুকুরে পরিনত হয়েছে সড়ক। ভুক্তভুগিরা জানান,পুকুর না সড়ক বোজার উপায় নেই,প্রতি দিন ঘটছে দুর্ঘটনা, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন লক্ষাধিক লোকের যাতায়াত। চৌমাথা থেকে রুইয়া, সোনামিয়ার পোল, পপুলার,কড়াপুর হয়ে ঝালকাঠি,আটঘর কুরিয়ানা প্রর্যন্ত যাতায়াত। মোট কথা পশ্চিমঅঞ্চলের সবচেয়ে যাতায়াতের ব্যস্ততম সড়ক এটি। সর্দার বাড়ি,সামছু মিয়ার গেরেজ,জিয়া সড়কের বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন,প্রতিনিয়ত নানা দুর্ভোগ- দুর্গতি সহ্য করে ওই সড়কের ওপর দিয়ে চলাচল ও মালামাল পরিবহন করে আসছি, এছাড়া, ওই সড়ক ব্যবহার করে এলাকাবাসী নিত্যদিন নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদির বাজার, কাঁচা বাজার ও মাছবাজারে যাতায়াত ও পণ্যদ্রব্য পরিবহন করে অধিকন্তু, ওই সড়কের ওপর দিয়ে শত শত স্কুল ও কলেজগামী ছাত্রছাত্রী নানা বিড়ম্বনা সহ্য করে প্রতিদিন চলাচল করতে বাধ্য হচ্ছে।এ বিষয়ে বিসিসির প্রধান নির্বাহী মোঃ ওয়াহিদুজ্জামানের সাথে গতকাল ফের মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

No comments:
Post a Comment