শহিদুল ইসলাম.
বরিশাল নগরীর শহীদ
আলমগীর ছাত্রাবাস
সংলগ্ন বায়তুল
মা'মুর
জামে মসজিদের
মেইন দরজার
আনুমানিক ১০
গজ উত্তর
পুর্বদিকের সড়ক জুড়ে বিসিসির ভ্যানে
করে নিয়ে
এসে ফেলে
যায় ময়লা-আবর্জনা।এতে সড়কের
নিদেষ্টা স্হান
ভর্তি হয়ে
রাস্তার উপর
ময়লা উঠে
এসেছে। কুকুর
আর গবাদি
পশুরা সেখানে
খাদ্য সংগ্রহ
করায় ময়লা-আবর্জনা ছড়িয়ে
ছিটিয়ে একাকার
অবস্থা। ছড়াচ্ছে
দূগন্ধ-আর
নষ্ট হচ্ছে
পরিবেশ।বিষয়টি নিয়ে পথচারিদের অভিযোগের শেষ
নেই। তার
পরও দায়িত্বে
থাকা সংশ্লিষ্ট
কতৃপক্ষে যেন
দেখেও দেখে
না। অথচ
এই রাস্তটিকে
ভি আই
পি রাস্তা
বল হয়।
নগরীর এই
সড়ক দিয়েই
সৈয়দ হাতেম
আলী কলেজ,বি এম
কলেজ,পলিটেনিক
কলেজ,আলেকান্দা
কলেজ,ও
সদর গার্লস,
হালিম খাতুন
সহ বিভিন্ন
স্কুল কলেজের
শিক্ষার্থীদের যাতায়াত। শুধু তাই নয়
ব্যস্ততম মহাসড়কে
২৪ঘন্টা চলে
সকল প্রকার
যানবাহন।পলিটেকনিক কলেজের একাধিক
শিক্ষার্থী ক্যাম্পাস থেকে বাড়ি ফেরার
সময় নাক
ধরে দুগন্ধ
জনক স্থানটা
অতিক্রম করছিলেন।জানতে
চাইলে তারা
বলেন, ব্যস্ততম
সড়কের পাশে
এ রকম
ময়লা-অবর্জনা
ফেলা হয়
এটা কোন
সভ্য জাতির
কাজ হতে
পারেনা। দূগন্ধটা
এতই তিব্র
যে এ
স্থানটিতে পার হওয়ার সময় রিতি
মতো বমি
চলে আসে।অনেক
বড় জায়গা
জুড়ে ময়লা
ফেলায় পায়ে
হেঁটে পার
হতেও ৩/৪ মিনিট
সময় লাগে।
তাহলে বুঝতেই
পাচ্ছেন আমার
মতো প্রত্যেক
পথচারীর একই
সমস্যায় পড়তে
হচ্ছে। তারপরও
সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ দেখেও দেখেনা সঠিক
সময় পরিস্কার
করেনা এই
স্থানটি।এদিকে একাধিক স্থানীয়রা বলেন, বিসিসির
লেবারেরা প্রতিদিন
দুপুর ২
টার পরে
দায়সারা ভাবে
ময়লা আর্বজনা
পরিস্কার করলেও
দেখা যায়
অবষ্টি ময়লা
থেকেই যায়,তার পর
কিছু সময়
যেতে না
যেতেই বিভিন্ন
ওয়ার্ড থেকে
পচা বাসি
খাবার সহ
ময়লা আর্বজনার
স্তুপে পরিনত
হয়। বাতাস উঠলে নগরীর গোটা
এলাকা দূগন্ধ
তেড়ে আসে,বাসা বাড়িতে
থাকা কষ্ট
সাধ্য হয়ে
পড়ে।তাছাড়া ঐ এলাকার ব্যবসায়ীরা অসহনীয়
দুর্গন্ধে তাদের ব্যবসা পরিচালনা করতে
হিমশিম খেতে
হচ্ছে, ক্রেতারা দোকানে এসে বিরক্তি
ভোধ করে
চলে যায়।বেশ
কয়েক বার
দৈনিক বরিশাল
সময়,সমাচার
পত্রিকায় প্রতিবেদন
ছাপা সহ
অনেক আলোচনা-সমালোনা হয়
কিন্তু বিসিসির
পক্ষ থেকে কোন প্রকার পদক্ষেপ
নিতে দেখা
যায়না।বায়তুল মামুর মসজিদে যোহরের নামাজ
পড়তে আসা
মুসল্লিরা অভিযোগ করে বলেন, মসজিদের
ধারে ময়লা
আর্বজনা স্তুপ
করে রাখা,এ ধরনের
কর্মকান্ড অমানবিক অতএব নগরীর নবনির্বাচিত
মেয়র সেরনিয়াবাত
আবদুল্লাহ তিনি যেন (সাংবাদিক) আপনাদের
মাধ্যমে এখানে স্থানী ভাবে ময়লা
ফেলা বন্ধ
করা হোক
তারা সকলেই
জোড় দাবি
জানান। এ
বিষয়ে বিসিসির
পরিছন্ন কর্মকর্তার
মোবাইলে ফোন
দিলে তিনি
জানান, ১৫.১৬.১৮
ও ২১
ওয়ার্ডের যত
ময়লা আর্বজনা
হয়, সব
একই স্হানে
ফেলছে,আমাদের
তো কিছু
করার নেই।
কাউন্সিলরা যদি নির্দেষ্ট স্হান দিত
তা হলে
এই ভোগান্তি
হত না।
No comments:
Post a Comment