রমজানে অস্থির সবজির বাজার - ৫২র বাংলা - সংবাদ সবসময়

Recent Topic

Post Top Ad

রমজানে অস্থির সবজির বাজার




শহিদুল ইসলাম. প্রতি বছরই রমজানের আগে নিত্যপ্রয়োজনীয় পন্যের দাম বেড়ে যায়।সরকার ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে বাজার নিয়ন্ত্রণের আশ্বাস দেওয়া হলেও তা কাজে দেয় না।নজরে পড়ে না নজর দারিও। এর ব্যতিক্রম ঘটেনি এবারও।রমজানের আগে অন্যান্য পন্যের  পাশাপাশি নগরীতে সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এসব কথা বলেন নুরুল ইসলাম তিনি একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন,গতকাল নগরীর চৌমাথা  কাঁচাবাজারে বাজার করতে এসে বরিশাল সময় প্রতিবেদকের কাছে তিনি এমন মন্তব্য করেন।তিনি বলেন, গত সপ্তাহে  ছিলো বিভিন্ন সবজির দাম কেজি প্রতি ৫০ থেকে ৬০  টাকা। তা আজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। কয়েকদিন ধরে হু হু করে বাড়ছে সবজির দাম, তা বুঝতে পারছি না।তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমরা ক্রেতারা বেশি দামে কিনলেও কৃষকরা ন্যায্য দাম পান না। তাদের উপার্জন মধ্যস্বত্বভোগীর পকেটে চলে যাচ্ছে।চিনি পেয়াজের দাম বেশি হওয়ায় আক্ষেপ করে ফাহিমা নামের এক গৃহিণী বলেন, সবজি দাম কিছুটা উঠা নামা করলেও  বাজারে চিনিও পেয়াজের দাম সবচেয়ে বেশি। তারপরও কিনতে হচ্ছে।তিনি আর জানানচিনি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ কেজিতে।দেশি পেয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০টাকা কেজিদরে। রমজানকে ঘিরে, ১০০ টাকা কেজি দরের মুড়ি, ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্চে।আখের গুড়,থেকে শুরু করে চিড়া,ছোলা বুট,সহ সকল পন্যের দাম বৃদ্ধি।  সবজির বাজার ঘুরে দেখা যায়,কাকরোল ৮০,বেগুন ৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে  ছিলো ৬০-৭০ কেজি দরে টাকা।নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, সবজির দাম এক সপ্তাহে কেজি প্রতি বেড়েছে ২০-২৫ টাকা।৬০ টাকা করল্লা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কেজি প্রতি ফুলকপি ৪০ টাকা,শালগম ৬০,ধনেপাতা ৮০, গাজর ৬০ টাকা, , টমেটো ৬০ টাকা, বেগুন ৭০ টাকা, উস্তা ৬০ টাকাআলু ২০ টাকা, নতুন শালগম ৫০ টাকা, পাতা কপি ৪০. ওলকপি ৪০, ঝিঙে ৬০ টাকা, বরবটি ৬০,পুইশাক ২০ টাকা মুটা,লালশাক ২০ টাকা মুটা,পাটশাক ১৫ টাকা মুটা, পালংশাক ২০ টাকা, খিরাই ৬০ টাকা, শসা ৭০.পটল ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।কাঁচামরিচের দাম বাড়ার কারণ সম্পর্কে খুচরা বিক্রেতা সুজন বলেন, পাইকারি বাজারে হঠাৎ করে দাম বেড়েছে। যে কারণে বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করছি।তিনি জানান কাঁচামরিচ গত সপ্তাহে ছিলো ৪০-৫০ টাকা। সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০টাকায়।  কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।খুচরা বিক্রেতা দিপক বলেন, পাইকারি দেশি পেঁয়াজ ৪০ টাকা, ভারতীয় ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খুচরা দেশি পেঁয়াজ ৫০-৫৫ টাকা, ভারতীয় ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।পেঁয়াজের দাম বাড়ছে না কমছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ১০ দিন ধরে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পেঁয়াজের দাম না কমার কারণ জানতে চাইলে বিক্রেতা মোইসক্কানদার  বলেন, ভারতে দাম বেশি বলে এদেশেও দাম বেশি। সরবারাহ কম থাকায় মোকামে আমদানিকৃত পেঁয়াজ দাম বৃদ্ধি,তার প্রভাব দেশি পেয়াজেও পড়েছে। এদিকে, আড়তদার জানান,নিত্য প্রায়োজনীয় পন্যর দাম উঠানামা করায় কখনও কমছে, কখনও বাড়ছে। এছাড়া,বৈরী আবহাওয়ার কারনে মাছের দাম বাড়তি থাকলেও মাংসের দাম রয়েছে অপরিবর্তিত

No comments:

Post a Comment

Recent Movies

Post Top Ad