শহিদুল ইসলাম বরিশাল থেকে . ঈদ উপলক্ষো
করে রমজানের শুরুতেই ব্যস্ত
হয়ে পড়েছেন
বরিশাল নগরীর
দর্জি ব্যবসায়ীরা।
অভিজাত মার্কেট
থেকে শুরু
করে কাটপর্টি,বটতলা,সাগরদী,
চৌমাথা,ফজলুল
হক এভিনিউ,হাসপাতাল রোডের
দর্জি দোকানগুলোতে
কারিগরদের ব্যস্ততার চিত্র দেখা গেছে।
তবে এখনও
ভালোভাবে জমে
ওঠেনি। এবার
মজুরি নিয়েও
কোন সমস্যা
নেই বলে
দর্জি মালিক
ও কারিগর
শ্রমিকেরা জানিয়েছেন।মেজর এমএ জলিল সড়ক
বটতলা এলাকার
অরনেট ফ্যাশন
এ্যান্ড টেইলার্সের সত্তাধিকারী জানান, তার
দোকানে অনেক
আগে থেকেই
কাজের চাপ
রয়েছে। তবে
এবারের রমজানের
শুরু থেকেই
কাজের চাপ
লক্ষ করা
গেছে। এবার
তার দোকানে
এমব্রয়ডারি কাঁচ করা দেশি বিদেশী
বাহারী ডিজাইনের
থ্রি পিচ
সহ লেলিনের
১পিচ ২পিচ
কাপড়ের উপর
নকশার কাজ
করে বড়
মাপের ঘের
দেয়া মেয়েদের
পোশাক তৈরি
হচ্ছে সব
থেকে বেশি।
চৌমাথা রাজমনি
টেইলার্সের মালিক মো. রিয়াজ শেখ
জানান, গতবছর
এ সময়
পোশাক তৈরির
চাপ সৃষ্টি
হয়েছিল। কিন্তু
এবার একটু
কম। তবে
আর ক’দিন বাদেই
কাজের চাপ
বেড়ে যাবে
বলে তিনি
জানান। একাধিক
দর্জি কারিগরেরা
জানান,বরিশালের
মার্কেট সহ
বিভিন্ন এলাকার
দর্জি দোকান
গুলোতে কারিগর
রয়েছেন প্রায়
২ হাজারের
বেশি। ঈদকে
সামনে রেখে
তারা এখন
ব্যস্ত হয়ে
পড়েছেন পুরুষ
ও মহিলাদের
পোশাক তৈরির
কাজে।দর্জি মালিকের পক্ষ থেকে জানা
যায়, অন্য বছর
কারিগরদের মজুরি নিয়ে ঝামেলা হলেও
এবার রমজানের
আগেই মজুরি
পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তাই ঝামেলাও
নেই।
শহিদুল ইসলাম বরিশাল থেকে . ঈদ উপলক্ষো
করে রমজানের শুরুতেই ব্যস্ত
হয়ে পড়েছেন
বরিশাল নগরীর
দর্জি ব্যবসায়ীরা।
অভিজাত মার্কেট
থেকে শুরু
করে কাটপর্টি,বটতলা,সাগরদী,
চৌমাথা,ফজলুল
হক এভিনিউ,হাসপাতাল রোডের
দর্জি দোকানগুলোতে
কারিগরদের ব্যস্ততার চিত্র দেখা গেছে।
তবে এখনও
ভালোভাবে জমে
ওঠেনি। এবার
মজুরি নিয়েও
কোন সমস্যা
নেই বলে
দর্জি মালিক
ও কারিগর
শ্রমিকেরা জানিয়েছেন।মেজর এমএ জলিল সড়ক
বটতলা এলাকার
অরনেট ফ্যাশন
এ্যান্ড টেইলার্সের সত্তাধিকারী জানান, তার
দোকানে অনেক
আগে থেকেই
কাজের চাপ
রয়েছে। তবে
এবারের রমজানের
শুরু থেকেই
কাজের চাপ
লক্ষ করা
গেছে। এবার
তার দোকানে
এমব্রয়ডারি কাঁচ করা দেশি বিদেশী
বাহারী ডিজাইনের
থ্রি পিচ
সহ লেলিনের
১পিচ ২পিচ
কাপড়ের উপর
নকশার কাজ
করে বড়
মাপের ঘের
দেয়া মেয়েদের
পোশাক তৈরি
হচ্ছে সব
থেকে বেশি।
চৌমাথা রাজমনি
টেইলার্সের মালিক মো. রিয়াজ শেখ
জানান, গতবছর
এ সময়
পোশাক তৈরির
চাপ সৃষ্টি
হয়েছিল। কিন্তু
এবার একটু
কম। তবে
আর ক’দিন বাদেই
কাজের চাপ
বেড়ে যাবে
বলে তিনি
জানান। একাধিক
দর্জি কারিগরেরা
জানান,বরিশালের
মার্কেট সহ
বিভিন্ন এলাকার
দর্জি দোকান
গুলোতে কারিগর
রয়েছেন প্রায়
২ হাজারের
বেশি। ঈদকে
সামনে রেখে
তারা এখন
ব্যস্ত হয়ে
পড়েছেন পুরুষ
ও মহিলাদের
পোশাক তৈরির
কাজে।দর্জি মালিকের পক্ষ থেকে জানা
যায়, অন্য বছর
কারিগরদের মজুরি নিয়ে ঝামেলা হলেও
এবার রমজানের
আগেই মজুরি
পুনর্নির্ধারণ করা হয়। তাই ঝামেলাও
নেই।
No comments:
Post a Comment