বায়ান্নোর বাংলা
ডেস্ক
. বরিশাল
দীর্ঘ
আট
বছর
আদালতে
মামলা
চালিয়ে
ভূমিদস্যুদের
দখল
থেকে
পৈত্তিক
জমি
আদালতের
মাধ্যমে
ফিরে
পেয়েছে
কৃষক
মোঃ
খলিলুর
রহমান।
আদালতের
নির্দেশ
মোতাবেক
জেলা
জজ
আদালতের
নাজির,
কারীজারক,
আমিন
ও
একদল
পুলিশ
প্রশাসনের
উপস্থিতিতে
জমির
মাফ
দিয়ে
লাল
নিশানা
টানিয়ে
খলিলুর
রহমানের
জমি
বুঝিয়ে
দেয়া
হয়েছে।
গতকাল
বেলা
বারটায়
স্থানীয়
এলাকাবাশীর
সামনে
জমির
মালিক
খলিলকে
প্রশাসন
তার
সম্পত্তি
বুঝিয়ে
দেয়া
হয়।
আদালতের
মামলা
সূত্রে
জানা
গেছে
নগরীর
৬০
নং
দক্ষিন
চর
আইচার
মৌজার
৪৬০৩
দাগের,
বি,এস ১৭৭০৮ দাগের সাড়ে আট শতাংশ জমি দীর্ঘদিন যাবত উক্ত এলাকার
ভূমিদস্যু
এমদাদুল
হক
সুরুজ
মোল্লা
জাল
জালিয়াতের
মাধ্যমে
দখল
নিয়ে
ভোগদখল
করা
সহ
কয়েকদফা
ঐজমি
বিভিন্ন
মানুষের
কাছে
বিক্রি
করে
আসছিল।
খলিলুর
রহমান
ও
তার
পরিবার-পরিজন উক্ত জমি উদ্বারের
জন্য
২০১০
সালের
১০ই
আগস্ট
জেলা
জজ
আদালতে
একটি
মামলা
দায়ের
করেন।
প্রায়
ছয়
বছর
মামলা
পরিচালনা
করে
আসছিল
খলিলুর
রহমান।
দীঘ
আইনী
লড়াই
শেষে
২০১৬
সালের
১৮ই
আগস্ট
জেলা
জজ
আদালতের
বিচারক
খলিলুর
রহমানের
পক্ষে
রায়
প্রদান
করেন।
বিবাদী
ভূমিদস্যু
পুনরায়
উচ্চ
আদালতে
গিয়ে
আপিল
করেন
যার
পরিপেক্ষিতে
পুনরায়
উক্ত
জমির
মামলা
খলিুর
রহমানকে
নতুন
করে
মামলা
পরিচালনা
করতে
হয়।
২
বছর
মামলা
পরিচালনা
করে
খলিলুর
রহমান
আবার
এ
মামলায়
তার
পক্ষে
আদেশ
দেন
বিচারক।
এব্যাপারে
খলিলুর
রহমান
তার
জমি
ফিরিয়ে
দেয়ার
জন্য
আদালতে
আবেদন
করলে
বিজ্ঞ
সিনিয়র
সহকারী
জজ
আদালতের
বিচারক
মোঃ
হাদিউজ্জামান
গত
২ইএপ্রিল-২০১৮ইং
খলিলুর
রহমানের
জমি
বুঝিয়ে
দেয়ার
জন্য
বরিশাল
মেট্রোপলিটন
উপ-পুলিশ কমিশনারের
নিকট
একজন
এস.আই,তিন জন ও দুই জন মহিলা কনষ্টেবল
চেয়ে
আদেশ
প্রদান
করে।
এবং
পুলিশের
উপস্থিতিতে
২২ই
মে
২০১৮
মধ্যে
খলিলুর
রহমানের
বেদখল
থাকা
জমি
উদ্বার
করার
মাধ্যমে
বুঝিয়ে
দেয়ার
আদেশ
দেন।
জেলা
জজ
আদালতের
সিনিয়র
সহকারী
জজ
আদালতের
বিচারকের
আদেশ
তামিল
করতে
জেলা
জজ
আদালতের
নাজির
এস.
এম
রেজাউল
করীম,জারীকারক
মাকসুদুর
রহমান,
সরকারী
আমিন
সহ
পুলিশ
প্রশাসন
ও
এলাকাবাশীর
উপস্থিতিতে
জমির
মাফ
দিয়ে
সরকারী
ভাবে
লাল
নিশান
টানিয়ে
খলিলুর
রহমানকে
জমি
বুঝিয়ে
দেন।
উল্লেখ্য
উক্ত
দক্ষিন
চর
আইচা
ও
কর্নকাঠী
এলাকায়
বিশ্ববিদ্যালয়
পতিষ্ঠিত
হবার
শুরু
থেকে
এক
শ্রেনীর
ভূমিদস্যু
সাধারন
মানুষ
ও
কৃষকের
ধানী
জমি
ও
বসত
ভিটা
বেনামে
ভূমি
অফিসের
দু’নম্বরী
কার্যকলাপের
মাধ্যমে
কাগজ
বানিয়ে
সাধারন
মানুষকে
নিঃশ
করে
জমি
হাতিয়ে
নিয়ে
অধিক
মুনাফার
লোভে
বিক্রি
করে
যাচ্ছে।
বায়ান্নোর বাংলা
ডেস্ক
. বরিশাল
দীর্ঘ
আট
বছর
আদালতে
মামলা
চালিয়ে
ভূমিদস্যুদের
দখল
থেকে
পৈত্তিক
জমি
আদালতের
মাধ্যমে
ফিরে
পেয়েছে
কৃষক
মোঃ
খলিলুর
রহমান।
আদালতের
নির্দেশ
মোতাবেক
জেলা
জজ
আদালতের
নাজির,
কারীজারক,
আমিন
ও
একদল
পুলিশ
প্রশাসনের
উপস্থিতিতে
জমির
মাফ
দিয়ে
লাল
নিশানা
টানিয়ে
খলিলুর
রহমানের
জমি
বুঝিয়ে
দেয়া
হয়েছে।
গতকাল
বেলা
বারটায়
স্থানীয়
এলাকাবাশীর
সামনে
জমির
মালিক
খলিলকে
প্রশাসন
তার
সম্পত্তি
বুঝিয়ে
দেয়া
হয়।
আদালতের
মামলা
সূত্রে
জানা
গেছে
নগরীর
৬০
নং
দক্ষিন
চর
আইচার
মৌজার
৪৬০৩
দাগের,
বি,এস ১৭৭০৮ দাগের সাড়ে আট শতাংশ জমি দীর্ঘদিন যাবত উক্ত এলাকার
ভূমিদস্যু
এমদাদুল
হক
সুরুজ
মোল্লা
জাল
জালিয়াতের
মাধ্যমে
দখল
নিয়ে
ভোগদখল
করা
সহ
কয়েকদফা
ঐজমি
বিভিন্ন
মানুষের
কাছে
বিক্রি
করে
আসছিল।
খলিলুর
রহমান
ও
তার
পরিবার-পরিজন উক্ত জমি উদ্বারের
জন্য
২০১০
সালের
১০ই
আগস্ট
জেলা
জজ
আদালতে
একটি
মামলা
দায়ের
করেন।
প্রায়
ছয়
বছর
মামলা
পরিচালনা
করে
আসছিল
খলিলুর
রহমান।
দীঘ
আইনী
লড়াই
শেষে
২০১৬
সালের
১৮ই
আগস্ট
জেলা
জজ
আদালতের
বিচারক
খলিলুর
রহমানের
পক্ষে
রায়
প্রদান
করেন।
বিবাদী
ভূমিদস্যু
পুনরায়
উচ্চ
আদালতে
গিয়ে
আপিল
করেন
যার
পরিপেক্ষিতে
পুনরায়
উক্ত
জমির
মামলা
খলিুর
রহমানকে
নতুন
করে
মামলা
পরিচালনা
করতে
হয়।
২
বছর
মামলা
পরিচালনা
করে
খলিলুর
রহমান
আবার
এ
মামলায়
তার
পক্ষে
আদেশ
দেন
বিচারক।
এব্যাপারে
খলিলুর
রহমান
তার
জমি
ফিরিয়ে
দেয়ার
জন্য
আদালতে
আবেদন
করলে
বিজ্ঞ
সিনিয়র
সহকারী
জজ
আদালতের
বিচারক
মোঃ
হাদিউজ্জামান
গত
২ইএপ্রিল-২০১৮ইং
খলিলুর
রহমানের
জমি
বুঝিয়ে
দেয়ার
জন্য
বরিশাল
মেট্রোপলিটন
উপ-পুলিশ কমিশনারের
নিকট
একজন
এস.আই,তিন জন ও দুই জন মহিলা কনষ্টেবল
চেয়ে
আদেশ
প্রদান
করে।
এবং
পুলিশের
উপস্থিতিতে
২২ই
মে
২০১৮
মধ্যে
খলিলুর
রহমানের
বেদখল
থাকা
জমি
উদ্বার
করার
মাধ্যমে
বুঝিয়ে
দেয়ার
আদেশ
দেন।
জেলা
জজ
আদালতের
সিনিয়র
সহকারী
জজ
আদালতের
বিচারকের
আদেশ
তামিল
করতে
জেলা
জজ
আদালতের
নাজির
এস.
এম
রেজাউল
করীম,জারীকারক
মাকসুদুর
রহমান,
সরকারী
আমিন
সহ
পুলিশ
প্রশাসন
ও
এলাকাবাশীর
উপস্থিতিতে
জমির
মাফ
দিয়ে
সরকারী
ভাবে
লাল
নিশান
টানিয়ে
খলিলুর
রহমানকে
জমি
বুঝিয়ে
দেন।
উল্লেখ্য
উক্ত
দক্ষিন
চর
আইচা
ও
কর্নকাঠী
এলাকায়
বিশ্ববিদ্যালয়
পতিষ্ঠিত
হবার
শুরু
থেকে
এক
শ্রেনীর
ভূমিদস্যু
সাধারন
মানুষ
ও
কৃষকের
ধানী
জমি
ও
বসত
ভিটা
বেনামে
ভূমি
অফিসের
দু’নম্বরী
কার্যকলাপের
মাধ্যমে
কাগজ
বানিয়ে
সাধারন
মানুষকে
নিঃশ
করে
জমি
হাতিয়ে
নিয়ে
অধিক
মুনাফার
লোভে
বিক্রি
করে
যাচ্ছে।
No comments:
Post a Comment