শহিদুল ইসলাম. রমজানেও ঘন-ঘন লোডসেডিং।
ভ্যাপসা গরমে
জন-জীবন
নাজেহাল হয়ে
পড়েছে। বিদ্যুতের
লুকোচুরি খেলার
কারণে রোজাদার
ব্যক্তিদের অনেক কষ্ট পেতে হচ্ছে।তাছাড়া
বিদ্যুৎ চালিত
সরঞ্জামাদি অচল হয়ে যাচ্ছে।বরিশালে গত
কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরমে, ঘামে অসহনীয়
অবস্থা বিরাজ
করছে সর্বত্র।
গরম অত্যধিক
থাকায় মানুষ
অতিরিক্ত ঘামাচ্ছে।
সেই সাথে
শরীর দ্রুত
দুর্বল ও
কাহিল হয়ে
পড়ছে। অনেকেই
ডায়রিয়া, আমাশয়,
পেটের পীড়াসহ
বিভিন্ন ধরনের
মৌসুমি রোগ-ব্যাধিতে অসুস্থ
হয়ে পড়ছে।
বয়োবৃদ্ধ ও
শিশুদের কষ্ট-দুর্ভোগ বেড়ে
গেছে। গরমের
তীব্রতার কারণে
হিটট্রোকের ঝুঁকিও রয়েছে বলে চিকিৎসকরা
জানিয়েছেন।তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থায় কারও
কোথাও যেন
স্বস্তি নেই।
তাপদাহ থেকে
পরিত্রাণের জন্য গ্রামে অনেকে পুকুর,
দীঘি, নদীতে
গা ভেজাচ্ছে।
তীব্র গরমে
শহরে-গঞ্জে
শরবৎ, ফল-ফলারি, আইসক্রিম
বেচাকেনা বেড়ে
গেছে। তবে
চিকিৎসকরা তাপদাহে বেশি করে বিশুদ্ধ
পানীয় পানের
এবং রাস্তাঘাটে
খোলা, অস্বাস্থ্যকর
খাবার পরিহারের
পরামর্শ দিয়েছেন।
গরমের সাথে
পাল্লা দিয়ে
বেড়েছে বিদ্যুতের
লোডশেডিং ও
বিভ্রাট। বিশেষ
করে তারাবী নামাজের সময়ও লোডসেডিং
হচ্ছে।গতকাল বটতলা এলাকার বায়তুল মামুর
জামে মসজিদে
নামাজ আদায়
করতে আসা
মুসল্লিরা বিদ্যুৎ বিভাগের কর্তাব্যক্তিদের উদেশ্যে অভিযোগ করে বলেন,আপনারা,দিনে
দুই থেকে
তিন বার
বিদ্যুৎ নিচ্ছেন,
রাতে তারাবীহ
নামাজ আদায়
কালেও লোডসেডিং
হয়েছে।তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ রমজানের
কয়টা দিন
বিদ্যুৎ নিয়ে
লুকোচুরি খেলা
বন্ধ করুন।অন্যদিকে
দেখা যায়,
চার্জে ব্যাটারী
চালিত যানবাহন
সমূহ অচল
হয়ে পড়েছে।
গতকাল দিন-রাত ২৪
ঘন্টার মধ্য
হতে ৫-৬ বার
বিদ্যুৎ যাওয়া
আসা করে।
সরকারি, বে-সরকারি অফিস
ব্যাংক-বীমা
প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে
ব্যহত হচ্ছে।
বিদুৎ চালিত
ফ্যান, কম্পিউটার,
রাইসমিল, ফটোস্ট্যাট
মেশিন, ফ্রিজ,
টিভি অচল
হতে চলেছে।
অপরদিকে অটোবাইক,
অটোভ্যান, অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে
গেছে। ঘন-ঘন বিদ্যুৎ
আসা যাওয়ায়
স্কুল কলেজ
গামী শিক্ষার্থীদের
লেখা পড়ায়
চরম বিঘ্নত
হয়েছে।বটতলা এলাকার, অরনেট ফ্যাশন এ্যান্ড
টেইলার্সের স্বত্বাধীকারী সহিদ
মিয়া জানান,
ঘন-ঘন
বিদ্যুৎ আসা
যাওয়ার কারণে
ঠিকভাবে কাজ
করতে পারছিনা।
একজন কাস্টমারকে
অনেক সময়
ব্যয় করে
কাজ করে
দিতে হচ্ছে।বিদ্যুত
প্রৌকাশলী ওমর ফারুক বরিশাল সময়কে
জানান, বরিশাল
নগরীতে বিদ্যুতের
কোন ঘাড়তি
নেই। তবে
লাইনে সমস্যা
দেখা দিলে
বিদ্যুৎ সরবারহ
বন্ধরেখে কাজ
করতে হচ্ছে।এ
রমের সমস্যা
সব এলাকাতেই
হচ্ছে বলে
তিনি জানান
শহিদুল ইসলাম. রমজানেও ঘন-ঘন লোডসেডিং।
ভ্যাপসা গরমে
জন-জীবন
নাজেহাল হয়ে
পড়েছে। বিদ্যুতের
লুকোচুরি খেলার
কারণে রোজাদার
ব্যক্তিদের অনেক কষ্ট পেতে হচ্ছে।তাছাড়া
বিদ্যুৎ চালিত
সরঞ্জামাদি অচল হয়ে যাচ্ছে।বরিশালে গত
কয়েকদিনের ভ্যাপসা গরমে, ঘামে অসহনীয়
অবস্থা বিরাজ
করছে সর্বত্র।
গরম অত্যধিক
থাকায় মানুষ
অতিরিক্ত ঘামাচ্ছে।
সেই সাথে
শরীর দ্রুত
দুর্বল ও
কাহিল হয়ে
পড়ছে। অনেকেই
ডায়রিয়া, আমাশয়,
পেটের পীড়াসহ
বিভিন্ন ধরনের
মৌসুমি রোগ-ব্যাধিতে অসুস্থ
হয়ে পড়ছে।
বয়োবৃদ্ধ ও
শিশুদের কষ্ট-দুর্ভোগ বেড়ে
গেছে। গরমের
তীব্রতার কারণে
হিটট্রোকের ঝুঁকিও রয়েছে বলে চিকিৎসকরা
জানিয়েছেন।তীব্র গরমে হাঁসফাঁস অবস্থায় কারও
কোথাও যেন
স্বস্তি নেই।
তাপদাহ থেকে
পরিত্রাণের জন্য গ্রামে অনেকে পুকুর,
দীঘি, নদীতে
গা ভেজাচ্ছে।
তীব্র গরমে
শহরে-গঞ্জে
শরবৎ, ফল-ফলারি, আইসক্রিম
বেচাকেনা বেড়ে
গেছে। তবে
চিকিৎসকরা তাপদাহে বেশি করে বিশুদ্ধ
পানীয় পানের
এবং রাস্তাঘাটে
খোলা, অস্বাস্থ্যকর
খাবার পরিহারের
পরামর্শ দিয়েছেন।
গরমের সাথে
পাল্লা দিয়ে
বেড়েছে বিদ্যুতের
লোডশেডিং ও
বিভ্রাট। বিশেষ
করে তারাবী নামাজের সময়ও লোডসেডিং
হচ্ছে।গতকাল বটতলা এলাকার বায়তুল মামুর
জামে মসজিদে
নামাজ আদায়
করতে আসা
মুসল্লিরা বিদ্যুৎ বিভাগের কর্তাব্যক্তিদের উদেশ্যে অভিযোগ করে বলেন,আপনারা,দিনে
দুই থেকে
তিন বার
বিদ্যুৎ নিচ্ছেন,
রাতে তারাবীহ
নামাজ আদায়
কালেও লোডসেডিং
হয়েছে।তাই আপনাদের কাছে অনুরোধ রমজানের
কয়টা দিন
বিদ্যুৎ নিয়ে
লুকোচুরি খেলা
বন্ধ করুন।অন্যদিকে
দেখা যায়,
চার্জে ব্যাটারী
চালিত যানবাহন
সমূহ অচল
হয়ে পড়েছে।
গতকাল দিন-রাত ২৪
ঘন্টার মধ্য
হতে ৫-৬ বার
বিদ্যুৎ যাওয়া
আসা করে।
সরকারি, বে-সরকারি অফিস
ব্যাংক-বীমা
প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল কার্যক্রম মারাত্মক ভাবে
ব্যহত হচ্ছে।
বিদুৎ চালিত
ফ্যান, কম্পিউটার,
রাইসমিল, ফটোস্ট্যাট
মেশিন, ফ্রিজ,
টিভি অচল
হতে চলেছে।
অপরদিকে অটোবাইক,
অটোভ্যান, অটোরিকশা চলাচল বন্ধ হয়ে
গেছে। ঘন-ঘন বিদ্যুৎ
আসা যাওয়ায়
স্কুল কলেজ
গামী শিক্ষার্থীদের
লেখা পড়ায়
চরম বিঘ্নত
হয়েছে।বটতলা এলাকার, অরনেট ফ্যাশন এ্যান্ড
টেইলার্সের স্বত্বাধীকারী সহিদ
মিয়া জানান,
ঘন-ঘন
বিদ্যুৎ আসা
যাওয়ার কারণে
ঠিকভাবে কাজ
করতে পারছিনা।
একজন কাস্টমারকে
অনেক সময়
ব্যয় করে
কাজ করে
দিতে হচ্ছে।বিদ্যুত
প্রৌকাশলী ওমর ফারুক বরিশাল সময়কে
জানান, বরিশাল
নগরীতে বিদ্যুতের
কোন ঘাড়তি
নেই। তবে
লাইনে সমস্যা
দেখা দিলে
বিদ্যুৎ সরবারহ
বন্ধরেখে কাজ
করতে হচ্ছে।এ
রমের সমস্যা
সব এলাকাতেই
হচ্ছে বলে
তিনি জানান
No comments:
Post a Comment