বরিশালের গৌরনদী হাইওয়ে
থানা পুলিশের
বিরুদ্ধে রাতভর
বরিশাল-ঢাকা
মহাসড়কে প্রকাশ্যে
চাঁদাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে। তাদের
বেপরোয়া চাঁদাবাজিতে
অতিষ্ঠ হয়ে
পড়েছেন ট্রাক
ও পিকআপ
ভ্যান মালিক-চালকরা। বরিশাল
থেকে ঢাকা,
খুলনা, যশোরসহ
দেশের বিভিন্ন
অঞ্চলে যাতায়াতের
প্রবেশদ্বার বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় স্থাপন
করা হয়
গৌরনদী হাইওয়ে
থানা পুলিশ।
মহাসড়কে নিরাপত্তা,
দুর্ঘটনা রোধ
এবং মাদক
চোরাচালান আটক এগুলো হাইওয়ে পুলিশের
প্রধান কাজ।
তবে গৌরনদী
হাইওয়ে থানা
পুলিশের ক্ষেত্রে
চলছে ব্যতিক্রম
কার্যক্রম। বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে প্রতিদিন
হাজার হাজার
যাত্রীবাহী এবং মালবাহী যানবাহন চলাচল
করে। গৌরনদী
হাইওয়ে থানা
পুলিশের বিরুদ্ধে
যানবাহন থেকে
দিনে-রাতে
সমানতালে চাঁদাবাজির
অভিযোগ দীর্ঘদিনের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রতিদিন সন্ধ্যার
পর থেকে
টহলের নামে
তাদের চাঁদাবাজি
ভয়াবহ রূপ
নেয়। দূরের
মালবাহী ট্রাক
এবং ছোট
ছোট পিকআপ
ভ্যান চালকদের
টাকা না
দিলে মুক্তি
নেই। ভুক্তভোগী
পিকআপ ভ্যান
চালক মো:
রাসেল, ট্রাক
চালক মো.
মালেক খান
ও মো.
জাহাঙ্গীর জানান, বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কের
উজিরপুর উপজেলার
আটিপাড়া রাস্তার
মাথার নামক
স্থানের দক্ষিন
পাশে, বামরাইল
বাসস্ট্যান্ডের উত্তর পাশে বাইসখোলা, গৌরনদী
উপজেলার মাহিলারা
বাসস্ট্যান্ডের দক্ষিন পাশে, টরকী বাসস্ট্যান্ডের
দক্ষিন পাশে
এবং বার্থী
বাসস্ট্যান্ডের উত্তর পাশে ইল্লা নামক
স্থানসহ আরও
কয়েকটি পয়েন্টে
তারা রাতভর
এই চাঁদাবাজি
করে থাকেন।
তারা আরও
জানিয়েছেন, মামলা দেয়ার ভয় দেখিয়ে
কিংবা কাগজপত্র
দেখার নামে
তারা নিয়মিত
চাঁদা নিলেও
কিছুই করার
নেই। ট্রাকের
চালক-হেলপারদের
বেধড়ক মারধর
করা হাইওয়ে
পুলিশের নিয়মিত
অভ্যাসে পরিণত
হয়েছে। আবার
কাগজপত্রবিহীন যানগুলো ধরে থানায় এনে
মামলা না
দিয়ে মোটা
অংকের টাকা
হাতিয়ে নেয়া
হচ্ছে। তবে
এ সকল
অভিযোগ সম্পূর্নরুপে
অস্বীকার করেছেন
গৌরনদী হাইওয়ে
থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা (ওসি) আতিয়ার রহমান।
No comments:
Post a Comment