বায়ান্নোর বাংলা ডেস্ক . বরিশাল মেট্রোপলিটন
ট্রাফিক পুলিশের
সিগন্যাল না
মানায় কলেজ
ছাত্রকে মারধর
করেছে পুলিশ
বলে অভিযোগ
উঠেছে। আজ
বেলা ১২টার
দিকে নগরীর
নথুল্লাবাদ পুল সংলগ্ন কাঁচাবাজার এলাকায়
এ ঘটনা
ঘটে।মোটর সাইকেল
থামানোর আগেই
চর-থাপ্পর
দেওয়া শুরু
করলে নিয়ন্ত্রণ
হারিয়ে মোটর
বাইকসহ পড়ে
গিয়ে ওই
কলেজ ছাত্রের
হাত ভেঙে
যায় এবং
পা কেটে
মারাত্মক জখম
হয় বলে
জানিয়েছে আহতের
পিতা সৈয়দ
সফিকুল ইসলাম
রিয়াজ। তবে
দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সার্জেন্ট তারেক ঘটনাটি
অস্বীকার করেছেন।তিনি
দাবী করেছেন,
কেউ মারধর
করেনি। মূলত
গতি নিয়ন্ত্রণ
করতে না
পেরে পরে
গিয়ে আহত
হয়েছে। এটি
একটি সড়ক
দুর্ঘটনা। ওদিকে ঘটনার পরপরই শের-ই-বাংলা
মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ছুটে যান সহকারি পুলিশ
কমিশনার (ট্রাফিক)
উত্তম কুমার
পাল।হাসপাতাল সূত্রে
জানা গেছে,
সৈয়দ সফিকুল
ইসলামের পুত্র
হাতেম আলী
কলেজের শিক্ষার্থী
জাকারিয়া জিহাদ
তৃতীয় তলায়
চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জাকারিয়া জিহাদ বলেন,
দুপুর ১২টার
দিকে তার
বান্ধবীকে নিয়ে মোটর সাইকেলেযোগে নথুল্লাবাদ
জিয়া সড়ক
যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে গ্লোবাল বিশ্ববিদ্যালয় চত্বর
(নথুল্লাবাদ কাঁচাবাজার সংলগ্ন) পৌছামাত্র ট্রাফিক
সিগন্যাল দেয়।
গাড়ির গতি
বেশি ছিল
বিধায় তা
কমানোর আগেই
একজনে পিছন
থেকে জোড়ে
থাপ্পর মারে।
কে থাপ্পর
মেরেছে তা
দেখতে পিছনে
তাকানোর সময়
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পরে যায়। ঘটনাস্থলেই
জাকারিয়ার হাত ভেঙে যায় এবং
পা কেটে
যায়। সঙ্গে
থাকা বান্ধবীও
আঘাতপ্রাপ্ত হন। জাকারিয়া জানান, থাপ্পরটি
মারেন সার্জেন্ট
তারেকের সহযোগী
এক পুলিশ
সদস্য।এ বিষয়ে
সার্জেন্ট তারেক বলেন, সিগন্যাল না
মেনে দ্রুত
ড্রাইভ করার
সময় একটি
ছাগল সামনে
পরায় নিয়ন্ত্রন
হারিয়ে দুর্ঘটনার
শিকার হন
জাকারিয়া ও
তার বান্ধবী।
যদিও প্রথমে
তিনি স্পিড
ব্রেকারে নিয়ন্ত্রন
হারিয়ে পড়ে
যাওয়ার কথা
বলেন।জাকারিয়ার পিতা
সৈয়দ সফিকুল
ইসলাম বলেন,
জিহাদের পায়ে
সাতটি সেলাই
লেগেছে। হাত
ভেঙে গেছে।
তিনি আরও
বলেন, ঘটনা
শুনেই উত্তম
কুমার স্যার
হাসপাতালে দেখতে এসছিলেন। তিনি চিকিৎসার
ব্যয়ভার নিবেন
বলে কথা
দিয়েছেন। একইসাথে
মিডিয়াকে কিছু
বলতে বারণ
করে গেছেন।এ বিষয়ে সহকারি
পুলিশ কমিশনার
উত্তম কুমার
পাল বলেন,
আহত কলেজ
ছাত্রের মাথায়
হেলমেট ছিল
না। তাকে
পুলিশ সদস্যরা
থামানোর সিগন্যাল
দিলে তা
না শুনে
দ্রুত চালাতে
গিয়ে দুর্ঘটনার
শিকার হয়।
ওই সময়ে
কলেজ ছাত্রটিকে
হাসপাতালে নেওয়ার কেউ ছিল না
বিধায় পুলিশ
সদস্যরাই তাকে
হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। অপর
এক প্রশ্নের
জবাবে এই
কর্মকর্তা বলেন, আমি হাসপাতালে গিয়েছিলাম
মানবিক কারণে।পুলিশ
সদস্য ওই
কলেজ ছাত্রকে
চড়-থাপ্পর
দিয়েছে কিনা
এমন প্রশ্নের
জবাবে উত্তম
কুমার পাল
বলেন, এটি
তদন্ত সাপেক্ষ
বিষয়। এমন
কথা শুনেছি।
বিষয়টি নিয়ে
তদন্ত হচ্ছে।
তদন্তে প্রমাণ
হলে দোষীদের
বিরুদ্ধে ব্যবস্থা
গ্রহণের আশ্বাস
দেন তিনি।
Post Top Ad
Home
বরিশাল সদর
বরিশাল নগরীতে মোটরসাইকেল না থামানোয় দুই শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিল সার্জেন্ট
বরিশাল নগরীতে মোটরসাইকেল না থামানোয় দুই শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হাত ভেঙ্গে দিল সার্জেন্ট
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
No comments:
Post a Comment