বায়ান্নোর
বাংলা ডেস্ক . ক্ষমতা ভোগ করা
নয়, জনগণের
সেবা করাই
আওয়ামী লীগ
সরকারের মূল
লক্ষ্য বলে
জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ
বুধবার সকালে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগ
সমূহের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের
বার্ষিক কর্মসম্পাদন
চুক্তি স্বাক্ষর
অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা
বলেন, যে
কোনো বাধা
আসুক তা
অতিক্রম করে
সাফল্য অর্জন
করা যায়।
এর জন্যে
প্রয়োজন অতিরিক্ত
আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা এবং পরিকল্পনা নেয়ার
মতে চিন্তা
ভাবনা। আমরা
রাজনীতি করি।
জনসেবা করার
জন্য। দেশকে
গড়ে তোলার
জন্য। দেশের
মানুষের কল্যাণের
জন্য।
২০০৭ সালে
আমাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
সেই সময়
আমাকে রাজনীতি
থেকে বিতাড়নের
চক্রান্ত চলছিল।
আমি জেলখানায়
ছিলাম, ক্ষমতায়
গেলে দেশ-জনগণের উন্নয়নে
কী করতে
হবে সেসব
ইশতেহারের পয়েন্ট আমি লিখে রাখি।
পরে সেই
গুলো বাস্তবায়ন
করি।
শেখ হাসিনা
বলেন, আমরা
দেশের সম্পর্কে
চিন্তা করে
যে পরিকল্পনা
করি, সেই
লক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে
দেশকে পরিচিত
করি। ২০০০
সালে প্রধানমন্ত্রী
থাকা অবস্থায়
আমরা জাতিসংঘে
এমডিজি স্বাক্ষর
করি। আমরা
এমডিজি বাস্তবায়নে
সাফল্য অর্জন
করতে পেরেছি।
এই কারণেই
পেরেছি যে,
আমাদের নিজেদের
পরিকল্পনা ছিল। তিনি বলেন,
জাতিসংঘ গৃহীত
এমডিজি ( মিলেনিয়াম
ডেভেলপমেন্ট গোলস) ২০১৫ সালে শেষ
হয়। এমডিজিতে
আমরা অংশ
নিই, সেখানেও
আমরা সফলতা
দেখিয়েছি। এরপর জাতিসংঘ এসডিজি (সাসটেইন
ডেভেলপমেন্ট গোলস) গ্রহণ করে। সেখানেও
আমরা অংশ
নিয়েছি। এখন
আমাদের লক্ষ্য
এসডিজি বাস্তবায়ন
করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ যখনই কোনো
উদ্যোগ নিয়েছে
আমরা সেটাকে
গ্রহণ করেছি
এবং সফলতা
দেখিয়েছি। অনেকে বলেছিল বাংলাদেশ স্বাধীন
হলে দেশ
তলাবিহীন ঝুড়িতে
পরিণত হবে।
কিন্তু বাংলাদেশ
পেরেছে, পারবে। বাংলাদেশ
আজ উন্নয়নের
রোল মডেল।
আমরা লক্ষ্য
দক্ষিণ এশিয়ার
মধ্যে বাংলাদেশকে
সুখি-সমৃদ্ধ
দেশে পরিণত
করা। আমরা
সেই লক্ষ্যে
কাজ করে
যাচ্ছি। জাতির
পিতা বেঁচে
থাকলে ১০
বছরে মধ্যেই
দেশ উন্নত
হতো। কিন্তু
দেশ সেই
সুযোগ পায়নি। সরকারি
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন,
আমরা পথ-প্রদর্শকের ভূমিকা
পালন করি।
আর আপনারা
দক্ষতার সঙ্গে
সেগুলো বাস্তবায়ন
করে যাচ্ছেন।
এ জন্য
আপনাদের ধন্যবাদ
জানাই।
বার্ষিক কর্মসম্পাদন
চুক্তির বিষয়ে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০১৮-১৯
অর্থবছরের বাজেট দিয়েছি। ১ লাখ
৭০ হাজার
কোটি টাকার
কর্মসম্পাদন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। এখন
এগুলোর দ্রুত
বাস্তবায়ন করা দরকার।
বায়ান্নোর
বাংলা ডেস্ক . ক্ষমতা ভোগ করা
নয়, জনগণের
সেবা করাই
আওয়ামী লীগ
সরকারের মূল
লক্ষ্য বলে
জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ
বুধবার সকালে
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রণালয় ও বিভাগ
সমূহের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের
বার্ষিক কর্মসম্পাদন
চুক্তি স্বাক্ষর
অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা
বলেন, যে
কোনো বাধা
আসুক তা
অতিক্রম করে
সাফল্য অর্জন
করা যায়।
এর জন্যে
প্রয়োজন অতিরিক্ত
আত্মবিশ্বাস, দৃঢ়তা এবং পরিকল্পনা নেয়ার
মতে চিন্তা
ভাবনা। আমরা
রাজনীতি করি।
জনসেবা করার
জন্য। দেশকে
গড়ে তোলার
জন্য। দেশের
মানুষের কল্যাণের
জন্য।
২০০৭ সালে
আমাকে গ্রেপ্তার
করা হয়।
সেই সময়
আমাকে রাজনীতি
থেকে বিতাড়নের
চক্রান্ত চলছিল।
আমি জেলখানায়
ছিলাম, ক্ষমতায়
গেলে দেশ-জনগণের উন্নয়নে
কী করতে
হবে সেসব
ইশতেহারের পয়েন্ট আমি লিখে রাখি।
পরে সেই
গুলো বাস্তবায়ন
করি।
শেখ হাসিনা
বলেন, আমরা
দেশের সম্পর্কে
চিন্তা করে
যে পরিকল্পনা
করি, সেই
লক্ষে আন্তর্জাতিকভাবে
দেশকে পরিচিত
করি। ২০০০
সালে প্রধানমন্ত্রী
থাকা অবস্থায়
আমরা জাতিসংঘে
এমডিজি স্বাক্ষর
করি। আমরা
এমডিজি বাস্তবায়নে
সাফল্য অর্জন
করতে পেরেছি।
এই কারণেই
পেরেছি যে,
আমাদের নিজেদের
পরিকল্পনা ছিল। তিনি বলেন,
জাতিসংঘ গৃহীত
এমডিজি ( মিলেনিয়াম
ডেভেলপমেন্ট গোলস) ২০১৫ সালে শেষ
হয়। এমডিজিতে
আমরা অংশ
নিই, সেখানেও
আমরা সফলতা
দেখিয়েছি। এরপর জাতিসংঘ এসডিজি (সাসটেইন
ডেভেলপমেন্ট গোলস) গ্রহণ করে। সেখানেও
আমরা অংশ
নিয়েছি। এখন
আমাদের লক্ষ্য
এসডিজি বাস্তবায়ন
করা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ যখনই কোনো
উদ্যোগ নিয়েছে
আমরা সেটাকে
গ্রহণ করেছি
এবং সফলতা
দেখিয়েছি। অনেকে বলেছিল বাংলাদেশ স্বাধীন
হলে দেশ
তলাবিহীন ঝুড়িতে
পরিণত হবে।
কিন্তু বাংলাদেশ
পেরেছে, পারবে। বাংলাদেশ
আজ উন্নয়নের
রোল মডেল।
আমরা লক্ষ্য
দক্ষিণ এশিয়ার
মধ্যে বাংলাদেশকে
সুখি-সমৃদ্ধ
দেশে পরিণত
করা। আমরা
সেই লক্ষ্যে
কাজ করে
যাচ্ছি। জাতির
পিতা বেঁচে
থাকলে ১০
বছরে মধ্যেই
দেশ উন্নত
হতো। কিন্তু
দেশ সেই
সুযোগ পায়নি। সরকারি
কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনা বলেন,
আমরা পথ-প্রদর্শকের ভূমিকা
পালন করি।
আর আপনারা
দক্ষতার সঙ্গে
সেগুলো বাস্তবায়ন
করে যাচ্ছেন।
এ জন্য
আপনাদের ধন্যবাদ
জানাই।
বার্ষিক কর্মসম্পাদন
চুক্তির বিষয়ে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা ২০১৮-১৯
অর্থবছরের বাজেট দিয়েছি। ১ লাখ
৭০ হাজার
কোটি টাকার
কর্মসম্পাদন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি। এখন
এগুলোর দ্রুত
বাস্তবায়ন করা দরকার।
No comments:
Post a Comment