শামীম আহমেদ. জেলার উজিরপুর উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের সোনার
বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে বোমা বিস্ফোরনের পর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে
দুইটি অবিস্ফোরিত বোমা, তিনটি পেট্্েরাল বোমা
ও বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছেন। এ ঘটনায় থানার এসআই
আলমগীর হোসেন বাদি হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৬০জনকে আসামি করে বিষ্ফোরক
আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। বোমা বিস্ফোরনের ঘটনাটি
গত রবিবার রাত সাড়ে সাতটার দিকে ঘটলেও পুলিশ মামলায় বিকেল পৌনে পাঁচটার কথা উল্লেখ
করেছেন। মামলার বিষয়টি বুধবার
সকালে সর্বত্র ছড়িয়ে পরলে ঘটনার সময় নির্ধারন নিয়ে থানার ওসির রহস্যজনক আচারনে সচেতন
এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। মামলার এজাহার নামীয় আসামিরা হলেন, উজিরপুর পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সোহেল হাওলাদার, যুবদল নেতা খোকন ডাকুয়া, উপজেলা ছাত্রদলের নাট্যবিষয়ক সম্পাদক কালাম ফরাজী, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জহির বেপারী, ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান ফকির ও উপজেলা
জামায়াতের সাবেক নায়েবে আমীর মিজান হাওলাদার। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ৫০/৬০ জনকে আসামি করা হয়েছে।সোনার বাংলা বাজারের ব্যবসায়ী আলী হোসেন জানান, গত ২১ অক্টোবর রাত সাড়ে সাতটার দিকে স্কুলের মাঠের পাশে পর পর দুটি শক্তিশালী বোমার
বিস্ফোরন ঘটে। এসময় বাজারের মধ্যে
থাকা লোকজন প্রানভয়ে দিকবিদিক ছোটাছুটি করে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। স্থানীয় বাসিন্দা রিনা বেগম (৩৫) বলেন, এশার নামাজ আদায়ের জন্য তিনি প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এসময় বোমার বিকট শব্দে গোটা এলাকা প্রকম্পিত হয়ে ওঠে।
রাতের ঘটনা মামলায় দিনের কথা উল্লেখ করার সম্পর্কে বাদি এসআই
আলমগীর হোসেন বলেন, মামলায় উল্লেখিত সময়েই
ঘটনা ঘটেছে। উজিরপুর মডেল থানার
ওসি শিশির কুমার পাল বলেন, বড় ধরনের নাশকতা সৃষ্টির
লক্ষে পরিকল্পনা হচ্ছিলো। টের পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে
পৌঁছলে আসামিরা বোমা ফাটিয়ে পালিয়ে যায়।
No comments:
Post a Comment